“হেফাজতের ১৩ দফা দাবি ও তার ব্যবচ্ছেদ…”

হেফাজতের ১৩ দফা দাবি ও তার বিশ্লেষণঃ

১) “সংবিধানে ‘আল্লাহ্‌‌র উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন এবং কোরান-সুন্নাহ বিরোধী সকল আইন বাতিল করতে হবে।” == এখন দেখি বাংলার আমাদের মুসলমানদের ধর্ম রক্ষার জন্যে মুসলমানদের সংবিধান কোরান শরীফের সম্পূরক সংবিধান করতে হবে। এটা স্পষ্টত আমাদের মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভুতির প্রতি অবজ্ঞা। এই দাবী ৯০% মুসলমানের বিশ্বাসের প্রতি চপেটাগাত। রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্যেই এই দাবী। যখনি কেউ কলেমা পরে মুসলমান হয় তখন-ই এই কাজ হয়ে যায়। রাষ্ট্রীয় সংবিধান কি লিখল, কি বলল তাতে আমার ধর্ম বিশ্বাসের কিছু যায় আসে না।

২) “আল্লাহ্‌, রাসুল (সা.) ও ইসলাম ধর্মের অবমাননা এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে কুৎসা রোধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে আইন পাস করতে হবে।” == গনপ্রজাতান্ত্রিক বাংলাদেশের সরকারকে ইসলামি শাসনতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নেয়ার মধ্যযুগীয় হাতছানি। বাংলার মানুষ গণতন্ত্র চাই বলেই পাকিস্তান থেকে স্বাধীন হয়েছে। ধর্মীয় অনুভূতিতে আগাত হানার জন্যে রাষ্ট্রীয় যে আইন আছে তাই যথেষ্ট!! আপনারা বিনা বিচারে মানুষ মেরে ফেলে তারপর আইন চাইবেন? এর থেকে হটকারিতা আর কি হতে পারে।

৩) “কথিত শাহবাগী আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী স্বঘোষিত নাস্তিক-মুরতাদ এবং প্রিয় নবী (সা.)-র শানে জঘন্য কুৎসা রটনাকারী কুলাঙ্গার ব্লগার ও ইসলাম বিদ্বেষীদের সকল অপপ্রচার বন্ধসহ কঠোর শাস্তি দানের ব্যবস্থা করতে হবে।”== এই হচ্ছে আপানদের মূল দাবী। যে শাহ্‌বাগ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাইছে তাদের যেকোন মুল্যে বন্ধ করায় আপনাদের মূল উদ্দেশ্য। শাহ্‌বাগের ৬ দফা পড়ে দেখেছেন? যারা নিজের দেশ কেই হিফাজত করতে জানে না, তারা আবার তাবৎ দুনিয়ার মুসলমানদের ইসলামকে হিফাজত করবে? হাস্যকর আর, বেদনাদায়ক। এই ৬ দফার সাথে ইসলামের কোন বিরোধ নাই। আপনারা হচ্ছেন জামাত-শিবিরের ‘বি টিম’ আর, এই আন্দোলন হচ্ছে জামাত-শিবিরের ‘প্ল্যান-বি’!

৪) “ব্যক্তি ও বাক-স্বাধীনতার নামে সকল বেহায়াপনা, অনাচার, ব্যাভিচার, প্রকাশ্যে নারী-পুরুষের অবাধ বিচরণ, মোমবাতি প্রজ্বলনসহ সকল বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে।”== একই কথা যেকোন মুল্যে শাহ্‌বাগকে প্রশ্নবিদ্ধ করায় আপনাদের মূল উদ্দেশ্য। আপনাদের ৮৫ কোটি টাকা লেনদেনের কাহিনী সব পরিষ্কার করে দিচ্ছে। এই একটাও বাঙ্গালীর বিজাতীয় সংস্কৃতি নয়। আমরা সনাতন ধর্ম থেকে মুসলমান হইছি এই সেই দিন। আর আমরা বাঙ্গালী হাজার বছর ধরে, তাই আপনাদের এমন অগণতান্ত্রিক আস্ফালন মানুষ সহজে মেনে নিবে না, যতটা সহজে আস্তাকুড়ে ছোঁড়ে দিবে। আমাদের ফাল্গুন উৎসব, ১লা বৈশাখের মেলা, আমাদের হাজার বছরের নৃতাত্ত্বিক আর, জাতিগত সংস্কৃতি।

৫) “ইসলামবিরোধী নারীনীতি, ধর্মহীন শিক্ষানীতি বাতিল করে শিক্ষার প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করতে হবে।” == আমাদের মুসলমান পরিবারের ছেলেরা মক্তবে পড়ে, বা বাসাই হুজুরের কাছে পড়ে ধর্ম শিক্ষা পাই, আর তাঁর পরিবারের শিক্ষাতো আছেই। আর তাদেরকে স্কুলে পাঠানো হয় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক, উকিল, আইনজ্ঞ, বা আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের শিক্ষা অর্জনের জন্যে। আমাদের বর্তমান নারীনিতি আর, শিক্ষানীতি বিশ্বব্যপী স্বীকৃত আর, আধুনিক-যুগোপযোগী!! এমন মধ্যযুগের ডাক দিবেন-তো মানুষ আপনাদেরকে প্রাচীন যুগে নিক্ষেপ করবে।

৬) “সরকারীভাবে কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণা এবং তাদের প্রচারণা ও ষড়যন্ত্রমূলক সকল অপ-তৎপরতা বন্ধ করতে হবে।”== আপনারা যাকে তাঁকে নাস্তিক ঘোষণা করে মারে ফেলবেন, মুরতাদ বলবেন আবার সরকারকে দিয়েও এসব বলাবেন? আপনারাই এখন ঘোষণা দেন তারা মুসলিম না!! তাহলে, রাজীব-কে বিচার বহির্ভূত ভাবে হত্যা করলেন কেন? সরাকারকে দিয়ে বলাতেন- আইনের বিচার হত!! শাহ্‌বাগ গেছে বলে-তাঁকে মেরে ইস্যু বানাইছেন? তা না হলে তো আগেই মারতে পারতেন!! আপনারা কতটা মধ্যযুগীয় ভেবে দেখেছেন? এইটা ধর্মীয় নিয়মে আপনারাই ঘোষণা করেন। সরকারের কাজ এইটা না। তাহলে আর সরকারকে উন্নয়ন করতে হবে না, ধর্ম প্রচার করতে হবে। সরকার সব ধর্মের। কাদিয়ানিরা নিজেদের মুসলিম মনে করলে আপনি কি ভাবছে আইন করে তাদের মনে করাটা বন্ধ করতে পারবেন? কোন মুসলিম যদি ঘুষ খেয়ে হজ করে ক্ষমা চাইলে ক্ষমা পাবে মনে করে তাকে আপনি থামাবেন কিভাবে? রাষ্ট্রীয় আইন হচ্ছে আন্যায় কে বাধা দেয়া আর, তার বিচার করা। কোন ধর্মের আইন কায়েম করার জন্যে বাংলাদেশের সরকার আসে নি, এই বাংলাও স্বাধীন হয় নি।

৭) “মসজিদের নগরী ঢাকাকে মূর্তির নগরীতে রূপান্তর এবং দেশব্যাপী রাস্তার মোড়ে ও কলেজ-ভার্সিটিতে ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন বন্ধ করতে হবে।”== খুবই হাস্যকর আর, নির্লজ্জ দাবী। কাওকে আশা করি যুক্তি দিয়ে এর অন্তঃসারশুন্যতা বুজাতে হবে না।

৮) “জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সকল মসজিদে মুসল্লিদের নির্বিঘ্নে নামাজ আদায়ে বাধা-বিপত্তি ও প্রতিবন্ধকতা অপসারণ এবং ওয়াজ-নসিহত ও ধর্মীয় কার্যকলাপে বাধাদান বন্ধ করতে হবে।”== এইটা জামাত-শিবিরের আগ্রাসনের জন্যে সাময়িকভাবে সরকার করেছে। জামাত-শিবিরের নৃশংসতার কোন প্রতিবাদ না করে এখন সরকারের প্রতিবাদ করছেন? আচ্ছা আপনাদের পিতৃপ্রদত্ত মাথাটা কি ঘাড়ের উপরে আছে? নাকি বিকিয়ে দিয়েছেন?

৯) “রেডিও, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় দাড়ি-টুপি ও ইসলামী কৃষ্টি-কালচার নিয়ে হাসি-ঠাট্টা এবং নাটক-সিনেমায় খল ও নেতিবাচক চরিত্রে ধর্মীয় লেবাস-পোশাক পরিয়ে অভিনয়ের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মনে ইসলামের প্রতি বিদ্বেষমূলক মনোভাব সৃষ্টির অপপ্রয়াস বন্ধ করতে হবে।”=== আমারে মাইরালারে, মাইরালা! আপনারা দাড়ি-টুপি পরে মানুষকে ঠকাবেন আর, টিভিতে দেখাইলেই দোষ। পারলে ওইসব ভণ্ডদের সমালোচনা করুন। আসলে কথা হচ্ছে নিজের সমালোচনা নিজে কেমনে করবেন। আপনারাতো চান দাড়ি-টুপি পরে আজীবন সরল ধর্ম-প্রান বাঙ্গালীকে ঠকায় যেতে।

১০) “পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশব্যাপী ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত এনজিও এবং খ্রিস্টান মিশনারিদের ধর্মান্তরকরণসহ সকল অপ-তৎপরতা বন্ধ করতে হবে।”== দেশে তাবলীগের কার্যক্রম চলতে পারলে এইসবও পারবে। কোন ধর্ম প্রচারও সরকার করে না, আবার কোন ধর্ম প্রচারে সরকার বাধাও দেই না। এইটা ধর্মগুরুদের নিজস্ব পরিকল্পনায় চলবে। যে যার ধর্ম তার মত করে প্রচার করবে। আপনারা মধ্যপ্রাচ্য থেকে টাকা দিয়ে করতে পারলে, বাকিরা কি দোষ করছে?

১১) “রাসুলপ্রেমিক প্রতিবাদী আলেম-ওলামা, মাদরাসা ছাত্র এবং তৌহিদী জনতার ওপর হামলা, দমন-পীড়ন, নির্বিচার গুলিবর্ষণ এবং গণহত্যা বন্ধ করতে হবে।”== সরাসরি বললেই হয় সাইদি-নিজামি-সাকা-মুজাহিদ-কাদের মোল্লা-গু আযমদের ছারতে হবে। কে কখন হামলা করছে? জামাত-শিবিরের তাণ্ডবের দমনকে বুজাচ্ছেন? লজ্জা করল না। এতগুলো ধর্মপ্রান সরল বিশ্বাসের বাঙ্গালী মুসলমানদের বিশ্বাস নিয়ে হটকারিতা করতে! করবে কেমনে এইসবইতো আপনারা করেন!!

১২) “সারাদেশের কওমি মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষক, ওলামা-মাশায়েখ এবং মসজিদের ইমাম-খতিবকে হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি দানসহ তাদের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে।”== আপনারা মাদ্রাসায় জঙ্গি প্রশিক্ষন দিবেন, সব ষড়যন্ত্র করবেন আর উল্টাটা বলবেন, খুব আবুল পাইছেন বাঙ্গালীকে? দেখেন আজ পর্যন্ত ৭১ এর পর বাংলাদেশে মুসলমানদেরকে ছোট করার জন্যে কোন ষড়যন্ত্র হয় নাই, হলে মুসলিমেরা ৮৪-৮৫ % থেকে ৯০-৯১% হত না। এখনতো আপনারাই দাড়ি-টুপির অবমাননা করছেন। ইসলামি লেবাজ নিয়ে মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন অবিরত। অভিযোগের তীর অপরের দিকে তাক করলে নিজের দিকে তাক না করাটা নিশ্চিত হয় না!!

১৩) “অবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃত সকল আলেম-ওলামা, মাদরাসা ছাত্র ও তৌহিদী জনতাকে মুক্তিদান, দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং আহত ও নিহতদের ক্ষতিপূরণসহ দুষ্কৃতকারীদেরকে বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দিতে হবে।”== জঙ্গি বা, সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সাথে জরিত না থাকলে কাউকে গ্রেপ্তার করে না পুলিশ। দেখান-তো, লিস্ট দিয়েন সরকারকে। এমনিতে বিএনপির নেতা কর্মী দিয়ে জেল ভর্তি, তার মধ্যে নিরীহ আলেম-ওলামা গ্রেপ্তার সময় আছে সরকারের। আগে আপনারা জঙ্গি প্রশিক্ষন বন্ধ করুন তারপর সরকার আলেম-ওলামা, মাদরাসা ছাত্র ও তৌহিদী জনতার নামের সন্ত্রাসী-জঙ্গিদের গ্রেপ্তার বন্ধ করবে।।

“একটা মিথ্যা ১০০ বার বললেও সত্য হয় না, এমন কি দারি-টুপি পরা হুজুর দিয়ে বলালেও না,
আর সত্য যতবার বলবেন ততবারই প্রতিষ্ঠিত হয়- মজবুত হয়!!”

বাংলার মানুষ ৬১ জেলায় একযোগে বোমা হামলা, বাঙলা ভাই, ১লা বৈশাখের বোমা হামলা, ২১ অগাস্ট বোমা হামলা, ব্রিটিশ হাই কমিশনার কে আক্রমন, এমন অনেক জঙ্গি আক্রমন ভুলে নাই। আজ গাড়িতে দারি-টুপি পরা কাউকে পোটলা নিয়ে উঠতে দেখলে বোমা হামলার কথা ভাবে, দূরে গিয়ে বসে। কেন? সরকার আপনাদের রক্ষা করতে পারবে না, যতদিন না আপনারা মানুষ হইছেন। তওবা করে জঙ্গিপনা বাদ দিয়ে ভাল হয়ে যান। প্রত্যেক মানুষেই তার প্রান-প্রিয় ধর্মকে হিফাজত করতে জানে। আপনাদের আলাদা করে কিছু করতে হবে না। আপনারা পারলে সৎভাবে আপনাদের ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করুন টা বরং সরল ধর্ম-প্রান মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৮ thoughts on ““হেফাজতের ১৩ দফা দাবি ও তার ব্যবচ্ছেদ…”

  1. অনেকটা একপেশে লেখা।একটু
    অনেকটা একপেশে লেখা।একটু নিরপেক্ষভাবে যদি দেখতেন তাহলে ১৩ দফার প্রত্যেকটিতেই আপনি খুঁত খুজে পেতেন না।৪ নং দফা নিয়েই কিন্তু বেশী আলোচনা হয়েছে।আপনি সেখানে অশ্লীলতা,বেহায়াপনা,ব্যাভিচার,অনাচার এই শব্দগুলো এড়িয়ে গেছেন।কোন সভ্য মানুষ কি এগুলো সাপোর্ট দিতে পারে?

    1. “অশ্লীলতা,বেহায়াপনা,ব্যাভিচা
      “অশ্লীলতা,বেহায়াপনা,ব্যাভিচার,অনাচার”–
      ডিফাইন করেন? কি পাবেন? আমরা মাদ্রাসার বোরকা পরা ছাত্রিকেও ধর্ষিত হতে দেখেছি!!
      আবার, শ্বশুরের হাতে বউ কেও লাঞ্ছিত হতে দেখেছি!!
      কাজের ছেলে নিস্পাপ শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করছে আমরা জানি!!
      আর্মি অফিসারের বউ তার ব্যাটম্যান দ্বারা ধর্ষিত ও পরে খুন হয়েছেন?
      এইসব তথ্য আপনাকে কি ধারনা দেই?
      মেয়েদের কম কাপর পরা তাদেরকে কখনও ঝুঁকিতে ফেলে নাই।
      আমাদের সমাজের অন্তসারশুন্যতাই আমাদের এমন করেছে!!
      এই ১৩ দফার কোনটাই ধর্মীয় ও জাতীয় স্বার্থের সাথে সম্পৃক্ত না।

      কৃষিসভ্যতার পর থেকে যখন নারীরা ক্রমেই বন্ধী হতে লাগল তখন থেকেই তাদের ব্যক্তি স্বত্বা আর, স্বকীয়তা ভুলন্ডিত হয়ে অবিরত রবী ঠাকুরের হৈমন্তীর মত শোপিস আর, সম্পদের সত্ত্বায় বিকশিত হতে থাকল!!

      এখন প্রশ্ন আপনি কি আপনার মা-বউ-মেয়েকে মানুষ ভাবেন আপনার মত নাকি, নারীদের আপনি একটা কৃতদাসী বা, অধিকারভুক্ত ভৃত্য ভাবেন?
      যদি আপনার মত মানুষ ভাবেন তবে তাকে তার মত চলতে দিন!!
      সবিনয়ে অনুরোধ করলাম…

      ধন্যবাদ আপনার মুল্যবান মন্তব্যের জন্যে…

    2. ধুর মিয়া পেচাল কম পাড়েন । মিস
      ধুর মিয়া পেচাল কম পাড়েন । মিস গোলাপির পিঙ্ক কালার এর লাখ টাকার পাতলা ফিনফিনে সিফন শাড়ি পড়ে, লাখ টাকার মাকেউপ কইরা শফির লগে মীটিং করে ।, তখন আপনাদের ৪ নো দাবি কই থাকে
      ???? :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: @ মুহাম্মাদুল্লাহ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

19 + = 21