হিন্দি ছবি RANJHANA এর ফেসবুক ভার্সন।

হিন্দি ছবি ‘Ranjhana’ ছবির ফেসবুক ভার্সন

নায়ক ফেসবুকে একটা পেজে কমেন্ট এ দেখে নায়িকা আইডি। এর পর নায়িকাকে রিকেস্ট পাঠায় নায়িকা এপসেপ্ট করে না ঝুলিয়ে রেখেদেয়। ফলোয়ার হয়ে নায়ক প্রতিনিয়ত লাইক দিতে থাকে নাইকার সমস্ত স্টাটাস,সাথে ম্যসেজ এ রিকয়েস্ট এপসেপ্ট করার জন্য বলতে থাকে। কিন্তু নায়িকা পাত্তা দেয় না। একপর্যায়ে নায়কের আইডি ডিএক্টিভেট করার কথা বলে। নায়িকার মন শেষ পর্যন্ত নরম হয় সে এপসেপ্ট করে রিকোয়েস্ট। অনবরত লাইক দিতে থাকে নায়কের স্টাটাসে। ওপেন রিলেশনশিপ দেয় নায়কের সাথে প্রতিদিন ই চেকইন দেয়। এগুলো নায়িকার বাবা লক্ষ্য করে। সে নায়িকার আইডি হ্যাক করে এবং পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করে দেয়। নায়িকা নতুন একাউন্ট খোলে সেখানে নায়ককে আর খুজে পায় না নায়িকা। আস্তে আস্তে ভুলে যায় নায়ক কে। নতুন একাউন্টে নতুন বন্ধু নিয়ে ব্যস্ত থাকে।এদিকে নায়ক নায়িকার জন্য অপেক্ষা করে বসে থাকে।



নায়ক ফেসবুকে একটা পেজে কমেন্ট এ দেখে নায়িকা আইডি। এর পর নায়িকাকে রিকেস্ট পাঠায় নায়িকা এপসেপ্ট করে না ঝুলিয়ে রেখেদেয়। ফলোয়ার হয়ে নায়ক প্রতিনিয়ত লাইক দিতে থাকে নাইকার সমস্ত স্টাটাস,সাথে ম্যসেজ এ রিকয়েস্ট এপসেপ্ট করার জন্য বলতে থাকে। কিন্তু নায়িকা পাত্তা দেয় না। একপর্যায়ে নায়কের আইডি ডিএক্টিভেট করার কথা বলে। নায়িকার মন শেষ পর্যন্ত নরম হয় সে এপসেপ্ট করে রিকোয়েস্ট। অনবরত লাইক দিতে থাকে নায়কের স্টাটাসে। ওপেন রিলেশনশিপ দেয় নায়কের সাথে প্রতিদিন ই চেকইন দেয়। এগুলো নায়িকার বাবা লক্ষ্য করে। সে নায়িকার আইডি হ্যাক করে এবং পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করে দেয়। নায়িকা নতুন একাউন্ট খোলে সেখানে নায়ককে আর খুজে পায় না নায়িকা। আস্তে আস্তে ভুলে যায় নায়ক কে। নতুন একাউন্টে নতুন বন্ধু নিয়ে ব্যস্ত থাকে।এদিকে নায়ক নায়িকার জন্য অপেক্ষা করে বসে থাকে।
এক সময় মেয়ের বাবা নায়িকাকে তার আগের আইডি ফেরত দেয়। তখন নায়িকা স্টাটাস দেয় তার এই আইডি হ্যক হয়েছিল নতুন আইডিতে পুরোনো বন্ধুদের রিকয়েস্ট দেবার জন্য। নায়ক ও রিকয়েস্ট দেয় নায়িকা এপসেপ্ট করে না। নায়ক তার পরিচয় দেয় । নায়িকা চিনেনা বলে। পরে নায়ক আগের রিলেশন শিপের লিঙ্ক দেয় নায়িকা না পেরে স্বীকার করে । এর পর নয়িকা বলে তোমার আমার রিলেশন আমার বাবা কখনও মেনে নেবে না। তোমার বাবা মার ফেসবুক আইডি নেই। এ ফেসবুক সমাজ কখনওই মেনে নেবে না। পরে ফ্রেন্ড রিকয়েস্ট এপসেপ্ট করে নায়িকা। নায়ক যখন দেখে নায়িকার সাথে আর এক জনের রিলেশন শিপ দেয়া আছে নায়িকা তখন সব খুলে বলে নায়ক কে। একটি পেজের ম্যনেজার সে। এভাবেই পরিচয় তাদের এখন সে ঐ পেজের ফ্যন বাড়ানোর জন্য কাজ করছে। পরে নায়িকা কে ঐ ছেলের সাথে ম্যরিড দিয়ে দেবার এবং ওর বাবা কে রাজী করিয়ে son in law দেবার প্রতিস্রুতি দেয় নায়ক। বাবাকে রাজী করায় নায়ক। এই দিকে নায়িকাকে সে চ্যলেঞ্জ দেয় যে,ঐ বিয়ের দিন ই সে রিলেশন শিপ স্টাটাস চেঞ্জ করে ম্যরিড দিবে। নায়ক কে এক মেয়ে পছন্দ করতো সেই মেয়েকে কথা দিল এদিকে মেয়েতো বেজায় খুশি। নায়ক নায়িকার বিয়ের ইভেন্টের কাজে ব্যস্ত। সমস্ত যায়গায় লিঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। ইভেন্ট হবার ঠিক আগ মুহুর্তে নায়ক খোজ পায় নায়িকার যার সাথে বিয়ে হচ্ছে তার যে বাবা মা দেয়া ওটা ফেইক। সবাইকে জানালো। নায়িকার বাবার ফলোয়ার রা এবং ফ্রেন্ড রা মিলে সেই ছেলের আইডি রিপোর্ট করে বন্ধ করে দিল। এর পর নায়িকা নায়কের স্বপ্ন পূর্ন করতে তার পেজ নিয়ে কাজ করতে থাকে। এক সময় নায়ক সেই পেজে যায়। সেই পেজের হয়ে কাজ করতে থাকে।সবার কথায় তাকে পেজের এডমিন করে দেয়া হয়।সে নায়কার ইচ্ছা পুর্ন করার জন্য,পেজে ফ্যান বাড়ানোর জন্য সবাইকে ম্যসেজে লিঙ্ক দেয়। কমেন্টে লিঙ্ক দেয়।সবাই নায়কে বাহবা দেয়।
কিন্তু নায়িকা তা সহ্য করতে পারে না।সে অন্য বিরোধি পেজের এডমিন দের সাথে মিলে নয়কের আইডি ব্লক করে দেয়ার প্ল্যানিং করে। সে নায়ক কে বলে দুই দিনের মধ্যে ৩০০০ লাইক বারাতে হবে তুমি সবাই কে ম্যসেজ দাউ।নায়িকা কথা বলেছে এতেই নায়ক খুশি।তার আইডি ব্লক হবে জেনেও নায়িকার ইচ্ছা পুর্ন করার জন্য সে সবাইকে ম্যসেজ দিতে থাকে কমেন্টে লিঙ্ক দিতে থাকে।
পরিনামে আইডি পার্মানেন্টলি ব্লক হয়ে যায়।
নায়িকার অনুশোচনা হয় নায়িকা পরে সব কিছু ফাস করে দেয়। পরে সেই অন্য পেজের এডমিন দের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়া হয়।

সবাই দেখি বিভিন্ন মুভির ফেসবুক ভার্সন বের করে আমি ও করলাম।

ফেসবুক ময় ইস্টাটাসের জন্য দুঃখিত।মজার জিনিস লিখলাম তাই আপনাদের সাথে শেয়ার না করে পারলাম না।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২৪ thoughts on “হিন্দি ছবি RANJHANA এর ফেসবুক ভার্সন।

    1. আমি তো ভাই এই নিয়ে লিখি না
      আমি তো ভাই এই নিয়ে লিখি না লিখতে পারি ও না। এটা মাথায় এসেছিল লিখে দিয়েছি। ট্রাই করব।
      মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

  1. ছবিটা দেখিনি। তাই কিছুই
    ছবিটা দেখিনি। তাই কিছুই বুঝলাম না। আপনি লেখার সময় এতো তাড়াহুড়া করেন কেন? এইজন্যই বানান ভুল হয় বেশী। তবে আগের চেয়ে অন্নেক উন্নতি হয়েছে। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. দেখে নিয়েন আতি ভাই হেব্বি
      দেখে নিয়েন আতি ভাই হেব্বি একটা মুভি।
      আপনারে বুঝেন কি করে জানি না! জতিস নাকি?

      পরিক্ষা ছিল তাই এত তড়াহুড়া করে লিখা।

  2. হিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহ
    হিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহি.. এখনো চলছে…!

  3. দুরন্ত জয়,
    মনে হল জেট বিমান

    দুরন্ত জয়,
    মনে হল জেট বিমান চালিয়ে এলেন … লেখাটা খারাপ বলছিনা
    তবে আরও যত্ন নিয়ে সুন্দর করে লেখাটি লিখতে পারতেন ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

78 + = 82