স্ত্রীকে খুশি করতে সীমিত আকারে মিথ্যা বলা জায়েজ।

স্ত্রীকে খুশি করতে সীমিত আকারে মিথ্যা বলা জায়েজ। পুরো ধর্মটাকে মোল্লারা নিজেদের মতো ফতোয়া দিয়ে মনগড়া কাহিনী বলে চালিয়ে দিচ্ছে, নবী মোহাম্মদ তিনিও এর ব্যতিক্রম কিছুই করেনি, নবী মুহাম্মদ সারারাত উম্মে হানির ঘরে আকাম কুকাম করে সকালে সাহাবীদের বয়ান দিয়ে শোনাচ্ছে তিনি মেরাজে গেছিলেন !সেই সময় অনেকেই এটা মানতে চায়নি বিরোধিতাও করেছিল কিছু মানুষ, কিন্তু আবু বকর মোহাম্মদের এতই অন্ধভক্ত ছিল তিনি মোহাম্মদের মেরাজের কাহিনী প্রশ্ন ছাড়াই মেনে নিয়েছিলেন, যেমন এখন মামুনুল হকের রুহানি সন্তানেরা মামুনুল হকের অন্যায় দেখার পরেও মামুনুল হককে সাপোর্ট দিচ্ছে তাকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য একের পর এক মিথ্যাচার করছে ,লাইভে এসে মামুনুল হক স্বীকার করে নিল তার ভয়েস রেকর্ড গুলো মিথ্যা নয় এগুলো সব সত্যি, এর পরেও তার অন্ধ অনুসারীরা মামুনুল হকের নিজের স্বীকারোক্তি ও বিশ্বাস করতে চায় না,ঠিক আবু বকর ছিল এইরকম মামুনুল হকের রুহানি সন্তানদের মতো একটা আস্ত গবেট। তা না হলে সে কি করে শোনা মাত্রই বিশ্বাস করল যে মোহাম্মদ তার গোপন প্রেমিকা উম্মে হানির ঘর থেকে রাত্রি বেলায় উড়ে গিয়ে সাত আসমান ভ্রমন করে আল্লাহর সাথে দেখা করে এসেছে? মাথায় যার সামান্য ঘিলু আছে সে এরকম উদ্ভট আর গাজাখুরি গল্প বিশ্বাস করতে পারে ? আবু বকরের একবারও মনে হলো না যে- কাবা শরিফে রাত কাটানোর সময় যদি মোহাম্মদ উড়ে গিয়ে আল্লাহর সাথে দেখা করতে যেত তাহলেও তার একটা ন্যুনতম গ্রহন যোগ্যতা থাকত। কিন্তু না , মোহাম্মদ চুপি চুপি রাতের বেলা উম্মে হানির ঘরে ঢোকে, ভোর বেলাতে সাহাবীরা তাকে সেখানে আবিষ্কার করার পর , অর্থাৎ হাতে নাতে ধরা খাওয়ার পর মোহাম্মদ হঠাৎ করে সাত আসমানে উড়ে যাওয়ার গল্প ফাদে। এইসব গল্প বিনা প্রশ্নে যারা বিশ্বাস করে সেই সব মানুষেরা আস্ত একটা মূর্খ ছাড়া কিছুই নয়।

মামুনুল হকের রক্ষিতার বড় ছেলে নিজেই লাইভে এসে মামুনুল হক এর কুকীর্তি ফাঁস করে দেন, এবং এখন পর্যন্ত মামুনুল হক এই মহিলাকে বিয়ে করেছে এই প্রমাণ দেখাতে পারেনি ,মানবিক বিয়ে বলে চালিয়ে দিয়েছে, এবং সেটা তিনি নিজেই লাইভে এসে সত্যতা প্রমাণ করেছেন। এর পরেও আপনারা মামুনুল হক কে বয়কট না করে সীমিত আকারে বিস্তৃতি মিথ্যা বলা যায় সেটা ধরে বসে আছেন। মামুনুল হক যে হাদীসের কথা বলেছে এই হাদিসটা তে মোহাম্মদ আসলে কি বুঝাতে চেয়েছিলো সেটা কি একবারও ভেবে দেখেছেন,মোহাম্মদ তার স্ত্রীদের সাথে সীমিত পরিসরে মিথ্যের কথা বলেছেন এই মর্মে যে, যদি তার স্ত্রী কোন কাপড় পরিধান করে স্বামীকে জিজ্ঞেস করে যে তাকে কেমন লাগছে ,তখন খুব সুন্দর না লাগা সত্যেও স্ত্রীর খুশির জন্য খুব সুন্দর লাগছে বলে এইটুকু মিথ্যা বলা। এরকম টুকটাক মিথ্যাচার সবাই করে স্ত্রী অথবা গার্লফ্রেন্ডকে খুশি রাখতে এটাই হাদীসে এসেছে, আর এই হাদীসের সাথে মামুনুল হক এত বড় একটা মিথ্যাচার কিভাবে জায়েজ বানিয়ে ফেললো এই হাদিসকে মামুনুল মনগড়া ব্যাখ্যা দিচ্ছে, একটি বিয়ে গোপন করা ছোট মিথ্যা নয়। সুতরাং মামুনুল হকের এই সব মনগড়া মিথ্যাচারকে এখনো যারা সাপোর্ট দিচ্ছেন তারা নিজেরাই নিজেদের ধর্মকে বিকৃতি করে ফেলছেন।

প্রতিটি ধর্মের প্রবর্তক মোল্লা পরিহিত এরা প্রত্যেককেই ভন্ড নিজেদের স্বার্থে মনগড়া গল্প কাহিনী দিয়ে ধর্ম বলে চালিয়ে দিচ্ছে, সাধারন একজন মানুষ যদি কোন পশুর সাথে যৌন সম্পর্ক করে, সাথে সাথেই মোল্লারা ফতুয়া দিবে সেই পশু এবং সেই মানষটাকে দু’জনকেই হত্যা করা ইসলাম শরীয়তে জায়েজ। কিন্তু যদি কোনো মোল্লার ছেলে এই আকাম করে তারা সাথে সাথেই হাদিস মনগড়া কাহিনী দিয়ে অন্য ফতোয়া দিবে। প্রথমে বলবে ছাগলটা কালো নাকি সাদা যদি বলেন সাদা,তাহলে বলবে সাদা ছাগলের সাথে জায়েজ আছে, আর যদি বলেন কাল তাহলে বলবে কালো ছাগলের সাথে জায়েজ আছে। অর্থাৎ যেভাবে হোক সেটাকে জায়েজ বানাবে, যেমন মামুনুল হক নিজের মনগড়া কাহিনী দিয়ে জায়েজ বানানোর চেষ্টা করছে বিভিন্ন হাদিস থেকে ফতোয়া দেখিয়ে।

কিছুদিন আগে একটা কৌতুক দেখেছিলাম হারুন কিসিঞ্জারের, সেই কৌতুকে হারুন কিসিঞ্জার এক মোল্লার চরিত্রে অভিনয় করেছিল। কাহিনীটা ছিল এরকম হারুন কিসিঞ্জার একজন মোল্লা বিভিন্ন রকম পানি পড়া তাবিজ পড়া দিয়ে বিভিন্ন মানুষের উপকারের নামে অর্থ হাতিয়ে নিতো। একদিন এক মুরিদ এসে বললেন হুজুর আমার গরুটা অন্য একটা গরুকে গুতা দিয়ে মেরে ফেলেছে, এর জন্য কি হুজুর আমাকে সেই গরুর মালিক কে তার গরুর মূল্য দিয়ে দিতে হবে কোরান হাদিস আপনার কি বলে দেখান তো একটু, তাৎক্ষণিক মোল্লা বললো দুটোই অবুঝ প্রাণী একটারে গুতায় আরেকটারে মেরে ফেলেছে যেহেতু দুইটাই অবুঝ প্রাণী এর জন্য কোন কাফফারা জরিমানা কিছু দিতে হবেনা। মুরিদ মনে মনে ভাবলো যাক বেঁচে গেলাম হুজুর নিজের মুখেই বলল দুটোই অবুঝ প্রাণী একটা আরেকটার মারে ফেলেছে এর জন্য আমাকে আর কোনো জরিমানা দিতে হবে না শান্তির নিঃশ্বাসের ঢেকুর ফেলতে লাগল। তখন সেই হুজুরের মুরিদ মনে মনে চিন্তা করল এবার তাহলে হুজুরকে সত্যি কথাটা বলি আমার গরুটা হুজুরের গরুটাকে মেরে ফেলেছে। তখন বলল হুজুর পুকুর ঘাটে যে আপনার গরুটা বেঁধে রেখে ছিলেন আপনার সেই গরুটাকে আমার গরুটা মেরে ফেলেছে হুজুর মাফ কইরা দিয়েন দুটোই অবুঝ বলদ আপনি নিজের মুখেই বললেন এর জন্য আমাকে কোন কাফফারা জরিমানা দিতে হ দেবে না তাহলে এবার আসি স্লামালাইকুম।

হুজুর এইবার মহা বিপদে পড়েছে মনে মনে ভাবছে শালা আমার গরু মেরে জরিমানা দিতে হবে কিনা আমার কাছে হাদিসের ফতোয়া নিলি দ্বারা খাড়ার উপরে আরেকটা হাদিস বানাই। হুজুর তখন ওই লোকটাকে আবার ডাকল বলতেছে আমি আসলে বিভিন্ন জায়গায় বাস করি এর বাড়িতে দাওয়াত খাই ওর বাড়িতে দাওয়াত খাই নামাজ পড়াই এগুলো নিয়ে সারাক্ষণ এত ব্যস্ত থাকি শেষের দিকে হাদিসের দুই তিনটা পাতা পড়ার সময় হয়ে উঠেনি, দেখি শেষের দুই তিনটা পাতা পড়ে এ ধরনের কোন হাদীস আছে কিনা এক অবুজ আরেক অবুজ পশুকে মেরে ফেললে কোন কাফফারা জরিমানা দিতে হবে কিনা যদি হাদিসে না থাকে তাহলে দিতে হবে না খাড়াও দেইখা লই আগে। এরপরে হুজুর হাদিসের পাতা উল্টাতে উল্টাতে বলে এই তো পাইছি তুমি তো আবার আরবি পড়তে পারো না মূর্খ সুখ্য মানুষ দ্বারাও হাদিসটার তোমারে পড়ে শুনাই, দুইটা আরবি হরফ বকবক করে বলে এই হাদীসের তরজমা হচ্ছে। এক বলদ আরেক বলদকে মেরে ফেললে কাফফারা জরিমানা দিতে হবে। তখন মুরিদ বলে হুজুর একটু আগেই তো আপনি বললেন এক অবুঝ বলদ আরেক বলদকে মেরে ফেললে কাফফারা জরিমানা কিছু দিতে হবেনা। তখন হুজুর বলে আরে তখন কি আর জানতাম গরুটা আমার 🤣 এটা যদিও গল্প ছিল বাস্তব কিন্তু এরকমই আজ যদি মামুনুল হক এর জায়গায় অন্য কেউ থাকতো তাহলে এই মামুনুল হক জেনার দায়ী শরিয়া আইন মত বিচার করতে চাইত, কিন্তু এখানে মামুনুল হক নিজেই ফেঁসে গেছে বলেই নিজের মনগড়া হাদিস বানিয়ে জায়েজ করার চেষ্টা করছে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 1 = 1