ধর্মের প্রতি অবজ্ঞা এবং ধর্মের আসল পরিচয় জানা-পর্ব-১

বিশ্ব যখন কোরনা ভাইরাস নিয়ে ভয়ে দিন কাটাচ্ছে, তখন পৃথিবীর প্রাচীনতম ভাইরাস নতুন রুপে মানুষের দুর্বল চিত্তকে আরো দুর্বল করে দিচ্ছে। পুরানো নিয়মে, কিন্তু নতুন কায়দায়।পৃথিবীর প্রাচীনতম ভাইরাসটির নাম ধর্ম, যেটি পৃথিবীকে সহস্র বছরে ধরে বহুরুপে আক্রমণ করেছে, বিশ্বকে বিভাজনের রষানলে ক্ষান্ত করেছে,হাজার হাজার মানব গোত্রকে বিলীন করেছে।

এই ভাইরাস বাস করে মানব অন্তরে আর সংক্রামন হয় শরীরে। এর বিস্তার হয়েছে এবং হচ্ছে প্রতিনিয়ত, কিন্তু এর মাধ্যমে তৈরি হওয়া সমাজ কাঠামো ও ক্যালচার এই ভাইরাসটির সুরক্ষা ও সুষম বিস্তারে সদা কাজ করে যাচ্ছে মানবজাতির প্রত্যক স্থরে। মাইক্রো অনু-জীবানু মারে মানব দেহকোষকে আর তাতে তিলে তিলে জীবন অবসান হয় মানব দেহের। কিন্তু ধর্ম নামের ভাইরাসটির আক্রমণ নির্নয় করাটা যে শাস্তিযোগ্য পৃথিবীর সব মুসলিম দেশে।

এই ভাইরাস বাস করে দেহ এবং মন দুই জায়গায়। এইটি একটি সক্রিয় স্বয়ংজাত প্রক্রিয়া অনেকের জন্য, আর অনেকে জীবনে একে প্রতিস্থাপন করে ধর্মের মিথ্যা প্ররোচনায়।এই ভাইরাসের প্রসার এবং প্রচার অপ্রাকৃতিক। আমি মনে করি এটি (forceful & fearful ultra-physiological mechanisms of human conscious & sincere thinking inability)জোরপূর্বক ভিতিপ্রর্দশনমূলক আল্টা-সাইকোলজিক্যাল ম্যাকানিজম অফ ইিউম্যান কনসাশ এন্ড সিনচিয়্যার থিংকিং ইনঅ্যাভেলিটি।

মুক্ত মন ও সুচিন্তত বিবেক আর উদার দৃষ্টিভঙ্গি মানুষকে তার সত্যিকার অস্তিত্ব খুঁজে পেঁতে সাহায্য করে। আর ধর্ম নামের ভাইরাসটি আক্রমণ করে মানব অস্তিত্বে, সেখান থেকে বাহির হতে যে আরোগ্যতা লাভ করতে হয়। তা ধর্মের ধারা পরিচালিত সমাজ ব্যবস্থা কখনো দিবে না, বরং ভাইরাসের মতো, আরো শক্তিশালী রুপে এটি সহস্র বছরে ধরে মানবজাতির মন ও দেহকে বন্ধী করে রেখেছে।A free mind can open many doors to find ways to have a fresh & lively existence of being alive.

কিন্তু বন্ধী ধসায় আর অজ্ঞতার গহ্বরে নিমজ্জিত প্রানহীন মানবজাতি ধর্ম ভাইরাসের যতাকলে নিষ্প্রান ও অজস্র মিথ্যা ধর্মীয় আশ্বাসে নিজেকে ধর্মের মিথ্যা চাদরে ঢেকে রেখেছে,রাখবে। কারন এই ভাইরাসের প্রতিকার চাইনা, সমাজ-রাষ্ট্র ব্যবস্থা। কারন পৃথিবীর প্রাচীনতম শঠতা আর প্রতারনার ব্যবস্যাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।

তাতে করে মানবজাতির মুক্ত মনের বিস্তার হবে না এবং ধর্ম নামের ভাইরাসের প্রতিকারের জোর দাবী কখনো উঠবে না।ধর্মের অজ্ঞতার চাদরে ঢাকা মানব আত্তা হাঁফিয়ে উঠেছে।কিন্তু সহস্র বছরের ধর্মীয় ভাইরাস তাদের মন এবং দেহকে রুদ্ধ করে রেখেছে। মুক্ত মন ও সুস্হ দেহ ধর্মের প্রতি অবজ্ঞা নিয়ে প্রতিনিয়ত মানব সমাজে আলো ছড়ানো প্রয়াস চালিয়ে ব্যর্থ হচ্ছে, কারন ধর্ম সিংহভাগ মানবজাতিকে যান্ত্রিক নিয়মে পরিচালনা করে যাচ্ছে।আর তাই সংখ্যালঘুরা হারিয়ে যায় ধর্মে ভয়াংকর থাবায়। তাই ধর্মের ভাইরাসের প্রতি এতো অবজ্ঞা।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

88 + = 91