গরের রানী নিপা পারভীন

আধুলি,

‘সময়’ একজীবনে আমাকে শুধু ‌তোমার পিঠই দেখালো, মুখ দেখালো না কখনো। তাইতো সারাজীবন ধরে রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া একটি দুটি আধুলি পকেটে ভরেই সময়ের মুখ দেখার জুয়া খেলার টেবিলে বসে পড়ি এক আনাড়ি জুয়ারীর মতো। অপরিচিত নির্বোধের মুখোশ পরে আমি বারবার হেরে যাই সেই জুয়ায়, -শুধু একটি আস্ত নোটের অভাবে। তাইতো সারাদিন আমি একা একা এই দাম্মাম শহরে উড়ে বেড়াই  এক মনমরা চড়ুই পাখি হয়ে। অবসন্ন হয়ে একসময় গভীর রাতে প্রতিবারই তোমার শোবার ঘরের সাথে বারান্দার জানালায় বসে থাকি। আসলে বিশ্রামের ছলনায় আমি জুয়ায় হেরে প্রতিরাতে বিলাপ করতে বসি শেষ আধুলিটির জন্য তোমারই জানালায়। আমার এই বিলাপের জল কাঁচের জানালা পার হয়ে কখনোই তোমার ঘরে ঢুকতে পারেনা। ঢাকা শহরের জোনাকিরা শুধু শুধু আমার বিরুদ্ধে গুজব ছড়িয়ে তোমার কান ভারী করে, একটি আধুলির জন্য প্রতি রাতে আমার এই বিলাপ বিলাপ খেলা নাকি এক মিথ্যা বাহানা, এক আদিম পৌরাণিক কাহিনী। শহরের জোনাকিদের বিশ্বাস আমার এই বিলাপের জল একদিন গভীর ঘুমের মাঝে তোমার শরীরের সমস্ত বিপদসীমা অতিক্রম করে তোমাকেই দুঃখী করে দিবে তোমার ‌অজান্তে। সারা জীবন যার রাস্তায় আধুলি কুড়িয়ে অভ্যাস সে থোরাই কেয়ার করে শহরের মিথ্যুক জোনাকিদের গুজব। তাইতো সময়ের মুখ দেখার জুয়া খেলায় বারবার হেরেও জেদী জুয়ারীর মতো পকেটের শেষ সম্বল আধুলিটি নিয়ে ভুল করে বসে পড়ি কোন এক পাকা জুয়ারীর সাথে, যার পকেটে সব সময় ভর্তি থাকে আস্ত নোটে। ‌অঘুমের নির্জন কোন রাতের বেলায় জানালা খুললেই তুমি জোনাকির আলোতে ঠিক দেখতে পাবে, সেইখানে বসে আছে একটি মনমরা চড়ুই পাখি আর একটি আধুলি। চড়ুইটি তার শেষ সম্বল সেই আধুলিটি নিয়ে জুয়ার টেবিল থেকে আজও পালিয়ে এসেছে তোমারই জানালায়, শুধু সময়ের মুখ একবার দেখবে বলে।

এইবার আসি উপরে কেন এত বক বক করলাম। আজ তোমার সাথে শেয়ার করব আমার সাথে ঘটে যাওয়া এক ঘটনা যা শুনে তুমি বলতে পারো নিরধিায়- হেনোসুলেশন,কাল্পনিক অথবা হাসি মশকরা বলতে পারো, ফালতু।) সালটা আমার পুরোপুরি মনে নেই। তবে এইটুক মনে আছে আশির দশকে একটা সাল। গ্রামে যারা থাকে তুমি ভালো করে জানো, মাছ ধরা তাদের অনেক শখ। কেউ বড়শি দিয়ে, কেউ জাল দিয়ে, কেউ আনতা মোদ্দা কথা বিভিন্ন নিয়মে। আশা করছি বুঝছ? আর কথা না বাড়িয়ে চলে যাই আমার জীবনের ঘটনা।

তখন বর্ষাকাল শেষ হয়ে হুদিনকাল (হুদিনকাল বলে কুমিল্লাতে বর্ষাকাল যাবার পর পর মাসকে)। আমি ঘর থেকে বাশঁ কাটার দা,হিদল, সুতা আর বড়ঁশির হুক হাফপ্যান্টের পকেটে (দা তোমাদের শহরে সম্ভবত বটি বলে, হিদল হলো চ্যাপা শুটকি, আর যে হাফ প্যান্ট পরা ছিল তার তিন পকেটের দুই পকেট ছিড়া ছিল, সাথে নুনুর কাছ দিক দিয়ে, প্যান্টের কালার আকাশি ছিল তবে, রোদে তাপে ঝলে, হালকা আকাশি কালার হয়েছিল) নিয়ে চলে যাই আমাদের বাশঁঝারে, বাড়ীর উত্তরে। বাশঁঝার থেকে আমি একটা সাত-আট লম্বা কঞ্চি কেটে তার মধ্যে সুতো দিয়ে বড়ঁশির হুকটি বেধে, বড়ঁশি বানিয়ে নেই।

আমি যেখানে গিয়েছলাম মাছ ধরতে,সাধারনত লোকজন আসে না (আশে পাশে খুব জঙ্গল ছিল)। একটা গর ছিল, এই গরে (গর বলে, গ্রামে বাড়ির আশে পাশে বড় বড় করা গর্তকে) আমাদের বাড়ীর কয়েকজন বাচ্চা পানিতে ডুবে ডুবে মরে গিয়েছিলো। গরটির পাড়ে একটি বড় প্রাচীন তেতুল গাছ আছে। এই তেতুল গাছে নাকি মাঝে মাঝে মৃত কন্যা পা ঝুলিয়ে বসে থাকে। আমি তেতুল  গাছের গুড়িতে বসে বরশি ফেলি। আশেপাশে কোনো মানুষজন নেই, দুপুরে কেন, কোনোও সময়েই এখানে কেউ মাছ ধরতে আসে না। লোক মূখে প্রচার আছে- এই জায়গাটার নাকি দোষ আছে। কিন্তু আমার কথা হচ্ছে- মাছ ধরব তা জায়গা খারাপ হলে আমার কি।

মাছ আঁধার খাচ্ছে না। না কি মাছ নেই এই গরটিতে? মনে মনে খুব বিরক্ত হলো। একবার ইচ্ছা করলো-এখান থেকে উঠে যাবো। তখনই মাথার ভেতর কে যেনো বলল- আর একটু বসে যাও, মাছ পেতে পারো। আর এখান থেকে উঠেই বা কোথায় যাবে? চারিদিক কড়া রোদ। খুব অস্থির লাগছে। হঠাৎ দেখলাম আমার বড়শীর ছিপির মাথায় একটা কালো রং এর সাপ ভেসে উঠেছে। খুব ভয় পেলাম। মাছ ধরতে গিয়ে সাপের দেখা পাওয়া বিপদের লক্ষন। ছোট আকারের সাপটি মাথা তুলে দিকে তাকিয়ে আছে আমার দিকে। মনে মনে ভাবল আজ আর কপালে মাছ নেই। ছিপটি টান দিতেই সাপটি মানুষের মতন কথা বলে উঠল- ভয় পেও না, আমি তোমার কোনো ক্ষতি করবো না। তবে এইটুকু তোমাকে বলি- এই সয়ম তোমার এখানে আসা ঠিক হয়নি, বলেই সাপটি পানির নিচে ডুব দিলো। অবাক হয়ে পানির দিকে তাকিয়ে রইলাম আর তখন আর একটি বড় সাপ পানির ভেতর থেকে উঠে বলল- তোমার নাম কি? মিন্টু।

সাপটি বলল- তুমি খুব ভাগ্যবান, তারপর সাপটি পানির নিচে ডুব দিলো।

অবাক হয়ে বসে ভাবতে লাগলাম- আজ কোনো মাছ পেলাম আর আমি নাকি ভাগ্যবান। যখন ভাবলাম চলে যাবে ঠিক তখনই পানির ভেতর থেকে খুব সুন্দর একটা তরুনী মেয়ে ভেসে উঠল। মেয়েটার মাথা ভর্তি চুল আর দুই হাত ভর্তি কাচের চুড়ি। মুখটা উল্টো দিকে ঘুরানো। জানি বিশ্বাস করবে না, একদম তোমার পিছনের ছবির মতো অবিকল, এক বিন্দু হেরফের হবে না। অবাক চোখে তাকিয়ে রইলাম। এত সুন্দর মেয়ে আমার জীবনে দেখেনি। মেয়েটি দাঁড়িয়ে বলল- তুমি কি জানো তোমাকে আমি অনেক ভালোবাসি।

মেয়েটির দিকে তাকিয়ে বলাম- তুমি কে?

আমি তো তোমাকে চিনি না, ভালোবাসব কিভাবে আর ভালোবেসে কি হবে?

মেয়েটি বেশ কিছুক্ষন হেসে বলল- তুমি আমাকে ভালোবাসো না, কথাটি বিশ্বাস করতে পারলাম না। তুমি সত্যি করে বলতো এতক্ষনে তুমি আমাকে ভালোবেসে ফেলোনি? তোমার কি ইচ্ছা হয়নি আমাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে?

মিথ্যা বলতে পারলাম না। বললাম- তোমার মত এতো সুন্দরী মেয়ে আমি আমার জীবনে দেখিনি। তোমাকে ভালো না বেসে পারি? মেয়েটি সুন্দর এক ঝলক হাসি দিয়ে বলল, সত্য কথা বলার জন্য ধন্যবাদ। আমার পরিচয় হচ্ছে- আমি এই গরের রানী, আমার অনুমতি ছাড়া এ দীঘিতে কোনো মাছ খাদ্য খায় না। তোমার বড়শীতে যে খাদ্য তুমি দিয়েছ তা এই দীঘির কোনো মাছ আমার অনুমতি ছাড়া কেউ খাবে না। তুমি কত মাছ ধরতে চাও বলো? আমি সব ব্যবস্থা করে দিবো। শুধু মাছ নয়, অনেক মূল্যবান জিনিস তুমি চাইলে পাবে। শুধু আমার একটা কথা তোমার শুনতে হবে।

বিড়বিড় করে বললাম- কি কথা, বলো?

মেয়েটি বলল- আমাকে বিয়ে করতে হবে। আমি মানুষ জাতিকে বিয়ে করতে চাই। একজন ভালো মানুষকে বিয়ে করতে চাই। তোমাকে আমার খুব ভালো লেগেছে। তুমি আসার আগে আমি তেতুলগাছটার গুড়িতে বসে রবীন্দ্র সংগীত গাইছিলাম। তুমি আমাকে দেখতে পাওনি। এখন বলো, তুমি কি আমাকে বিয়ে করতে রাজী আছো?

মাথায় যেন এক আকাশ ভাবনা এসে জড়ো হলো।

বিয়ে করবো না, একথাটা বলতে সাহস পাচ্ছে না। কেননা এতো সুন্দর মেয়ে। সুন্দর মেয়েদের অবহেলা করতে হয় না। গরের রানী’র রুপে মনে মনে আমিই প্রায় পাগল। তবুও বললাম, তুমি হলে জলের রানী, আর আমি ডাঙ্গার মানুষ। তোমার আমার মাঝে কি করে বিয়ে হবে? এও কি সম্ভব?

মেয়েটি বলল, হুম সম্ভব। যদি তুমি আমাকে মন থেকে ভালোবাসো। তোমার ভালোবাসা দিয়ে আমাকে জয় করতে পারো। যদি তোমার ভালোবাসায় খাদ না থাকে।

ঠিক এই সময় দেখলাম- তার চারপাশে অসংখ্য বিষাক্ত সাপ ফণা তুলে তার দিকে তাকিয়ে আছে। ভেতরে ভেতরে খুব ভয় পাচ্ছিলাম। আবার মেয়েটির সানিধ্যে মুগ্ধ হচ্ছি। মেয়েটির কাছ থেকে যেতে ইচ্ছা করছে না আবার থাকতেও ভয় ভয় লাগছে। চারপাশ দিয়ে সাপ গুলো ফণা তুলে আছে। চলে যাওয়ার সময় যদি সাপ গুলো ছোবল দেয়, যদি আর বাড়ি ফিরে যেতে না পারি, ভয়ে কিছুই বলতে পারছছিলাম না গরের দেবীকে।

মেয়েটি আমার মুখের দিকে তা্কিয়ে বলল-

অনু, তুমি ভয় পাচ্ছো কেন? আমি তোমাকে আটকিয়ে রাখিনি। তুমি ইচ্ছা করলে চলে যেতে পারো। ওরা কেউ তোমার কোনো ক্ষতি করবে না। এই বলে মেয়েটি সাপগুলোর দিকে তাকিয়ে বলল- তোরা সব এখান থেকে চলে যা। আর তখনি সাপগুলো মাথা নিচু করে চলে গেলো।

আমি লম্বা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। মনে মনে বললাম, হে জলের দেবী অনেক ধন্যবাদ। এবার জলের রানীর দিকে তাকিয়ে স্পষ্ট উচ্চারনে বললাম- তুমি হলে রানী আর আমি হলাম একজন গরীব মানুষ। আমার ভাঙ্গা ঘরে তোমাকে কোথায় রাখবো? ভাঙ্গা ঘরে তোমাকে মানাবে না, তোমার প্রয়োজন রাজপ্রাসাদ। বিরাট অট্রালিকা।

মেয়েটি বলল- অনু, তুমি ধনী কি গরিব এটা আমার কাছে কোনো ব্যাপার না। আমার কাছে তুমি অনেক বড়, অনেক ধনী। তুমি যদি বলো, আমি তোমাকে রাজপ্রাসাদের মতো বাড়ি বানিয়ে দিবো, আর তুমি যদি বলো, তোমার কুড়ে ঘরে থাকতে, আমি লক্ষ্মী মেয়ের মতন থাকব। তোমাকে রান্না করে খাওয়াবো। বছরে দু’টা চুন্ডী শাড়ি তো কিনে দিতে পারবে?

আমি বললাম- শোনো হে রানী, আমি খুব গরীব মানুষ। তোমাকে আমার ভাঙ্গা ঘরে রাখব এমন সাহস আমার নেই।

মেয়েটি কাঁদতে কাঁদতে বলল- বুঝেছি অনু, তুমি তোমার সমাজকে ভয় পাচ্ছো।

আমার মতো নারীকে কেউ মেনে নিবে না। অনেকে নানান ধরনের কথা বলবে, তুমি তা সইতে পারবে না। আবার হয়তো প্রতিবাদ করার ক্ষমতাও তোমার নেই। তবে শোনো, আমি এমন কিছু তোমার জন্য করবো যে কেউ তোমার উপর কথা বলার সাহস পাবে না। অনু, আজ তুমি বাড়ি চলে যাও, তোমাকে জোর করে আটকে রাখতে চাই না। যদি পারো, তুমি তোমার মা’র অনুমতি নিয়ে ফিরে এসো। কাল ফিরে এসে দেখবে, এখানে তৈরি থাকবে তোমার জন্য রাজপ্রাসাদ।

আর শোনো, এবার সত্য কথা বলি, আমার জন্মের বিশ শতকের বছরের মধ্যে যদি কোনো মানবজাতির পুরুষের সাথে বিয়ে না হয়- তবে আমি মারা যাবো। বিশ শতকে আমার বাইশ বছর পূর্ণ হয়ে তেইশ বছরে থাকবো। তারপর সূর্য ডোবার সাথে সাথে আমি মারা যাবো। তুমি আমার জীবনটা রক্ষা করো। আমি সারাটা জীবন তোমাকে এক আকাশ ভালোবাসায় ঘিরে রাখব। মধ্যরাত্রে চা খেতে ইচ্ছা করলে চা বানিয়ে দিবো। জলের রানীর দু’চোখ বেয়ে জল গড়াচ্ছে। মেয়েটি পুকুরে নেমে যাওয়ার আগে বলল, কাল সূর্য ডোবার আগে তুমি এসো, আমি এক আকাশ ভালোবাসা নিয়ে অপেক্ষায় থাকব। মেয়েটি যাবার বেলায় পিছন ফিরে একটা হাসি দিয়ে বলে আসি। মেয়েটি চেহারা ৯০% তোমার সাথে মিলে যাই। কিভাবে বলে তোমাকে সত্য প্রমান করব এই মুহুর্তে জানা নেই আমার। কিন্তু সেই মেয়েটি তুমিই ছিলে নিপা পারভীন এটা আমি বিশ্বাস করি মনে প্রানে। যদি বিশ্বাস শব্দটি বুঝিয়ে বলতে হয়, তবে বলব তোমরা যারা ধার্মিক আল্লাহকে মনে প্রানে মানো, ঠিক ততরূপ।

আমার বুকের ভেতরটা ছটফট করতে লাগল।

অনেক চেষ্টা করেও মেয়েটিকে আর দেখতে পেলাম না। বাড়ি ফিরে মাকে সব বুঝিয়ে বললাম। মা রাজি হলেন। মা হয়তো ভেবেছে ছোট মানুষ, এত ‍ঘুরত্ব দেয় নাই। সারা রাত অস্থিরতার মধ্যে কাটালো। একটুও ঘুম এলো না। একটা জীবন বাচাতেই হবে আমার। শুধু জীবন বাঁচানো নয়  আমার জীবনও ধন্য হবে জলের দেবীর ভালোবাসা পেয়ে।

সকালের আলো ফুটতেই ছুটে গেলাম সেই গরের ধারে।

তখনো আকাশ পুরোপুরি ফর্সা হয়নি। গরের কাছে গিয়ে দেখি, কেউ নেই। না মেয়েটি, না রাজপ্রাসাদ না সাপ গুলো।

এই ছিল ঘটনা।

কিছু প্রশ্ন মাথায় ঘুরপাকখায় সর্বক্ষন।

* তোমার বয়স ২০০০ সালে বাইশ বছর পূর্ণ হয়ে তেইশ বছরে,  প্রায়ই মিলে যায় হিসেব করে পেলাম।

* তোমার বিয়ে ২৩ বছরের হয়, প্রায়ই মিলে যায় হিসেব করে পেলাম।

* তোমার জন্য মায়ের কাছে কেদেঁছি, তোমার নাম বলেছি।

* তোমাকে দেবী বলে মানি।

* তোমার চোখে জ্বল দেখেছি আমার জন্য।

* মেয়েটির সাথে তোমার চেহারায় মিল ৯০% এর মতো।

* মেয়েটির সাথে তোমার দাত গুলোর এর মতো।

* তোমার কন্ঠ মেয়েটি কন্ঠ সমান সমান।

* তোমার হাটার সময় চুলে হাত দেয়া, মেয়েটির মতো।

* তোমার পিছনের ছবি গুলো, মেয়েটির মতো।

* তুমি যেভাবে প্রকাশ করো, খুব ভালোবাস। মেয়েটি প্রকাশ তেমন ছিল।

* তোমার প্রত্যেকটা হাসি মেয়েটি মতো।

* তোমার মুখে হা করা, মেয়েটি মতো।

* তোমার ঘাড় ঘুরানো মেয়েটি মতো।

* তোমার চোখ মেয়েটি মতো।

* তোমার চুল গুলো মেয়েটির মতো।

* তোমার গলার যে অংশটি মেয়েটির মতো।

* তোমার হাতের আঙুল গুলো মেয়েটি মতো।

* তোমার পায়ের আঙুল গুলো মেয়েটি মতো।

এই গুলোর ব্যাখা কি দেবে তুমি?

যেহেতু, তুমি অনু নাম দিয়েছো। আমি সেই নতমুখ, পাথরের নিচের করুণ বেদনার জল, আমি সেই অভিমান আমাকে গ্রহণ করো।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

69 − 68 =