কোরানের বাণী, কেন এত ফানি? পর্ব ১, ২ ও ৩

কোরানের বাণী, কেন এত ফানি? পর্ব-১ : জান্নাতে দুধ-মধু-মদের নহর

জান্নাতের বিবরণ

হ্যা, জান্নাতের কথা বলছি। কোরানের আয়াত দেখি। লিংক ১লিংক ২

পরহেযগারদেরকে যে জান্নাতের ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তার অবস্থা নিম্নরূপঃ তাতে আছে পানির নহরনির্মল দুধের নহর যারা স্বাদ অপরিবর্তনীয়, পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু শরাবের নহর এবং পরিশোধিত মধুর নহর। তথায় তাদের জন্যে আছে রকমারি ফল-মূল ও তাদের পালনকর্তার ক্ষমা। পরহেযগাররা কি তাদের সমান, যারা জাহান্নামে অনন্তকাল থাকবে এবং যাদেরকে পান করতে দেয়া হবে ফুটন্ত পানি অতঃপর তা তাদের নাড়িভূঁড়ি ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দেবে? [সুরা মুহাম্মদ, ৪৭; আয়াত ১৫]

 

নহর মানে হচ্ছে নদী।

অর্থাৎ জান্নাতে চারটি নহর বা নদী থাকবে
১। পানির নদী
২। নির্মল দুধের নদী
৩। সুস্বাদু মদের নদী
৪। পরিশোধিত মধুর নদী

পানি, দুধ, মদ, নদী এই চারটি দ্রব্যই মুহাম্মদের যুগে মক্কায় চরম আকাঙ্ক্ষার বস্তু ছিল। নদী স্বভাবতই পানির। কিন্তু অপর তিনটি লক্ষ করুন। কী কষ্ট-কল্পনা! দুধের নদী! দুধ আমরা পাই প্রাণী থেকে এবং সে দুধ প্রাণীরা তাদের বাচ্চাদের জন্য উৎপাদন করে, আমাদের জন্য নয়। তৎকালীন পশুপালক সমাজে দুধের প্রচণ্ড চাহিদা ছিল। কিন্তু পশু থেকে যে দুধ আহরিত হত তা সব সময়ই ছিল অতি অল্প। আধুনিক যুগের আগে একই অবস্থা ছিল সর্বত্র। মুহাম্মদ এমন এক জান্নাতের কথা কল্পনা করলেন যেখানে গাভীর দুধ আসবে নদী দিয়ে, এমন প্রতিশ্রুতি শুনে আত্মঘাতী হামলা করে নয় বরং হেসেই মরে যেতে ইচ্ছে হয়। আচ্ছা, এই এক নদী দুধ একজন মানুষ পান করবে কিভাবে? এর দরকার কী, দৈনিক এক লিটারই তো যথেষ্ট, তাই না? এত দুধ দিয়ে একজন জান্নাতি করবেটা কী? জান্নাতে না যা ইচ্ছে তা পাওয়া যায়, তাহলে আলাদা ভাবে এই লোভ দেখানোর মানে কী?

আমরা আমাদের বাস্তব জগতে মহান পরওয়ারদেগারের কার্যকলাপের নমুনা দেখি। অসংখ্য শিশু পুষ্টির অভাবে ভুগছে, মারা যাচ্ছে। মাত্র এক গ্লাস দুধের ব্যবস্থা যাদের জন্য করতে পারেন নাই মহান রিযিক দাতা তিনি নাকি জান্নাতে দুধের নহর বয়ে দিবেন। আপনারা কি জানেন, প্রতিদিন ২১ হাজার মানুষ না খেতে পেরে মারা যায়, পৃথিবীতে ৮১ কোটিরও বেশি মানুষ ঠিকমত খাবার পাচ্ছেনা। নয় জনে একজন ক্ষুধার্ত অবস্থায় শোতে যায়। (জাতিসংঘের হিসাব মতে)।

একই প্রশ্ন মধু আর মদ নিয়েও। দুধ, মদ আর মধু এর আগে ব্যবহৃত বিশেষণগুলো দেখেন। জান্নাতে নদী দিয়ে দুধ আসবে, সেটা যে নির্মল হবে, ভেজাল থাকবে না তা বলে দিতে হয়। মদ সুস্বাদু হবে, কিন্তু অন্যত্র বলা হয়েছে এটা পান করে নাকি কেউ মাতাল হবেনা! তাহলে সেটা আবার মদ হল কিভাবে? আর পরিশোধিত মধু! সর্বশক্তিমান, সবজান্তা আল্লাহপাক যিনি ‘কুন’ বললেই হয়ে যায় তিনি মধুর পরিশোধনাগার বসাবেন জান্নাতে। মধু তো থাকবে মৌচাকে। মৌমাছরা মধু আহরণ করে তাদের ছানাপোনাদের জন্য, মানুষের জন্য নয়। মানুষ মৌমাছিদের তাড়িয়ে মধু সংগ্রহ করে। এই মধু নদী দিয়ে আসবে কেন? এক গ্লাস মধুই যেখানে যথেষ্ট সেখানে মধুর স্রোতে ভাসিয়ে দেয়ার চিন্তাটা একেবারেই আজগুবি। একবার কল্পনা করেন, নদী দিয়ে মধু প্রবাহিত হচ্ছে! আবার ভেবে দেখেন নদী দিয়ে শুধু মদ আর মদ আসছে। কল্পনার একটা সীমা থাকা কি উচিত ছিল না?

একজন মানুষকে প্রতিদান হিসাবে পানি, মধু আর দুধের নহর দেয়া হচ্ছে সেটা খুব হাস্যকর চিন্তা। এখনকার কোনো একজন সুস্থ বুদ্ধির মানুষকে এরকম প্রতিদান দেয়ার কথা বললে সে কি তা গ্রহণ করবে? দেড় হাজার বছর আগে এসব দ্রব্যের অভাবে প্রবলভাবে ভোগা মরুভূমির মানুষগুলোকে মুহাম্মদ ভালই ধোঁকা দিয়েছিলেন। আমাদেরকে মাথা খাটাতে হবে। বিরাট প্রতিদান শুনলেই মাথা খারাপ করা চলবে না। মানুষের অতি-লোভ তার স্বাভাবিক চিন্তা ভাবনার ক্ষমতা নষ্ট করে ফেলে। এজন্য প্রতারকরা মোবাইল ফোনে, ইমেইলে বিশাল অংকের লটারী বিজয়ের ভুয়া সংবাদ দিয়ে বিপুল সংখ্যক মানুষের টাকা হাতিয়ে নেয়।

আর মদও পান করত লোকে মুহাম্মদের সময়ে। তাই এ বস্তুরও লোভ দেখাতে হয়েছে তাদেরকে বশ করতে। এক্কেরে নদী দিয়ে বয়ে যাবে মদ, হাহ হা

আয়াতটির পরের অংশে আসি। বলা হচ্ছে, জান্নাতে ফলমূল থাকবে আবার সাথে থাকবে ক্ষমা। এখানে জান্নাতীরা কি পাপ করতে থাকবে যাতে মহান ক্ষমাশীল আল্লাপাক তাদের ক্ষমা করে দিতে পারেন? জান্নাতে তো কোনো অপরাধ থাকার কথা না, তারপরেও এই ক্ষমার ব্যাপারটা এলো কোত্থেকে?

আর জাহান্নাম নিয়ে থ্রেট আছে তো! উপরোক্ত আয়াতে দেখেন, জাহান্নামীদের পান করতে দেয়া হবে ফুটন্ত পানি অতঃপর তা তাদের নাড়িভূঁড়ি ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দেবে! কী পৈশাচিক চিন্তা ছিল আমাদের দয়াল নবীর! আল্লাহকে কী নৃশংস রূপে চিত্রিত করেছেন তিনি!

 

আসুন হাসি, হাসা দেহ-মন উভয়ের জন্য স্বাস্থ্যকর। আর ভাবি, এগুলো বিশ্বাস করার মত বোকা মানুষ হয় কিভাবে।

[তোরাহ এর Garden of Eden এর বর্ণনায় চারটি নদীর কথা বলা হয়েছে। নবীজি স্পষ্টত এখান থেকে এই ধারণা পেয়েছেন। বেশ কিছু হাদিসেও এই ব্যাপারটি এসেছে।

Genesis 2: “10 A river issues forth from Eden to water the garden, and from there it is divided and becomes four headwaters 11 the name of the first is Pishon…13 The name of the second river is Gihon…14 The name of the third river is Hiddekel (Dijla/ Tigris)… and the fourth river is the Purat/ Euphrates”]

.
.
.
কোরানের বাণী, কেন এত ফানি, পর্ব ২ : মুহাম্মদ পাগল নন

মুহাম্মদ নিজেকে নবি বলে ঘোষণা করে জোড়াতালি দিয়ে ও নিজে নিজে কিছু আয়াত রচনা করে যখন দাবি করলেন এসব কৌতুকধর্মী আয়াত আল্লাহ তার কাছে পাঠায় তখন অনেকেই তার মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। এর সমাধান দিচ্ছে আবার সেই কোরান। সেখানে বলা হচ্ছে, আপনাদের সঙ্গী (মুহাম্মদ) পাগল নন। সবাই বলেন সুবানাল্লাহ! আমাদের পেয়ারা নবি পাগল নন, আলহামদুলিল্লাহ!

আরবিতে পাগলকে বলা হয় মাজনুন। আপনারা লাইলি-মজনুর কাহিনী শোনেছেন নিশ্চয়ই। লাইল মানে হচ্ছে রাত আর মজনু মানে হচ্ছে পাগল। সাহাবিদের কথা শুনেছেন, সাহাবি মানে সঙ্গী, ছাহিবুকুম মানে আপনার সঙ্গী। বলা হচ্ছে, ওয়ামা ছাহিবুকুম বিমাজনুন, মানে আপনার সঙ্গী পাগল নন। (সুরা তাকবির, আয়াত ২২)
.
.

.
.
২২.) আর (হে মক্কাবাসীরা!) তোমাদের সাথী পাগল নয়।

তাফহিমুল কোরানের তাফসির: সাথী বলতে এখানে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বুঝানো হয়েছে। তাঁকে মক্কাবাসীদের সাথী অভিহিত করে আসলে তাঁকে এ বিষয়ের অনুভূতি দেয়া হয়েছে যে, তিনি তাদের জন্য কোন আগন্তুক বা অপরিচিত লোক নন। বরং তিনি তাদেরই জাতি ও গোত্রভুক্ত। তাদের মধ্যেই সারা জীবন তিনি অবস্থান করেছেন। তাদের শহরের প্রতিটি আবালবৃদ্ধবনিতা তাঁকে চেনে।

আর হ্যা, চিনে বলেই পাগল বলছে। আর মহান আল্লাপাক আয়াত নাজিল করে মানুষ জনকে জানিয়ে দিচ্ছেন উনি পাগল নন। সে আয়াত আবার নাজিল হচ্ছে যার উপর তার সম্পর্কেই সার্টিফিকেট দিয়ে দেয়া হচ্ছে।

সুরা সাবার ৪৬ তম আয়াতে বলা হচ্ছে, তোমাদের সাথির মধ্যে এমন কি কথা আছে যাকে প্রলাপ বলা যায়?

এখন উক্ত প্রশ্নের জবাব আপনারা দেন তো!

সুরা ফুরকানের ৮ম আয়াতে বলা হয়েছে,
আর জালেমরা বলে, “তোমরা তো একজন যাদুগ্রস্ত ব্যক্তির অনুসরণ করছো।”

তাফহিমুল কোরানের তাফসির: অর্থাৎ পাগল। আরবদের দৃষ্টিতে পাগলামির কারণ ছিল দু’টো। কারো উপর জ্বীনের ছায়া পড়লে সে পাগল হয়ে যেতো অথবা যাদু করে কাউকে পাগল করা হতো।

সুরা আরাফের ১৮৪ তম আয়াতে, তারা কি কখনো চিন্তা করে না, তাদের সাথীর ওপর উন্মাদনার কোন প্রভাব নেই?

হাহ হাহ হা! এমন কী হয়েছিল আল্লাকে মুহাম্মদের উন্মাদনা যে নেই সেটাও নিশ্চিত করতে হয়েছিল মুহাম্মদের উপরই আয়াত নাজিল করে।

পাগলের উপরওয়ালা যিনি, নিশ্চয় তিনি ছাগল হবেন, তাতে সন্দেহ কোথায়?

কোরানের বাণী, কেন এত ফানি? পর্ব ৩: অদৃশ্যে বিশ্বাস করতে হবে

 

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ’লা সুরা বাকারায় বলছেন,

আলিফ লাম মীম। ইহা সেই কিতাব যাহাতে কোনো সন্দেহ নাই। পথ প্রদর্শনকারী পরহেযগারদের জন্য, যারা অদৃশ্যে বিশ্বাস স্থাপন করে এবং নামায প্রতিষ্ঠা করে। আর আমি তাদেরকে যে রুযী দান করেছি তা থেকে ব্যয় করে।

প্রথমেই গোঁজামিল। আলিফ লাম মীম – এর মানে কী তা কেউ জানে না। যার মানে কেউ জানেনা তাকে অর্থহীন বলাই উচিত। যে গ্রন্থ সকল মানুষের উদ্দেশ্যে প্রণীত সে গ্রন্থে এরকম উদ্ভট হুরুফে মুক্বাত্তাত থাকার কী মানে কে জানে।

তারপরের মহান বাণী, ইহা সেই কিতাব যাহাতে কোনো সন্দেহ নাই। সেই সন্দেহ কি আল্লাহ পাকের নাকি মুহাম্মদের না মুমিন উজবুকদের? এমনভাবে সন্দেহের কথা বলা হচ্ছে যেন আল্লাহপাক নিজেকে প্রবোধ দিচ্ছেন বিশাল সন্দেহের মধ্যে নিমজ্জিত হয়ে। অথবা নিজের বাণী আল্লাহর নামে চালিয়ে দিতে দিতে মুহাম্মদের মধ্যে প্রায়শ যে সন্দেহের দোলাচল কাজ করত তারই বহি:প্রকাশ। নাহলে এমন বিনোদনধর্মী কথাবার্তা এখানে আসবে কেন? এক্কেরে প্রথমেই সন্দেহ, এর নামই কোরান। ২য় পর্বে লেখেছি, আল্লাহ পাক মুহাম্মদকে নিশ্চিত করছেন, তিনি পাগল নন। এখন আবার কোরানের প্রথমে আপনি যখন পড়া শুরু করেছেন মাত্র তখনই নিয়ে এসেছেন সন্দেহের আয়াত। ঠিক যেমন জোকের তেল বিক্রেতা তার মহা-গুণধর ঔষধ জনসমক্ষে প্রদর্শনের আগে যে বক্তৃতা দেয়, আপনাদেরকে এখন যা ঔষধটি দেখাব সেটা সেবন করলে আর কোনো দুর্বলতা থাকবে না!

যেজন্য এটা লেখা। সেটা হচ্ছে অদৃশ্যে বিশ্বাস। কেন কোরানের একদম প্রথমেই এই অদৃশ্যের ব্যাপার-স্যাপার নিয়ে আসা হল? সন্দেহের আয়াতের ঠিক পরেই।

যেহেতু একটু পরেই শুরু হবে অদৃশ্য-অবাস্তব-গাঁজাখুরি বস্তু নিয়ে মহাকীর্তন। আল্লাহপাক নিজেই অদৃশ্য, ফেরেশতা অদৃশ্য, পরকাল অদৃশ্য, জান্নাত-জাহান্নাম সবই অদৃশ্য। আর মুহাম্মদের মৃত্যুর পর তিনিও অদৃশ্য, তার কোনো ছবিও আঁকতে দেন নি কাউকে। আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে আজ থেকে এক দুই বা শত নয়, দেড় হাজার বছর আগে সুদূর মক্কার কোনো এক লোকের সাথে আল্লার ডাইরেক্ট কানেকশন ছিলো। এরকম জিনিসে বিশ্বাস না করলে কিন্তু পুরাই খবর আছে।

এছাড়া বিশ্বাস ব্যাপারটা নিয়েও কথা হোক। বিশ্বাসের প্রয়োজন হয় তখনই যখন তা সম্পর্কে সন্দেহের অবকাশ থাকে। যা প্রমাণ সম্ভব তাকে কেউ বিশ্বাস করতে বলে? আর যে বস্তুতে বিশ্বাস করতে বলা হয় তাতে যেকোনো যুক্তিবাদির সন্দেহ করা উচিত সবার আগেই। ধর্মগুলোতে বিশ্বাসের আদেশ করা হয়, আহবান করা হয় – এগুলো যাচাই করতে বলা হয় না। আপনি যাচাই করেন আর না করেই বিশ্বাস করে ফেললে অনন্ত স্বর্গ। হাশেম মোল্লার ছেলে বাপের দেখে কোরানে হাফেজ হয়ে জান্নাতে হুরি ভোগে চলে যাবে, আর আমরা যাচাই-বাছাই করতে গিয়ে ইমান হারিয়ে অনন্ত জাহান্নামে। How funny!

মূল প্রসঙ্গে চলে আসি। শাস্ত্রে নির্দেশ থাকলেই অদৃশ্য বিষয়ে আমাদের কি বিশ্বাস স্থাপন করা উচিত? তাহলে আগে দেখি দৃশ্যমান বস্তুতেই আমরা কতটুকু বিশ্বাস স্থাপন করতে পারি।

আমাদের সকল অঙ্গের ব্যাপক ত্রুটি রয়েছে। তাই সব কটি ইন্দ্রিয়তে হেলুসিনেশন হয়। চোখের দেখার মধ্যে অনেক ভুল থাকে, ভিজুয়াল হেলুসিনেশন হয়, ইল্যিউশন হয়। আমরা দড়িকে সাপ ভেবে ভুল করি। ভয়ের মধ্যে থাকলে ভুত দেখে ফেলি এবং পরে ব্যাপক আত্মবিশ্বাসের সাথে তা বলেও বেড়াই। দুটি বস্তুর দৈর্ঘ-প্রস্থের তুলনায় ভুল করি। মরিচীকা দেখি। আবার আমাদের দেখার ভুল আর মস্তিষ্কের অনুধাবনের সমস্যার কারণে pareidolia এর প্রাদুর্ভাব হয়। খ্রিস্টানরা আকাশে, দেয়ালে যিশুকে দেখে ফেলে, হিন্দুরা গরুর দেহে ওম দেখতে পায়, মুসলমানরা মাংসের টুকরোয় আল্লাহ লেখা দেখতে পায় ইত্যাদি।

আবার সূর্যকে আমরা অতি ছোট্ট দেখি, মনে হয় সে যেন চাঁদের তুলনায় খুব একটা বড় নয়। আমরা দেখি সূর্য আর চাঁদ উভয়টাই পৃথিবীকে ঘুরছে। আমরা দেখি সূর্য সাগরে অস্থ যাচ্ছে। আমরা দেখি তারাগুলো বড্ড ছোট আকারের। আমরা দূরের পাহাড়গুলোকে কাছে দেখতে পাই। অর্থাৎ এমনকী দৃশ্যমান বস্তু ও এর সম্পর্কিত ব্যাপারগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা, যাচাই-বাছাই ছাড়া বিশ্বাসযোগ্য নয়, গ্রহণযোগ্য নয়। সেখানে আল্লাহ বলছেন, অদৃশ্যে বিশ্বাস করতে। How funny!

আরো পড়েন: কোরানের বাণী, কেন এত ফানি? পর্ব ৪, ৫ ও ৬

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 81 = 91