মুসলিমরা ধর্মের কারণে পিছিয়ে আছে।

পৃথিবীতে সব জাতি সামনের দিকে এগিয়ে গেলে ও আমরা বাংলাদেশিরা একমাএ ধর্মের কারনে পিছিয়ে পড়ছি। আমাদের সকলের উচিত মাদ্রাসাগুলো বন্ধ করে দেওয়া, একটা মাদ্রাসার ছাএ কোনোভাবেই গতানুগতিক সমাজে মিশে যেতে পারে না, তার অন্যতম কারন তার মাদ্রাসায় শিখা মতাদর্শ। অনেক শিক্ষিত ব্য়ক্তি ও তার কয়েক সন্তান এর একজন কে হলে ও মাদ্রাসায় পাঠান এই বলে একটাকে অন্তত আল্লার পথে দিলাম। ইদানিং কালের নতুন উপদ্রব ইংলিশ মিডিয়াম মাদ্রাসা। আমার পরিচিত আনেকেই ( উচ্চ শিক্ষিত এবং সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত ) গর্বের সাথে তাদের বাচ্চাকে ইংলিশ মিডিয়াম মাদ্রাসায় পাঠান। এইটা শুধু বাংলাদেশে প্রচলিত তা কিন্তু নয়, জার্মানি সহ অনেক উন্নত দেশে ও আমাদের দেশিরা তাদের বাচ্চাদের ইসলামিক স্কুলে পাঠাই।

তাই আমার মনে হয় স্যমসা অনেক গভীরে,যতদিন না বিশ্বসে আমূল পরিবর্তন আসবে,পরকাল এর পরোয়া বাদ দিয়ে ইহকাল কেই আপন এবং একমাএ কাল হিসাবে বিবেচনা করা হবে, ততদিন আমাদের মুক্তি নেই। আবার অনেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেও ধর্মের দিকে ঝুঁকে পড়ছে,এর মূল কারণ হচ্ছে ধর্ম বিশ্বাস,ধর্মবিশ্বাস মানুষের মস্তিষ্কে জুড়ে গ্রাস করে নিয়েছে।মাদ্রাসার ছাত্র অথবা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা ছাত্র যেই হোক এই অন্ধ ধর্মবিশ্বাস থেকে কেউ রেহাই পায়নি, যার ফলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রটিও মুখে দাড়ি টুপি পাঞ্জাবী পরিধান করে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলে কাফের নাস্তিকদের হত্যা করতে চাপাতি হাতে তুলে নেয়।

অনেকেই হয়তো প্রশ্ন করতে পারেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে তো ধর্মীয় বিষয়ে তেমন শিক্ষা দেওয়া হয় না তাহলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা ছাত্র টি কেন ধর্মকে রক্ষা করতে চাপাতি হাতে তুলে নিচ্ছে অথবা ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলছে। আমরা যদি একটু চিন্তা করি তবে এর উত্তর কিন্তু পেয়ে যাব, কেনো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেও ছাত্রছাত্রীরা ধর্মের দিকে ঝুঁকে পড়ছে তার কারণ একটাই ধর্মীয় বিশ্বাস,এরা মাদ্রাসা থেকে পড়াশোনা না করলেও শুধুমাত্র ধর্মীয় বিশ্বাস থাকার কারণে এবং যারা মাদ্রাসা থেকে পড়াশোনা করে বিভিন্ন মানুষের ব্রেইন ওয়াশ করে তাদের রুজি রোজগারের ব্যবস্থা কররছে অর্থাৎ সাধারণ মানুষের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে যাচ্ছে তাদের কথা শুনেই এবং তাদের অনুসরণ করেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরাও ধর্মের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করে দিচ্ছে।বিশাল তথ্য-প্রযুক্তির এ যুগে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের হাতের মুঠো ফোনে একটি করে মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে,facebook-youtube বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তারা ধর্মীয় বক্তাদের ওয়াজ শুনে দিনে দিনে সেভাবে ধর্মের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। এখনো যদি মাদ্রাসাগুলো বন্ধ করা সম্ভব না হয় এবং যারা ধর্মকে পুঁজি করে নিজেদের সম্পদের পাহাড় গড়ছে তাদেরকে না থামানো যায় তবে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ আর বাংলাদেশ থাকবে না, তালেবান আফগানিস্তানের মতো হয়ে যাবে।

কমবেশি আমরা সকলেই জানি যে দেশে যত বেশি ধর্মীয় শিক্ষার প্রভাব, সেই দেশ তত বেশি ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে গেছে, বাংলাদেশ সেই পথেই এগুচ্ছে! এই মাদ্রাসাই, মাদ্রাসা থেকে পাশ করা ব্যক্তিরাই বাংলাদেশকে মূল আদর্শ থেকে দূরে নিয়ে যাচ্ছে! কারো বিশ্বাস না হলে এক বার মাদ্রাসগুলো ঘুরে আসুন, বিশেষ করে কওমি মাদ্রাসা! ধর্মের দোহাই দিয়ে এই কোমলমতি (যাদের ৯৯% এতিম কিংবা গরীব) ছেলেমেয়েদের কি শেখানো হচ্ছে একবার ঘুরে আসুন সেই কওমি মাদ্রাসাগুলো,তাদের এই ছোটবেলা থেকেই ধর্মান্ধ সাম্প্রদায়িক করে ব্রেইন ওয়াশ করা হচ্ছে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 25 = 31