মুসলিম পুরুষেরা কেন পর্ণোগ্রাফিতে অতিমাত্রায় আসক্ত

২০১১ সালে পাকিস্তানের এবোটাবাদে ওসামা বিন লাদেনের বাড়িতে আক্রমণ চালিয়ে লাদেনকে হত্যা করার পর মার্কিন বাহিনী তার ব্যক্তিগত কম্পিউটার জব্দ করে। লাদেনের সেই ব্যক্তিগত কম্পিউটারে পাওয়া যায় পর্নোগ্রাফির হরেক রকম কালেকশন [১]। যে লাদেন পশ্চিমা অশ্লীলতা, বেলাল্লাপনার বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন, তিনিই কিনা রাত জেগে কম্পিউটারের সামনে বসে পর্ণ দেখতেন! কি আশ্চর্য কথা! লাদেনের কথা না হয় বাদই দিলাম। পর্ণ সাইটগুলোতে কারা সবচেয়ে বেশি ভ্রমণ করে- গুগলের এ সংক্রান্ত জরিপে বেরিয়ে এসেছে এক বিস্ময়কর তথ্য। সবচেয়ে বেশি পর্ণ সাইট ভ্রমণ করে ইসলামী শরিয়া সমৃদ্ধ পাকিস্তানিরা এবং আরও মজার তথ্য হচ্ছে সবচেয়ে বেশি পর্ণ সাইট ভ্রমণকারি শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে ৬টি দেশই ইসলামী দেশ [২]। কিন্তু ইসলামে তো এগুলো নিষিদ্ধ, এমনকি ইসলামে নারী পুরুষের প্রেম করাও নিষিদ্ধ। কোরানে আছে [৩]- “ব্যভিচারিণী নারী ব্যভিচারী পুরুষ; তাদের প্রত্যেককে একশ’ করে বেত্রাঘাত কর। আল্লাহর বিধান কার্যকর কারণে তাদের প্রতি যেন তোমাদের মনে দয়ার উদ্রেক না হয়, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাক। মুসলমানদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে।” (কুরআন ২৪:২) তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, বিশ্বের এক নম্বর জিহাদি নেতার কেন এই অবস্থা? বিশ্বের মুসলিমদের কেন এই অবস্থা? কেন তারা এত পর্ণ আসক্ত? এর উত্তর কিন্তু ইসলামের কোরান হাদিসেই লুকিয়ে আছে।

আমি কোরান এবং হাদিসকে বলি পর্ণোগ্রাফির বই। কোরান হাদিসই মুসলিমদেরকে পর্ণোগ্রাফি দেখতে উৎসাহিত করে। কেন এবং কিভাবে সেটাই এই পোস্টের আলোচ্য বিষয়।

কোরানে আল্লাহ জান্নাতের হুরের বর্ণনা দিয়েছেন –

তাদের কাছে থাকবে নত, আয়তলোচনা তরুণীগণ। [৪]

আবরণে রক্ষিত মোতির ন্যায়। [৫]

পরিপূর্ণ স্তন্যের অধিকারী, সমবয়স্কা। [৬]

এই আয়াতের তফসিরে বলা হয়েছে [৭]-

كواعب শব্দটি كاعب-এর বহুবচন। যার অর্থ হল পায়ের গাঁট। যেমন গাঁট উঁচু হয়ে থাকে, ঠিক তেমনি তাদের স্তনগুলিও অনুরূপ উঁচু উঁচু হবে; যা তাদের রূপ-সৌন্দর্যের একটি সুদৃশ্য। (অর্থাৎ তারা সদ্য উদ্ভিন্ন স্তনের ষোড়শী তরুণী হবে।) أتراب শব্দের অর্থ হল সমবয়স্ক। [ গ্রন্থঃ তাফসীরে আহসানুল বায়ান। অনুবাদঃ শায়েখ আব্দুল হামিদ ফাইজী ]

এবার আমি ইসলামের অন্যান্য গ্রন্থ থেকে হুরের বিবরণ দেবো।

প্রত্যেক বেহেশতবাসীকে দেওয়া হবে ৭২টি অনিন্দ্য সুন্দরী হুরী তাদের ভোগের জন্য। বেহেশতবাসীরা যেকোন বয়সেই মারা যাক না কেন, তারা যখন বেহেশতে প্রবেশ করবে তখন তাদের বয়স হবে ৩০ বৎসরের যুবকের ন্যায় এবং তাদের বয়সে আর কোন পরিবর্তন হবে না; আর প্রত্যেক বেহেশতবাসীকে ১০০টি শক্তিশালী পুরুষের সমান যৌনশক্তি দান করা হবে। [৮]

হুরীগণ এত বেশি সুন্দরী ও রূপসী হবে যে, তারা যদি আকাশের জানালা দিয়ে পৃথিবীর দিকে তাঁকায়, তাহলে সমস্ত দুনিয়া আলোকিত হবে এবং সুগ্রানে ভরে যাবে আকাশ ও পৃথিবীর মাঝখানের সব জায়গা। একজন হুরীর মুখমণ্ডল হবে আয়নার চেয়েও মসৃন বা পরিস্কার, যাতে নিজ চেহারা দেখতে পাবে এবং হুরীর পায়ের মজ্জা দেখা যাবে খালি চোখে। [৯]

একজন হুরী অনিন্দ্য সুন্দরী যুবতী, যার শরীর হবে আয়নার মত স্বচ্ছ বা মসৃন। তার পায়ের হাড়ের ভেতরের মজ্জা দেখতে পাওয়া যাবে যেন মনি-মুক্তার ভেতরে রেখার ন্যায়। তাকে মনে হবে একটি সাদা গ্লাসে রাখা লাল মদের ন্যায়। সে হবে সাদা রং-এর দুধে আলতা মিশানো, এবং তার কখনো হায়েজ (মাসিক), পেশাব, পায়খানা, গর্ভবতি হওয়া ইত্যাদি কিছুই হবে না। হুরি হবে অল্প-বয়স্কা, যার বক্ষ-যুগল হবে বড় বড় ও গোলাকার, যা কখনোই ঝুলে পড়বে না; সব সময় তীরের ন্যায় চোকা থাকবে। এসব হুরীগণ থাকবেন এক অতি উজ্জ্বল এবং জৌলুসপূর্ণ জায়গায়। [১০]

আবু ওমামা (রাঃ) বলেছেন যে আল্লাহর রসুল (দঃ) বলেছেন, “আল্লাহ যাকে ইচ্ছা বেহেশতে স্থান দিবেন এবং প্রতিটি বেহেশতবাসীকে বিবাহ দিবেন ৭২টি অনিন্দ্য সুন্দরী রমণীর সঙ্গে; যাদের মধ্যে দুইজন হবে চিরকুমারি (virgin) আয়োতলোচনা এবং বড়-বড় চোখওয়ালা হুরী, এবং বাকী ৭০জন হবে উত্তরাধিকার, যা সে লাভ করবে দোজখবাসীদের হিস্যা থেকে বা গনীমতের মাল থেকে। প্রত্যেকটি সুন্দরী রমণী বা কন্যার থাকবে খুব সুখদায়ক যৌনাঙ্গ (pleasant vagina) এবং বেহেশতি পুরুষের যৌনাঙ্গ (penis) সর্বদাই শক্ত ও খাড়া হয়ে থাকবে (Permanent erection), কখনো বাঁকা হবে না যৌনতার সময়। অর্থাৎ মূলত পুরুষাঙ্গটি সবসময়ই হুরীদের যোনির ভেতরে প্রবিষ্ট থাকবে পালাক্রমে একের পর এক প্রায় ৭০ বৎসর ধরে। [১১]

একজন হুরির সাথে প্রতিবার শয্যাগ্রহনকালে আমরা তাকে কুমারী হিসেবে পাব। তাছাড়া জান্নাতিদের লিঙ্গ কখনো নমনীয় হবে না। এই লিঙ্গোত্থান হবে অনন্তকালের জন্য; প্রতিবার তোমরা যে আনন্দ উপভোগ করবে, তা হবে পরম তৃপ্তিদায়ক যা এই দুনিয়ার কেউ পায় নি, এবং তোমরা যদি সেই পুলক দুনিয়াতে থেকে লাভ করতে তাহলে অজ্ঞান হয়ে যেতে। নির্বাচিত প্রতিটি মুসলিম বান্দা তাদের পৃথিবীর স্ত্রীদের ছাড়া আরও ৭০ খানা হুরির সহিত বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হইবে, এবং তাদের সকলের থাকবে অত্যন্ত কামুক যোনী। [১২]

আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান (রহঃ) … মিকদাম ইবনু মা‘দীকারির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর কাছে শহীদদের জন্য রয়েছে ছয়টি বৈশিষ্টঃ রক্ত ক্ষরণের প্রথম মূহূর্তেই তাকে মাফ করা হবে। জান্নাতে তার নির্ধারিত স্থান প্রদর্শন করা হবে। কবর আযাব থেকে তাকে নিরাপত্তা দেওয়া হবে। সবচেয়ে মহাভীতির দিনে তাকে নিরাপদে রাখা হবে, তাঁর মাথায় সম্মানের তাজ পরানে হবে, এর একটি ইয়াকুত পাথর দুনিয়া ও এর সব কিছু থেকে উত্তম হবে; বাহাত্তর জন আয়াত লোচন হুরের সঙ্গে তার বিবাহ হবে, তার সত্তর জন নিকট আত্মীয় সম্পর্কে তার সুপারিশ কবুল করা হবে। [১৩]

মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ও মাহমূদ ইবন গায়লান …. আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জান্নাতে প্রত্যেক মুমিনকে এত এত সঙ্গম শক্তি দেওয়া হবে। বলা হয়ঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! তা করতে সক্ষম হবে কি? তিনি বললেনঃ তাকে তো একশ’ জনের শক্তি দেওয়া হবে। [১৪]

লাদেনের কথা আর কি বলবো! ইসলামের নবী হযরত মুহম্মদ রাস্তা ঘাটে নারী দেখলে কামাতুর হয়ে যেতেন।

আমর ইবনু আলী (রহঃ) ….. জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মহিলাকে দেখলেন। তখন তিনি তার স্ত্রী যায়নাব এর নিকট আসলেন। তিনি তখন তার একটি চামড়া পাকা করায় ব্যস্ত ছিলেন এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের প্রয়োজন পূরণ করলেন। অতঃপর বের হয়ে সাহাবীগণের নিকট এসে তিনি বললেনঃ স্ত্রীলোক সামনে আসে শয়ত্বানের বেশে এবং ফিরে যায় শায়ত্বানের বেশে। অতএব তোমাদের কেউ কোন স্ত্রীলোক দেখতে পেলে সে যেন তার স্ত্রীর নিকট আসে। কারণ তা তার মনের ভেতর যা রয়েছে তা দূর করে দেয়। [১৫]

হাদিসে আছে, হযরত মুহম্মদের নাকি ৩০জন পুরুষের সমান যৌনশক্তি ছিল!

আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীগণের নিকট দিনের বা রাতের কোন এক সময়ে পর্যায়ক্রমে মিলিত হতেন। তাঁরা ছিলেন এগারজন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি আনাস (রাযি.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কি এত শক্তি রাখতেন? তিনি বললেন, আমরা পরস্পর বলাবলি করতাম যে, তাঁকে ত্রিশজনের শক্তি দেয়া হয়েছে। সা‘ঈদ (রহ.) ক্বাতাদাহ (রহ.) হতে বর্ণনা করেন, আনাস (রাযি.) তাঁদের নিকট হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে (এগারজনের স্থলে) নয়জন স্ত্রীর কথা বলেছেন। [১৬]

হযরত মুহম্মদ দাসীর সাথে সেক্স করতেন।

ইবরাহীম ইবন ইউনুস ইবন মুহাম্মাদ হারামী (রহঃ) … আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে একটি বাদি ছিল যার সাথে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহবাস করতেন। এতে আয়েশা (রাঃ) এবং হাফসা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে লেগে থাকলেন। পরিশেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই বদিটিকে নিজের জন্য হারাম করে নিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ্ পাক নাযিল করেনঃ (يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكَ) “হে নবী! আল্লাহ আপনার জন্য যা হালাল করেছেন তা আপনি নিজের জন্য কেন হারাম করে নিয়েছেন। [১৭]

ঋতুস্রাবের সময় শিশু আয়েশার গায়ে লিঙ্গ ঘষতেন হযরত মুহম্মদ।

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ এবং তিনি আমাকে নির্দেশ দিলে আমি ইযার পরে নিতাম, আমার হায়েয অবস্থায় তিনি আমার সাথে মিশামিশি করতেন। During the menses, he used to order me to put on an Izar (dress worn below the waist) and used to fondle me. [১৮]

দেখা যাচ্ছে, কোরান হাদিসেই পর্ণোগ্রাফির রগরগে বর্ণনা আছে। এগুলো পড়ার পর একজন মুসলিম পুরুষ তো উত্তেজিত হবেই। বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে ইসলামিক বক্তারা জান্নাতের হুরের বিবরণ দেন [১৯]। সেগুলো শুনলেও যেকোনো মুসলিম যুবক উত্তেজিত হবেন।

তাছাড়া যে জিনিস নিষিদ্ধ, সেই জিনিসের প্রতি মানুষের আগ্রহ ও কৌতূহল বেশি থাকে। ইসলামে যেহেতু নারী-পুরুষের প্রেম ও মেলামেশা নিষিদ্ধ তাই মুসলিম পুরুষরা যৌন ক্ষুধার্ত থাকে।

এছাড়া অশিক্ষিত ও স্বল্পশিক্ষিত মুসলিমরা তাদের সন্তানদেরকে সেক্স এডুকেশন দিতে চান না [২০]। ফলে একটা মুসলিম শিশু পরিবার ও স্কুল থেকে সেক্স এডুকেশন পায় না। এ কারণে তারা সেক্স সম্পর্কে কৌতূহল মেটাতে বিভিন্ন পর্ণ সাইট দেখে এবং সেক্স সম্পর্কে একটা বিকৃত ধারণা লাভ করে, যা তাদের মনোজগতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

সুতরাং মুসলিমদের পুরুষদের পর্ণোগ্রাফিতে আসক্ত হওয়ার পেছনে ইসলাম অনেকাংশে দায়ী।

রেফারেন্সঃ

[১] https://www.theguardian.com/world/2015/may/20/osama-bin-laden-porn-stash-remain-under-wraps-us-intelligence-decides

[২] https://wikiislam.net/wiki/Muslim_Statistics_-_Pornography

[৩] https://quran.com/24/2?translations=20,24

[৪] https://quran.com/37/48

[৫] https://quran.com/56/23

[৬] https://quran.com/78/33

[৭] https://www.hadithbd.com/quran/tafsir/?pageNum_tafsirquran=3&totalRows_tafsirquran=40&sura=%2078

[৮] তিরমিজী, অধ্যায় ২, পৃষ্ঠা-১৩৮

[৯] মিসকাত অধ্যায় ৩, পৃষ্ঠা-৮৩-৯৭

[১০] তিরমিজি,অধ্যায় ২, পৃষ্ঠা ৩৫-৪০

[১১] হাদিস নং ৪৩৩৭, ইবনে মাজাহ, ভলিউম-৫, পৃষ্ঠা-৫৪৭

[১২] আল-ইতকান ফি উলুম আল-কুরান, পৃঃ ৩৫১

[১৩] সূনান তিরমিজী, ১৬৬৯।, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

[১৪] সূনান তিরমিজী, ২৫৩৮., ইসলামিক ফাউন্ডেশন

[১৫] সহীহ মুসলিম, ৩২৯৮, হাদিস একাডেমি, (ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ৩২৭৩, ইসলামীক সেন্টার ৩২৭১)

[১৬] সহীহ বুখারী (তাওহীদ), হাদিস নম্বরঃ ২৬৮ (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৬)

[১৭] সূনান নাসাঈ, ৩৯৬১., ইসলামিক ফাউন্ডেশন

[১৮] সহীহ বুখারী, ৩০০।, তাওহীদ পাবলিকেশন (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৫)

[১৯]  https://www.youtube.com/watch?v=jRKunp5DIco

[২০] https://www.independent.co.uk/news/education/schools/keep-the-faith-should-muslim-children-receive-sex-education-1756750.html

পার্থ দাশ

৩০/০৫/২০

ঢাকা, বাংলাদেশ

ফেসবুক মন্তব্য

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 3 = 2