এ তো ভালবাসা নয়,নিছক ছেলে মানূষী(একটি সত্য ঘটনার বর্নণা)

সাল ২০০৯

নীলিমা এখন চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্রী। কিন্তু বেশ বড়ই হয়েছে,আসলে কিন্ডার গার্ডেন স্কুলে পড়ার কারনে এমন। দেখতে বেশ সুন্দর। ফর্সা,সিল্কি চুল এখন। রাজধাণী ঢাকার অভিজাত এলাকয় বসবাস তার। হয়তো তাই অন্যদের প্রভাবে চিন্তা ধারার ও অনেক এগিয়ে অন্য সমবয়সীদের তুলনায়।একই ভবনের তিন তলায় থাকে শুভ্র। শুভ্র এর একটি বড় বোন আছে নীলিমাকে পড়ায় তিনি। নীলিমার একটি ছোট ভাই আছে,তার নাম নিলয়। নীলিমা ও শুভ্র এর পরিবারের মধ্য আত্মীয়তার সম্পর্ক ও আছে।

সাল ২০০৯

নীলিমা এখন চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্রী। কিন্তু বেশ বড়ই হয়েছে,আসলে কিন্ডার গার্ডেন স্কুলে পড়ার কারনে এমন। দেখতে বেশ সুন্দর। ফর্সা,সিল্কি চুল এখন। রাজধাণী ঢাকার অভিজাত এলাকয় বসবাস তার। হয়তো তাই অন্যদের প্রভাবে চিন্তা ধারার ও অনেক এগিয়ে অন্য সমবয়সীদের তুলনায়।একই ভবনের তিন তলায় থাকে শুভ্র। শুভ্র এর একটি বড় বোন আছে নীলিমাকে পড়ায় তিনি। নীলিমার একটি ছোট ভাই আছে,তার নাম নিলয়। নীলিমা ও শুভ্র এর পরিবারের মধ্য আত্মীয়তার সম্পর্ক ও আছে।
নীলিমা,শুভ্র,নিলয় ও ভবনের অন্যান্যরা বিকালে এক সাথে খেলে ছাদে।ইদানিং নীলিমার ব্যবহার টা আচার আচরণ টা কেমন যেন পরিবর্তন এসেছে।একে তো অভিজাত এলাকার বাসিন্দা,তারপর হিন্দি সিনেমা,ইংরেজি সিনেমার বদৌলতে প্রেম-ভালবাসা সম্পর্কে ভালই জ্ঞান হয়েছে নীলিমার।সারাদিন মাথার ঘুট ঘূট করে এইটি। তাছারা এই বয়সের একটি মেয়ের মাথায় এগুলো আসার কথা না। একে অনেকটা অকাল পক্কাতাই বলা যায়। কিছুদিন পর শুভ্র এ কাছে একটা কার্ড আসল, কে শুভ্রের হাতে দিয়েছে সঠিক বলতে পারব না। কার্ডটিতে প্রেম নিবেদন ছিল। ও বলা হয়নি তো শুভ্র এখন ক্লাস স্যভেন এ পড়ে। মেধাবি ছাত্র ঢাকার অন্যতম খ্যতনামা স্কুল শেরে বাংলা বয়েস এ পড়ে। শুভ্রের কাছে আসা কার্ডটিতে কোন রমনী প্রেম নিবেদন করল তা বুঝতে পারছে না শুভ্র। কার্ডটি তার জন্য তো নাকি অন্য কারো জন্য খতিয়ে দেখতে আবার কার্ডটির ওপর চোখ বুলাল সে। হ্যা কার্ডটির উপর তার নামই লেখা। শুভ্রের ছোট মাথায় আকাশ সম চিন্তার উদয় হল-কে পাঠাল এটা?নাম ও লিখল না! শুধু NRT লিখা শেষে। কার নাম হতে পারে। NRT এর ফুল মিনিং কি জানার চেষ্টা করল সে! শুভ্র আবার ওর বোনের সাথে খুব ফ্রি,সব বিষয় ই শেয়ার করে বোনের সাথে। কোন উপায় না দেখে শুভ্র তার বোন কে কার্ডটি দেখাল। ওর বোন দেখল, ভাল করে দেখল NRT কার নাম? চিন্তা করছে সে। হাতের লেখাও পরিচিত মনে হচ্ছে। হঠাত করেই তার মনে পড়ল এ যে নীলিমা। নীলিমার পূর্ন না NILIMA R*** T*** । শুভ্র তো অবাক নীলিমা এই কাজ করল! মনে মনে খুশিই হল সে। নীলিমার ভাই নিলয়ের সাথে ভালই বন্ধুত্ব তার যদিও ছোট সে। শুভ্র চলে গেল নীলিমাদের বাসায়। গল্প করতে করতে শুভ্র কার্ডটি সম্পরকে। নীলিমা স্বীকার করল। তাদের সম্পর্ক চলতে থাকল। একে ভালবাসা বলা যায় না কারণ এই বয়সের দুটি ছেলেমেয়ে ভালবাসা সম্পর্কে কি আর বুঝবে? এই সব ই হিন্দি ইংলিশ মুভির প্রভাব।
তাদের প্রত্যক দিন দেখা হত ছাদে এ ছাড়াও অন্য সময় ছাদের গেটের বাইরে বসে নানা আলাপ আলোচনা করত।তারা ইংলিশ হিন্দি মুভি দেখত সেই অনুযায়ী তারা huge(কোলা কুলি) করত। এবং আরো অনেক কিছু করত। আগেই বলেছি এই বয়সে ছেলে মেয়েদের দ্বারা এটা আশা করা যায় না।

সাল ২০১১

শুভ্র রা নিজেদের কিনা ফ্ল্যাটে উঠবে কিছুদিন পর। তাই সেই বাসার কাছে একটি নাম করা স্কুলে ভর্তি হল সে। ঢাকার অন্যত্ম শেরা স্কুল, আগের টার থেকেও নামকরা। শুভ্র মেধাবি ছাত্র এই ভর্তি যুদ্ধে সমস্যা হয়নি তা। অষ্টম শ্রেনীতে ভর্তি হল সে। নীলিমা ও শুভ্রের সেই সপমর্ক এখন ও আছে। শুভ্ররা বাসা সিফট করল। এখন মোবাইলে কথা হয় তাদের। অনেক কথা বলে রাত ১২ টা থেকে অনেক সময় তিনটা চারটা পর্যন্ত।

শুভ্র নতুন স্কুলে নতুন বন্ধু হচ্ছে অনেক। একই ক্লাসের ছাত্র শান্ত পড়ালিখা নিয়ে খুবই ব্যস্ত সে। সামনের দিকে বসে। বেশির ভাগ সময়ই ফারুক নামের ছেলের সাথে। ফারুক ক্লাসের সেকেন্ড বয়। শান্ত পড়েও স্কুল ভ্যনে যায়। কোন দুষ্টুমিতে পাওয়া যায় না তাকে। বলা যায় বাবা মার বাধ্য ছেলে। শুভ্রের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় তার। একদিন শান্ত শুভ্রদের বাসায় যায়। শুভ্রও আসে শান্তদের বাসায়, এভাবে তাদের বন্ধুত্বটা গাঢ় হতে থাকে। শুভ্র তার সব কথাই শান্ত এর সাথে শেয়ার করে। শান্ত আবার মহাজ্ঞানী বলা চলে জ্ঞান বিতরণ যেন তার হবি। শুভ্র কোন সমস্যায় পড়লে বুদ্ধি দিত তাকে, শুভ্র মাঝে মাঝে বুদ্ধি শুনতো।এভাবেই চলতে থাকে দিন। শুভ্র শান্ত ও আরও অনেকের বন্ধুত্ব ভাল হয় এই সময়। প্রায় ১৪,১৫ জনের গ্রুপ। কিছু দিন পর জেএসসি পরিক্ষা সবাই ব্যস্ত। পরিক্ষা শেষ হল তারা ভালই করল রেজাল্ট তবে শান্ত ও শুভ্রের কারোই আশানুরূপ হয়নি রেজাল্ট। বছর টি এইভাবেই কাটল।

সাল ২০১২

নতুন বছর নতুন ক্লাস। পুরাতন বন্ধু নিয়ে শুরু হল । অনেক জায়গায় ঘুরল তারা। বানিজ্য মেলা আরো অনেক জায়গায়। এই সময় ফারুক আর শুভের বন্ধুত্ব ভাল হতে থাকে। ফারুকের আরেক বন্ধু আবার মুহিত। সবার সাথেই সবার ভাল সম্পর্ক! সবাই সবার কথা শেয়ার করে। শান্ত শুধু শুনেই ওর বালার কিছু নেই। কারণ তাদের গল্পের বিষয় হল প্রেম ভালবাসা আর গারল ফ্রেন্ড শান্ত এই বিষয়ে পিছিয়ে বলতে গেলে দৌড় শুরুই করে নি!
অনেক দিন নীলিমার সাথে দেখা হয় না শুভ্রের। নীলিমা ও ঢাকার একটি নাম করা গার্লস স্কুলে পড়ে। শুভ্র প্ল্যান করল দেখা করতে যাবে নীলিমার সাথে ওর স্কুলে। কিন্তু শুভ্র এই এলাকায় নতুন,রাস্তাঘাট চিনে না সে। শান্ত ছোট থেকেই এই এলাকায় থাকে, শুভ্র না পেরে শান্তকে বলল। শান্ত রাজী হল। পূর্ব নির্ধারিত দিনে তারা স্কুলে গেল। শান্ত ভুলেই গিয়েছিল তার এক আত্মীয় এই স্কুলে পড়ে। ও পড়ল মহা মুশকিলে। ভয়ে ভয়ে আছে সে। শুভ্র আর শান্ত স্কুলের বাইরে দাঁড়িয়ে আছে কিন্তু তারা আসছে না। এই দিকে শান্ত ভয়ে আছে। শান্ত শুভ্রকে বলল আসবে না মনে হয় চল চলে যাই।শুভ্র বলল দারা আরেকটু। একটূ পড় নীলিমা ও তার এক বান্ধবী আসল। কথা বলল ওরা, বান্ধবীটির নাম মুক্তি। মুক্তি কিছুক্ষন পর চলে গেল শান্ত একটু দূরে সরে এল, নীলিমা ও শুভ্র কথা বলতে লাগল।
কিছু ক্ষণ পর নীলিমা চলে গেল। শুভ্র ও শান্ত চলে আসল বাসায়।
শান্ত অন্যদের থেকে পিছিয়ে ভাবছে এবার দৌড় শুরু করা যাক কিন্তু দৌড় শুরু করবে মেয়ে কোথায়? বন্ধু শুভ্র কে বলল। শুভ্র বলল মুক্তির কথা। মুক্তি ও শুভ্রের প্রায়ই কথা হত। শান্ত একটু বেশি বুঝে আগে বলেছি। শান্ত বলল ঐ মেয়ে তো তোকে পছন্দ করে। দিল দুই তিন টা গালি। শুভ্র বলল মুক্তি কে বলে দিবে,শান্ত প্রতিউত্তরে বলিস এতে তার কিছু যায় আসে না। এবং বলল দেখিস আমার কথা প্রমান পাবি। যেই কথা সেই কাজ বলে দিল মুক্তিকে, এর পর ফোণ কনফারেন্স করে শান্ত শুভ্র ও মুক্তি কথা বলল, মুক্তি কিছু কথা বলল শান্ত শুধু হ্যা হু বলছে, বেচারা শান্ত ওর পিছনে ওর বোন দাড়িয়েছিল কিছু বলতেও পারছিল না!

এভাবেই চলতে থাকে। নীলিমা ও শুভ্রের সম্পর্ক! হঠাত মুক্তি যে শুভ্রকে পছন্দ করে তা ধরা পড়ল। তখন শান্ত বলল “কিরে আমি বলেছিলাম না?এখন ফল পেলি? তোর থেকে আমি একটু বেশিই এই পৃথিবী দেখেছি বুঝলি!!” এই নিয়ে নীলিমা আর শুভ্রের মধ্য দ্বন্দ! নীলিমা আর শুভ্র এর কথা বলার সময় নীলামাকে ওর মা দেখে ফেলে ঝামেলায় পড়ে নীলিমা! কথা বন্ধ কিন্তু ছেলে টা যে শুভ্র তা বুঝতে পারেনি নীলিমার মা।
একদিন নীলিমা ওর এক বান্ধবির মোবাইল দিয়ে ফোন দিল শুভ্রকে। মেয়েটির নাম তাসনিম। তাসনিমের কাছ থেকে নীলিমার খোজ নিত শুভ্র। ওদের কথা হত প্রায়ই শুভ্রকে ভাই ডাকল সে যাতে মুক্তির মত অবস্থা না হয়। শুভ্র ও তসনিমের কথা হত এই কথা শান্ত কে বলে শুভ্র, মহা পন্ডিত মশাই শান্ত এই বার ও বলে”এইটা তোর নেক্সট গার্ল ফ্রেন্ড!” এই বার ও শুভ্র হাসতে হাসতে কথা উড়িয়ে দেয়।
কিছুদিন পর নীলিমা আর শুভ্রের মাঝে আবার কথা বলা শুরু হল। আবার ধরা খেল নীলিমা। তখন আবার শুভ্রের সাথে তাসনিমের কথা হয়ত পায় ই। একদিন নীলিমা শুভ্রকে ডাকল, শুভ্র গেল সেখানে নীলিমা ও শুভ্রের ব্রেক আপ হয়। নীলিমা জানায় যে তার বান্ধবীর সাথে বাজী ধরে এই গুলো করেছে এত দিন।
শুভ্র বেচারা বাসায় আসল শান্ত কে জানাল, মহা পন্ডিতে মত আবার জ্ঞান দেয়া শুরু হল শান্তে। “হয়তো ওর মায়ের চাপে এমন করেছে”এমন মন্তব্য শান্ত এর।
এদের সম্পর্কের এখানেই ইতি! একসতাহ সিঙ্গেল থাকার পর নতুন রিলেশন হত শুভ্রের এই বার মেয়ে কে বলতে পারেন? হ্যা আপনার ধারনা এবং শান্তে ধারণাই ঠিক এই বার মেয়ে হল তাসনিম।বান্ধবীর প্রাক্তম প্রেমিক এখন তার প্রেমিক। তাদের মধ্যে কথা হয় এখন। বেশির ভাগ সম্য ম্যসেজ এ। শুভ্র এই সব কথাই শান্ত ও ফারুকের সাথে শেয়ার করে।

সাল ২০১৩

শুভ্রের সাথে এখন ও তাসনিমের রিলেশন বজায় আছে।
শান্ত ভ্যান ছেড়ে দিয়েছে শুভ্র এর সাথে জাওয়া আসা করে স্কুলে।
স্কুল থেকে ফেরার পথে শান্ত, ফারুক, শুভ্র একসাথে আসে। ফারুক এর বাসা স্কুল থেকে কাছেই, শান্ত ও শুভ্রের বাসা একই এলাকায় পাশাপাশি।এই সম্য তাদের বন্ধুত্ব আরো ঘনিষ্ঠ হয়। ফারুকের অনেক কথা শেয়ার করতে থাকে । এই সময় ফারুক জানায় সে এক মেয়ে কে পছন্দ করত! শান্ত আর ফারুক একই কোচিং এ পড়ত তখন ফারুকের বাসার সামনে দেখেছিল মেয়ে কে শান্ত। খারাপ না ভালই! আধুনিক ফ্যমেলির মেয়ে! মেয়েটির নাম বলতে পারছি না তবে মেয়েটি ফারুকদের ভবনেই থাকত।
স্কুল থেকে ফেরার পথে এই নিয়েই গল্প তাদের। একমাত্র টপিক।শান্ত শুধু শুনেই যায় এখনও তার বলার মত কিছু নেই, দৌড় শুরু করতে পারে নি এখন ও।
ফারুকের সাথে মেয়ে টির সম্পর্ক হতে পারে নি কারণ মেয়ে টি ফারুকের থেকে এক ক্লাস উপরে পড়ত। ফারুক ই কেন্সেল করে সেই রিলেশন টা। আফসোস করে মেয়েটির জন্য আর বলে সেটাই ট্রু লাভ! শান্ত মহা পন্ডিত মশাই শুভ্রের দিকে ইঙ্গিত করে বলে “দেখেছি তো ট্রু লাভ, এর আগের টা কে ও তো শুভ্র ট্রূ লাভ বলত” ফারুক পতি উত্তরে বলে “তুই বুঝবি কি শালা জীবনে একটাও লাভ করেছিস?”এই নিয়েই প্রত্যাহিক আলোচনা তাদের।

কিছু দিন আগে ফারুকের সাথে নতুন এক মেয়ের কথা শুরু হয়! আগের জনের কথা ভুলে যায় সে। এটাই যেন তার নতুন রিলেশন। শান্ত এবার ও বলে “কিরে আগে না বলেছিলি ঐটা ট্রু লাভ!”
এভাবেই চলছে তাদের আলোচণ ও দিন।

উপরের এই কথা গুলো সম্পূর্ন সত্য ঘটনা এবং এটা আমার কিছু বন্ধুর, আমি ও আছি এতে। এভাবেই তারা সাময়িক সম্পর্ক গুলোকে ভালবসা মনে করছে। গল্পের শুভ্র যখন নীলিমার সাথে রিলেশন ছিল তখন ও সেটা ট্রু লাভ। বর্তমানে তাসনিমের সাথেও ট্রুলাভ। আবার ফারুক সে ও আগে একজন কে পছন্দ করত সেটাও ট্রু লাভ এখনের টাও! এগুলো ভালবাসা নয় নিছক ছেলে মানুষী। ভবিষত ই কতহা বলবে কি হয় এদের।

আপনার মতা মত কি এদের ব্যপারে? এভাবেই আমাদের স্কুল এ পড়ুয়া ছোট ছোট বনেরা ভাই রা এই বয়সেই এই নিছক ছেলে মানুষী কে জীবন ভেবে কাটিয়ে দিচ্ছে। তারা বিভিন্ন হিন্দি সিনেমা ও ইংরেজি সিনেমা, মেয়েরা বিষেশ করে হিন্দি সিরিয়ালের মাধ্যমে এই দিকে প্রভাবিত হচ্ছে।
**নাম গুলো পরিবর্তিত।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২৩ thoughts on “এ তো ভালবাসা নয়,নিছক ছেলে মানূষী(একটি সত্য ঘটনার বর্নণা)

  1. আপনার বাক্য গঠন এবং শব্দ চয়নে
    আপনার বাক্য গঠন এবং শব্দ চয়নে কিছু সমস্যা আছে। যে কারনে লেখা পড়ে আরাম পাওয়া যায় না। যেমন-

    শুভ্র এর একটি বড় বোন আছে নীলিমাকে পড়ায় তিনি।

    এই বাক্যটা যদি এভাবে লিখতেন, “শুভ্রের বড় বোন নীলিমাকে পড়ান।” বাক্যটা অনেক সহজ হয়ে যায় না? “শুভ্র এর” না লিখে শুভ্রের লিখলে পড়তে ভালো লাগে। শুভ্রের একটি বড় বোন আছে, এভাবে লিখলে বাক্যটা শিশুতোষ হয়ে যায়। এরকম ছোট খাটো কিছু সমস্যা আছে। ভালো ভালো লেখকের লেখা মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। পড়ার সময় লক্ষ্য করুন বাক্য এবং শব্দ চয়ন কিভাবে করেন। পড়তে পড়তে, আর লিখতে লিখতে একসময় ঠিক হয়ে যাবে। শুভকামনা রইল।

    1. হ্যা তাইতো এখন বেশি বেশি
      হ্যা তাইতো এখন বেশি বেশি লিখি! ভুল ধরিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ! আর আগের তুলনায় বানান ভুলের প্রবণতা কি একটু হ্রাস পেয়েছে?

      আর ভাই আমি যে বিষয় এ আলোকপাত করলাম এই গল্পটার মাধ্যমে তার সম্বনশে আপনার মতামত কি?

      1. সত্যি কথা বলতে ভাষাগত সমস্যার
        সত্যি কথা বলতে ভাষাগত সমস্যার কারনে পুরো লেখা পড়ার ধৈর্য্য হয়নি। :ভেংচি:
        গল্পের মূল বক্তব্য নিয়ে কোন দ্বিমত নেই। তবে পাঠককে গল্প পড়াতে চাইলে ভাষার দিকে আপনাকে মনোযোগ দিতেই হবে। বানান ভুলের পরিমাণ আগের চেয়ে কমেছে। সেটা একদম জিরোতে আনতে ট্রাই করুন। 😀

        1. ঠীক আছে ভাই! মন্তব্য করেছেন
          ঠীক আছে ভাই! মন্তব্য করেছেন ভুল গুলো ধরিয়ে দিয়েছেন এটাই অনেক

          আপনি তো আমার প্রায় সব লিখাই পড়েছেন কোন গল্পটা সবচেয়ে ভাল লেগেছে?

  2. আতিক ভাইয়ের পরামর্শ
    আতিক ভাইয়ের পরামর্শ শুনুন।
    আগে লেখা ঠিক করে লেখার চেষ্টা করেন।
    কোন কিছু পড়তে যদি লেখনীর জন্য বাধার সম্মুখিন হতে হয় তবে মূল বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করার আগ্রহ থাকে না।
    আস্তে ধীরে লিখুন।
    শুভ কামনা :গোলাপ:

    1. মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ! হ্যা
      মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ! হ্যা ভুল বুঝতে পেরেছি তাই বেশি বেশি লিখি এবং পোস্ট করি যাতে ভুল বের হয় এবং তা শুধরাতে পারি .। হয়তো পুরোটা পড়েন নি আমি যে বিষয় এ আলোক পাত করেছি সেই সম্বন্ধে আপনার মতামত কি?

      1. বড্ড ঘুম পাচ্ছে। সকালে সবার
        বড্ড ঘুম পাচ্ছে। সকালে সবার আগে আপনার পোস্টেই মন্তব্য করবো।
        আপনার থিমের সাথে কিছুটা মিলে এমন একটি গল্প ঘুরছে মাথায়। কয়েকদিনের মধ্যে লিখে ফেলবো।

          1. আমার মনে হয় ছেলেমেয়েদের এমন
            আমার মনে হয় ছেলেমেয়েদের এমন হওয়ার কারণ বাবা মা ‘ দের সচেতনতার অভাব।
            বাবা মা’রা যদি শুরু থেকেই তাদের প্রতি নজর দিতো তবে এমন হতো না।
            যেমন একটা উদাহরণ দিতে পারি, আমার পাশের বাসার আঙ্কেল আনটির তিন ছেলে মেয়ে। একজন কলেজে বাকিরা স্কুলে। এবং তাদের জীবন যাপনের স্টাইল দেখলে অবাক হতে হয় কারণ তাদের বাবা মা খুব সুন্দর ভাবে তাদের লালন পালন করছেন। হিন্দি সিরিয়াল না ছেলেমেয়েরা দেখে না আনটি নিজে দেখে। পড়ালেখার বাইরে তারা বিভিন্ন সাহিত্য পড়ে, কার্টুন দেখে, ভালো মুভি দেখে, বিকালে ছাদে খেলে । এবং মাঝে মাঝে তাদের দেখি একসাথে বেড়াতে যেতে। ছোট মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করলে বলে আমার পাঠ্যপুস্তকের চেয়ে সুকুমার পড়তে ভালো লাগে।
            ওদের বাসায় বিশাল এক বইয়ের কালেকশন আছে। আঙ্কেল আনটি ঠিক করে দেয় বাচ্চারা কী কী বই পড়বে। এবং তিনজনের বইয়ের প্রতি খুব আগ্রহ।
            সুতরাং বাচ্চাদের মানসিকতা গড়ে তোলার পিছনে বাবা মা’দের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।
            মা’রা যদি হিন্দি সিরিয়াল দেখে পাশে মেয়েও দেখে তবে তাদের নিয়ে আর কী আশা করা যায়।

  3. আতিক ভাইয়ের পরামর্শ নিবেন।
    আর

    আতিক ভাইয়ের পরামর্শ নিবেন।
    আর লিখার বিষয়বস্তু নিয়ে বলছি, এইসব খুবই চিরায়ত একটা ব্যাপার…
    এইসব নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলবে! 😉
    তবে হিন্দি সিরিয়ালের প্রভাবকে আমলে নিয়ে সমাজকর্মী ও সমাজবিজ্ঞানীদের কিছু একটা করা উচিৎ… বাচ্চারা যা করছে তা না হয় পরীক্ষামূলক হিসেবে মেনে নেয়া গেল। কিন্তু বাসার বউরা আর মা-রা যা শুরু করে, সাথে মেইডসরা ওইটার কি হবে?
    হিন্দি সিরিয়ালের সবচে ভয়ংকর দিকটা হল সিরিয়ালের মাঝে মাঝে বিজ্ঞাপন দেখে আমাদের মহিলারা বাজারে গিয়ে ইন্ডিয়ান পন্য বা ঐ ডিজাইনের জামা-কাপড় কিনে এইটা দেশের অর্থনীতির জন্যে সবচে বেশী ক্ষতিকর…
    লিখতে থাকুন… ভাল কিছুর অপেক্ষায় থাকলাম!!

    1. ঐ ডিজাইনের জামা-কাপড় কিনে

      ঐ ডিজাইনের জামা-কাপড় কিনে এইটা দেশের অর্থনীতির জন্যে সবচে বেশী ক্ষতিকর.

      সেগুলাও কিন্তু আমদানী করা না দেশেই বানানো আর এই ডিজাই বন্ধহলে না খেয়ে মরতে হবে! আমাদের টেইলার্স এন্ড ফেবফ্রিক্স এর দোকান আছে মহিলারা নিত্যনতুন ডিজাইন এর জামা বানাতে দেয়!!! হ্যা তরিক ভাই এর পরামর্শ আমোলে নেব .।

      আপনি মা ও বউ এর টা দেখেন কারণ আপনি তাদের নিয়েই ব্যস্ত অথবা আপনার বয়স টা তেমন
      আমার অবস্থানে যখন দেখি বন্ধুরা এই কাজ করে তখন !!! এই মেয়ে ঘুলো এখন এই গুলো করে বড় হলে কি করবে? আর ছেলে গুলো হিন্দি মুভি দেখে আশিকি ২ দেখে আত্মহত্যা শুরু করে অথবা ইমরান হাসমি এর মত কাজ কারবার শুরু করে তখন?

      1. আপনি গল্পের স্টাইলে না লিখে
        আপনি গল্পের স্টাইলে না লিখে আরও অনেক প্রাসঙ্গিক তথ্য দিয়ে প্রবন্ধ লিখলে চমৎকার একখানা পোস্ট হইত…
        শুভ কামনা রইল! এখনও এমন একটা পোস্ট হতে পারে!!

  4. ভাই,আমি পুরো লেখাটাই
    ভাই,আমি পুরো লেখাটাই পড়েছি,পড়তে একরকম কষ্টই হয়েছে বলা চলে,তবে লেখার পর আপনি নিজে একবার পড়ে তারপর পোস্ট করলেই অর্ধেক ভুল শুধরে যাবে বলে মনে করি
    যেমন ধরুন,আপনি লিখেছেন,২০০৯ সালে শুভ্র ক্লাস সেভেনে পড়ত,তাহলে ২০১১ সালে তার জেএসসি পরীক্ষা কিভাবে হল?আবার ২০১৩ সালে তার স্কুলে যাবারই বা কি দরকার?
    লিখে একবার চোখ বুলিয়ে নিলে আপনি নিশ্চয়ই এটা ধরতে পারতেন
    তবে হতাশ হইয়েন না,ভাই,আমিও আপনার মতই লিখি
    আর পোস্টের মূলভাবের ব্যাপারে লিংকন ভাইয়ের সাথে একমত,শুভকামনা রইল

  5. আপনার গল্পটি সত্য হলে অনেকের
    আপনার গল্পটি সত্য হলে অনেকের মত আমার ও মন কাড়ে নি ।অনেক যায়গায় বাক্য ও বানানে ভুল আছে ।পরবর্তী কোন পোস্ট লিখলে পোস্টিং এর আগে দু চার বার রিভিউ করে নেবেন।

  6. “মেধাবি ছাত্র
    ঢাকার অন্যতম

    “মেধাবি ছাত্র
    ঢাকার অন্যতম খ্যতনামা স্কুল শেরে বাংলা বয়েস এ পড়ে”

    অনেক লেখক কে দেখেছি boys এর বাংলা “বয়েজ “লিখে . এখেত্রে আপ্নার কাছে ভুল মনে হলে ঠিক করে নিতে পারেন। না করলেও সমস্যা নেই, আসলে বিদেশি শব্দের সঠিক বাংলা বানান হয় না!

  7. আমার ভালো লেগেছে , সামনে আরও
    আমার ভালো লেগেছে , সামনে আরও হবে । গল্প লেখকের নিজের মতো হবে । সে যেভাবে সাজাতে চায় সেভাবে ।
    🙂

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 79 = 84