অনি

বছর দু এক পরে,
হয়তো আবারো ধর্ষিত হয়ে চোখ বন্ধ করে শুয়ে- আছো বরের পাশে।
তোমার বর নিজের তৃপ্তি মিটিয়ে নাক ডেকে ঘুমোচ্ছে।
হঠাৎ কে জেনো তোমার ঠোটে আঙুল দিয়ে ফিসফিসিয়ে চুপ করতে বলছে।
ভয়ে খুলতে পারছো না চোখ, না পারছো চিৎকার করতে।
তুমি খুব বুঝতে পারছো এ তোমার বড়লোকি পরমেশ্বর নয়,
সেও কি এমন করতে পারে?
সেও কি ভালোবেশে মাঝরাতে ঠোট ছুয়ে দিতে পারে?
নয়ত কোন ভুত বা আগের সেই ভয়?
আবারো সেই ফিসফিসানি শব্দ,
তুমিও ফিসফিয়ে বললে বুঝতে পারছি না, একটু জোরে বলুন।
তুমি এখনো চোখ খুলতে পারছো না তোমার মন বলছে তুমি চোখ খুললেই চমকে যাবে।
সে স্পষ্ট করে বলল, উঠে বসো। দেখো কে এসেছে।
তুমি কেমন কেপে উঠলে, দারুন শীত করলো তোমার।
এতো পরমেশ্বরের কন্ঠ নয়। এতো অনির কন্ঠ।
যার সাথে আগামি কয়েক শতাব্দি প্রেমে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছিলাম।
চুক্তি ধরে রাখার শক্তিরv অভাবে ভেঙে ফেলার পর তার কাছে ক্ষমা চাওয়ায় সে মুচকি হেসে বলেছিলো, মরে গেলে যাবো বেচে গেলেও কি বেচে থাকা যায়?
কি ভাবছো?
কে?
চিনতে পারনি?
অনি?
আমার কণ্ঠটা কি আবার অন্যরকম হয়ে গেছে?
তোমার মন আবারো বলছে অনিকে তো বিয়ের পর খুজে পাওয়া যায়নি।
বেচে গেছে নাকি মরে পচে গেছে কোথাও কিছুই জানা যায়নি।
তুমি কোথায় ছিলে এতদিন?
তোমার আলমারির চোরাই পকেটের ভেতরে।
তুমি মুচকি হেসে বললে, বারে ওখানে তোমার শরীর আটেও বুঝি?
শরীরটা তো আর নেই!
এই গরমে ভয়ে তোমার প্রচন্ড শীত করছে।
তুমি নাইটি খুজতে গিয়ে চোখ খুলে দেখছো, জানালা দিয়ে ভোর এসে তোমার চোখ ছুয়েছে।এবং ফ্যানের সাথে ঝুলে আছে তোমার বিশালদেহি পরমেশ্বর আর সোফায় বসে আছে তোমার প্রিয় অনি।

 

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

6 + 2 =