জামাত নেতা যুদ্ধাপরাধী এটিএম আজহার : মানবরূপী এক দানবের নাম

যুদ্ধাপরাধের বিচার ইস্যুতেই গত নির্বাচনে তরুণ ভোটাররা মহাজোটকে বিপুলভাবে বিজয়ী করে। ক্ষমতার আসার পরে মহাজোট যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাজ শুরু করেছে। বেশ কয়েকজন শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীকে ট্রাইব্যুনালের আওতায় আনা হয়েছে। কয়েক জনের বিচার সম্পন্ন হয়েছে ইতোমধ্যেই। বিচার প্রক্রিয়ার ধীর গতি আবারও আমাদের মনে শঙ্কার জন্ম দিচ্ছে। এই সরকারের মেয়াদ কালের মধ্যে সম্ভব হবে তো এই বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা? সে যাই হোক, এবারে একজন চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের কথা বলতে চাই।

২৬ শে মার্চ ২০১০ তারিখে মানবতা বিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিম যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের প্রমাণিত তথ্য প্রমান আছে এবং তার মনে করছে ১৯৭১ সালের বাঙ্গালী নিধন যজ্ঞের কেন্দ্রে যারা ছিলেন এমন ৩৬ জনের নাম প্রকাশ করে। তাদেরই একজন জামায়াতের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার লোহানী পাড়ার বাসিন্দা এটিএম আজহারুল ইসলাম। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাঙালি নিধনে পাক বাহিনীর সহায়তায় গঠিত কুখ্যাত আল-বদর বাহিনীর নেতৃস্থানীয়দের অন্যতম। সে সময় এই নরঘাতক ছিল জামাতের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘের (বর্তমানে ছাত্রশিবির) রংপুর জেলা কমিটির সভাপতি এবং কুখ্যাত আল-বদর বাহিনীর রংপুর শাখার কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে এটিএম আজহার রংপুরে এক মানুষ রুপী এক হায়েনায় পরিণত হয়। তার হিংস্রতার ভিকটিম এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছে আজহারুল এখনো মানবরূপী দানব হিসাবে চিহ্নিত। আজহারুল এবং তার সহযোগীরা পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তাদের মনোরঞ্জনের জন্য ভয়-ভীতি দেখিয়ে এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের, এমন কি অপেক্ষাকৃত নিরীহ মুসলিম পরিবারের সুন্দরী তরুণী এবং গৃহবধূদের ধরে এনে সরবরাহ করতো টাউন হল গণ নির্যাতন কেন্দ্রে। এছাড়া রংপুরের কারমাইকেল কলেজের ৬ শিক্ষক এবং ১ শিক্ষক-পত্নীকে হত্যায় নেতৃত্ব দিয়ে রংপুরকে এক আতঙ্কের জনপদে রূপ দেন এটিএম আজহারুল ইসলাম।

মুক্তিযুদ্ধের সময় রংপুর টাউন হলকে পাক হানাদার বাহিনী বানিয়েছিল “গণ নির্যাতন কেন্দ্র”। বৃহত্তর রংপুরের বিভিন্ন জায়গা থেকে ধরে আনা হতো নিরপরাধ মুক্তিকামী বাঙ্গালী মানুষজনকে। যাদের একটি বড় অংশ ছিল কম বয়সী নারী। মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ নয় মাস প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ধরে আনা সেই সব নারীদের উপরে এই টাউন হলে দিনের পর দিন চলতো পাশবিক নির্যাতন। রংপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন টাউন হল বধ্যভূমির প্রত্যক্ষ সাক্ষী। তিনি ১৮ ডিসেম্বর ১৯৭১ টাউন হলের পিছনে শিখা সংসদে গিয়ে পাকবাহিনীর নৃশংসতা দেখে স্তম্ভিত হয়ে যান। তখনও হলের ভিতর থেকে ভেসে আসছিল অসংখ্য নারীর করুণ আর্তনাদ। রঙ্গমঞ্চের গ্রিন রুমের সামনে থেকে কে যেন একজন “পানি পানি” বলে তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করছিল। শিখা সংসদের পিয়ন নির্মল এগিয়ে যান গ্লাস হাতে। এক ঢোকে পানি পান করে লুটিয়ে পড়ে জ্ঞান হারালেন সেই যুবতী মেয়েটি। তাঁর জ্ঞান আর ফিরে আসেনি। জানা যায়নি তাঁর পরিচয়। সেদিন ৫০ জন বিবস্ত্র নারীকে উদ্ধার করা হয় হলের ভিতর থেকে। কম বয়সী একটি মেয়ে নিজের আঙ্গুল কামড়ে রক্তাক্ত করে সেই রক্তে দেয়ালে লিখেছিলেন “আমি বাঁচতে চাই”। নরপশুরা তাঁকে বাঁচতে দেয়নি। পিছনের দিকের ইঁদারার কাছে গিয়ে উকি দিয়ে ইঁদারার ভিতরে পড়ে থাকা অগণিত মানুষের মৃত দেহ দেখতে পান। একটু এগিয়ে কৃষি ফার্মের (বর্তমান শিল্প কলা একাডেমী হলের পিছনে চিড়িয়াখানায়) ঝোপ জংগলের দিকে গেলে সেখানে দেখতে পান তখনও ৩০ লক্ষ শহীদদের মধ্যে অজ্ঞাত পরিচয়ের বেশ কয়েক জনের দেহাবশেষ নিয়ে টানা হেঁচড়া করছিল কুকুর-শেয়াল। পুরো কৃষি ফার্মে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল নাম না জানা শহীদদের মাথার খুলী ও হাড় হাড্ডি। পরদিন আরও কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধাকে সাথে নিয়ে তিনি আবারও টাউন হল গিয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা গলিত-অর্ধ গলিত-ছিন্ন ভিন্ন দেহাবশেষ গুলো মাটি চাপা দেন। ১৯ ডিসেম্বর সেখান থেকে সংগ্রহ করেছিলেন ১৬৭টি মাথার খুলি। এই গণ নির্যাতন কেন্দ্র যাদের সহযোগিতায় ধরে আনা হতো মুক্তিকামী মানুষদের তাদের মধ্যে অন্যতম রংপুর বদর বাহিনীর কম্যান্ডার এটিএম আজহার।

রংপুরের মুক্তিযোদ্ধাদের দেয়া তথ্য মতে মুক্তিযুদ্ধের সময় আজহারুল ইসলাম ৭০ জনের একটি সশস্ত্র আল-বদর স্কোয়াডের নেতৃত্ব দিতেন। সেই স্কোয়াডের ঘাঁটি ছিল রংপুরের টাউন হল এলাকায়। উল্লেখ্য ১৯৭১ সালের ১৭ আগস্ট পাকিস্তানি বাহিনী তাদের এ দেশীয় সহযোগী জামাতের নেতৃত্ব গঠিত সশস্ত্র সংগঠন আল-বদরকে মিলিশিয়া বাহিনীর স্বীকৃতি দেয়। এ উপলক্ষে ১৭ আগস্ট আল বদর বাহিনী দেশব্যাপী সভা-সমাবেশের আয়োজন করে। রংপুরে সদরে আল বদর বাহিনীর সভা অনুষ্ঠিত হয় বাহিনীর জেলা কম্যান্ডার এটিএম আজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে (সূত্র : দৈনিক সংগ্রাম, ১৮ আগস্ট, ১৯৭১)। সভায় আজহারুল ইসলাম এবং তার সহযোগীরা বাঙালির রক্ত পানের শপথ নেয় বলে সভাস্থলে উপস্থিত একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী বিভিন্ন সময় সাক্ষ্য দিয়েছেন।

তার নেতৃত্বে এবং প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ১৯৭১ সালের ৩০ মে কারমাইকেল কলেজের দর্শনের প্রভাষক সুনীল বরণ চক্রবর্তী, বাংলার প্রভাষক রামকৃষ্ণ অধিকারী, উর্দু বিভাগের শাহ সোলায়মান আলী, রসায়ন বিভাগের প্রভাষক কালাচাঁদ রায়, গণিতের প্রভাষক চিত্তরঞ্জন রায়, ও রসায়নের আব্দুর রহমান এবং অধ্যাপক কালাচাঁদ রায়ের সহধর্মিণী মঞ্জুশ্রী রায়কে পাক হানাদার বাহিনী কারমাইকেল কলেজ ক্যাম্পাস থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে দমদমা ব্রিজের কাছে গুলি করে হত্যা করে। জয় বাংলা স্লোগান দেওয়ার অপরাধে মারধর করে স্কুল ছাত্র বর্তমানে জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও রংপুর জেলা জাসদ সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত রাংগাকে। শুধু তাই নয় তাঁর ভাই ছাত্রনেতা রফিকুল ইসলামকে দুদিন আটকে রেখে চালায় অকথ্য নির্যাতন।

অর্থাৎ রংপুরের অন্যতম প্রধান দুই বধ্যভূমির সাথে এটিএম আজহারুলের সম্পৃক্ততা ছিল। এ সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে এ এস এম সামছুল আরেফিনের রচিত ‘মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ব্যক্তির অবস্থান’ গ্রন্থে। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধে বিএলএফ (মুজিব বাহিনী) এর রংপুর জেলা অধিনায়ক মুক্তিযোদ্ধা মুকুল মোস্তাফিজ রচিত ‘মুক্তিযুদ্ধে রংপুর’ গ্রন্থেও রয়েছে এটিএম আজহারুলের নাম এবং উক্ত ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততার কথা। এছাড়াও মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্তান স্বরাষ্ট্র দপ্তরের ফোর্টনাইটলি সিক্রেট রিপোর্ট অন দ্য সিচুয়েশন ইন ইস্ট পাকিস্তানে এ টি এম আজহার মুক্তিযোদ্ধাদের শায়েস্তা করতে তৎপর ছিল বলে উল্লেখ আছে।

সেপ্টেম্বর/অক্টোবরের দিকে ট্রেনিং প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা যখন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে তখন রংপুরের মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে টাউন হল গণ নির্যাতন কেন্দ্র তাঁদের প্রধান টার্গেটে পরিণত হয়। ৮ নভেম্বর এই নির্যাতন কেন্দ্র আক্রমণের উদ্দেশ্যে কারমাইকেল কলেজের তৎকালীন ভিপি শহীদ খোন্দকার মুখতার ইলাহীর নেতৃত্বে মুজিব বাহিনীর যোদ্ধাদের অস্ত্র সজ্জিত একটি দল কুচবিহারের সাহেবগঞ্জ থেকে লালমনিরহাট হয়ে রংপুরের পথে রওনা দেয়। পথিমধ্যে পাকিদের এদেশীয় দালালদের সহযোগিতায় হানাদার বাহিনীর হাতে শহীদ হন। কিন্তু এই ঘটনা ভীতির সঞ্চার করে স্থানীয় দালালদের মধ্যে। মুক্তিবাহিনী রংপুর ঘিরে ধরলে আজহারুল ‘৭১-এর ডিসেম্বরের শুরুর দিকে ঢাকায় চলে আসেন। ঢাকা এসেও এই নরপিশাচ থেমে থাকেনি, যোগ দেন নিজামী ও মুজাহিদের সঙ্গে। বাঙালিকে মেধাশূণ্য করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য এই বদর বাহিনী দেশের শ্রেষ্ঠ ধরে মোহাম্মদপুর ফিজিক্যাল ট্রেনিং কলেজে স্থাপিত ‘নির্যাতন সেলে’ অকথ্য নির্যাতন করে। এরপর ১৪ ডিসেম্বর দেশ যখন বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে তখন এই আজহারুল, নিজামী ও মুজাহিদের নেতৃত্বাধীন বদর বাহিনী দেশবিখ্যাত বেশ কয়েকজন বুদ্ধিজীবীকে রায়ের বাজার বধ্যভূমিতে হত্যা করে।

বিজয় যখন দ্বারপ্রান্তে তখন ১৬ ডিসেম্বর আজহারুল কয়েকজন সঙ্গিসহ তাদের প্রিয় ভূমি পাকিস্তান পালিয়ে যান। সেখান থেকে পরবর্তীকালে চলে যান সৌদি আরব। ‘৭৫ পরবর্তীকালে ক্ষমতার পালাবদলে আজহারুল দেশে ফিরে আসেন এবং জামায়াতের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়। তবে ১৯৭১-এর অপকর্মের জের ধরে আজহারুল ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত নিজ জেলা রংপুরে আসতে পারেনি। (সুত্রঃ দৈনিক সমকাল, ১৮ ডিসেম্বর, ২০০৮)। পরবর্তীতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামাতের অবস্থান সংহত হলে দীর্ঘ দিন পরে সে নিজ জেলায় পা রাখার সুযোগ পায়। জামাতের শীর্ষ নেতাদের একজন হিসেবে বিগত ‘৯৬ ও ২০০১ এর নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিপুল ব্যবধানে পরাজিত হলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

যুদ্ধাপরাধের সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এটিএম আজহারকে গ্রেফতার করা হয় ২০১২ সালের ২২ আগস্ট। তার বিরুদ্ধে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় রংপুরে জামায়াতের ছাত্র শাখা ইসলামী ছাত্র সংঘের নেতা থাকার সময় ধর্ষণ, লুটপাট, হত্যা এবং অগ্নি সংযোগের অভিযোগ আনা হয়েছে। স্বাধীনতা বিরোধী সক্রিয় মিলিশিয়া আল-বদর ও আল-শামসেরও নেতৃত্ব দেয় আজহার।

এব্যাপারে মানবতা বিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর নুরজাহান মুক্তা জানান, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি রংপুরে জামায়াতে ইসলামীর তখনকার ছাত্র সংগঠন ইসলামি ছাত্র সংঘের সভাপতি ছিলেন৷ তিনি নিজের মোটর বাইকে পাকিস্তানি পতাকা উড়িয়ে চলাফেরা করতেন৷ রংপুরের কারমাইকেল কলেজের শিক্ষক এবং রংপুর বারের আইনজীবীসহ ১২০০ মানুষকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে৷

জাতির এই কুলাঙ্গার সন্তানের বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হোক, যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে তার ফাঁসীর রায়ের জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষায় রয়েছে তার নির্যাতনের শিকার রংপুরবাসী। এই ঘাতকের ফাঁসীর রায়ের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে পুরো দেশবাসী। কবে আসবে সেই দিন?

তথ্য সূত্র :
মুক্তিযুদ্ধে রংপুর : মুকুল মোস্তাফিজ
মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ব্যক্তির অবস্থান : এ এস এম সামছুল আরেফিন
সাখাওয়াত রাংগা, সাধারণ সম্পাদক, রংপুর জেলা জাসদ ও জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৬ thoughts on “জামাত নেতা যুদ্ধাপরাধী এটিএম আজহার : মানবরূপী এক দানবের নাম

    1. এই সেই হারামজাদা যার সরাসরি
      এই সেই হারামজাদা যার সরাসরি সহযোগিতায় এবং উপস্থিতিতে কারমাইকেল কলেজের ছয় শিক্ষক এবং অধ্যাপক শহীদ কালাচাঁদ রায়ের স্ত্রী মঞ্জুশ্রী রায়কে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে পাক বাহিনী। এই নরঘাতকের কোন ক্ষমা নাই। রংপুরের প্রধান দশটা বধ্যভূমির সাথে এই আজহারের কোন না কোন ভাবে সম্পৃক্ততা আছে।

      1. // রংপুরের প্রধান দশটা
        // রংপুরের প্রধান দশটা বধ্যভূমির সাথে এই আজহারের কোন না কোন ভাবে সম্পৃক্ততা আছে। //

        রংপুরের মূল বধ্যভূমি বলতে টাউন হল, দমদমা ব্রীজ, দখিগঞ্জ শ্মশান, ঘাঘট পাড়ের বধ্যভূমি ……… এই সবগুলার সাথে এটিএম আজহার জড়িত!!! এই পিশাচের তো দশবার ফাঁসী হওয়া উচিৎ। কারণ এই বধ্যভূমিগুলাতেই হত্যা করা হইছে সব বিখ্যাত মানুষদের। যেমন সর্বজন শ্রদ্ধেয় শহীদ জররেজ ভাই,সৈয়দপুরের ডাঃ জিকরুল এমপি, পাখী মৈত্র, কারমাইকেল কলেজের ছয় শিক্ষক ও কালাচাঁদ রায় স্যারের স্ত্রী এনারা। বধ্যভুমিগুলা নিয়া লেখা যায় না উত্তর বাংলা ভাই? আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। ফেসবুকে পোষ্টের লিংক পেয়ে আজহার সম্পর্কে দারুণ কিছু তথ্য জানতে পারলাম এই পোস্টে। শেয়ার দিলাম।

        1. কেন আপনি রংপুরের মূল
          কেন আপনি রংপুরের মূল বধ্যভূমিগুলা সম্পর্কে কোন লেখা পাননি? আমার তো মনে হয় আপনার নিজের এবং সংগঠনের মহানগর ইউনিট গ্রুপ পেজ থেকে শেয়ার দেয়া হয়েছিল। মনে না থাকলে রংপুর সিটি কর্পোরেশন পেইজে দেখতে পারেন। সেখানে পাবেন। ধন্যবাদ।

  1. ধন্যবাদ ব্রহ্মপুত্র ও রায়।
    ধন্যবাদ ব্রহ্মপুত্র ও রায়। প্রত্যেকটা যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসী চাই। কলঙ্কমুক্ত হতে চায় দেশের মানুষ। কিন্তু আমাদের ক্ষমতাসীন মহল যে এই গনদাবীটাকে রাজনৈতিক দর কষাকষির একটা মূলা বানিয়ে ফেলেছে!!

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 45 = 46