আঁধারে আলোর আভাস; মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস।

আমি যাই লিখি তাই মহাভারত হয়ে যায়! না না মানে নয়, মানের বিচার অবশ্যই পাঠকের হাতে। আমি বলছি পরিমানের কথা।

আমার ফেসবুক পোস্টগুলো এক বিঘে জমির সমান। আমার ছড়া-কবিতাগুলো ঢাকা-চিটাগং হাইওয়ের মতো লম্বা। আমার গল্পগুলো ছোটখাটো উপন্যাস সাদৃশ। আর উপন্যাস! উপন্যাস তো এমনিতেই সাহিত্যের দীর্ঘ ভার্সন। একটা ছোট উপন্যাসও পঁচিশ/ত্রিশ হাজার শব্দের হয়। কিন্তু উপন্যাস লিখতে বসেও দেখলাম, এখানেও আমার হাত ভিষণ রকমের উদার।

গল্প, কবিতা-ছড়া এবং প্রবন্ধের একটা মোটামুটি সমৃদ্ধ রচনা সম্ভার আমার আছে। আমি চাইলে আধ ডজন বই এক সাথে করতে পারি। কিন্তু আমার কাছে সব সময় মনে হয়েছে লেখালেখি বিস্তর দায়িত্বপূর্ণ একটা জায়গা। বিরাট একটা সামাজিক দায়বদ্ধতা আছে একজন লেখকের। একটা রচনা থেকে সমাজ বা রাষ্ট্র যদি তীব্র কোন মেসেজ না পায়, তাহলে সেই রচনার স্বার্থকতা নেই। অর্থহীন কোন রচনা আমার হাত দিয়ে রচিত না হয় এমন চেষ্টা আমি সব সময় করি। কারণ আমি বিশ্বাস করি, সাহিত্য নিছক বিনোদনের উপলক্ষ্য নয়। মানুষের মনোজগতকে আলোকিত করার উৎকৃষ্ট উপকরণও।

করোনা মহামারীর প্রারম্ভে লকডাউনের দুই মাসসহ মোট তিন মাসে আমি লিখেছি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রায় নব্বই হাজার শব্দের ‘আঁধারে আলোর আভাস’ শিরোনামের এই দীর্ঘ উপন্যাসটি। এই উপন্যাসটি মুক্তিযুদ্ধ সাহিত্যে এক অন্যন্য সংযোগ হবে বলে আমার বিশ্বাস। মাত্র তিন মাসে এই দীর্ঘ কাজটি সম্পন্ন করলেও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমার পড়াশোনা এবং লেখালেখি যে সুদীর্ঘ সময়ের সেটা স্যেসাল মিডিয়ায় কারোরই অজানা নয়।

চট্টগ্রাম শহরের পটভূমিতে সূচনা ‘আঁধারে আলোর আভাস’র। তারপর এই উপন্যাসের কাহিনী কখনো গিয়েছে ইন্দিরা গান্ধীর বৈঠক খানায়, কখনো উত্তাল রেসকোর্স ময়দানে, কখনো বা ধানমন্ডি বত্রিশে বঙ্গবন্ধুর বাড়িটিতে। কখনো বা গল্প গিয়েছে ভুট্টো-ইয়াহিয়া থেকে কিসিঞ্জার-নিক্সনের আলোচনার টেবিলে। কাহিনীর সাথে হাঁটতে হাঁটতে আপনি কখনো চলে যাবেন কোটি শরণার্থীর সাথে সীমান্তের ওপারে। সেখানে প্রত্যক্ষ করবেন শরণার্থী শিবিরে মানুষের অন্তহীন দুঃখ গাঁথা। কখনো বা গল্পের চরিত্রগুলোর সাথে আপনি নিজেকে আবিস্কার করবেন মুক্তিসংগ্রামে রক্তাক্ত রণাঙ্গনে। স্বাধীন বাংলা বেতার থেকে মার্কিন সপ্তম নৌ-বহরের পিছু পিছু ছায়ার মতো লেগে থাকা সোভিয়েত রণতরীর বর্ননায় আপনি পেতে পারেন মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের আবহ।

প্রাকৃতিক অপার সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি চট্টলার সারি সারি সুউচ্চ পাহাড়ের কোন এক গহীন পাদদেশে সবুজ পত্র পল্লবে আচ্ছাদিত বৃক্ষশাখা থেকে রাতের নিরেট অন্ধকারের বুক ভেদ করে ডেকে ওঠা অজানা বিহঙ্গের ডাক বইয়ের পাতা থেকে কখনো উঠে আসবে গহন বাস্তবতায়। পাহাড় আর অরণ্যের সবুজ ছুঁয়ে আসা ফাল্গুনি হাওয়ায় কর্ণফুলীর জলরাশি আন্দোলিত হতে দেখে নিজের অজান্তে আন্দোলিত হতে থাকা আপনার মন কখনো হঠাৎ থমকে যাবে ধর্ষিতা নারীর সুকরুন বিলাপে। গভীর দুঃখবোধ কিংবা সীমাহীন রোমাঞ্চকর কাহিনীর সাথে সাথে ‘আঁধারে আলোর আভাস’ আপনাকে হাঁটাবে চেনা ইতিহাসের অচেনা গলিতে।

(আসছে অমর একুশে গ্রন্থমেলায় ‘আঁধারে আলোর আভাস’ পাবেন অক্ষরবৃত্তের স্টলে)

‘বিশুদ্ধ বইয়ে বিনির্মাণ হোক বিদগ্ধ বিশ্ব’!

আমি যাই লিখি তাই মহাভারত হয়ে যায়! না না মানে নয়, মানের বিচার অবশ্যই পাঠকের হাতে। আমি বলছি পরিমানের কথা। আমার ফেসবুক পোস্টগুলো এক বিঘে জমির সমান। আমার ছড়া-কবিতাগুলো ঢাকা-চিটাগং হাইওয়ের মতো লম্বা। আমার গল্পগুলো ছোটখাটো উপন্যাস সাদৃশ। আর উপন্যাস! উপন্যাস তো এমনিতেই সাহিত্যের দীর্ঘ ভার্সন। একটা ছোট উপন্যাসও পঁচিশ/ত্রিশ হাজার শব্দের হয়। কিন্তু উপন্যাস লিখতে বসেও দেখলাম, এখানেও আমার হাত ভিষণ রকমের উদার। গল্প, কবিতা-ছড়া এবং প্রবন্ধের একটা মোটামুটি সমৃদ্ধ রচনা সম্ভার আমার আছে। আমি চাইলে আধ ডজন বই এক সাথে করতে পারি। কিন্তু আমার কাছে সব সময় মনে হয়েছে লেখালেখি বিস্তর দায়িত্বপূর্ণ একটা জায়গা। বিরাট একটা সামাজিক দায়বদ্ধতা আছে একজন লেখকের। একটা রচনা থেকে সমাজ বা রাষ্ট্র যদি তীব্র কোন মেসেজ না পায়, তাহলে সেই রচনার স্বার্থকতা নেই। অর্থহীন কোন রচনা আমার হাত দিয়ে রচিত না হয় এমন চেষ্টা আমি সব সময় করি। কারণ আমি বিশ্বাস করি, সাহিত্য নিছক বিনোদনের উপলক্ষ্য নয়। মানুষের মনোজগতকে আলোকিত করার উৎকৃষ্ট উপকরণও। করোনা মহামারীর প্রারম্ভে লকডাউনের দুই মাসসহ মোট তিন মাসে আমি লিখেছি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রায় নব্বই হাজার শব্দের 'আঁধারে আলোর আভাস' শিরোনামের এই দীর্ঘ উপন্যাসটি। এই উপন্যাসটি মুক্তিযুদ্ধ সাহিত্যে এক অন্যন্য সংযোগ হবে বলে আমার বিশ্বাস। মাত্র তিন মাসে এই দীর্ঘ কাজটি সম্পন্ন করলেও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমার পড়াশোনা এবং লেখালেখি যে সুদীর্ঘ সময়ের সেটা স্যেসাল মিডিয়ায় কারোরই অজানা নয়। চট্টগ্রাম শহরের পটভূমিতে সূচনা 'আঁধারে আলোর আভাস'র। তারপর এই উপন্যাসের কাহিনী কখনো গিয়েছে ইন্দিরা গান্ধীর বৈঠক খানায়, কখনো উত্তাল রেসকোর্স ময়দানে, কখনো বা ধানমন্ডি বত্রিশে বঙ্গবন্ধুর বাড়িটিতে। কখনো বা গল্প গিয়েছে ভুট্টো-ইয়াহিয়া থেকে কিসিঞ্জার-নিক্সনের আলোচনার টেবিলে। কাহিনীর সাথে হাঁটতে হাঁটতে আপনি কখনো চলে যাবেন কোটি শরণার্থীর সাথে সীমান্তের ওপারে। সেখানে প্রত্যক্ষ করবেন শরণার্থী শিবিরে মানুষের অন্তহীন দুঃখ গাঁথা। কখনো বা গল্পের চরিত্রগুলোর সাথে আপনি নিজেকে আবিস্কার করবেন মুক্তিসংগ্রামে রক্তাক্ত রণাঙ্গনে। স্বাধীন বাংলা বেতার থেকে মার্কিন সপ্তম নৌ-বহরের পিছু পিছু ছায়ার মতো লেগে থাকা সোভিয়েত রণতরীর বর্ননায় আপনি পেতে পারেন মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের আবহ। প্রাকৃতিক অপার সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি চট্টলার সারি সারি সুউচ্চ পাহাড়ের কোন এক গহীন পাদদেশে সবুজ পত্র পল্লবে আচ্ছাদিত বৃক্ষশাখা থেকে রাতের নিরেট অন্ধকারের বুক ভেদ করে ডেকে ওঠা অজানা বিহঙ্গের ডাক বইয়ের পাতা থেকে কখনো উঠে আসবে গহন বাস্তবতায়। পাহাড় আর অরণ্যের সবুজ ছুঁয়ে আসা ফাল্গুনি হাওয়ায় কর্ণফুলীর জলরাশি আন্দোলিত হতে দেখে নিজের অজান্তে আন্দোলিত হতে থাকা আপনার মন কখনো হঠাৎ থমকে যাবে ধর্ষিতা নারীর সুকরুন বিলাপে। গভীর দুঃখবোধ কিংবা সীমাহীন রোমাঞ্চকর কাহিনীর সাথে সাথে 'আঁধারে আলোর আভাস' আপনাকে হাঁটাবে চেনা ইতিহাসের অচেনা গলিতে। (আসছে অমর একুশে গ্রন্থমেলায় 'আঁধারে আলোর আভাস' পাবেন অক্ষরবৃত্তের স্টলে) 'বিশুদ্ধ বইয়ে বিনির্মাণ হোক বিদগ্ধ বিশ্ব'
আঁধারে আলোর আভাস।
ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

1 + 5 =