সংখ্যালঘুর উপর ঝাপিয়ে পরার সময় এ অঞ্চলে এক আকস্মিক সমতা ঘটে।

সংখ্যালঘুর উপর ঝাপিয়ে পরার সময় এ অঞ্চলে এক আকস্মিক সমতা ঘটে।
তখন ভিন্ন মতাদর্শের লোকও সহমত ভাই বলে কেরোসিন নিয়ে এগিয়ে যায় জ্বালিয়ে দিতে।
তখন একটাই স্লোগান প্রতিধ্বনি হয়– নারায়েতকবির!! আজীবন গালাগাল দেয়া চন্দ্রপাড়া,সুরেশ্বর,দেওয়ানবাগী ভাইটিও কাওমি করা ভাইয়ের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জ্বী হুজুরের নির্দেশ পালন করে। অতঃপর শিয়াল হয়ে সুর দেয় রা!!!

ঠিক তেমনি ভাবে দ্যাখা যায় অধিকাংশ পুরুষের বেলাই এটা ঘটে। বিশেষ করে নারী মাংসে পুরুষের সমতার তারিফ করতেই হয়।

দেখুন’না তারই প্রকাশ ঘটলো আরেকবার। শাহেদ কেলেঙ্কারির খল নায়ক শাহেদ আমরা সবাই জানি। শাহেদের অপক্ষমতা যে কত বড় ভয়ংকর তাওয়া আমরা ঠাওর করেছি। এবং আমরা এও জানি শাহেদের পৃষ্ঠপোষকতার কর্তারা কারা-কারা ছিলো!
এমতাবস্থায়, শাহেদ নেই। সে লুকিয়ে পড়েছে বা লুকিয়ে রেখেছে পূর্বের ছাতা ধরা সাংসদ ভাইটি কিংবা বোনটি। নাটকের রাজনীতির শুরুটা জজমিয়া হলেও রানাপ্লাজার রেশমা পর্যন্ত গিয়েই শেষ হয়নি। ক’দিন আগেও যে ব্যক্তি ১৩ ঘন্টা পানিতে বসে নামাজ আদায় করেছে সেও সম্ভবত অপেক্ষায় ছিলো শাহেদকে চাপা দিতে একজন নারীর দরকার। হা হা হা ১৩ ঘন্টার কেরামেজ্বীন ভাই নিশ্চয়ই পানিতে বসে আল্লার দরবারে সাবরিনার আশা করেছিলো।

লক্ষ্য করে দেখুন আজ আপনার মুখে শাহেদ, আপনার কলমে শাহেদ নেই,অথচ আপনার মস্তিষ্কে শাহেদ নেই। আজ আপনার মস্তিষ্কে সার্বক্ষণিকভাবে ডা.সাবরিনার স্তনের, উরুর, পাছার মাপ। বাথরুমে সাময়িক ভাবে সানি লিয়োনের নিতম্বকে ছুটি দিয়ে যায়গা করে দিয়েছেন সাবরিনার দেহকে, একজন নারীকে।

আজ ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে অসম্প্রদায়িক চেতনা তীব্র করে হাত মেরে যাচ্ছেন আপনার অসহায় ধোনে।
আপনাদের কপাল ভালো
অপরাধী একজন নারী,অপরাধী একজন সুন্দরী মডেল,ভাগ্য ভালো অপরাধী একেবারে আপনাদের মনের মতন।
তাই আজ পুরোহিত – হুজুর, পাদ্রী-সাধু,আলিয়-কওমী ফগোতিশীল-নাস্তেক থেকে শুরু করে আপনার ধোনের মাথায়ও শুধু সাবরিনা আর সাবরিনা!!
অথচ, একবারও ঠাওর করতে পারেননি রানাকে বাঁচাতে রেশমার জন্ম,স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে বাঁচাতে ১৩ ঘন্টার জ্বীনের জন্ম আর এবার শাহেদকে বাঁচাতে একজন মডেল সাবরিনার জন্ম।

আমি শতভাগ নিশ্চিত পুরুষ কখনো এতোটা আকুতি করে লিখতো না সাবরিনা যদি কুৎসিত হতো।
কারণ, রাস্তার ডাস্টবিনে পরে থাকা হাড্ডিসার রোগা নারীকে দেখে পুরুষের মায়া পর্যন্ত জন্মায় না।
অতঃপর প্রমাণ করলেন নারীকে দলবেঁধে আক্রমন করা আপনাদের পূর্বপুরুষের ধর্ম আগত রক্তের দোষ।
এ এক দারুন সমতা।

যাহোক, হাত মেরে যান আরও বহু নাটক আসছে!😁

বি.দ্রঃ এ পোস্ট মানুষের পক্ষে নারী পুরুষের ঊর্ধ্বে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

63 − = 53