পরিযায়ী শ্রমিকের রুটি, নিলো চিরছুটি

ভারতবর্ষ একটি সুবিশাল ভূখণ্ডের নাম যেখানে মোট রাজ্য সংখ্যা ২৯ টি এবং ৭ টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল। এই সুবিশাল ভূখণ্ডের অনগ্রসর ও নিম্ন শ্রেণীর গ্রামীণ মানুষের একটি অংশের কর্মসংস্থানের তাগিদে এক রাজ্য থেকে আরেক রাজ্য বা দূরবর্তী কোনো রাজ্যে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়, স্বভাবতই যার গন্তব্য শহর। ফলশ্রুতিতে এই মানুষগুলোর বেশিরভাগের কাজের প্রকৃতি হয় ; কৃষি, নির্মাণ শ্রমিক, দিন মজুর এবং হকার হিসেবে – যাও অনিশ্চিত, ঝুঁকিপূর্ণ এবং নগন্য। একইসাথে চুক্তিহীন এবং অসংগঠিত হওয়ায় এই মানুষেরা জবাবদিহিতা পদ্ধতির আওতায় নয়। উপরন্তু সাইক্লিং প্রক্রিয়ায় পরিভ্রমণের ফলে তাদের নিরাপত্তার দিক থেকে সবসময়ই সংশয় থেকে যায়, সেইসাথে খরচ সাপেক্ষ। বরাবরই যা হয়, রাষ্ট্র এবং কর্পোরেট শ্রেণীর চোষা রক্তে পরিণত হতে হয় শ্রমিকদের। ভারতবর্ষও তার ব্যতিক্রম নয়৷ শাসক শ্রেণীর দাপট ও দৌরাত্ম্যে বহুল প্রচলিত একটি প্রবাদের মুখাপেক্ষী হই আমরা ; নিজ দেশে পরবাসী! নিজ দেশে পরবাসী এই প্রবাদের বিষ, উপায়ান্তর না থাকায় গায়ে মেখেই হয়তো কাজ করে চলেছিলো সেই শ্রমিকরা। তবু কেবলই পেটের দায়ে বিভিন্ন রাজ্য থেকে কাজ করতে যাওয়া এসব শ্রমিকরা তাদের পরিযায়ী, যাযাবর কিংবা পরবাসী হিসেবে অভিহিত করার ইস্যুতে বিক্ষোভে ফেটে পরেনি।

আমার মনে হয় এই ভাষাপ্রয়োগ নিয়ে তাদেরও মুখ খোলার যথেষ্ট অবকাশ ছিলো। যেমনটি পতিতাপল্লীর যৌনকর্মীরা করেছে৷ ১৯৮৬ সালে ভারতে প্রথম এইডস রোগী চিহ্নিত হওয়ার পর ১৯৯২ সালে যখন ভারতের জনস্বাস্থ্য বিভাগের গবেষকরা কোলকাতার সোনাগাছি পতিতাপল্লীতে কাজ করছিলেন তখন সেখানকার যৌনকর্মীরা তাদেরকে সচরাচর বেশ্যা, নষ্টমেয়েছেলে হিসেবে সম্বোধনের সম্পর্কে পরিত্রাণও চেয়েছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মানষিকতায় পরিবর্তন আসে ১৯৯৭ সালে কোলকাতায় অনুষ্ঠিত সর্বভারতীয় যৌনকর্মী সম্মেলনের সিদ্ধান্তে

৯০ দশকের প্রথমদিকে ভারতে সমকামীদের তাচ্ছিল্য করে ” হোমো ” বলে ডাকা হত। যুগের পরিবর্তনে ভাষা প্রয়োগেও আসলো আমূল পরিবর্তন। ভারত শিখলো এলজিবিটিকিউ বাচক শব্দ ” গে”। যদিও বিশ্বব্যাপি ” পরিযায়ী ” শ্রমিক বলতে আমরা যা বুঝি, ভারতবর্ষের এই শ্রমিকরা সেই “পরিযায়ী ” শ্রমিক নয়। ক্ষুধার চাহিদাই সর্বাপেক্ষা ও সবসময়ের জন্য মূখ্য হওয়া একই রাষ্ট্রের এই শ্রমিকদের পাশে “পরিযায়ী” শব্দটি বসিয়ে আমি যৌক্তিকভাবেই বলব ; ভারতবর্ষের রাষ্ট্রযন্ত্র, বুদ্ধিজীবী শ্রেণী – টেকনিক্যালি ” যাযাবর” শ্রেণীর উদ্ভব ঘটিয়ে তাদের আরো অনিরাপত্তার সম্মুখীন করেছে। তারই হয়তো খেসারত দিলো লকডাউনের মাঝে হেঁটেই পথ পাড়ি দিয়ে ঘরে ফেরায় আশায় চলা মহারাষ্ট্রে রেল লাইনে ট্রেনের নিচে চাপা পরে নিহত হওয়া ঘুমন্ত ১৫ জন শ্রমিক! কিন্তু সবসময়ের মতই ভারতবর্ষের কর্পোরেট শ্রেণী বা শাসক শ্রেণীর তাতে কিছুই যায় আসেনি। এদিকে সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণ ছিলো ; ভুল তথ্যের জন্যই তাদের মাঝে ঘরে ফেরার হুড়োহুড়ি পরেছে৷ ভারতের বুদ্ধিজীবি, উচ্চবিত্ত শ্রেণি ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর একটি অংশের অভিমত ; ঘরে ফেরার জন্য তাদের ট্রেনের ব্যবস্থা থাকার পরো পায়ে হেঁটে কেনো? বুঝতে হবে, শুরুর দিকে ট্রেনের বা কোনো যানবাহনের ব্যবস্থাপনা ছিলো কিনা এই নিয়ে স্বয়ং রাষ্ট্রই সন্দিহান। আর যদি তা থেকেও থাকে, তবে ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতিজ্ঞ বা কর্মীদের কারণে তা যথার্থই হুমকির মুখে এখনো আছে৷ অভিযোগ আছে গুজরাটে ট্রেনে চড়া শ্রমিক যাত্রীদের কাছে তিনগুণ দামে টিকিট বিক্রি করেছে সেখানে বিচরণ করা বিজেপি নেতা।  তারপরো এই এলিট-শ্রেণী শ্রমিকদের প্রতি তাদের হীন মনোভাব থেকে সড়ে আসেনি৷ তাদের মন্তব্য, ঘুমোনোর জন্য রেললাইন কেনো? এর জবাব দিয়েছেন পুরুলিয়ার সমাজকর্মী সুশোভন পাত্র।

আমার বন্ধু বলেছে, রেল লাইন কি ঘুমনোর জায়গা?
ঠিকই তো বলেছে বলুন আমার বন্ধু। রেল লাইন ঘুমোতে গিয়েছিলো কেন পরিযায়ী শ্রমিক গুলো? নিশ্চিন্তে ঘুমনোর জন্য মুকেশ আম্বানির মত ৪৯হাজার স্কয়ার ফুটের বাড়ি বানিয়ে নিলেই পারতো। ভালোবেসে বাড়িটার ‘অ্যান্টিলিয়া’ নাম রাখত। ২৭ তালা বাড়িতে ১৬৮টি গাড়ি রাখার গ্যারেজ, ৩টে হেলিপ্যাড থাকতো। ইনডোরের ঝুলন্ত উদ্যানের পাশে ৯টা লিফট সারাদিন ওঠা নামা করত। বডি-স্পা সেন্টার লাগোয়া ইন হাউস সিনেমা হলে বসে বেশ একটা ম্যাটিনি শো চলত। অতিথি সেবার জন্য ৬০০ ‘চাকর’ পুষত। আর সকালবেলায় নীতা আম্বানির মত জাপানের নরিটেক কোম্পানির ৩লক্ষ টাকার কাপে আমেজ করে চা খেয়ে প্রাতরাশ সারতো। তা না করে, রেল লাইন ঘুমোতে গিয়েছিলো কেন পরিযায়ী শ্রমিক গুলো? রেল লাইন গুলো কি ওঁদের বাপের?
আমার বন্ধু বলেছে, হেঁটে ঘরে ফিরতে গিয়েছিলো কেন পরিযায়ী শ্রমিক গুলো?
ঠিকই তো বলেছে বলুন আমার বন্ধু। মহারাষ্ট্র থেকে ১৫৭ কিলোমিটার হেঁটে মধ্যপ্রদেশের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কি দরকার ছিল পরিযায়ী শ্রমিক গুলোর? বাড়ি যদি ফিরতেই হত একটা চ্যাটার্ড বিমান কিনে নিলেই পারতো। আগামী জুলাই মাসে ফ্লোরিডা থেকে প্রধানমন্ত্রীর জন্য যে ৮.৫হাজার কোটির বোয়িং-৭৭৭ বিশেষ বিমান আসছে সেটা ভাড়া করলেই পারতো। ক্লান্তি এলে এলিয়ে নেওয়ার জন্য বিলাস বহুল লাউঞ্জ থাকবে। অন বোর্ড ওয়াইফাই থাকবে। মিড এয়ার বিনোদন থাকবে। মিডিয়াম সাইজ কনফারেন্স রুম থাকবে। দেশ-বিদেশের রকমারি কুসিন রান্নার কিচেন থাকবে। তা না করে, পায়ে হেঁটে ঘরে ফিরতে গিয়েছিলো কেন পরিযায়ী শ্রমিক গুলো? কমপক্ষে একটা বুলেট ট্রেনে চাপলেই তো পারতো।

মৃত এক পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়ি মধ্যপ্রদেশের মাঝগাঁও ব্লকের কেওত্রা গ্রামে। পরিবারে ৭ মাসের গর্ভবতী স্ত্রী। ডাক্তার বলেছেন, ২৭বছরের হবু মায়ের এই সময়ে একটু মানসিক ভাবে চাপহীন থাকা চাই। সুষম একটু আহার চাই। প্রতিদিন অল্প কিছু ফল চাই, পারলে একটু দুধ চাই। আমার বন্ধু বলেছে, দুধই যখন চাই, তখন একটু ডালগোনা কফি খেলেই তো পারতো। টেস্টি হবে, ক্রিমী হবে, মুখে দিলেই মেল্ট হয়ে যাবে। সুষম আহারই যদি একটু চাই, একটা চিজ বার্স্ট পিৎজা অর্ডার দিলেই তো পারতো। পুষ্টি পাবে, বার্বে-কিউর টপিংস পাবে। মানসিক চাপ থেকে যদি মুক্তিই চাই, অ্যামাজন প্রাইমে ফরেস্ট গাম্প দেখলেই তো পারতো। রিল্যাক্স করতে সপ্তাহে একবার গোল করে কাটা শসা, চোখে চেপে ত্বকের যত্ন নিলেই তো পারতো।

আসলে আমার বন্ধু সরকারী কর্মচারী। ‘প্রিভিলেজড’। প্রিভিলেজড কারণ, আমার বন্ধু অর্থনীতির পোশাকি ভাষায় ‘অরগানাইজড সেক্টর’। মাস গেলে বেতনের নিশ্চয়তা আছে, চাকরি’র নিরাপত্তা আছে, সরকার ধার্য ছুটি আছে, শ্রম আইনে বোনাস আছে, ইনক্রিমেন্ট আছে, প্রভিডেন্ট ফান্ড আছে, প্রোমোশন আছে। লকডাউনের সময় তাই একটু চিল-পিল করতে, আমার বন্ধুর বৌ-র কোলে মাথা রেখে, হাতে অ্যান্ড্রয়েড ফোন গুঁজে, দেশের অর্থনীতি নিয়ে বাতেলা দেওয়ার সুযোগ আছে। হোয়াটস-অ্যাপ ইউনিভার্সিটি তে কলার তুলে ফেক নিউজ বিলি করার সময় আছে। রেল লাইন ঘুমনোর জায়গা কিনা প্রশ্ন তোলার বিলাসিতা আছে। 30ml স্কচের পেগে, ‘হেঁটে ঘরে ফিরতে গিয়েছিলো কেন?’ ভেবে নাবালক সুলভ অবাক হবার ফ্যান্টাসি আছে। দুঃখ একটাই, এতো কিছু ‘আছে’র মধ্যে শুধু গায়ে মানুষের চামড়া রাখার অভ্যাসটাই বাদ পড়ে গেছে।

না হলে জানতো, ১৩০ কোটির দেশে এরকম প্রিভিলেজড মানুষের সংখ্যাটা মেরে কেটে ৩কোটি। জনসংখ্যার ২.৩%। আর স্রেফ পরিযায়ী শ্রমিকদের সংখ্যাটা ১২কোটি। জনসংখ্যার ৯.২৩%। না হলে জানতো, ১৯৫৭’তে অর্থনীতিবিদ গুলজারি লাল নন্দা’র নেতৃত্ব ১৫তম ইন্ডিয়ান লেবার কংগ্রেস বলেছিল –“শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি, চারজনের পরিবারের প্রতিজন কে প্রতিদিন ২৭০০ ক্যালরির ব্যালেন্স ডায়েট, পরিবার প্রতি বছরে ৬৫ মিটার কাপড়, সরকারি আবাসন প্রকল্পে প্রদত্ত এলাকার সংশ্লিষ্ট ঘর ভাড়া এবং জ্বালানি, বিদ্যুৎ সহ বিবিধ খরচা পুরোপুরি ভাবে বহন করার উপযুক্ত হওয়া প্রয়োজন।” ১৯৯২’এ সুপ্রিম কোর্ট এই ন্যূনতম মজুরির উপর আরও ২৫% ছেলেমেয়ের পড়াশুনা, চিকিৎসা, বিনোদন এবং উৎসবের জন্য সংযোজনার নির্দেশ দেয়। সব মিলিয়ে বর্তমান বাজার মূল্যে ন্যূনতম মজুরিটা প্রায় মাসিক ২৬,০০০ টাকা। একটু খোঁজ নিয়ে দেখুন তো, আপনার পাড়-মহল্লায় মাসিক ২৬,০০০ রোজগারের নিশ্চয়তা আছে শতকরা কতজনের?

হোয়াটস-অ্যাপ ইউনিভার্সিটির সিলেবাসে আপনি পাবেন না যে, ১৯৮৭-২০১৫, যে ২৮ বছরে সেনসেক্স-নিফটি-জিডিপি’র ঊর্ধ্বগামী অর্থনীতিতে শ্রমিক’রা ২১০% নিট মূল্য সংযোজন করেছে, সেই ২৮ বছরেই শ্রমিক’দের নিট পারিশ্রমিক নাম মাত্র ১৪% বেড়েছে। যে ২৮ বছরে ভারতবর্ষে বিলিয়নারির সংখ্যা ১ থেকে ১৩২ হয়েছে, সেই ২৮ বছরেই ১০০ টাকা উৎপাদন মূল্যে শ্রমিক’দের প্রাপ্য মজুরি কমতে কমতে ৯.৯ টাকায় ঠেকেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ১২ই এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছে, পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য গোটা দেশে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার মিলে যে মোট ২২,৫৬৭টি শিবিরের ব্যবস্থা করেছে তার ১৫,৫৪১টি, অর্থাৎ ৬৯%-ই কেরালায়। একটু খোঁজ নিয়ে দেখুন তো, মিডিয়ার সাধের গুজরাট মডেলে এই শতকরাটা কত?

ফুটেজ খোর প্রধানমন্ত্রী তৃতীয় লকডাউন ঘোষণার সময় ক্যামেরার সামনে আসার রিস্ক নেননি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৯মিনিট মোমবাতি জ্বালিয়ে সেই যে গর্তে ঢুকেছেন আর বেরিয়ে আসেননি। অর্থমন্ত্রী সেই যে হালুয়া পূজা করে ইতিহাসের দীর্ঘতম বাজেট ঘোষণা করে ঠাণ্ডা ঘরে বসেছেন আর উঠে দাঁড়াতে পারেননি। ঘটা করে PM Care হয়েছে। ১৯৪৮ থেকে PMNRF থাকা সত্ত্বেও PM Care কেন? উত্তর নেই সরকারের কাছে। PM Care-র পরিচালক মণ্ডলী তে অন্য কোন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব নেই কেন? উত্তর নেই সরকারের কাছে। PM Care–এ CAG-র অডিটে সরকারের আপত্তি কেন? উত্তর নেই সরকারের কাছে। PM Care থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের ট্রেনের টিকিটের ভাড়া, তাঁদের শিবিরের, রেশনের, universal income support-র ব্যবস্থা করা যাচ্ছে না কেন? উত্তর নেই সরকারের কাছে।

এই প্যান্ডেমিকের অভিজ্ঞতা দিয়ে কর্পোরেটদের দালাল এই সরকারটাকে চিনুন। আদ্যোপান্ত দুর্নীতি তে ডুবে থাকা এই রাষ্ট্রযন্ত্রটাকে চিনুন। আর চিনুন, আপনার আশে পাশের ঐ মানুষ গুলো কে। যারা কদিন আগে পালাগড়ে দুজন ‘হিন্দু’ সন্ন্যাসীর গণ পিটুনি তে মৃত্যুর পর, ‘হিন্দু খতরে মে হ্যা’ বলে পাড়া মাথায় তুলেছিল; আর আজ ১৬জন ‘হিন্দু’ পরিযায়ী শ্রমিকদের মৃত্যুর পর ‘রেল লাইন কি ঘুমনোর জায়গা?’ বলে দায় সারছে, তাঁদের চিনুন। যারা ‘শ্রমিক স্পেশাল’ ট্রেনে সরকার পরিযায়ী শ্রমিকদের কাছে নির্লজ্জের মত ভাড়া চাইলে মুখে কুলুপ এঁটে বসেছিল, আর আজ ‘হেঁটে ঘরে ফিরতে গিয়েছিলো কেন?’ বলে ফেসবুক কাঁপাচ্ছে, তাঁদের চিনুন। যারা পাড়ার মস্তান তৃণমূল নেতা ক্যালাবে বলে রাজ্যে সীমাহীন রেশন দুর্নীতি দেখেও চোখ বুজে বসে আছে, তাঁদের চিনুন। চিনুন এই কারণেই যে বিজ্ঞান কে ভিত্তি করে প্যান্ডেমিকের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ মানুষ আজ না হয় কাল জিতবেই। পৃথিবীর রোগ ঠিক সেরে যাবে। তখন অবিকল মানুষের মত দেখতে এই জন্তুদের সোশ্যাল ডিসটেন্সিং লাগবে। কোয়রেন্টাইন লাগবে। দীর্ঘ মেয়াদি চিকিৎসা লাগবে।

পরিশেষে এটুকুই বলব ; ধর্ম ব্যবসায় নিমজ্জিত ভারতীয় রাষ্ট্রযন্ত্র, কর্পোরেট শ্রেণী – অদূরভবিষ্যৎ এ, সর্বভারতীয় শ্রমিক শ্রেণীর বিরুদ্ধে কাল হয়ে দাঁড়াবে কিনা নির্ণয় আপনাদের।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 20 = 25