২২৪: বানু আমির-খাতাম ও কিলাব আগ্রাসন ও পিতৃহত্যা!

“যে মুহাম্মদ (সাঃ) কে জানে সে ইসলাম জানে, যে তাঁকে জানে না সে ইসলাম জানে না।”

বানু তামিম গোত্রের লোকদের ওপর আগ্রাসনের পর হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর পরবর্তী আগ্রাসী আক্রমণগুলো ছিল বানু খাতাম, বানু আমির ও বানু কিলাব গোত্রের লোকদের ওপর। নবী মুহাম্মদ তাঁর মক্কা বিজয়, হুনায়েন আগ্রাসন ও তায়েফ অবরোধ শেষে মদিনায় প্রত্যাবর্তনের (পর্ব: ১৮৭২২০) আড়াই মাস পর, হিজরি ৯ সালের সফর মাসে (মে-জুন, ৬৩০ সাল), বানু খাতাম গোত্রের লোকদের ওপর অতর্কিত আক্রমণের নির্দেশ জারী করেন। এ ছাড়াও তিনি এই সময়টি তে আল সিয়ি নামক স্থানে অবস্থিত বানু আমির গোত্রের লোকদের ওপর ও অতঃপর তার পরের মাসে বানু কিলাব গোত্রের লোকদের ওপর অতর্কিত আক্রমণের নির্দেশ প্রদান করেন।

আদি উৎসে মুহাম্মদ ইবনে ইশাক (৭০৪-৭৬৮ সাল) ও আল-তাবারী (৮৩৯-৯২৩ সাল) রচিত ‘সিরাত’ গ্রন্থে এই হামলাগুলোর উপাখ্যান অনুপস্থিত। অন্যদিকে আল-ওয়াকিদি রচিত ‘কিতাব আল-মাঘাজি’ গ্রন্থে এই হামলাগুলোর বর্ণনা বিস্তারিত ও প্রাণবন্ত। আর, মুহাম্মদ ইবনে সা’দ (৭৮৪-৮৪৫ খৃষ্টাব্দ) রচিত ‘কিতাব আল-তাবাকাত আল-কাবির’ গ্রন্থে এই ঘটনাগুলোর বর্ণনা সংক্ষিপ্ত। আল-ওয়াকিদির (৭৪৭-৮২৩ সাল) বিস্তারিত বর্ণনায় ঘটনাগুলো ছিল নিম্নরূপ।

আল সিয়ি-তে বানু আমির গোত্র আক্রমণ – নেতৃত্বে শুজা বিন ওহাব: [1]
পূর্ব প্রকাশিতের (পর্ব: ২২৩) পর:

‘আল-ওয়াকিদি আমাকে যা বলেছেন, তা হলো: ইবনে আবি সাবরা আমাকে < ইশাক বিন আবদুল্লাহ বিন আবি ফারওয়া হইতে < উমর বিন আল-হাকাম হইতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বলেছেন, যিনি বলেছেন:

'আল্লাহর নবী ২৪-জন লোককে সঙ্গে দিয়ে শুজা বিন ওহাব কে আল সিয়ি-তে হাওয়াযিনদের এক জমায়েতের উদ্দেশ্যে প্রেরণ করেন। আল্লাহর নবী তাকে তাদের-কে আক্রমণের আদেশ প্রদান করেন। তাই সে যাত্রা করে। একদিন সকালে যখন তারা অসতর্ক ছিল তখন সে তাদের উপর আক্রমণ চালানোর পূর্ব পর্যন্ত সে রাত্রি কালে চলাচল করতো ও দিনের বেলায় লুকিয়ে থাকতো। সে তার সঙ্গীদের আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে তারা যেন অতিরিক্ত খোঁজাখুঁজি না করে।

তারা অনেক গবাদি পশু ও ভেড়াগুলো হস্তগত করে। সেগুলোর সমস্তই তারা তাড়িয়ে মদিনায় নিয়ে আসে।

তাদের প্রত্যেক লোকের ভাগে পড়েছিল পনেরো-টি করে উট। একটি উটের সমতুল্য ছিল দশটি ভেড়া। এই অভিযান-টি পনেরো রাত যাবত স্থায়ী ছিল।

ইবনে আবি সাবরা বলেছে: আমি এই উপাখ্যানটি মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন উমর বিন উসমান-কে বর্ণনা করি, যে বলেছে:

‘তারা সেই বসতি থেকে নারীদের হস্তগত করে ও তাদের-কে ধরে নিয়ে আসে।

যাদের কে তারা হস্তগত করেছিল তাদের মধ্যে ছিল এক সুন্দরী রমণী, তাকে তারা মদিনায় ধরে নিয়ে আসে। অতঃপর তাদের একটি দল যারা মুসলমান হয়েছিল, মদিনায় আগমন করে ও আল্লাহর নবীর সঙ্গে বন্দীদের সম্পর্কে কথা বলে। অতঃপর আল্লাহর নবী এই নারীদের ফেরত দেওয়ার বিষয়ে শুজা ও তার সঙ্গীদের সাথে আলোচনা করেন, আর তারা এই নারীদের- তাদের লোকদের কাছে ফেরত দেয়।’

ইবনে আবি সাবরা বলেছে: আমি আনসারদের এক বৃদ্ধ লোককে এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করি ও সে বলে: ‘সেই সুন্দরী রমণীর বিষয়টি হলো, শুজা বিন ওহাব কিছু মূল্যের বিনিময়ে তাকে তার নিজের জন্য গ্রহণ করে ও তার সাথে যৌনসংগম করে। দলটি যখন এসে পৌঁছে তখন সে তাকে বেছে নিতে দেয়, ও সে শুজা বিন ওহাবের সাথে থাকাটা বেছে নেয়। বস্তুত: ইয়ামামার দিনটিতে তাকে হত্যা করা হয়, সে [নারীটি] তখনও তার সাথে অবস্থান করছিল। তার ঔরসে তার কোন সন্তান ছিল না।’

আমি ইবনে আবি সাবরা-কে বলি, “আমি এই অভিযানের উল্লেখ কখনও শুনি নাই।” ইবনে আবি সাবরা বলে,”তুমি সব তথ্য শোনো নাই।” সে বলে, “আল্লাহর কসম, আপনি ঠিক বলেছেন।”’

বানু খাতাম গোত্র আক্রমণ – নেতৃত্বে কুতবা বিন আমির: [2] [3]

‘ইবনে আবি সাবরা বলেছে: বস্তুত: ইশাক বিন আবদুল্লাহ আমাকে আরেকটি অভিযানের বর্ণনা করেছে। ইশাক বলেছে: ‘ইবনে কাব বিন মালিক আমাকে বর্ণনা করেছে যে আল্লাহর নবী ২০-জন লোককে সঙ্গে দিয়ে কুতবা বিন আমির বিন হাদিদা কে তাবালা অঞ্চলে অবস্থিত খাতাম গোত্রের এক সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে প্রেরণ করেন। তিনি তাকে তাদের-কে আক্রমণের আদেশ জারী করেন ও রাত্রিতে চলাচল ও দিনের বেলায় লুকিয়ে থাকার নির্দেশ দেন। তিনি তাকে যাত্রা ত্বরান্বিত করার আদেশ দেন।।

তারা দশটি উট নিয়ে রওনা দেয় ও এক একটির ওপর তারা (ইবনে সা’দ: ‘পালাক্রমে’) সওয়ার হয়। তারা অস্ত্রগুলো লুকিয়ে রাখে। তারা বাতন মাজাব নামক স্থানে পৌঁছার পূর্ব পর্যন্ত আল-ফাতকের পথ ধরে যাত্রা করে। তারা একজন লোক-কে ধরে ফেলে ও তাকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে, কিন্তু সে তাদের-কে বুঝতে পারে না। সে তৎক্ষণাৎ চিৎকার করা শুরু করে। (ইবনে সা’দ: ‘সে বোবা হওয়ার ভান করে, কিন্তু ঠিক তার পরেই সে তার গোত্রকে সাবধান করার জন্য চিৎকার করে (He pretended to be dumb, but soon after he cried out to the tribe to warn them)।’

তাই কুতবা তাকে ধরে নিয়ে যায় ও তার কল্লাটি কেটে ফেলে।

তারা রাত্রি হওয়ার এক ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে। তাদের মধ্যে একজন গোপনে খবর অনুসন্ধানের নিমিত্তে যাত্রা করে ও একদল গবাদি পশু দেখতে পায় – গবাদি পশু ও ভেড়া। সে তার সঙ্গীদের কাছে ফিরে এসে তাদের কে বিষয়টি অবহিত করায়।
তারা পাহারাদারদের ভয়ে হামাগুড়ি দিয়ে চলে যতক্ষণে না তারা সেই এলাকায় এসে পৌঁছে,

সেই সময় তারা ঘুমচ্ছিল ও চুপচাপ ছিল।

অতঃপর তারা তাকবীর ঘোষণা করে ও আক্রমণ করে। বসতির লোকেরা তাদের কে মোকাবেলার উদ্দেশ্যে বের হয়ে আসে। তারা প্রচণ্ড যুদ্ধ করে। উভয় পক্ষের বহু লোক আহত হয়। (ইবনে সা’দ: ‘কুতবা ইবনে আমির যাদেরকে পারে তাদেরকেই হত্যা করে (‘Qutba ibn Amir killed whom he could)’। প্রত্যুষে খাতামদের বহু লোকজন উপস্থিত হয়। তাদের মাঝখানে এক বৃষ্টিজনিত বন্যার (falling flood) আগমন ঘটে। কুতবা সেই জনবসতির লোকদের পরাজিত না করা পর্যন্ত তাদের কোন লোকই তা অতিক্রম করতে পারে না।

সে তাদের নারী, গবাদি-পশু (ইবনে সাদ: ‘উট’) ও ডেড়াগুলো মদিনায় নিয়ে আসে।

তাদের প্রত্যেকের ভাগে পড়েছিল চারটি (উট)। এক পঞ্চমাংশ গচ্ছিত রাখার পর [নবী মুহাম্মদ ও আল্লাহর হিস্যা (পর্ব: ২৮)] একটি উটের সমপরিমাণ ছিল দশটি ভেড়া। এটি সংঘটিত হয়েছিল হিজরি ৯ সালের সফর মাসে।’

বানু কিলাব গোত্র আক্রমণ – নেতৃত্বে আল-দাহহাক বিন সুফিয়ান: [4] [5]

‘তিনি বলেছেন: রসিদ আবি মাওহুব আল-কিলাবি আমাকে <হাইয়ান বিন আবি সুলমা ও আনবাসা বিন আবি সুলমা ও হুসায়েন বিন আবদুল্লাহ হইতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বর্ণনা করেছে। তারা বলেছে:

'আল্লাহর নবী আল-কুরাতায় এক সেনাবাহিনী প্রেরণ করেন; তারা ‘আল জুজ’ নামক স্থানে তাদের সম্মুখীন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তাদের সঙ্গে ছিল দাহহাক বিন সুফিয়ান বিন আউফ বিন আবি বকর আল-কিলাবি ও আল-আসিয়াদ বিন সালামা বিন কুরত বিন আবদ। তারা তাদের কে ইসলামের ইসলামের দাওয়াত দেয় কিন্তু তারা তা প্রত্যাখ্যান করে। তাই তারা তাদের সাথে যুদ্ধ করে ও তাদের পরাজিত করে।

অতঃপর আল-আসিয়াদ তার পিতা সালামা বিন কুরত এর সঙ্গে মিলিত হয়, সে তখন জুজ এর এক ঘাদিরের (চৌবাচ্চা) পাাশে তার ঘোড়ার ওপর ছিল। সে তার পিতাকে ইসলামের দাওয়াত দেয় ও তাকে সুরক্ষা দেয়। কিন্তু সে তাকে ও তার ধর্মকে অবমাননা করে।

আল-আসিয়াদ তার [পিতা সালামার] ঘোড়ার পিছনের পায়ের গোড়ালির মাংসপেশিতে আঘাত করে। সেটি যখন তার গোড়ালির ওপর পতিত হয়, সালামা তখন পানির ভিতরে তার বর্শার উপর ঠেস দিয়ে তা দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে যতক্ষণে না তার পুত্র ব্যতীত অন্য কেউ একজন তাকে হত্যা করে।

এই অভিযানটি হিজরি ৯ সালের রবিউল আওয়াল মাসে সংঘটিত হয়। —-‘

– অনুবাদ, টাইটেল ও [**] যোগ – লেখক।

>>> ইসলামের ইতিহাসের আদি উৎসে আল-ওয়াকিদির (ও মুহাম্মদ ইবনে সা’দের) ওপরে বর্ণিত বর্ণনায় যে বিষয়টি অত্যন্ত সুস্পষ্ট, তা হলো: বানু আমির, কিংবা বানু খাতাম, কিংবা বানু কিলাব গোত্রের কোন লোক মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের ওপর আক্রমণ করতে আসেন নাই। বরাবরের মতই, অবিশ্বাসী এই সমস্ত লোকদের ওপর আগ্রাসী আক্রমণকারী দলটি ছিল মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীরা। আর বরাবরের মতই তাঁদের ওপর এই সমস্ত আক্রমণই ছিল অতর্কিত: “’তারা’ রাত্রি কালে চলাচল করতো ও দিনের বেলায় লুকিয়ে থাকতো। –সেই সময় ঐ এলাকার লোকেরা ঘুমচ্ছিল।”

তাঁদের একমাত্র অপরাধ ছিল এই যে:
“তাঁরা মুহাম্মদ-কে নবী হিসাবে স্বীকার করেন নাই ও তাঁর মতবাদে দীক্ষিত হয় নাই!”

আর এই আক্রমণগুলোর উদ্দেশ্য হলো:
“অবিশ্বাসীদের সম্পদ লুণ্ঠন, তাঁদেরকে খুন-জখম ও তাঁদের নারী-শিশু-পুরুষদের বন্দি করে ধরে এনে দাস ও যৌন-দাসী করণ (গনিমত আহরণ); আর তাঁদের অন্তরে ত্রাসের সৃষ্টিকরণ!”

বানু কিলাব গোত্রের লোকদের ওপর আক্রমণের ওপরে বর্ণিত বর্ণনায় আমরা আরও জানতে পারি, আল-আসিয়াদ বিন সালামা বিন কুরত নামের এক মুহাম্মদ অনুসারী তার পিতা সালামা বিন কুরত-কে আক্রমণ করে ও তার পিতার ঘোড়াটির পিছনের পায়ের রগগুলো কেটে দেয়; ও অতঃপর ঘোড়াটি যখন ভূপতিত হয় ও তার পিতা ঘোড়া থেকে চৌবাচ্চাটির পানির মধ্যে পড়ে যায় ও সেখান থেকে তিনি তাঁর হাতের বর্শাটি অবলম্বন করে যখন ওপরে উঠার চেষ্টা করেন, তখন তাঁর পুত্রের সঙ্গী এক মুহাম্মদ অনুসারী তাঁকে অমানুষিক নৃশংসতায় হত্যা করে!

এই পিতার একমাত্র অপরাধ ছিল, এই যে:

“তিনি তাঁর এই মরু-দস্যু পুত্র ও তার ধর্মের অবমাননা করেছিলেন!”

‘ইসলামের ইতিহাসের সবচেয়ে আদি উৎসের বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকদেরই এই সব অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও বিস্তারিত বর্ণনার আলোকে মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের এইরূপ কর্মকাণ্ডগুলো-কে নিঃসন্দেহে ‘সন্ত্রাস ও ডাকাতি’ নামে আখ্যায়িত করাই যথোপযুক্ত;’ এ বিষয়ের বিস্তারিত আলোচনা ‘আল-কাদিদে আল-মুলায়িহ গোত্রে ডাকাতি (পর্ব: ১৭৫)‘ পর্বে করা হয়েছে।

[ইসলামী ইতিহাসের ঊষালগ্ন থেকে আজ অবধি প্রায় প্রতিটি ইসলাম বিশ্বাসী প্রকৃত ইতিহাস জেনে বা না জেনে ইতিহাসের এ সকল অমানবিক অধ্যায়গুলো যাবতীয় চতুরতার মাধ্যমে বৈধতা দিয়ে এসেছেন। বিষয়গুলো অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিধায় বাংলা অনুবাদের সাথে আল ওয়াকিদির বর্ণনার মূল ইংরেজি অনুবাদ অংশটি সংযুক্ত করছি।]

The narratives of Al-Waqidi:

THE EXPEDITION OF SHUJĀ B. WAHB TO AL SIYY:

‘Al-Wāqidī related to me saying: Ibn Abī Sabra related to me from Isḥāq b. ‛Abdullah b. Abī Farwa from ‛Umar b. al-Ḥakam, who said: The Messenger of God sent Shujā‛ b. Wahb with twenty-four men to a gathering of the Hawāzin in al-Siyy. The Messenger of God commanded him to attack them. So he set out. He used to march by night and hide by day until he attacked them one morning when they were careless. He had informed his companions before that, that they should not be excessive in the search. They captured many cattle and sheep. They drove all of that until they arrived in Medina. Their portions were fifteen camels for every man. [Page 754] A camel was equal to ten sheep. The expedition lasted fifteen nights.

Ibn Abī Sabra said: I related this tradition to Muḥammad b. ‛Abdullah b. ‛Umar b. ‛Uthmān, who said: They had captured women from the settlement and driven them. Among those they captured was a beautiful girl, and they brought her to Medina. Then a party of them who were Muslims arrived in Medina and spoke to the Messenger of God about the prisoner. Then the Prophet spoke to Shujā‛ and his companions about returning the women, and they returned the women to their companions.

Ibn Abī Sabra said: I informed an old man from the Anṣār about that and he said: As for the beautiful girl, Shujā‛ b. Wahb had taken her for himself for a price and had intercourse with her. When the party arrived he let her choose, and she chose to stay with Shujā‛ b. Wahb. Indeed, he was killed on the day of Yamāma while she was still with him. He did not have a child by her. I said to Ibn Abī Sabra, “I have never heard mention of this expedition.” Ibn Abī Sabra said, “You have not heard all the information.” He said, “You are right, by God.”’ —–

THE EXPEDITION TO QUṬBA B. ‛ĀMIR AT AL-KHATH‛AM:

‘Ibn Abī Sabra said: Indeed Isḥāq b. ‛Abdullah related to me about another expedition. Isḥāq said: Ibn Ka‛b b. Mālik related to me that the Messenger of God sent Qutba b. ‛Āmir b. Hadīda with twenty men to a community from Khath‛am in the region of Tabala. He commanded him to attack them, to march by night and hide by day. He commanded him to hasten the march. They set out on ten camels riding one behind the other. They hid the weapons. They took al-Fatq until they reached Baṭn Majab. They captured a man and asked him [Page 755] but he could not understand them. He promptly began to shout. So Qutba took him and struck off his head. They stayed until it was an hour from night. One of them set out as a scout and found a group of cattle—cattle and sheep. He returned to his companions and informed them. They came crawling, fearing the guards until they reached the settlement, while they slept and were quiet. Then they proclaimed takbīr and attacked. Men from the settlement went out to meet them. They fought a fierce battle. There were many wounded in both parties. In the morning many Khath‛am people arrived. A falling flood came between them. Not a single man could cross until Qutba conquered the people of the settlement. He brought the cattle and sheep and women to Medina. Their portions were four, and four. The camel equals ten sheep after the fifth was taken out. This took place in Ṣafar in the year nine AH.’ ——

THE EXPEDITION OF BANŪ KILĀB LED BY AL-ḌAḤḤĀK B. SUFYĀN:

‘He said: Rashīd Abī Mawhūb al-Kilābī related to me from Ḥayyān b. Abī Sulma and ‛Anbasa b. Abī Sulmā and Ḥuṣayn b. ‛Abdullah. They said: The Messenger of God sent an army to al-Quraṭā’; with them was Ḍaḥḥāk b. Sufyān b. ‛Awf b. Abī Bakr al-Kilābī and al-Aṣyad b. Salama b. Qurṭ b. ‛Abd until they met them in Zujj. They invited them to Islam but they refused. So they fought them and defeated them. Then al-Aṣyad met his father, Salama b. Qurṭ, who was on a horse of his at Ghadīr (pool) Zujj, and he invited his father to Islām and gave him protection. But he insulted him and his religion. Al-Aṣyad struck the Achilles’ tendon of his horse. When it fell on its heels, Salama leaned on his spear in the water and clung to it until someone other than his son killed him. This expedition was in the month of Rabī‛ al-Awwal in the year nine. ——‘

(চলবে)

তথ্যসূত্র ও পাদটীকা:

[1] আল-ওয়াকিদি: পৃষ্ঠা ৭৫৩; ইংরেজি অনুবাদ পৃষ্ঠা ৩৭১
https://books.google.com/books?id=gZknAAAAQBAJ&printsec=frontcover&dq=kitab+al+Magazi-+Rizwi+Faizer,+Amal+Ismail+and+Abdul+Kader+Tayob&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwjo7JHd7JLeAhUkp1kKHTmLBGcQ6AEIKzAB#v=onepage&q&f=false

[2] Ibid আল-ওয়াকিদি: পৃষ্ঠা ৭৫৪-৭৫৫ ও ৯৮১; ইংরেজি অনুবাদ পৃষ্ঠা: ৩৭১ ও ৪৮১
[3] অনুরূপ বর্ণনা: “কিতাব আল-তাবাকাত আল-কাবির- লেখক: মুহাম্মদ ইবনে সা’দ (৭৮৪-৮৪৫ খৃষ্টাব্দ), ইংরেজি অনুবাদ – এস মইনুল হক, ISBN 81-7151-127-9 (set); ভলুম ২; পৃষ্ঠা ২০০-২০১
https://www.exoticindiaart.com/book/details/kitab-al-tabaqat-al-kabir-set-of-2-volumes-NAG992/

[4] Ibid আল-ওয়াকিদি: পৃষ্ঠা ৯৮২-৯৮৩; ইংরেজি অনুবাদ পৃষ্ঠা: ৪৮১-৪৮২;
[5] অনুরূপ বর্ণনা: Ibid মুহাম্মদ ইবনে সা’দ: ভলুম ২; পৃষ্ঠা ২০১

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 58 = 65