চুমু মানবীয় ভালবাসার এক অসাধারণ প্রকাশ।

চুমু মানবীয় ভালবাসার এক অসাধারণ প্রকাশ। মনের মানুষকে পেয়ে পরম ভালবাসা চুমু খাওয়ার মত অসাধারণ দৃশ্য আর কিছু হতে পারে না। আবার এই চুমুর পেছেনেই উঠেপড়ে লেগে আছে কিছু প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী। তারপরও কি চুমু থেমে আছে? মোটেই না।ফিল্মি পর্দায় হোক বা ব্যক্তি জীবনে, চুমু নিয়ে চর্চার শেষ নেই।
তবুও মুমিন ভাইরা চুমুকে অশ্লীল রূপ দিয়েছে। যদিও এর যথা কারণ হলো – মুমিনদের কাছে ভালবাসা নয়, বিয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আর তাই তো মা বাবার মারামারি গালাগালি চিল্লাচিল্লি দেখেই আপনারা অভ্যস্ত, ভালবাসা দেখে নয়। বলতে পারবেন জীবনে একবার বাবা-মাকে চুমু দিতে দেখেছেন? মনে হয়না।
তাই বাবা-মার জোর করে রাতের বেলা যৌন চাহিদা পূরণ করাটা আপনার কাছে ধর্ষণ মনে না হলেও প্রকাশ্যে চুমো খাওয়াকে ধর্ষণ মনে হয়!

ছবিটি  তৃতীয় কোন ব্যাক্তি তুলেছিল সবার সামনেই। এবং এক্স গার্লফ্রেন্ডের সম্মতিতেই। এই ভঙ্গিতে ছবি তোলার জন্যই চুমু ইচ্ছে করে খাওয়া এটাতে অশ্লীলতা কোথায় পেল জানিনা।

এজন্যই বোধ হয় নচিকেতা এদেশের মানুষের চরিত্র বুঝে বলেছিলেন

প্রকাশ্যে চুমু খাওয়া এই দেশে অপরাধ
ঘুস খাওয়া কখনোই নয়।

 এবার সঠিক তথ্য জানুন-

দোল চাঁপা নামে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি আমার একটি ছবি বিভিন্ন যায়গায় পোস্ট করে যাচ্ছে।
ছবি কি করে সংগ্রহ করেছে এর সন্ধান এখন পর্যন্ত পাইনি। তবে ছবিটি ধর্ম বিশ্বাসীদের দৃষ্টিতে অশ্লীল।
অন্যদিকে একই সময় আমার প্রিয় দা আইডিটি হ্যাক হয়েছে। যদিও সে আইডি আমি আমার বন্ধু আকরমের সহযোগিতা উদ্ধার করেছি। এই মুহুর্তে তাঁকে আমার অনিঃশেষ ধন্যবাদ।
দ্বিতীয়ত হ্যাকার আমার আইডিকে একটা মুমিনুল করিমে রূপ দাঁড় করিয়ে ফেলেছে।
বিভিন্ন যায়গায় দ্বিনের দাওয়াতের সহিত আমার ছবিটি আপলোড করে যাচ্ছে।
এমনকি বাচ্চা প্রসবীয় খিস্তি দিয়ে সে ধর্ম প্রচার করেছে।
যাহোক,
মাননীয় প্রশাসনকে বলবো- মারানো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ব্যাবহার সঠিক যায়গায় করতে।
আইন একটা বাড়া,যায়গা মত শিথিল বে জায়গায় খাড়া! — ভবদা!
একটা সুন্দর দৃশ্য, অথচ দেখুন নাস্তিক বানান ভুল। আমার মনে হয় এরা চরম নিম্ন পরিবারে জন্মেছে। যাক আইডি হ্যাক ম্যাক করে মজা পাইছিস ভালোকথা। নিরিবিলি দ্যাখ! বেশি ভালো লাগলে ওয়াসরুমে যা। আরও বেশি ভালো লাগলে ভিপিএনের কাজ কর। কিন্তু তা করলি না। করলি কী!
করছিস আমার বাল।
তোদের এমন বালের ক্ষমতা নেই যে মুম্বাই থেকে আমাকে তোদের দেখতে আসতে হবে।
প্রশাসনকে বলবো হয় এদের চিহ্নিত করুন নতুবা ছবিটা জাতীয় কোষাগারে ঝুলিয়ে দিন।

এই ছবির প্রসঙ্গে মাতুব্বার অভিজিৎ দাদার লেখাটা খুবই চমৎকার হয়েছে । এখানে লেখাটা দিয়ে দিলাম

ভালবাসার এমন চুমুর ছবি দেখলে মন ভাল হতে বাধ্য। সমাজে এত এত অন্যায় অবিচারের ছবি, পোস্ট, ভিডিও প্রতিদিন দেখা যায়, সে তুলনায় ভালবাসাময় ছবি নেই বললেই চলে। তাই এমন ছবি আরও বেশি বেশি প্রয়োজন। যাতে ভয়ংকর, ঘৃণ্য, হিংস্র ছবি দেখে আবেগ কমে যাওয়া বাঙালির ভালবাসার প্রতি এলার্জি একটু কমে। যাতে তারা অভ্যস্ত হয় ভালবাসায়।
চুমু খেতে হলে নাস্তিক হতে হয় জানা ছিল না। এই ছবিটা নিয়ে যেভাবে একেকজন নাস্তিক, ফাঁসি চাই বলে পোস্ট করছে তাতে আসলে একটু গর্বই হচ্ছে। যেখানে আমি নিজে বলি নাস্তিকরাও খুনি ধর্ষক হতে পারে সেখানে ওরা আসলে বলতে চাইছে চুমু দেয় কেবল নাস্তিকরাই! কিন্তু আমি চাই সবাই ভালবাসতে এবং চুমু দিতে শিখুক। ধর্ম বর্ণ জাতি নির্বিশেষে সবাই জানুক ভালবাসা কখনই নোংরামি নয়, নোংরামি বরং খুন, ধর্ষণ, ইভ টিজিং, চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস! ভালবাসা অসামাজিক নয়, বরং অসামাজিক বলে জানুক সেগুলোকে।

ধন্যবাদ

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

13 − 3 =