২১৪: তায়েফ যুদ্ধ-৩: আক্রমণের নেপথ্য কারণ- ‘গনিমত!’

“যে মুহাম্মদ (সাঃ) কে জানে সে ইসলাম জানে, যে তাঁকে জানে না সে ইসলাম জানে না।”

আদি উৎসের সকল মুসলিম ঐতিহাসিকদের বর্ণনায় যা আমরা নিশ্চিতরূপে জানি, তা হলো, নবী মুহাম্মদের “মক্কা বিজয়” ছিল গনিমত-শূন্য! আদি উৎসের বর্ণনায় আমরা আরও জানতে পারি মুহাম্মদের সফলতার বাহন হলো, “ওহী বর্ষণ ও অনুসারীদের গণিমতের জোগান নিশ্চিত করণ।” আশ্চর্যজনক সত্য হলো, মুহাম্মদের মক্কা বিজয় (পর্ব:১৮৭-১৯৭) ইসলামের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিজয় হওয়া সত্বেও মুহাম্মদ (আল্লাহ) এই “নির্দিষ্ট বিষয়ের বর্ণনা সমৃদ্ধ” কোন উল্লেখযোগ্য ওহী নাজিল করেন নাই। অন্যদিকে, হুদাইবিয়া সন্ধি-চুক্তির পর মদিনা গমনের প্রাক্কালে তিনি (আল্লাহ) পথিমধ্যেই রচনা করেছিলেন “এক সম্পূর্ণ সুরা (পর্ব: ১২৩)।” এমন কী তাঁর “হুনায়েন হামলা” বিষয়ে, নির্দিষ্ট ভাবে এই স্থানের নাম উল্লেখ করে, তিনি রচনা করেছেন কমপক্ষে দু’টি শ্লোক (পর্ব: ২০৫)!

‘হুনায়েন হামলার’ পর মুহাম্মদের এই আগ্রাসী তায়েফ আক্রমণ। এই হামলায় মুহাম্মদ কীভাবে তায়েফ-বাসীর সম্পদ ধ্বংস করেছিলেন তার আলোচনা গত পর্বে করা হয়েছে। মুহাম্মদের এই তায়েফ আক্রমণের প্রকৃত কারণ যে “গণিমত প্রাপ্তির” প্রত্যাশা, তা আদি উৎসের মুসলিম ঐতিহাসিকদের বর্ণনায় অত্যন্ত সুস্পষ্ট।

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের বর্ণনার পুনরারম্ভ (কবিতা পঙক্তি পরিহার): [1]
(আল-ওয়াকিদি ও আল-তাবারীর বর্ণনা, ইবনে ইশাকের বর্ণনারই অনুরূপ) [2] [3]
পূর্ব প্রকাশিতের (পর্ব: ২১৩) পর:

আমি শুনেছি যে, আল-তায়েফ অবরোধের প্রাক্কালে আল্লাহর নবী আবু বকর-কে বলেছিলেন: “আমি (স্বপ্ন) দেখেছি যে আমাকে একটি বাটি-তে মাখন দেওয়া হয়েছে ও তাতে এক মোরগ এসে ঠোকর দিয়েছে ও তা ভেঙ্গে ফেলেছে।” আবু বকর বলেছিল, “আমি মনে করি না যে তাদের কারণে আপনার বাসনা-টি আপনি আজ সফল করতে পারবেন।” আল্লাহর নবী বলেন যে তিনি ও তাই মনে করেন।

অতঃপর উসমান বিন মাযুনের স্ত্রী খুয়ায়েলা বিনতে হাকিম বিন উমাইয়া বিন হারিথা বিন আল-আউকাস আল-সুলামিয়া (Khuwayla d. Hakim b. Umayya b. Haritha b. al-auqas al-Sulamiya) আল্লাহর নবীর কাছে এই আর্জি করে যে:

যদি আল্লাহ তাঁকে আল-তায়েফের বিরুদ্ধে বিজয়ী করে তবে যেন তিনি তাকে বাদিয়া বিনতে ঘায়েলান বিন সালামা অথবা আল ফারিয়া বিনতে আকিলের অলংকার-গুলো প্রদান করেন, কারণ এই যে তারা ছিল থাকিফের সবচেয়ে সেরা অলংকার-ধারী মহিলা।

আমাকে যা বলা হয়েছে, তা হলো, আল্লাহর নবী তাকে বলেন, “হে খুয়ায়েলা, আর থাকিফদের বিরুদ্ধে যদি আমাকে বিজয়ী না করা হয়?” সে [খুয়ায়েলা] তাঁর কাছে থেকে চলে আসে ও [বিষয়-টি] উমর-কে জানায়; সে আল্লাহর নবীর কাছে এসে তাঁকে জিজ্ঞাসা করে যে তিনি তাকে সত্যিই তা বলেছেন কিনা। ঘটনা-টির সত্যতা জানার পর সে তাঁকে জিজ্ঞাসা করে যে তিনি তাদের ক্যাম্পগুলো-কে উঠিয়ে নেয়ার আদেশ জারী করবেন কিনা; তাঁর সম্মতি পাওয়ার পর সে তা কার্যকর করে।

সৈন্যরা যখন চলে আসা শুরু করে, তখন সাইদ বিন উবায়েদ বিন আসিদ বিন আবু আমর বিন আল্লাজ চিৎকার করে ডেকে বলে, “এই গোত্রটি তাদের প্রতিরোধে অটল আছে।”
ইউয়েনা বিন হিসন বলে, “হ্যাঁ, মহত্ত্ব ও গৌরবের সাথে।”
মুসলমানদের একজন তাকে বলে, “ইউয়েনা, আল্লাহ যেন তোমাকে যন্ত্রণায় জর্জরিত করে! তুমি কী মুশরিকদের প্রশংসা করছো এই কারণে যে তারা আল্লাহর নবীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে, যেখানে তুমি এসেছো তাঁকে সাহায্য করতে?”

সে জবাবে বলে:

“আমি তোমাদের সঙ্গে থাকিফদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আসি নাই, কিন্তু আমি চেয়েছি যে মুহাম্মদ যেন থাকিফদের সম্পদ দখল করতে পারে, যাতে আমি থাকিফদের এমন এক নারী পাই যাকে আমি মাড়াতে (আল-তাবারী: ‘গর্ভবতী করতে’) পারি, যাতে সে আমার এক পুত্র সন্তানের জন্ম দিতে পারে এই কারণে যে থাকিফের লোকেরা হলো এমন যারা বুদ্ধিমান সন্তানদের জন্ম দেয়।” —-

আল-ওয়াকিদির (৭৪৭-৮২৩ সাল) অতিরিক্ত বর্ণনা: [5]

‘তারা বলেছে: আবু মিহজান দুর্গের চূড়ার ওপর থেকে তার চওড়া আগা-যুক্ত তীর তাক করে ছিল ও মুসলমানরা ছিল তাদের-কে নিশানা করে। মুযায়েনা গোত্রের এক লোক তার সহচর-কে বলে:

“যদি আমরা আল-তায়েফ জয় করতে পারি তবে তোমার কাছে থাকবে বানু কারিবের নারীরা। নিশ্চিতই তারা সবচেয়ে সুন্দরী মহিলা, তাদের-কে তুমি হস্তগত করবে, অতঃপর তাদের মাধ্যমে তুমি বড় ধরণের মুক্তিপণ আদায় করতে পারবে যদি তুমি তাদের-কে মুক্তিপণের বিনিময়ে ছেড়ে দিতে চাও।”

আল-মুঘিরা বিন শুবা তার কথাটি শুনতে পায় ও বলে, “এই যে মুযায়েনা গোত্রের ভাই!”
সে বলে, “আমি তোমার সেবায় হাজির!”
সে [আল-মুঘিরা] বলে, “ঐ লোকটি-কে তীর নিক্ষেপ করো”, অর্থাৎ, আবু মিহজান-কে। নিশ্চিতই নারী-দের সম্বন্ধে আল-মুযাননির মন্তব্য-টির পর আল মুঘিরা ঈর্ষান্বিত হয়ে উঠেছিল। সে জানতো যে আবু মিহজান হলো এক নিপুণ তীরন্দাজ ও ইতিপূর্বে যার কোন তীরই লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় নাই। আল মুযাননি তাকে লক্ষ্য করে তীর নিক্ষেপ করে, কিন্তু তা তার কোন কিছুই করতে পারে না। আবু মিহজান তার তীরের মাথা-টি তাকে নিশানা করে নিক্ষেপ করে, যা তার শিরায় বিদ্ধ হয় ও তাকে হত্যা করে।

সে বলেছে: আল-মুঘিরা বলেছিল, “সে বানু কারিব গোত্রের নারী-দের নিয়ে পুরুষদের প্রলুব্ধ করেছিল।” আবদুল্লাহ বিন আমর বিন আউফ আল-মুযাননি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত তার সব কথায় শুনেছিল; সে তাকে বলে, “হে মুঘিরা, আল্লাহ যেন তোমার সাথে লড়াই করে! আল্লাহর কসম, তুমি এই জন্যই তার বিরোধিতা করেছিলে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাকে শহীদের মর্যাদায় দাখিল করেছে। আল্লাহর কসম, যদি ইসলামের বিষয়টি না হতো, তবে আমি তোমাকে হত্যা না করে ছাড়তাম না!” আল-মুযাননি বলতেই থাকে, “সত্যিই সে অত্যন্ত চালাক, যা আমরা জানতাম না। আল্লাহর কসম, আমি কখনই তোমার সাথে কথা বলব না!”

সে বলেছে: আল-মুঘিরা তার এই বিষয়-টি আল-মুযাননি কে গোপন রাখতে বলে। সে জবাবে বলে, “আল্লাহর কসম, কখনোই নয়!” সে বলেছে: আল-কুফায় যখন সে উমরের অধীনে কাজ করছিল, তখন এই বিষয়টি উমর ইবনে আল-খাত্তাবের গোচরে আসে। অতঃপর উমর বলে, “আল্লাহর কসম, এই কর্মের কারণে আল-মুঘিরা-কে চাকুরী-তে নিয়োগ দেয়া উচিত নয়!”—-

– অনুবাদ, টাইটেল, ও [**] যোগ – লেখক।

ইসলামের ইতিহাসের সবচেয়ে আদি উৎসে মুহাম্মদ ইবনে ইশাক, আল-ওয়াকিদি ও আল-তাবারীর ওপরে বর্ণিত বর্ণনায় আমরা জানতে পারি, অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে মুহাম্মদের আগ্রাসী আক্রমণে মুহাম্মদের বহু অনুসারী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করতেন “লুটের মালের হিস্যা লাভের (গনিমত) লালসায়!” অতর্কিত আগ্রাসী আক্রমণে অবিশ্বাসীদের পরাস্ত করে তাঁদের সমস্ত সম্পদ লুণ্ঠন ও মুক্ত-মানুষদের বন্দী করে পুরুষদের দাস ও নারীদের যৌন-দাসী-তে রূপান্তর! অতঃপর এই হতভাগ্য বন্দীদের পরিবার পরিজনদের কাছ থেকে অর্থ-আদায়ের বিনিময়ে মুক্তিদান অথবা তাঁদের-কে বিক্রয়ের মাধ্যমে নগদ অর্থ-প্রাপ্তি যে তাঁদের কাছে কী পরিমাণ লোভনীয় ছিল, তা আদি উৎসের ওপরে বর্ণিত বর্ণনায় অত্যন্ত সুস্পষ্ট। বিশেষ করে অবিশ্বাসীদের স্ত্রী-কন্যা-মা-বোনদের জোর পূর্বক ধরে নিয়ে এসে তাঁদের-কে যৌন-দাসী রূপে ব্যবহার, বিতরণ ও বিক্রির বিষয়ে মুহাম্মদ অনুসারীদের লালসা ছিল সবচেয়ে বেশী – যা আদি উৎসে ইউয়েনা বিন হিসন ও আল মুযাননির উপাখ্যানের ওপরে বর্ণিত বর্ণনায় সুস্পষ্ট। ইসলাম প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে মুহাম্মদের আবিষ্কৃত “জিহাদ ও গণিমতের” ভূমিকা ছিল অপরিসীম। কী কারণে মুহাম্মদ তাঁর এই জিহাদ-কে “সর্বশ্রেষ্ঠ সৎকর্ম” রূপে ঘোষণা দিয়েছিলেন, তার আলোচনা “জিহাদ এর ফজিলত (পর্ব: ১৩৫)” পর্বে করা হয়েছে।

কে এই ইউয়েনা বিন হিসন?
ইউয়েনা বিন হিসন ছিলেন ঘাতাফান গোত্রের অন্তর্ভুক্ত বানু ফাযারাহ উপগোত্রের দলনেতা; ইসলামের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। আল-ওয়াকিদির বিস্তারিত বর্ণনায় আমরা জানতে পারি, ইউয়েনা বিন হিসন মুহাম্মদের বানু নাদির গোত্র উচ্ছেদ (পর্ব: ৫৩ ও ৭৫), বানু কুরাইজা গণহত্যা (পর্ব: ৮৭-৯৫) ও খায়বার আগ্রাসনের (পর্ব: ১৩০-১৫২) বিরুদ্ধে সক্রিয় ছিলেন। [6] এই সেই ইউয়েনা বিন হিসন, যিনি খন্দক যুদ্ধের প্রাক্কালে তাঁর গোত্রের লোকদের নেতৃত্বে দিয়েছিলেন; যুদ্ধ করেছিলেন মুহাম্মদের বিরুদ্ধে (পর্ব: ৭৭)। এই যুদ্ধের প্রাক্কালে মুহাম্মদ তাকে কী কারণ ও প্রক্রিয়ায় “উৎকোচ প্রদানের” সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তার বিস্তারিত আলোচনা ইতিমধ্যেই করা হয়েছে (পর্ব: ৮১)।

‘ইসলামের অজানা অধ্যায়:’ আলোচনায় – বিবি হাওয়া, জালালুদ্দিন রুমি ও অন্যান্য

কৃতজ্ঞতা:

গত দশ-বারো বছরে মুক্ত-চিন্তার জগতে এক অভূত-পূর্ব পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। আজ থেকে আট বছরের অধিক পূর্বে যখন ‘ধর্মকারী’ ব্লগে ‘ইসলামের অজানা অধ্যায়’ বইটির প্রথম পর্ব প্রকাশিত হয়, তখন ইসলামের’ যৌক্তিক সমালোচনা-কারী সক্রিয় মুক্তমনা মানুষদের সংখ্যা ছিল নগণ্য, হাতে গোনা। আজ সে সংখ্যা শত-সহস্র! পরিবর্তন আসছে। আমি আশাবাদী।

মাস চারেক আগে (জুন, ২০২০ সাল) হঠাৎই জানতে পারলাম ইউটিউবে ‘ইসলামের অজানা অধ্যায়’ বইটির বিষয়বস্তু নিয়ে ধারাবাহিক আলোচনা শুরু করেছেন “বিবি হাওয়া। সঞ্চালনায় জালালুদ্দিন রূমি! ‘সত্যের সন্ধানে’ পেইজ থেকে।“ সঙ্গে আছেন মুফতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদ। মুফতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদের ইউটিউব চ্যানেল ও অন্যান্য ইউটিউব চ্যানেল-গুলোতে এ পর্যন্ত মোট চৌদ্দ-টি পর্ব সম্প্রচারিত হয়েছে। জালালুদ্দিন রূমির পরিচালনায় বিবি হাওয়ার আলোচনা-গুলো, ‘এক কথায় অনবদ্য!’ তাঁদের সবার প্রতি আমার আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভকামনা! নিরাপত্তা জনিত কারণে আলোচনায় সক্রিয় অংশগ্রহণ সম্ভব হয় না। এই অনুষ্ঠানের পরিচালক, আলোচক ও সর্বোপরি দর্শক-শ্রোতা মণ্ডলী বিষয়টি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন বলেই আমি বিশ্বাস করি।

[ইসলামী ইতিহাসের ঊষালগ্ন থেকে আজ অবধি প্রায় প্রতিটি ইসলাম বিশ্বাসী প্রকৃত ইতিহাস জেনে বা না জেনে ইতিহাসের এ সকল অমানবিক অধ্যায়গুলো যাবতীয় চতুরতার মাধ্যমে বৈধতা দিয়ে এসেছেন। বিষয়গুলো অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিধায় বাংলা অনুবাদের সাথে আল ওয়াকিদির প্রাসঙ্গিক অতিরিক্ত বর্ণনার মূল ইংরেজি অনুবাদ সংযুক্ত করছি (ইবনে ইশাক ও আল তাবারীর রেফারেন্স: বিনামূল্যে ইন্টারনেট ডাউন-লোড লিংক তথ্যসূত্র এক ও দুই):]

The narratives of Al-Waqidi: [5]

‘They said: Abū Miḥjan was on top of the fortress aiming with broad arrow heads and the Muslims were aiming at them. A man from the Muzayna said to his companion, “If we conquer al-Ṭā’if, you will have women of the Banū Qārib. Indeed, they are the most beautiful women that you will hold, and they will bring a larger ransom if you ransom them.” Al-Mughīra b. Shu‛ba heard him and said, “O brother of the Muzayna!” He said, “I am at your service!” He said, “Shoot that man,” meaning Abū Miḥjan. Indeed, al-Mughīra became zealous when al-Muzannī mentioned the women. He knew that Abū Miḥjan was a marksman, and that an arrow of his did not fail. Al-Muzannī had aimed at him, but his arrow did not do anything. Abū Miḥjan aimed at him with an arrowhead and it fell in his vein and killed him. He said: Al-Mughīra says, “He tempts the men with the women of Banū Qārib.” ‛Abdullah b. ‛Amr b. ‛Awf al-Muzannī said to him, and he hears his words, his first and his last, “May God fight you, O Mughīra! You, by God, opposed him for this. Indeed, God has driven him to martyrdom. You, by God, are a hypocrite. By God, if not for Islam I would not leave you until I killed you!” Al-Muzannī kept saying, “Indeed he is very sly and we did not know it. By God, I will never speak to you!” He said: Al-Mughīra asked al-Muzannī to hide that about him. He said. “Never, by God!” He said: This reached ‛Umar b. al-Khaṭṭāb when he was working for ‛Umar in al-Kūfa. And ‛Umar said: By God, al-Mughīra should not be hired for this deed of his!’ —–

(চলবে)

তথ্যসূত্র ও পাদটীকা:

[1] মুহাম্মদ ইবনে ইশাক: পৃষ্ঠা ৫৯০:
http://www.justislam.co.uk/images/Ibn%20Ishaq%20-%20Sirat%20Rasul%20Allah.pdf
[2] অনুরূপ বর্ণনা- আল-তাবারী, ভলুউম ৯, পৃষ্ঠা ২৪-২৬:
https://onedrive.live.com/?authkey=%21AJVawKo7BvZDSm0&cid=E641880779F3274B&id=E641880779F3274B%21294&parId=E641880779F3274B%21274&o=OneUp
[3] আল-ওয়াকিদি: ভলুম ৩: পৃষ্ঠা ৯৩৫-৯৩৭; ইংরেজি অনুবাদ: পৃষ্ঠা ৪৫৮-৪৫৯:
https://books.google.com/books?id=gZknAAAAQBAJ&printsec=frontcover&dq=kitab+al+Magazi-+Rizwi+Faizer,+Amal+Ismail+and+Abdul+Kader+Tayob&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwjo7JHd7JLeAhUkp1kKHTmLBGcQ6AEIKzAB#v=onepage&q&f=false

[4] Ibid আল-তাবারী: নোট নম্বর ১৮৩: “খুয়ায়েলার স্বামী উসমান বিন মাযুন ছিলেন ইসলামের গোড়ার দিকে ধর্মান্তরিত মুসলমানদের একজন ও খুব ধার্মিক ব্যক্তি। তিনি ৬২৪-৬২৫ খ্রিস্টাব্দে মদিনায় মৃত্যুবরণ করেন।”
[5] Ibid আল-ওয়াকিদি: ভলুম ৩: পৃষ্ঠা ৯৩০; ইংরেজি অনুবাদ: পৃষ্ঠা ৪৫৬
[6] Ibid আল-ওয়াকিদি: ভলুম ৩: পৃষ্ঠা ৯৩২-৯৩৩; ইংরেজি অনুবাদ: পৃষ্ঠা ৪৫৭

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

88 − 78 =