**মেয়েটির নাম কি?**

আজ চাঁদ টা পরিষ্কার ও অনেক বড় দেখাচ্ছে পূর্ণিমা মনে হয় আজ!ছাদে বসে আছে অনিক।কি যেন ভাবছে। ও হাসি খুশি ছেলে হলেও একাকী বসে ভাবার অভ্যাস অনিকের সেই ছোট বেলা থেকেই। অনিকের দৃষ্টি পড়ল একটি মেয়ের উপর, বই পড়ছে সে। বই পড়ার থেকে নিজের চুল নিয়েই যেন বেশি খেলা করছে মেয়টি ।কি মনে করে মেয়েটা জানালা দিয়ে তাকাল দেখল অনিক তাকিয়ে আছে।কিছু বলল না ও নিজের মত পড়ছিল টেবিল ল্যম্পের মৃদু আলোতে। টেবিল ল্যম্পের মৃদু আলোতে যেন তাকে আরও সুন্দর লাগছে। অনিক সব চিন্তা বাদ দিয়ে ঐ জনালার মেয়েটির দিকেই তাকিয়ে আছে।চোখ ফেরাতে পারছে না। হলুদ ফর্সা গায়ের রঙ, লম্বা, কালো চুল মেয়েটির।

আজ চাঁদ টা পরিষ্কার ও অনেক বড় দেখাচ্ছে পূর্ণিমা মনে হয় আজ!ছাদে বসে আছে অনিক।কি যেন ভাবছে। ও হাসি খুশি ছেলে হলেও একাকী বসে ভাবার অভ্যাস অনিকের সেই ছোট বেলা থেকেই। অনিকের দৃষ্টি পড়ল একটি মেয়ের উপর, বই পড়ছে সে। বই পড়ার থেকে নিজের চুল নিয়েই যেন বেশি খেলা করছে মেয়টি ।কি মনে করে মেয়েটা জানালা দিয়ে তাকাল দেখল অনিক তাকিয়ে আছে।কিছু বলল না ও নিজের মত পড়ছিল টেবিল ল্যম্পের মৃদু আলোতে। টেবিল ল্যম্পের মৃদু আলোতে যেন তাকে আরও সুন্দর লাগছে। অনিক সব চিন্তা বাদ দিয়ে ঐ জনালার মেয়েটির দিকেই তাকিয়ে আছে।চোখ ফেরাতে পারছে না। হলুদ ফর্সা গায়ের রঙ, লম্বা, কালো চুল মেয়েটির।
খানিক বাদে মেয়েটি অনিককে নাম ধরে ডেকে বলল কি দেখছ। অনিক তো অবাক, মেয়ে ওর নাম জানল কি করে?
অনিক একটু একাকী ধরনের ছেলে সহজে কারো সাথে মিশে না ,তাই অনেক অনুষ্ঠানেই অনুপস্থিত থাকে ও। কিন্তু মেয়েটি খুব সামাজিক ওর মার সাথে প্রায় সব অনুষ্ঠানেই যায়।কোন এক অনুষ্ঠানে অনিক কে দেখেছিল। অনিক কে সবাই চিনে গত জেএসসি পরিক্ষায় এই থানার সমস্ত স্কুল গুলোর মধ্যে প্রথম হয়েছে সে। সব জায়গায় শুধু ওর ই জয় জয়কার।সেই সুবাদে মেয়েটি ওর নাম জানে।

যাই হোক মূল কথায় আসি, অনিক উত্তর দিল কিছুই না। ও মেয়ে টিকে জিজ্ঞাসা করল ওর নাম জানে কি করে সে। মেয়েটি অট্ট হাসি হেসে বলল “আছে আছে”! মেয়েটি আরও বলল “মিস্টার ভাবুক এখন কি ভাবছিলেন” অনিক তো হতবাক মেয়ে টি জানে কি করে ওর একাকী ভাবার অভ্যাস আছে। অনিক এটাও জিজ্ঞাসা করল মেয়ে হাসি দিল আর কিছুই বলল না। লাইট নিভিয়ে চলে গেল।

মেয়েটির নাম আর জিজ্ঞাসা করা হল না অনিকের

এর পর দিন অনিক আবার বসে আছে ছাদে আজ নিজ ভাবনায় ব্যস্ত নয়,সেই মেয়েটির অপেক্ষায় বসেছে এখানে।
মেয়েটি নিজের মত পড়ছে,একবার ও তাকাচ্ছে না কি করে ডাকবে ওকে ভেবে পাচ্ছে না অনিক । নামটাও জানা হয়নি গত কাল।এই ভেবে নিজের উপর ই রাগ হচ্ছে ওর।হঠাৎ মেয়েটি তাকাল ওর দিকে সৃষ্টি কর্তা যেন ওর কথা শুনেছে ওর মনের ইচ্ছা পূর্ন করেছে। মনে মনে ধন্যবাদ দিতে থাকল তাকে।
এই বার ও মেয়ে হাসি দিয়ে জিজ্ঞাসা করল “কি ভাবা হচ্ছে মিঃ ভাবুক?” অনিক এই বার অবাক না হয়ে মৃদু হাসল। আর আগের দিনের ভুল শুধরে একাধারে প্রশ্ন করতে লাগল- “তোমার নাম কি?আমাকে কি করে চেন?আমার সম্পর্কে এত কিছু জান কি করে?” মেয়েটি কিছু বলল না শুধু হাসল।চলে গেল ওখান থেকে।

অনিক নিজেকে মনে মনে বকতে লাগল!

এর পর দিন মেয়েটি পড়ছে কিন্তু পড়ার দিকে খেয়াল নেই তার। আজ চুল নিয়েও খেলা করছে না সে।বার বার উপরের ছাদের দিকে তাকাচ্ছে। কিন্তু আজ আসে নি অনিক। মেয়েটির মনটা কেমন যেন অশান্ত অশান্ত হয়ে গেল। হঠাৎ অনিক আসল। আজ মেয়েটি ডাক দেয় নি অনিকতকে । এসেই অনিক ডাকল “হ্যলো মিস সবজান্তা ভাল আছেন?” মেয়েটি মনে অনেক খুশি হল যেন অমাবশ্যার চাদ হাতে পেয়েছে।
মেয়েটি বলল “আমি সবজান্তা!” সে আরো গুনগান শুরু করে দিল প্রতিদিন ওর মার মুখে যেগুলো শুনে অনিক সম্পর্কে! অনিক দিন দিন অবাক হতেই থাকছে! অনিক অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করল “তুমি এগুলো জানো কি করে?” প্রতি উত্তরে শুধু হাসি পেল অনিক ।“এট লিস্ট তোমার নাম টা বল” “হ্যলো মিস সবজান্তা” মেয়ে টি হেসে উত্তর দিল সবজান্তা। আর বলল “ কাল সকাল ১১টায় কেএফসির সামনে এসো বলব”
অনিক তাতেই সন্তষ্ট। কাল কে এফসিতে যাবে। ভাব তে ভাবতে ঘুমিয়ে গেল।
সকালে ঘুম ভাঙ্গল ১০ টায় তারা তারি নাস্তা করে বেড়িয়ে পড়ল সে।নাস্তা না করলে আবার মা হাজার খানেক প্রশ্ন করবে।
কেএফসি তে গিয়ে দেখল মেয়েটা বাইরে দাঁড়িয়ে আছে। অনিক কে দেখে বলল “মি ভাবুক সকাল সকাল কি নিয়ে ভাবছিলেন?” “আপনি তো মিস সবজান্তা আপনি এটা জানেন না?”এমন ই উত্তর দিল অনিক।কেএফসির ভিতরে গেল খাবার অর্ডার দিল। নিশ্চুপ বসে আছে ওরা। কারো মুখে কথা নেই।খাবার আসল। খাবার খাচ্ছে কথা নেই কারো। অনিক হঠাৎ প্রশ্ন করল
অনিকঃ আচ্ছা তুমি এত কি পড়?সারাক্ষন দেখি বই নিয়ে বসে থাক!

মেয়েঃ তার মানে তুমি আমাকে follow করো।

অনিকঃ আরে না যখন ই দেখি তখন ই তো পড়।

মেয়েঃ গল্পের বই পড়ি উপন্যাস পড়ি,

অনিকঃ এগুলো আবার পড়ার জিনিস যত্তসব সময় নষ্ট!যাই হোক এখন তো বলো তোমার নাম কি?

মেয়েঃ আমার নাম দিয়ে কি করবা?একটা মেয়ের সাথে রেস্ট্রুরেন্টে আসছ কোথায় সুন্দর সুন্দর কথা বলবা তা না নাম নিয়ে পড়ে আছ! হাবা!

অনিকঃ আমি এত রোমান্টিক না। হয়ে লাভ ও নাই শুধু শুধু সময় নষ্ট।

ওদের খাওয়া শেষ। এবার বেড়িয়ে পরেছে। মেয়েটিকে নিজের দেয়া নামে ডেকে বলল “তোমার নাম তো বল?” মেয়ে রাস্তা পাড় হচ্ছিল পেছনে তাকিয়ে হাসতে হাসতে বলল”ওটা নেক্সটাইম বলব” হঠাত একটা বাস এসে আঘাত করল মেয়টিকে।
অনিক দৌড়ে গেল মেয়েটিকে ধরল। রক্তে সারা মুখ লাল হয় গেছে ওর। অনিক ওকে হাসপাতালে নিবে বলে উঠছে। মেয়েটি হাত ধরল আর বলল “আমার নাম তিথি” আর এই বলেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যগ করল!

হঠাত পেছন থেকে ডাক দিল ফারহান। অনিকের ঘোর কাটল। পূর্বের দিন গুলোর কথা মনে পড়ে গিয়েছিল ওর। সেই কথাই বসে বসে ভাবছিল এতক্ষন আর চোখ দুইটি ঝাপসা হয়ে গেল ওর!

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৯ thoughts on “**মেয়েটির নাম কি?**

    1. ভাই, ধৈর্য ধরেন!
      পোস্ট দেওয়ার

      ভাই, ধৈর্য ধরেন!
      পোস্ট দেওয়ার সাথে সাথে সবাই কমেন্ট করবে এমন তো হয় না।
      একটু অপেক্ষা করেন। 😀

  1. গল্পের শেষে নায়িকাকে মেরে
    গল্পের শেষে নায়িকাকে মেরে ফেলা পুরনো টেকনিক। নতুন কিছু বাইর করেন। গল্প বর্ননাধর্মী হয়ে গেছে, অনেকটা নাটকের স্ক্রিপ্টের মতো। আর বানান ভুল আছে অনেক। এই ব্যাপারে কোন ছাড় নাই। লেখকের বানান ভুল বড় ধরনের অপরাধ।
    তবে লেখা চালিয়ে যান। ধীরে ধীরে এসব দুর্বলতা কেটে যাবে। শুভকামনা রইল।

  2. পড়লাম । শেষে কোন চমক থাকবে
    পড়লাম । শেষে কোন চমক থাকবে বলে আসা করেছিলাম । পেলাম না । চরিত্র গুলো আরও বিশ্বাস যোগ্য করে তুলতে পারতেন । গল্পটাকে আপনি নিয়ন্ত্রণ করে গেলেন । অথচ চরিত্র গুলো কে নিয়ন্ত্রক বানিয়ে আপনি জাস্ট কলম চালিয়ে গেলেই হয়ে যেত । বানান ভুল বা সাহিত্য দুর্বলতা বাদ দিলে শুরুটা দারুণ হয়েছিল । মানে পরে কি হবে এই আকর্ষণ টা ছিল । এই একটা বিরাট ব্যাপার । অনেকের লেখা আমি একটু পরেই ছেড়ে দিই । কারণ আর এগোনো একেবারেই সম্ভব হয়না । আর হাঁ, অনুগল্প লেখা কিন্তু খুবই চ্যালেঙ্গিং । এতো অল্প পরিসরে গল্প টাকে ফুটিয়ে তোলা যা তা কথা নয় ।
    আপনি আরও ভালো লিখবেন এই প্রত্যাশায় রইলাম ।

    1. ধন্য বাদ রাহাত ভাই, আপনাদের
      ধন্য বাদ রাহাত ভাই, আপনাদের মন্তব্যের অপেক্ষায় ই ছিলাম
      আপনার ভুল ধরিয়ে দিয়ে অনেক উপকার করেন।
      আসলে লিখতে চেয়েছিলাম অন্য ভাবে কিন্তু মাথায় আসেনি। তাই কোন মত শেষ করে দিলাম এই। আর বানান লিখার তারাফুরার কারনে , কিন্তু রুভিউ দেবার সময় ও চোখে পড়ে না আসলে নিজের দোষ কখনই চোখে পড়ে না

      ভাই ধন্য বাদ
      আচ্ছা দুর্বলাতা কোথা থেকে শুরু একটূ ধরিয়ে দিলে ভাল হত।

    2. হ্যা ভাই বানানের দিক টা খেয়াল
      হ্যা ভাই বানানের দিক টা খেয়াল রাখব।
      ইদানিং আমার লেখা গুলো নাটক এর মতই হয়। বুঝতে পারছিনা। কেন। আশা করি শুধরে নেব।

      মন্তব্যের জন্য ধন্য বাদ।

  3. আজ চাদ টা পরিষ্কার ও অনেক বড়
    আজ চাদ টা পরিষ্কার ও অনেক বড় দেখাচ্ছে পূর্ণিমা মনে হয় আজ!ছাদে বসে আছে অনিক।কি যেন ভাবছে। ও হাসি খুশি ছেলে হলেও এককি বসে ভাবার অভ্যাস অনিকের সেই ছোট বেলা থেকেই।
    — এরপর দুম করে আপনি অনিকের দৃষ্টি পড়ার ব্যাপারটা ঘটাচ্ছেন । এইখানে আরেকটু জমাতে পারতেন বা যদি লিখতেন ” হঠাৎ অনিকের দৃষ্টি … ” । মানে আমি বলতে চাচ্ছি এখানে আসলে অনিক কে আপনি তাকাতে বলেছেন বলে সে তাকাচ্ছে । অনেকটা আরোপিত হয়ে গেছে ।
    — একাকি শব্দের বারংবার ব্যবহার ঠিক হয়নি । ‘ নিঃসঙ্গ ‘ শন্দ টা ব্যবহার করা যেত ।
    তিথির মনটা কেমন যেন অশান্ত…
    — এতক্ষন মেয়েটি মেয়েটি বলে হুট করে ” তিথি ” কোত্থেকে এলো ?
    “ কাল সকাল ১১টায় কেএফসির সামনে এসো বললব”
    অনিক তাতেই সন্তষ্ট। কাল কে এফসিতে যাবে। ভাব তে ভাবতে ঘুমিয়ে গেল।
    সকালে ঘুম ভাঙ্গল ১০ টায় তারা তারি নাস্তা করে বেড়িয়ে পড়ল সে

    — এইখানে এসে চরম ভাবে ঝুলায় দিছেন । মনে হল তিথির মৃত্যু দ্রুত নিশ্চিত করা চাই ।
    — আপনি এই গল্পে মেয়েটির নাম টা কেই আপনি প্রধান জিজ্ঞাসা করেছেন অথচ চরম অবিবেচকের মতো বেশ আগে ভাগেই ওর নাম আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন । তারমানে মেয়েটির নাম জানার আগ্রহ শেষ দৃশ্যে কি করে আশা করেন ?
    — এই গল্পের নাম হতে পারতো ” তিথি ” বা ” মেয়েটি তার নাম বলেছিল ” — এটা হলে নাম না জানা পর্যন্ত দর্শক আপনার গল্প ছেঁড়ে উঠত না … হাহাহাহাহা ।
    — আরও অনেক অনেক আলোচনা করা যায় । আজ এই পর্যন্ত । কম তো লিখলাম না, কি বলেন ?

    1. ওরে ভুল করে লিখে ফেলেছি!!!
      ওরে ভুল করে লিখে ফেলেছি!!! নাম আমি খেয়াল ও করি নাই!! ঠিক করে দিতে হবে হাহাহা এত বড় বোকামি করলাম
      কষ্ট করার জন্য ধন্যবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

59 + = 62