ডায়েরি

মুহিত এসেছে রাহাতদের বাসায়। রাহাতের চাচাতো ভাই মুহিত। বাসায় রাহাত ছিল না,মুহিত রাহাতের অপেক্ষায় রাহাতের বেড রুমে বসে আছে।হঠাৎ তার নজর পড়ল টেবিলের উপর রাখা একটা ডায়েরির উপর।কারো ডায়েরি পড়ার মধ্যে এক ভয়ানক মজা আছে।ডাইরির মাধ্যমে কারো একান্ত মনের কথা গুলো যানা যায়।তাকে চেনা যায়। মুহিত ডাইরি টা নিল।রাহাতের ডাইরি।পড়া শুরু করল-


মুহিত এসেছে রাহাতদের বাসায়। রাহাতের চাচাতো ভাই মুহিত। বাসায় রাহাত ছিল না,মুহিত রাহাতের অপেক্ষায় রাহাতের বেড রুমে বসে আছে।হঠাৎ তার নজর পড়ল টেবিলের উপর রাখা একটা ডায়েরির উপর।কারো ডায়েরি পড়ার মধ্যে এক ভয়ানক মজা আছে।ডাইরির মাধ্যমে কারো একান্ত মনের কথা গুলো যানা যায়।তাকে চেনা যায়। মুহিত ডাইরি টা নিল।রাহাতের ডাইরি।পড়া শুরু করল-

নাবিদ নাম ছেলেটির।আমার সাথে ওর পরিচয় হয় গত বছরের শেষের দিকে।আমি একটা কোচিং সেন্টারে মডেল টেস্ট দিতে ভর্তি হই। সেখানেই পরিচয় নাবিদের সাথে।এস এস সি তে একটুর জন্য গল্ডেন মিস করেছে সে।তাই এবার এইচ এস সি তে চেষ্টার ত্রুটি রাখছে না সে। ওকে দেখে হিংসা হয় মাঝে মাঝে,কি করে একটি মানুষ এমন পড়া লিখা করতে পারে। যদি ও আমি নাবিদের অনেক পেছনের ছাত্র,আমাদের মাঝে অনেকেই আছে।তবুও,আমার প্রতিযোগিতা যেন ওর সাথেই। ও কে টপকাতে পারাটাই যেন আমার জীবনে একটি পরম পাওয়া হবে । জানি না কেন এই হিংসা। অন্তত আজকের আগ পর্যন্ত জানতাম না যে ও শুধু আমার প্রতিযোগি নয় আমার বন্ধু ও বটে। আজ আমি মরতে মরতে বেচেছি। হ্যা মরতে মরতে। আজ আমি যখন রাস্তা পার হচ্ছিলাম কি যেন চিন্তা করছিলাম,যত দূর মনে পরে নাবিদ কে কি করে হারাব তাই ভাবছিলাম।ভাবতে ভাবতে রাস্তা পার হতে বেপড়য়া ভাবে রাস্তা খেয়াল না করেই হঠাৎ রাস্তায় নেমে পড়লাম। কিন্তু আমি খেয়াল ও করি নি যে আমার খুবই সন্যিকটে একটি বাস অতি দ্রুত আসছে। নাবিদ খেয়াল করল,আমাকে টান দিয়ে রাস্তা থেকে সরিয়ে ফেলল।বাস ড্রাইভার কেউ ধন্যবাদ।কারণ সে বেপড়য়া ছিল না ঠিক সময়ে ব্রেক না দিলে আমি আজ আর এই ডাইরিতে লিখার মত অবস্থায় থাকতাম না।

মুহিত পড়তে লাগল,রাহতের ডাইরি।রাহাতের প্রতি কি যেন এক অদ্ভুদ আগ্রহ নিয়ে।

এখন নাবিদ কে দেখে আমার আর হিংসা হয় না,কিন্তু আমি আমার লক্ষ্য ছাড়ি নি!ওকে টপকাতে হবেই।ওর চেয়ে ভাল রেজাল্ট করতেই হবে।
আজ নাবিদের চেয়ে আমি বাংলায় এক নম্বর বেশি পেয়েছি।নাবিদ আমার দিকে তাকিয়ে এক হাসি দিল।আমার খুব রাগ হয়েছিল,ইচ্ছা করছিল একটা ঘুষি মেরে ওর মোটা ফ্রেমের চশমা টা ভেঙ্গে দেই। তবে আমার তো আজ এক পরম ইচ্ছা পূর্ন হল।তাই আমি ওকে জিজ্ঞাসা করলাম কত পেয়েছে সে।ও সানন্দের ওর নাম্বার বলল। ওর নাম্বার আমার চেয়ে কম। পুরো এক নম্বর কম,এই শুনে আবার ও খুশি হলাম।প্রত্যুত্তরে এক হাসি পেলাম। কি যেন রহস্য সেই হাসি তে।

মুহিত পড়ল,রাহাতে ডাইরি। মনে মনে রাহাত কে একটু গালা গালি করল সে, একটা মানুষ কি করে এত হিংসুটে স্বভাবের হতে পারে! তবুও এক ছেলে! আবার পড়া শুরু করল।

আজ আমি খুব খুশি, না আজ আমি নাবিদের চেয়ে বেশি নম্বর পাই নি। তবুও আজ খুশি।আমার পছন্দের মোবাইল টি কিনে দিয়েছে বাবা। কিন্তু আমি এত কিছু বুঝি নি এই মোবাইলের। লক করে ফেলেছি। এখন মহা মুশকিল,কি করব! আজও আমাকে আমার এই বিপদ থেকে বাচাল নাবিদ। ওর প্রতি প্রতিহিংসা টা যেন আজ আরোও কমে গেছে। হয়তো মানুষ এমন ই, নিজের উপকারে আসলে তাকে ভাল মনে হয়।

মুহিত এগুলো পড়ছে,আর সাথে ভাবছে এতো যেন এক ছবি! পরে কি হবে এই আসায় সে পড়তে লাগল। এখন পড়ার গতিটা একটু বাড়িয়ে। পরিক্ষার আগে যেমন করে বই রিভাইস দেয় অনেক টা তেমন করেই চোখ বুলাতে লাগল।
আজ নাবিদ আবার কম পেয়েছে রাহাতের থেকে ।অনেক কম।রাহাত একটু অবাক হয়েছিল।সকল দ্বিধা ভুলে নাবিদ কে জিজ্ঞাসা করেছিল কারণ টা। নাবিদের সেই চির পরিচিত হাসি দিয়ে রাহাত কে বলেছিল-আরে ব্যপার না এগুলো।তুই ভাল পড়েছিস তাই পেয়েছিল।এর পর রাহাত ও নাবিদের মধ্যে আস্তে আস্তে বন্ধুত্ব হতে লাগল।এগুলো তারাতারি করে পরে এসেছে মুহিত।

হঠাৎ মুহিতের নজর কাড়ল একটি প্যরা।

আমি আজ নাবিদের ডাইরি পড়েছি।পড়ে ওর প্রতি শ্রদ্ধা যেন আরো বেড়ে গেল।নাবিদ এই ডাইরিতে সেই দিনের কথা লিখা ছিল, যে দিন আমি প্রথম ওর থেকে বেশি পেয়েছিলাম।ও আসলে আমার চেয়ে অনেক বেশি পেয়েছিল। গুনবার ভুলের কারোনে ওর পুরো দশ নম্বর যোগ হয়নি।আমার আনন্দ দেখে ও আর স্যার কে কিছু জানায় নি। ওর ডাইরিতে আমার সম্পর্কে লিখা দেখলাম। ওর প্রতি অনেক শ্রদ্ধা হচ্ছে আমার। আমি ওর সাথে হিংসা করি এটা ও জানত, তারপর ও নাবিদ আমার প্রতি হিংসা করত না।বরং আমাকে দিনে পর দিন সাহায্য করে গিয়েছে সে।
আমাদের পরিক্ষা শেষ হয়েছে দুই মাস প্রায়। দুই এক দিনের মধ্যেই রেজাল্ট দিবে। নাবিদের প্রতি আগের মত হিংসা নেই। ও তো গোল্ডেন পাবেই আশা করি। ওর জন্য দোয়াও করি। আমি নরমাল এ প্লাস পেলেই খুশি।

গত কাল রেজাল্ট দিয়েছে।রেজাল্ট পেয়ে আমি অবাক। আমি এ প্লাস পেয়েছি। কিন্তু নাবিদের একি অবস্থা ও এপ্লাস পেল না!! যেই ছেলে গোল্ডেন পাবে এমন টিই সবার ধারণা ছিল,সেই ছেলে কিনা এ পেল!!
এই দেশের একি অবস্থা! স্যার রা কি দেখে নাম্বার দেয়। আমি গোল্ডেন পাইনি এতে আমার আফসোস নেই। আমার আফসোস নাবিদ কেন গোল্ডেন পেল না? যেখানে আমি উলটা পালটা লিখে সমাজে এ প্লাস পেয়েছি সেই তুলনায় তো নাবিদের গোল্ডেনের চেয়ে বেশি কিছু পাবার কথা। স্যার রা আসলেই না দেখে নাম্বার দেয়। স্যার গুলোকে যদি পেতাম।

মুহিত পড়ছে এখনও।আর নাবিদের জন্য তার ও যেন একটু আফসোস।

আজ যদি আমি নাবিদের মত উদার হতে পারতাম আমার থেকে কিছু নাম্বার যদি ওকে দিতে পারতাম! আমাকে এই পরম বন্ধুটিকে হারাতে হতো না। নাবিদ সুইসাইড করেছে। হ্যা নাবিদ সুইসাইড করেছে।
এই শিক্ষা ব্যবস্থার বেপড়য়া অবস্থা আমার বন্ধু কে কেরে নিল আমার কাছ থেকে।
গত কাল নাবিদ আত্মহত্যা করেছে, মারা যাবার আগে ডাইরিতে লিখে যেতে ভুলে নি জীবনের শেষটুকু। সেখানেও ওর উদারতা। আমার রেজাল্টের জন্য খুশি হয়েছে সে। সুইসাইড করার আগে ওর মাকে বলেছিল যে, আমাকে যেন ডাইরিটা দেয়।আন্টি তাই আজ আমাকে ডাইরিটা দিয়েছে। আমি পড়েছি ডাইরি টা।
ওর রেজাল্ট নিয়ে ওর পরিবারের আশার কথা লিখেছে ও। ব্যর্থতায় ওর বাবার সম্মানের কথা লিখেছে ও। এই নিয়ে আগে থেকেই চিন্তিত ছিল নাবিদ।তার বাবার উচ্চ আশার কথা লিখে গেছে ও। শেষে ও লিখেছে ওর খারাপ রেজাল্টের কথা। ওর বাবার সেই আশা ভঙ্গের কথা। ও জানত আমি ওর ডাইরি পড়েছিলাম সেই কথাও লিখে গেছে।
নাবিদের শেষের লাইন গুলো ছিল-

আমি আজ অপরাধী,খুনী আমি। আমি আমার বাবা-মার স্বপ্নের খুন করেছি। বাবা আমি তোমার এই অসহায় মুখ দেখতে পারবো না। তোমার সম্মান রাখতে পারে নি আমি। এতে তোমার দোষ নেই বাবা।তুমি চেষ্টার ত্রুটি করনি। আমার এখনও মনে আছে তোমার সেই চশমার কথা,আমার পরিক্ষার ফি দেবার জন্য নিজে নতুন চশমা কিনো নি, সুপার গ্লু দিয়ে লাগিয়েছিলে। অথচ তার দুই দিন পর আমার চশমা ভেঙ্গে গেলে,আমার পরিক্ষা দিতে অসুবিধা হবে তাই আমাকে নতুন চশমা এনে দিয়েছিলে।আমি তোমাদের আশা পূরন করতে পারি নি। আমাকে ক্ষমা করো। হয়তো মধ্যবিত্তের আশা টা একটূ বেশিই। আর এই আশা গুলো হয়তো অপূরনীয় থেকেই যায়!

মুহিতের ডাইরি পড়া শেষ। মুহিত এখন বলছে হ্যা আসলেই তো মধ্যবিত্তের আশা টা একটূ বেশি। আর পড়ার সাহস পেল না মুহিত। রাহাতের ডাইরি রেখে দিল আবার সেই আগের জায়গায়।
মহিত তার ভবিষতের কথা ভাবছে।হয়তো সে ও তার বাবার ইচ্ছা পুরন করতে না পাড়লে নাবিদের মতই পথ বেছে নেবে। কিন্তু এই আত্মহত্যাই কি জীবনের স্বার্থকতা?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২৮ thoughts on “ডায়েরি

  1. রাহাতও কি সুইসাইড খাইছে?
    রাহাতও কি সুইসাইড খাইছে? রেজাল্ট খারাপ করে সুইসাইড করা নিয়ে কিছুদিন আগেই একটা লেখা এসেছিলো ইস্টিশনে। গল্প না, সত্য ঘটনা। তাহলে কি আজকাল পোলাপাইন গোল্ডেন না পেলে আত্মহত্যায় ঝুঁকছে? চিন্তার বিষয়।
    আপনার লেখায় উন্নতি লক্ষ্যনিয়। এখনও কিছু কিছু বানান ভুল হচ্ছে। লেখা পোস্ট করার আগে একটু চোখ বুলিয়ে নিলে এই ভুলগুলো থাকবে না। এইগুলো টাইপিং মিসটেক। তাড়াহুড়া না করে লেখা শেষ হওয়ার পর লেখার পেছনে আরও মিনিট দশেক সময় দিন, এতে আপনার লেখার মান ১০ গুন বেড়ে যাবে। শুভকামনা রইল। (মাস্টার মাস্টার বলার ঠ্যালা সামলান 😀 )

    1. মাস্টার মশাই,
      রাহাত না নাবিদ

      মাস্টার মশাই,
      রাহাত না নাবিদ সুইসাইড করেছে, গল্প পড়েন নাই!! শিক্ষক হয়ে ফাকিবাজী :ক্ষেপছি:
      আর ভাই রিয়েলি, আজ লিখার পর দুই বার রিভিউ করেছি। ভুল কিছু শুধরে নিয়েছি বাকি গুলো চোখে পরে নি। হয়তো আমি ঐ শব্দ গুলোর সঠিক বানান জানি না।

      হ্যা সুসাইড প্রবনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে,আমি ও হয়তো এর ব্যতিক্রম করব না… ঐ যে বললাম মধ্যবিত্তের আশা একটু বেশিই

      পড়েন নাই দেখে দুঃখ পাইলাম, আসলেই মাস্টার রা না দেখে নাম্বার দেয়। আমার এই গল্পেও তা লিখেছি।এখন প্রমাণ হল। :ভাঙামন: :মাথাঠুকি: :ভাঙামন: :মাথাঠুকি:

      1. ছাত্র বেশী পাকনামি করা উচিৎ
        ছাত্র বেশী পাকনামি করা উচিৎ না। শিক্ষকের নামে অপবাদ দেওয়ার আগে দশবার চিন্তা করা উচিৎ। নাবিদ সুইসাইড করেছে এটা গল্পেই উল্লেখ আছে। নাবিদ সুইসাইড করেছে দেখেই রাহাত নাবিদের ডায়রি পড়ার সুযোগ পেয়েছে। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে রাহাতের ডায়রি মুহিতের হাতে কিভাবে গেলো? গল্পে মুহিতের ভূমিকা কি? যেভাবে পারসোনাল ডায়রি অন্যকে দিয়ে পড়িয়ে ফেলাচ্ছেন আপনার নামে মামলা হবে। :হাসি:

        1. মুহিতের দোষ কি আমাদের রাহাত
          মুহিতের দোষ কি আমাদের রাহাত ভাই ব্যস্ত মানুষ টেবিলের উপর রেখে গিয়েছিলো, মুহিত পড়ে ফেলেছে। আর অন্য কারো ডাইরি পড়ার অগ্রহ এটা সবার মধ্যেই আছে।

          লিখেছি

          রাহাতের ডাইরি রেখে দিল আবার সেই আগের জায়গায়।

          আহ! মামলা টা জেন আন্তযার্তিক অপরাধ ট্রাইবুনালে হয়। নব্বই বছর পোলাও, বিরিয়ানি, মাছ মাংস ইত্যাদিয় খাবার খেয়ে পায়ে উপর পা তুলে বসে থাকা যাবে।
          :হাসি: :হাসি:

          1. ডায়েরি নিজে পড়তে চেয়েছিলাম
            ডায়েরি নিজে পড়তে চেয়েছিলাম কিন্তু কেমন যেন লাগল তাই মুহিত কে টেনে আনা!!
            আসলেই এই গল্পটা ভাল হয় নি!! আমাকে দিয়ে কিছু হবে নাহ!!!

          2. আরে হবে হবে। অত হতাশ হওয়ার
            আরে হবে হবে। অত হতাশ হওয়ার কিছু নাই।
            আতিক ভাই, একটু বেশি কড়া ডোজ হয়ে গেছে। ছাওয়াল পাওয়াল তো কান্দে!!!
            :হাসি:

          3. মাস্টার মশাই আমারে ঢিলা দিয়েন
            মাস্টার মশাই আমারে ঢিলা দিয়েন না আবার পড়া লিখা লাঠে উঠবে .।

            কড়া শিক্ষিক ই চাই

          4. আমার কি দোষ? ছাওয়াল পাওয়ালই
            আমার কি দোষ? ছাওয়াল পাওয়ালই তো জোর করে আমারে মাস্টার বানাইছে। :আমারকুনোদোষনাই:
            জয়, আপনাকে আমি একটু অন্যরকম মনে করেছিলাম। আপনি সমালোচনা সাদরে গ্রহণ করবেন ভেবেই আমি মন খুলে সমালোচনা করেছি। ভুল হইলে মাফ চাই। :-B

          5. আমি তো মজা কইরতেছিলাম মস্টার
            আমি তো মজা কইরতেছিলাম মস্টার মশাই সিরিয়াস কেন?

            আমি এখন বলি সমালোচণা করবেন .। আপনার জন্যই ভাই এত দূর আশা .। এত শুধরে নিতে পেরেছি .।

            এই কাজ থেকে বিরত থাইকেন না

            আমি তো মজা করছিলাম .।

            এটা আপনাকে আগেও বলেছি আমাকে আমার সব ভুল ধরিয়ে দেবেন .।

            ছোট ভাই হিসেবে মজা করতে পারি না??

          6. গল্পের চাইতে মাস্টার আর
            গল্পের চাইতে মাস্টার আর ছাত্রের সম্পর্কটাই ইন্টারেস্টিং মনে হচ্ছে।
            :মুগ্ধৈছি:

          7. আমার কাছে আপনার মন্তব্য!!
            আমার কাছে আপনার মন্তব্য!! @কায়সার ভাই

            ও মাস্টার মসাইল এখন ও রাগ করে আছেন .। আহ! মাস্টার এর সাথে একটু রসিকতাও কি চলে না ??
            :'(

    2. ঘটনা সত্যি,আতিক ভাই,রেজাল্ট
      ঘটনা সত্যি,আতিক ভাই,রেজাল্ট খারাপ হলে কেউ কেউ সুইসাইড করে,কিন্তু অধিকাংশ পোলাপান (যাদের সুইসাইড করার সাহস হয়নাই) নেশার দিকে ঝুঁকে যায়

  2. আর একটা কথা, শিরোনামে অনেকেই
    আর একটা কথা, শিরোনামে অনেকেই দেখি এইরকম *** সহ নানান সিম্বল ইউজ করেন। এটা ভালো লাগে না। পোস্টের ওয়েট কমে যায় বলে আমি মনে করি। ছেলেমানুষি স্টাইল মনে হয়। এটা একান্তই আমার মতামত।

  3. ছেলেপেলে দেখি আজকাল খুব
    ছেলেপেলে দেখি আজকাল খুব সিরিয়াস হয়ে গেছে।
    বেচারাদের জন্য সম-বেদানা!!
    (আল্লাহ বাঁচিয়েছে, আমাকে আর পরীক্ষা দিতে হয় না! :নৃত্য: )

    1. হুম কায়সার ভাই এখন সবই
      হুম কায়সার ভাই এখন সবই সিরিয়াস!! পড়া লেখা নিয়ে বিশেষ করে মধ্যবিত্তের মাথা ব্যথাটা একটু বেশি .।

      আর সম বেদনা আপাতত স্টোরে রাখে আগামী বছর আমার সুইসাইড এর পর দিয়েন 😀

  4. গল্পটার বিষয়বস্তুর চাইতে
    গল্পটার বিষয়বস্তুর চাইতে ডায়রীটা নিয়েই আলোচনা হচ্ছে বেশি!;-(
    সুসাইড কোন সমাধান নয় ।সুসাইড খায় কাপুরুষেরা।

    1. ধন্যবাদ। একটূ সমস্যা ছিল ঠিক
      ধন্যবাদ। একটূ সমস্যা ছিল ঠিক করে দিয়েছি তাই ভাল লেগেছে। থেঙ্কস টু আতিক ভাই এন্ড কায়সার ভাই ভুল ধরার জন্য…।
      আপনাকেও মন্তব্যের জন্য ধন্য বাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

7 + 2 =