ইহুদি (ইসরাইলি) জাতি কি আলাদা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকার রাখে? [ ১৮ পর্বের লেখা পর্ব – ১ ]

সাংবিধানিকভাবে ইহুদি ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় ধর্ম (বাংলাদেশের মত) হলেও, সকল নাগরিকের যার যার ধর্ম পালনের সম্পূর্ণ অধিকার বিদ্যমান। যে কারণে দেশটির জনসংখ্যার ৭৫.৪% ইহুদি, ১৬.৯% আরব মুসলিম, ২.১% আরব খৃষ্টান, ১.৭% দ্রুজ মুসলমান, ৪% নাস্তিক ও অন্যান্য ধর্ম অনুসরণ করে। ইসরাইলি পার্লামেন্ট ভবনেও মুসলিমদের জন্য মসজিদ বিদ্যমান। দেশটিতে সাংসদ, একজন কেবিনেট মন্ত্রী ও সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি পদেও আরব মুসলমানরা আছে। দেশটির জাতীয় ভাষা হিব্রু কিন্তু দাপ্তরিক ভাষা আরবি ও ইংরেজি। রাস্তায় বিলবোর্ড ও সড়ক নির্দেশিকা হিব্রু, আরবি ও ইংরেজি ভাষায় লিখিত। স্কুলে সকল শিক্ষার্থীর হিব্রু, আরবি ও ইংরিজ ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক। আরব মুসলিমরা প্রধানত ইসরাইলের গালিল, নাজেভ, হাইফা, জেরুজালেম, আক্রি ও রামাল্লায় বসবাস করে। ১,১৫,০০০ দ্রুজদের সবার বসবাস গোলান মালভূমিতে।
:
ইহুদি জাতি : প্রারম্ভ
জাতি কি :
:
ইহুদি জাতি সম্পর্কে লেখার প্রারম্ভে আমরা দেখে নিতে চাই জাতি ও জাতীয়তার সংজ্ঞা। সাধারণ অর্থে জাতি (Nation) বলতে কতগুলি সাধারণ বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে গঠিত এক জনগোষ্ঠীকে বোঝায়। জাতি এক ধরণের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সম্প্রদায়। জাতি হল কতগুলি সাধারণ বৈশি্ষ্ট্যের ভিত্তিতে সংঘবদ্ধ এক জনগোষ্ঠী। বিশিষ্ট্য সমাজবিজ্ঞানী ও লন্ডন স্কুল অব ইকনমিক্সের জাতীয়তাবাদ বিষয়ক অধ্যাপক অ্যান্টনি দ্য স্মিথ (Anthony D. Smith) জাতিকে এক নামকরণ করা মানবগোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যা এক সাধারণ ঐতিহাসিক ভূখন্ড, ঐতিহাসিক স্মৃতি, অতিকথা (Myth), গণ-সংস্কৃতি, আর্থনীতিক ধারণার ভিত্তিতে গঠিত। যেমন ইহুদিরা এ সংজ্ঞা অনুযায়ী একটি জাতি (তাদের সাধারণ এক ঐতিহাসিক ভূখন্ড ও সাধারণ অতীতের স্মৃতি বা মিথ রয়েছে)। অধ্যাপক রাশটন বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর উপর জরীপ চালিয়ে দেখিয়েছেন যে, বংশানুগত সাদৃশ্যই জাত-কেন্দ্রিকতার (Ethnocentricity) ভিত্তি। উদাহরণ হিসেবে রাশটন ইহুদি জাতির উল্লেখ করে বলেন, “ইহুদিরা বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকলেও, তাদের নিজেদের মধ্যে বংশানুগত সাদৃশ্য তাদের সাথে অ-ইহুদিদের বংশানুগত সাদৃশ্যের চেয়ে ঢের বেশী”।
জাতীয়তা কি :
:
এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিট্যানিকায় জাতীয়তার সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এভাবে, ‘মেম্বারশিপ ইন অ্যা ন্যাশন অর সভেরেইন স্ট্যাট’ “একটি জাতি বা সার্বভৌম রাষ্ট্রের সদস্য”। উইকিপিডিয়া বলছে, ‘ন্যাশনালিটি ইজ দ্য লিগ্যাল রিলেশনশিপ বিটুয়িন অ্যান ইনডিভিজ্যুয়াল হিউম্যান অ্যান্ড অ্যা স্ট্যাট’ “ব্যক্তি বিশেষ ও রাষ্ট্র বিশেষের মধ্যকার বিধিগত সম্পর্কই জাতীয়তা”। উইকিপিডিয়ায় নাগরিকত্ব সম্পর্কেও ওই একই কথা বলছে অর্থাৎ জাতীয়তা ও নাগরিকত্ব সমান। দূর অতীতে একসময় রাষ্ট্র ছিল না, মানুষ তখনো ছিল জাতিভুক্ত। সময় বদলে গিয়েছে এবং ক্রমে তখনকার জাতির অনিবার্য জায়গা দখল করে নিয়েছে এখনকার রাষ্ট্র। আধুনিক পৃথিবীতে বহুজাতিক রাষ্ট্র আছে, বহুরাষ্ট্রিক জাতিও আছে। আরব জাতি একটি বহুরাষ্ট্রিক জাতি এবং ভারত একটি বহুজাতিক রাষ্ট্রের দৃষ্টান্ত। হাজার বছর আগে যেমন এখনকার মতো দেশ ছিল না, হাজার বছর পরে তেমনি জাতিভেদ থাকবে না। মানুষ ফিরে যাবে তার শেকড়ে। সে হবে মূলতই মানুষ, কেবলই মানুষ। সৃষ্টির প্রভাতে মানুষ যেমন মানুষ ছিল, মানুষ ফিরে যাবে তার সেই আদি ও আসল পরিচয়ে। বাঙালি-বিহারি-অস্ট্রালয়েড-নিগ্রোয়েড-ইহুদি-আরব-মুসলিম মিলেমিশে একাকার হবে সেই দিন। প্রতিষ্ঠা পাবে মানুষের জাতীয়তা, মানবিক জাতীয়তাবাদ। বনী-ইস্রায়েল বা ইহুদি সম্প্রদায় একটি জাতির অন্তর্গত এবং জাতিগতভাবে ইহুদি ধর্মের অনুসারী একটি জাতি বা ধর্মীয় জনগোষ্ঠি।
:
জাতি হিসেবে ইহুদি ও ইসরাইল রাষ্ট্রের মিথ :
:
ইয়াকুবের পুত্র ইয়াহুদা’র নাম থেকে হিব্রু “ইয়াহুদী”, অতঃপর আরবী “ইয়াহুদী” হয়ে বাংলায় “ইহুদি” শব্দের আগমন। ইব্রাহীমের পুত্র ইসহাক, তার পুত্র ইয়াকুব ওরফে ইসরাইল এর বংশধরগণ বনী-ইস্রায়েল নামে পরিচিত। ইয়াকুবের বারো পুত্রের নামে বনী-ইস্রায়েলের বারোটি গোষ্ঠির জন্ম হয়, যার মধ্যে ইয়াহুদা’র ছেলেমেয়েরা যারা ‍যুডিয়া প্রদেশের কেনানে বসবাস করতো তারা ইহুদি নামে পরিচিত।
:
ইহুদি ( יְהוּדִים‎‎ ) শব্দটা হিব্রু। সেমেটিক (মধ্যপ্রাচীয়ও) ধর্মগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পুরনো ধর্ম হল ইহুদি ধর্ম (JUDAISM)। অনেকে ভাবেন, ইহুদিদের ইংরেজিতে JEW বলে কেন? হিব্রু শব্দের শুরুতে Y ভাওয়েল থাকলে সেটা ইংরেজি বা গ্রিকে J দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। সে হিসেবে ইহুদি –> জিহুদি –> জিউ (জ্যু)। ২০১০ সালের হিসেব মতে বিশ্বে ইহুদি জনসংখ্যা বিশ্বের ১৩৪ লক্ষ অর্থাৎ বিশ্ব জনসংখ্যার মাত্র ০.২% !! মোট ইহুদির ৪২.৫% ইসরাইলে, আর ৩৯.৩% আমেরিকায় বাস করে।ইহুদিরা আমাদের মতই বংশ পরম্পরা হিসেব করে ইব্রাহিম (আ) থেকে। অর্থাৎ পিতা ইব্রাহিম। ইব্রাহিমের প্রধান ২ ছেলে ইসমাইল আর ইসহাক। ইসহাক (আ) (Isaac) এর ছেলে ইয়াকুব (আ) (Jacob); ইয়াকুব (আ) এর আরেক নাম ছিল ইসরাইল (আ); এ নামটাই ইহুদিরা গ্রহণ করেছে। ইহুদিদের ভাষা হিব্রু। হিব্রুকে তারা বলে “পবিত্র ভাষা”; আনুমানিক ২০০ সাল পর্যন্ত হিব্রুর ব্যবহার ছিল ভালই কিন্তু এরপর ইহুদি জাতির নানাবিধ সংঘাত ও সংগ্রামে হিব্রু ছিল কেবল একটা মৃত ভাষার মত! কিন্তু ১৮৮১ সালে এলিয়েজার বিন ইয়াহুদা এ মৃত ভাষাকে পুনর্জীবিত করেন। এখন ইসরাইলের এটি রাষ্ট্র ও একটি জীবন্ত শক্তিশালী ভাষা হচ্ছে হিব্রু।
:
ইহুদি জাতির বিষয়ে ধর্মীয় মিথ হচ্ছে – আদম আর হাওয়ার প্রথম দুই পুত্রসন্তান হাবিল আর কাবিল। হাবিলকে খুন করে কাবিল হল অভিশপ্ত। আর তাই ঈশ্বর আদমকে আরেকটি পুত্র সন্তান দিলেন যার নাম শীশ। আমরা সবাই এই শীশের বংশধর। শীশের এক বংশধর নূহের সময় মহাপ্লাবনে তাঁর ৩-ছেলে, ছেলের ৩-বউ, আর স্ত্রী ছাড়া আর সবাইকে ঈশ্বর ধ্বংস করে ফেলেন। ফিরে তাকাই আরো একটু পেছনে, সেই ৩০০০ বছর আগের দিকে মধ্যপ্রাচ্য ছিল জনবহুল জনপদ। এখানেই বাস করত ইহুদি জাতি। তখন অবশ্য তাদের ইহুদি বলা হত কিনা তা ইতিহাসের গবেষণার বিষয়। ইয়াকুব বা ইসরাইল (আ) এর ছিল ১২ পুত্র। সেই ১২ পুত্রের বংশধর থেকে হল ইসরাইলের ১২ গোত্র তথা বনী ইসরাইল। নূহের ৩ ছেলের এক ছেলের নাম শাম। তাঁর বংশধররা সেমেটিক জাতি (আরব, ইহুদি) নামে পরিচিত। অপর ছেলে হামের বংশধারা হ্যামিটিক (মিশরীয়, বার্বার) নামে পরিচিত।
:
তৃতীয় ছেলে ইয়াফাসের বংশধররা হল ইন্দো-ইউরোপীয় (ইউরোপীয়, ইরানী, ভারতবর্ষীয়)। শামের এক বংশধর, যার এক উপশাখা ছিল হাবিরু, এর বংশধর তাই হিব্রু নামে পরিচিত। ইব্রাহিম একজন হিব্রু ভাষাভাষী মানুষ ছিলেন। তাঁর দুই ছেলে ইসহাক ও ইসমাঈল। ইসমাঈলের বংশধররা আরব। ইসহাকের ছেলে ইয়াকুবের (বা ইসরাইলের) বার ছেলের এক ছেলে ইউসুফকে মিশরে তাঁর ভাইদের ষড়যন্ত্রে দাস ব্যবসায়ীরা বিক্রি করে দেয় কিন্ত ইউসুফ মিশরের ফারাওয়ের প্রিয় এবং শাসক শ্রেণির ব্যক্তিতে পরিণত হন। তিনি ভাইদের ক্ষমা করে পিতা ইয়াকুব আর বনী ইসরাইলকে ফিলিস্তিন (কেনান) ভূখন্ড থেকে মিশরে নিয়ে আসেন। ইউসুফ মারা যাবার অনেক বছর পর অন্য এক ফারাও এর আমলে বনী ইসরাঈলদের প্রতি মিশরীয়দের নিপীড়ন শুরু হয়। ইয়াকুবের ১২ পু্ত্রের এক পুত্র লেভির বংশে মুসার জন্ম হয়। কাজেই মুসা একজন লিভাইট ইহুদি। তিনি ইউসুফের দেহাবশেষ মিশর থেকে পবিত্র ভূখন্ডে (কেনানে) নিয়ে আসেন। তাঁর সাথে পুরা বনী ইসরাঈলও ফিলিস্তিন (কেনানে) ভূখন্ডে চলে আসে। ইয়াকুবের বার ছেলের এক ছেলের নাম ইয়াহুদা। এই ইয়াহুদার বংশধররাই ইয়াহুদী নামে পরিচিত। দাউদ, সোলায়মান আর ঈসা এই ইয়াহুদার বংশধর বা ইয়াহুদী। বনী আমিন বা বেঞ্জামিনের বংশধরেরা বেঞ্জামাইট নামে প্রসিদ্ধ (যেমন:বাদশাহ তালুত)। পরবর্তীকালে বার ছেলের বংশের মধ্যে ইয়াহুদার বংশই ব্যাপক হয়ে উঠে, আর বাকীরা এর সাথে মিশে যায়। এদেরকেই সাধারণভাবে ইহুদি বলা হয়, যারা কিনা আরবদেরই সৎ-ভাই। মিশরীয়রা ইসরাইলিদের ডাকত “হিব্রু”।
:
এর অর্থ যারা “পার হয়ে এসেছে” কারণ, তারা নদী পার হয়ে মিসরে এসেছিলো। মিসরের হিব্রুদের উপর (ইহুদিদের উপর) নেমে আসল ভয়াবহ অত্যাচার। মাদায়েন থেকে সপরিবারে ফেরার পথে মুসা (আ) তূর পাহাড়ে আগুন দেখেন এবং এরপরের ঘটনা সবার জানা, মানে তিনি নবুয়ত পেলেন। যিহোবা তাঁর সাথে একটি জ্বলন্ত ঝোপের মধ্য দিয়ে সরাসরি কথা বললেন, তাঁকে ২টি মুজেজা দিলেন। ইহুদি জাতির হিস্টোরি বলছে, মুসার জন্মের সময় ফিরাউন ছিলেন SETI the 1st কিন্তু মিসরে রিটার্ন করার সময় ছিলেন RAMESES (II) the GREAT. তাওরাতও বলছে, আগের ফিরাউন মারা যায়, রামেসিস ফারাও হন। তবে কুরআন এ নিয়ে কিছু বলেনি, ঐ দুই ফারাও এক নাকি ভিন্ন। ফিরাউন যেতে দিলেন না হিব্রুদেরকে মিসর থেকে। এ কারণে ইহুদি মতে গজব শুরু হলো মিসরে, যা হল : ১) পানি রক্তে পরিণত হল ২) ব্যাঙ ৩) উঁকুন ৪) মাছি ৫) গবাদি পশুর রোগ ৬) মিসরিদের চামড়ায় ফোস্কা ৭) শিলা আর বজ্র ৮) পঙ্গপাল ৯) টানা অন্ধকার এবং ১০) সকল পরিবার এবং গবাদি পশুর প্রথম বাচ্চার মৃত্যু। এত গজব সহ্য না করতে পেরে মিসরিরাই বরং অর্ডার করল হিব্রুদেরকে মিসর থেকে বের হয়ে যেতে। অবশেষে মুসা তাঁর অনুসারী বিশাল ইসরাইল জাতিকে নিয়ে বেরিয়ে গেলেন, যা বিখ্যাত EXODUS নামে পরিচিত। অবশ্য বের হয়ে যাবার সময় তিনি ইউসুফ (আ) এর কফিন নিয়ে নিলেন পবিত্র ভূমিতে সমাধিস্থ করার জন্য যেমনটা ইউসুফ ওয়াদা নিয়েছিলেন। নানা ঘাত প্রতিঘাতের পর যিহোবা (ঈশ্বর) প্রদত্ত প্রতিশ্রুত ভূমিতে ফিরে গলে ইহুদি বা ইসরাইল জাতি। পৃথিবীর অন্য যেকোন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে মুসলিমদের সাথে ইহুদিদের মিল সবচেয়ে বেশী। একজন মুসলিম পুরুষ ইহুদিদের জবেহকৃত পশু খেতে পারে, তাদের নারীদের ধর্মান্তরিত না করে বিয়ে করতে পারে, ইহুদিরা মুসলিমদের মতনই খাৎনা করে, শুকরের মাংস খায়না। টুপি-দাড়িওয়ালা ধার্মিক মুসলিম ও ইহুদি রাব্বির যত মিল পাবেন, খ্রীষ্টান পাদ্রী বা মিনিস্টার প্যাস্টরের সাথে তার ভগ্নাংশও পাবেন না। ইহুদিদের সিনাগগে ঈশ্বর বা ঈশ্বরের পুত্রের কোন মুর্তি পাবেন না।
:
মুসলিম আর ইহুদিরা একই নিরাকার ডেইটিকে মানে। এরপরও বিরোধ কেন এত বেশী? তার আগে আরেকটি কথা বলা জরুরী। খ্রিষ্টানদের সাথে ইহুদিদের বিরোধ কিন্ত আরও গভীরে। প্রথম কথা হল ইহুদিরা ঈসাকে কখনই মেসিয়াহ বলে মানেনি। দ্বিতীয়তো তারা ঈসার ভার্জিন বার্থ বা ঈশ্বরত্ব মানতে পারেনি। ইহুদিদের বলা হত “ক্রাইস্ট কিলার” বা “খ্রীষ্ট হন্তারক”। নিউ টেস্টামেন্টের একটি মাত্র লাইন যুগ যুগ ধরে ইহুদিদের নির্যাতন হত্যার ভয়ংকর অস্ত্রে পরিণত হয়েছে। বাইবেলের (নতুন খন্ডের) বর্ণনা অনুসারে ইসরাইল ভূখন্ডের তৎকালীন রোমান গভর্নর পিলেত যীশুকে মৃত্যুদন্ড দিতে আগ্রহী ছিল না। ইহুদি মবের চাপে সে যীশুকে ক্রুশবিদ্ধ করতে বাধ্য হয়। আর এই ইহুদি মব নিজেদের বংশধরদের উপরও খ্রীষ্ট হত্যার দায়ভার গ্রহণ করে।
 
[এরপর পর্বের পর্ব আগামীকাল রাত ৮:০০ টায়]
ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

5 + 3 =