Pandemic থেকে Endemic-এর পথে করোনাভাইরাস

গত কয়েক দিন ধরে “Learning to Live With Corona” ফ্রেজটি পেপার পত্রিকা টিভি মিডিয়ায় ঘুরে ফিরে বারবার এসেছে। বিজ্ঞানী গবেষক ও সরকার প্রধানেরা বোঝাতে চাইছেন যে এখন আমাদের করোনাকে সঙ্গী করেই বাঁচতে শিখতে হবে। বাংলাদেশ সরকার লক ডাউন তুলে নিলেও সরকারীভাবে এখনও এই বিষয়ে কেউ কোন মন্তব্য করেনি, কিন্তু পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও পাকিস্তান সহ বিশ্ব নেতারা সেই লক্ষ্যের দিকে এগোচ্ছে এর ইঙ্গিত ইতোমধ্যে দিয়েছে। তাই বলা যায় করোনাকে সঙ্গে করেই একটা নতুন স্বাভাবিক জীবন ব্যবস্থা শুরু হতে পারে। সাম্প্রতিক WHO এর কিছু বিশেষজ্ঞও একই কথা বলেছেন। এমনটা হয়ে থাকলে বলা যায় করোনাভাইরাস হয়তো এগুচ্ছে পেনডেমিক থেকে এনডেমিকের দিকে।

ভূমিকা:

WHO-এর ইমার্জেন্সি এক্সপার্ট মাইক রায়ান বলেছেন, “It is important to put this on the table: Coronavirus may become another endemic virus in our communities, and this virus may never go away. HIV has not gone away, but we have come to term with the virus.” অর্থাৎ করোনা ভাইরাস একটি স্থায়ী ভাইরাসের মতো আমাদের সমাজে থেকে যাবে, হয়তো কখনোই যাবে না। এইচআইভি যেমন যায়নি, যেভাবে আমরা এটার সাথে থাকতে শিখে গেছি সেভাবে হয়তো আমাদের করোনা ভাইরাসকে সঙ্গী করেই বাঁচতে শিখতে হবে।

এন্ডেমিক ডিজিজ (Endemic Disease) এর সংজ্ঞা:

স্থায়ী অসুখ বা এন্ডেমিক ডিজিজ সেগুলোকে বলে যেখানে একটি ভাইরাস বা প্যাথোজেন মানুষের মাঝে বছরের পর বছর বিরাজ করতে থাকে এবং তাদের আক্রান্ত করতে থাকে যাদের কোন ভ্যাকসিন দেওয়া হয়নি। ব্যাকটেরিয়া বা প্যাথোজেনের কারণে এই রোগ সমূহ সারা বছর বা বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে চলতে পারে।

পৃথিবীতে যেকোনো অসুখ ও ভাইরাসকে রুখে দেওয়ার তিনটি পর্যায় থাকে। সেই ভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে পর্যায়ক্রমে তিনটি ধাপ অবশ্যই অতিক্রম করতে হয়। যদি সেই রোগটি কোনো একটি স্টেজে গিয়ে স্থায়ীভাবে আটকে যায় এবংং মানুষের শরীরে বিরাজ করে তবে সেটিকে অফিশিয়ালি এন্ডেমিক বলা যায়। তিনটি স্টেজের প্রথমেই থাকে Control, এরপর Elimination, ও Eradication. নিচে এই তিনটি স্টেজ বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

Control (নিয়ন্ত্রণ):

কোনো রোগের ক্ষেত্রে যখন নতুন আক্রান্ত রোগীর তুলনায় সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা বেশি থাকে তখন সেটিকে রোগের নিয়ন্ত্রিত অবস্থা বলে। ধরা যাক, বাংলাদেশে ৭০ তম দিনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১৯০০ জন এবং সুস্থ হওয়ার সংখ্যা ৩৩০ জন, এক্ষেত্রে বলা যাবে না বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বরং সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা বেশি হলে নিয়ন্ত্রিত অবস্থা বলা যেত। পুরো বিশ্বের আক্রান্তের দিকে লক্ষ্য করলে নিসন্দেহে বলা যায় করোনা ভাইরাস একদম নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় নেই কারণ বাংলাদেশ সহ বেশিরভাগ দেশেই করোনায় সুস্থ হওয়া রোগীর চাইতে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুটি কয়েক রাষ্ট্র দাবী করতে পারে তারা করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে যেমন, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। কিন্তু এই রাষ্ট্রগুলো নিশ্চিতভাবে বলতে পারবে না যে তারা করোনা ভাইরাসকে নিয়ন্তণ করতে পেরেছে। কেননা দ্বিতীয় ওয়েভের খবর ঐ সমস্ত রাষ্ট্রগুলো থেকে পাওয়া গেছে।

Elimination (বর্জন):

যখন কোনো নির্দিষ্ট ভৌগলিক এলাকায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা শূন্যের কোঠায় নেমে আসে, আগের রোগীদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দিয়ে দেওয়া হয় তখন বলা যায় ঐ এলাকায় রোগটি শেষ হয়ে গেছে। ইবোলার ক্ষেত্রে এমন পরিস্থিতি দেখা গেছে। চলতি বছর মার্চে কঙ্গোয় ইবোলা ভাইরাসকে এলিমিনেট ঘোষণা করা হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৪৬ রোগী এখনও কোয়ারান্টিনে রয়েছে। কিন্তু করোনা ভাইরাসের ক্ষেত্রে এলিমিশিন কতটা সম্ভব এই নিয়ে এখনও যথেষ্ট মতভেদ রয়েছে। চীন সহ বহু অঞ্চলে দীর্ঘ সময় নতুন আক্রান্ত রোগী না পাওয়ার পরও হটাৎ করে সেকেন্ড ওয়েভ করোনা ভাইরাসের খবর পাওয়া গেছে। চীনে যে প্যাটার্ন ছিলো একই প্যার্টার্ন লক্ষ্য করা গেছে জাপানেও। চীনে সেকেন্ড ওয়েভের ১৭ জন নতুন রোগী সনাক্তের পর তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো ১০ দিনে এক কোটি দশ লক্ষ মানুষকে কোভিড-১৯ টেস্ট করবে। এটা কেন? কারণ সেকেন্ড ওয়েভের উৎস তারা খুঁজে পাচ্ছিল না। বাহির থেকে আসা মানুষের মাধ্যমে এ রোগ ছড়াচ্ছে এটা নিশ্চিত হওয়ার পরই তারা মাস টেস্টিং এর সিদ্ধান্ত নেয়। করোনা যে পুরোপুরি শেষ হয়ে যাবে না এমন ভুরিভুরি  উদাহরণ বিভিন্ন দেশে দেখা গেছে।

Eradication (সমূলে ধ্বংস):

WHO শুরুতেই এটার বিপক্ষে সতর্ক করে দিয়েছে সকলকে। ডাব্লিউএইচও এর প্রেসিডেন্ট টেডরস বলেছিলেন করোনা ভাইরাস হয়তো কখনো সমূলে ধ্বংস হবে না। পৃথিবীতে স্মল পক্সই একমাত্র রোগ যেটিকে আমরা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করতে পেরেছি। ১৯৮০ সালে ডাব্লিউএচও স্মল পক্স মুক্ত ঘোষণা দেয়। পোলিও ও গিনি ওয়ার্মকে দুটোই বহুল পরিচিত রোগ৷ পোলিও এখনও পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। ২০০৭ সালের পর থেকে বাংলাদেশে নতুন করে কোনো পোলিও আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়নি, এবং ২০১৪ সালে বাংলাদেশ সহ এশিয়ার ১১ টি দেশকে ডাব্লিউএইচও পোলিও মুক্ত ঘোষণা করে। মনে রাখতে হবে এশিয়ার কিছু অঞ্চলে পোলিও মুক্ত হলেও বাকী পৃথিবীর বহু স্থানে পোলিওতে আক্রান্ত বহু রোগী নতুন করে পাওয়া যায় তাই সেই অঞ্চলগুলো পুরোপুরি পোলিও মুক্ত না। এশিয়ার এই ১১টি রাষ্ট্র হল পোলিও এলিমিনেট কারী রাষ্ট্র। এটাই এলিমিনেশন ও এরাডিকেশনের মধ্যে মূল পার্থক্য। এলিমিনেশনে  রোগ থেকে নির্দিষ্ট কোনো অঞ্চল মুক্ত হয় কিন্তু এরাডিকেশনে পুরো পৃথিবীকেই মুক্ত ঘোষণা করা হয়।

HIV/AIDS বর্তমানে নিয়ন্ত্রণ স্টেজে বা কন্ট্রোল স্টেজে রয়েছে। অর্থাৎ এইডস থেকে মুক্ত হওয়ার প্রথম স্তরে রয়েছি আমরা। HIV/AIDS থেকে পুরোপুরি মুক্তি পেতে একে এখনও এলিমিনেশন ও এরাডিকেশন দুটি স্টেজ পার করতে হবে। রোগ মুক্তির এই তিনটি স্টেজ বিশ্লেষণ করে বলা যায় খুব সম্ভবত করোনা ভাইরাস ম্যালেরিয়া, কলেরা, টায়ফয়েড, টিউবারকুলোসিস, ইবোলা, ইনফ্লুয়েঞ্জা, এবং এইচআইভির মতো আমাদের সঙ্গে রয়ে যাবে।

এইচআইভি এর কেস স্টাডিতে দেখা গেছে এটি আনুমানিক ১০০ বছর পূর্বে প্রথম দেখতে পাওয়া যায়, কিন্তু ১৯৮০ সালে যে কেসগুলো এসেছিলো তা হটাৎ করেই সামনে চলে আসে। বডি ফ্লুইড যেমন বীর্য,  রক্ত ইত্যাদির মাধ্যমে প্রবাহিত হয়ে এইচআইভি পেন্ডেমিকে রূপ নেয়। তখন ১৫০০০০ আক্রান্তের রিপোর্ট পাওয়া গিয়েছিলো কিন্তু ধারণা করা হয় আক্তান্তের সংখ্যা চার লক্ষের থেকে বেশি ছিলো। এরপর থেকে এইচআইভি আক্রান্ত খবর পাওয়াটা স্বাভাবিক সংবাদে পরিণত হয়। বর্তমান সময়ে এইচআইভির ঔষধ হিসেবে এন্টিরেট্রোভাইরাল ড্রাগস (Antiretroviral Drugs) বা ART ড্রাগস রয়েছে কিন্তু এর কোনো প্রতিষেধক নেই। আনুমানিক ২০ মিলিয়ন মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে স্বাভাবিক জীবন যদিও যাপন করছে কিন্তু ১৯৮০ সালের পর থেকে এইডস একটি আতঙ্কের নাম ছিলো। মানুষ প্রতিরোধ ও সাবধানতার জন্য কিছু পন্থা অবলম্বন করে এইচআইভিকে সঙ্গী করেই বাঁচতে শিখে গেছে যদিও আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার রয়েছে আগের মতই।

তথ্য প্রমাণ বলছে করোনাকে সঙ্গী করেই আমাদের বাঁচতে হবে। কিন্তু কীভাবে বাঁচতে হবে? বিশ্বব্যাপী সরকার ও গবেষকরা এখনও আশাহত হয়নি। তারা রাত দিন পরিশ্রম করে করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারের চেষ্টা করে যাচ্ছে এবং এ ব্যাপারে বেশ আশাবাদী। একই সঙ্গে উনারা এটাও বলেছেন যে করোনাকে সঙ্গী করে বাঁচতে শিখতে হবে। বাংলাদেশে এখন কোনো প্রকার লক ডাউন নেই। কখনো লক ডাউন দেওয়া হয়ওনি। ছুটি ছিলো, সেই ছুটি শেষ হতে চললো। সম্ভবত ছুটির পর আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাব, আমাদের নতুন স্বাভাবিক জীবনে।

পোস্ট লক ডাউন পৃথিবী কেমন হবে? গবেষকদের মতে, সামাজিক দূরত্ব মানুষের কাছে স্বাভাবিক জীবন ব্যবস্থা হয়ে উঠবে। সেটার চর্চা হবে সবখানে। রেলওয়ে টিকেটের লাইনে, বাসের সিটে, ব্যাঙ্কে টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে, স্কুলের অ্যাসেম্বলিতে, উপসনালয়ের প্রার্থণায়, সিনেমা হলের ভিতরে বাহিরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। মাস্ক ও স্যানিটাইজার আমাদের প্রত্যাহ জীবনের অংশ হয়ে যাবে। পাবলিক প্লেসে স্যানিটাইজার হরদম পাওয়া যাবে, মাস্ক ও স্যানিটাইজার না রাখলে হয়তো জরিমানাও গুণতে হতে পারে। ইস্ট এশিয়ার দেশ সমূহ, বিশেষ করে হংকং, জাপানে এমনকি চীনেও বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই মাস্ক কালচার গড়ে উঠেছে। এটা তাদের স্বাভাবিক জীবন ব্যবস্থার অংশ ছিলো। যখনই কমন ফ্লুয়ের সিজন আসতো তারা নিয়মিত মাস্ক ব্যবহার করত। এই অভ্যাস চলে আসছে বহু বছর যাবৎ। জাপান লক ডাউন না দিয়েই শুধু মাস্ক ও সামাজিক দূরত্বের স্বাভাবিক অভ্যাস বজায় রেখে করোনা ভাইরাসের প্রথম ওয়েভ নিয়ন্ত্রণ করে ফেলেছিলো। কিন্তু মাস্ক ও স্যানিটাইজার বাংলাদেশে এডোপ্ট করা সহজে সম্ভব না। যেকোনো জনসংখ্যাকেই নতুন কিছু গ্রহণ করতে, নতুন স্বাভাবিক জীবন ব্যবস্থায় আসতে সময় লাগে, সেটা বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও লাগবে কিন্তু বিপরীতে কত লাশ দেখতে হবে এটা বলা মুশকিল।

অনলাইনে ও ডিজিটাল অর্থনৈতিক লেনদেন বৃদ্ধি পাবে। লোকজন চেষ্টা করবে পেন্ডেমিক থেকে বাঁচতে ব্যাঙ্কে কম যাতায়াতের, কারেন্সি ও টাকা যেন ব্যবহার করতে না হয়। সেক্ষেত্রে অনলাইন লেনদেন বৃদ্ধিপাবে।

ওয়ার্ক ফ্রম হোম নতুন স্বাভাবিক জীবন ব্যবস্থায় অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে দেখা যাবে৷ স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির ওয়ার্ক ফ্রম হোম নিয়ে একটা স্টাডিতে দেখা গেছে প্রান্তিক ওয়ার্কাররা অফিসে কাজ করার বদলে বাসায় কাজ করলে ১৩.৫% বেশি প্রোডাক্টিভ হয়ে ওঠে। গালেপের একটি স্টাডিতে দেখা গেছে অফিসে কাজের ক্ষেত্রে একজন ওয়ার্কার ৬০-৮০% সময়ে অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগেই ব্যস্ত থাকে।

স্কুলেও পরিবর্তন আসতে পারে। সাম্প্রতিক ডেনমার্ক তাদের স্কুল খুলে দিয়েছে কিন্তু কিছু শর্ত জুড়ে দিয়েছে। শিশুরা একে অপরকে স্পর্শ করতে পারবে না, একে অপরের সাথে খেলতে পারবে না, জড়িয়ে ধরতে পারবে না, হাই ফাইভ দিতে পারবে না, প্রতিটা টেবিলে স্বাভাবিকভাবে দুই জন করে বাচ্চা বসলেও এখন থেকে একজন বাচ্চা বসতে পারবে। যদি ডিজিটাল এডুকেশন জনপ্রিয় হয়ে যায় তাহলে স্কুলে উপস্থিতির হার কমে যাবে।

পরিবহন সেক্টরেও অনেক পরিবর্তন দেখা যাবে। অনলাইন ভিত্তিক টিকিট ক্রয় বেড়ে যাবে। লাগেজ নিয়ন্ত্রণ করা হবে, মাস্ক বাধ্যতামূলক হতে পারে। স্থলপথ, নৌপথ, বিমানপথ সব ক্ষেত্রেই সামাজিক দূরত্ব বেড়ে যাবে, থার্মাল স্ক্রিনিং শুরু হবে। ব্যক্তিগত পরিবহন বৃদ্ধি পাবে৷ সেক্ষেত্রে একটি স্কুটার বাইক সাইকেলে একজন মানুষই হয়তো ট্রাভেল করতে পারবে। সেক্ষেত্রে এয়ার পলিউশন লেভেল বেড়ে যেতে পারে, এবং ভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি হবে।

শিল্প কারখানাও অনেকটাই বদলে যাবে। এখন যেভাবে কাজ হচ্ছে তার অনেকটাই বদলে যেতে পারে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে কম শ্রমিক দ্বারা কাজ করানো হবে। কর্মচারীদের হেলথ ইন্স্যুরেন্স বেড়ে যাবে। কলকারখানায় অটোমেটিক মেশিনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। ফলে কাজ মানুষের সাহায্যে কম ও মেশিনের সাহায্যে বেশি করানো হবে।

একই সঙ্গে সরকার হয়ত নিজেদের হেলথ সিস্টেমের দিকে মনোযোগ দিবে। টেস্টিং ফ্যাসিলিটি বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া প্রতিরোধ মূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের যথাসাধ্য চেষ্টা করবে।

ফেসবুক মন্তব্য

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

11 − 10 =