সেই তারিক – ২

আগে সেই তারিক- ১ পড়ে নিবেন। https://istishon.blog/node/3908

(২)
______তারিক তার বাবা-মায়ের মৃতদেহ ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করে তার বাবার শেষ আদেশের পালন করবে সে।তার শেষ ইচ্ছা পূর্ণ করবে।দেশের জন্য লড়াই করবে তারিক। তাই তারিক তার বাবার পূর্বে দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী তার বাবার ঘরে আলমারির ড্রয়ার খুললো। সেখানে রাখা চিঠিটা নিয়ে সে পড়া শুরু করল।


আগে সেই তারিক- ১ পড়ে নিবেন। https://istishon.blog/node/3908

(২)
______তারিক তার বাবা-মায়ের মৃতদেহ ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করে তার বাবার শেষ আদেশের পালন করবে সে।তার শেষ ইচ্ছা পূর্ণ করবে।দেশের জন্য লড়াই করবে তারিক। তাই তারিক তার বাবার পূর্বে দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী তার বাবার ঘরে আলমারির ড্রয়ার খুললো। সেখানে রাখা চিঠিটা নিয়ে সে পড়া শুরু করল।

“বাবা তুই এই চিঠিটা পরছিস , আমি খুশি হয়েছি যে তুই আমার আদেশ পালন করেছিস। মন দিয়ে পড়। আমার জন্য কাঁদিস আর না তুই। প্রত্যেক মানুষকেই একদিন না একদিন মরতে হয়। আমিও মরেছি। তোকেও একদিন মরতে হবে। তাই আমার জন্য কেঁদে সময় নষ্ট করিস না” তারিক মনে মনে বলছে-তুমি এত কিছু কি করে জানো বাবা? আগেও যেমন আমার মনের কথা বলে দিতে এখনও দিচ্ছ।

“আগে আমি কখন ও তোকে দেশের সম্পর্কে কিছু বলিনি। কারণ আমি জানি তুই ও আমর মতই হয়তো আমার চেয়ে এই দেশ কে বেশি ভালবাসিস। এখনই সময় এই দেশের জন্য কিছু করার। এতক্ষণে হয়তো যুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে দেয়া হয়েছে। কাল আমাদের বাসায় যে তোর এক আঙ্কেল এসেছিল তার কাছ থেকে আমি আগেই খবর পেয়েছিলাম এমন কিছু একটা হতে পারে ।তোকে বলিনি কারণ তুই কাঁদবি তাই। তোর জন্য আমি একটা ব্যগ গুছিয়ে রেখেছি। ঐ ব্যগে তোর প্রয়োজনীয় সব জিনিস ই আছে। তুই আর দেরি করিস না এখনই বেড়িয়ে পর। সালামত-পুরে সালাম মিষ্টান্ন ভাণ্ডার নামে এক দোকান আছে ওখানে যাবি। সেখানে কালকের ঐ আঙ্কেল থাকবে। তার সাথে দেখা করবি। সেই তোকে কি করতে হবে বলে দিবে। তুই যুদ্ধে যা, পিছ পা হোশ না। আমার কথা মনে পড়লে তুই ঐ কুকুরদের গুলি করে মারিস, যারা আমকে হত্যা করেছে। যা বেড়িয়ে পর পথে অনেক বাধা আসবে, ভয় পেলে চলবে না। ভয়কে অতিক্রম করে এগিয়ে যা আমি এই বাংলার স্বাধীনতা চাই। আমার শেষ ইচ্ছা পূর্ণ কর। আমি জানি তুই আমার অবাধ্য হবি না। আমার বিশ্বাস, তুই কৃতকার্য হবিই”।

তরিকের চোখ জলে ভেজা। কিন্তু সেই অশ্রুসিক্ত নয়নে এক দীপ্ত আভা, সে তার বাবার ইচ্ছা পূর্ণ করবে। স্বাধীন করবে এই বাংলাদেশ। তারিক বাবার চিঠি টা পকেটে নিয়ে ব্যগটা কাঁধে ঝুলিয়ে বেড়িয়ে পড়ল। বাবার কথা মত সালামত-পুরের সালাম মিষ্টান্ন ভাণ্ডারে গেল তারিক। সেখানে সেই অপরিচিত লোকটার সাথে দেখা করলো তারিক। তারিক কে দেখেই সেই লোকটি লিংকন সাহেবের কথা জানতে চাইলো। তারিক নিশ্চুপ। লোক টির আর বাকি রইলো না কি ঘটেছ। সে তারিক কে সান্ত্বনা দিল। তারিক তখন লোকটির কাছে জনতে চাইলো কি করতে হবে তাকে। লোকটি হাসি মাখা মুখে উত্তর দিল – অপেক্ষা কর সব জানতে পারবে। তারিক কে সেই লোকটি দোকানের ভিতরে নিয়ে গেল। সেখানে তারিকের সাথে কথা বলল লোকটি, তারিকের চিন্তা দূর করার জন্য। তারিকের এক প্রশ্ন তাকে কি করতে হবে। লোকটি তখন তারিকে বলল -তোমাকে সবই বলল, তুমি আগে শান্ত হউ। আর শোন আমার নাম সিফাত। আমাকে সিফাত মামা বলে ডাকবে। দিন পেরিয়ে সন্ধ্যা এখন। তারিক আগের চেয়ে কিছুটা শান্ত। কিন্তু সে তার লক্ষ্যে অটল। তার বাবার স্বপ্ন পূর্ণ করতেই হবে তাকে।এভাবে দিনটি পার হয়ে গেল।

পরদিন তারিক আগের থেকে আরেকটু স্বাভাবিক হয়ে উঠলো। তারিক সিফাত মামাকে দোকানের কাজে সাহায্য করে। সিফাত মামা বাজারে যাবার সময় তাকে নিয়ে যায়। মাঝ পথে মিলিটারিরা আটকায়। পরে ছেড়ে দেয়। সিফাত মামার দোকানে মিষ্টির সাথে সাথে দুপুরের খাবার ও বিক্রি করে। আজ দুপুরে মিলিটারিরা এসেছিল। খাবার নিতে। তারিক তাদের দেখে অনেক রাগ হয়। তার চোখের সামনে তার মৃত বাবা-মায়ের মুখ ভাসতে শুরু করে। তার শরীরের রক্ত যেন টগবগিয়ে উঠে। এখনই পাড়লে সে মেরে ফেলে ওদের। তার চেয়েও অবাক লাগছে সিফাত মামা কেন ওদের সাথে এত ভাল ব্যবহার করছে? কেন ওদের খাবার দিচ্ছে?
মিলিটারি রা যাবার পর সিফাত মামা তারিক কে বলে- তোমার রাগ হচ্ছে তো আমার উপর তাই না? যে যারা তোমার বাবা-মাকে মেরেছে আমি তাদের সাথে এভাবে কথা বলছি তাদের খাবার দিচ্ছি। বুঝবি আস্তে আস্তে সবই বুঝবি।
তারিক ভাবতে লাগল কেন এমন করল মামা। ভাবতে ভাবতে তার বাবাকে যেন প্রশ্ন করলো কিন্তু আগের মত বাবা আর উত্তর দিল না, তারিক ভুলেই গিয়েছিল তার বাবা যে আর এই পৃথিবীতে নেই ।এভাবেই দিন টি গেল।
এরপর দিন মামার সাথে আবার গেল বাজারে সিফাত, কিন্তু আজ আর মিলিটারিরা আটকালো না। তাদের ব্যগ গুলো দেখলো না তাতে কি আছে। তারিক একটু অবাক হল তারিক আগের থেকেই কৌতূহলী, সে পরে মামাকে জিজ্ঞাসা করলো- মামা আজ ওরা আমাদের ব্যাগ চেক করলো না কেন? মামা তাকে উত্তর দিল সময় হলে সবই বুঝবে সে।
এভাবে প্রায় একমাস কেটে গেল, তারিককে কি করতে হবে মামা এখনও বলে না। তারিকের বাবার স্বপ্ন কি পূর্ণ হবে না? সে কি যুদ্ধ করতে পারবে না? এই ভাবনা তার।

কিছু দিন পরে সিফাত মামা তারিক কে ডেকে একাই পাঠালো। তারিকে সেই বাজারে পাঠালো, কিছু টাকা দিল এক বস্তা ময়দা আনার জন্য। আগে বলে রেখেছিল একটি দোকানের কথা সেখানে গিয়ে ময়দা আনতে। তারিক বাজারে গেল। যাবার সময় পথে মিলিটারির চেকপোস্ট। মিলিটারিদের দেখেই মুখে একগাদা থুথু আসলো তার। তারিকের ইচ্ছা করছিল থুথু গুলো ঐ জানোয়ার দের মুখে ছুড়ে মারতে। কিন্তু মামার নিষেধ এমন কিছু যেন না করে। তাই থুথু গুলো রাস্তা তেই ছুড়ে মারলো।একজন মিলিটারি তাকে চেক করতে আসছিল কিন্তু আরেক জন তাকে ডেকে মানা করলো,বলল সে সিফাত মামার দোকানের লোক।
তারিক বাজারে গেল আগে বলে রাখা দোকানে গেল তারিক। দোকানে গিয়ে সিফাত মামার পরিচয় দিল তারিক। তারিককে বসিয়ে দোকানদার এক বস্তা ময়দা একটি রিক্সায় উঠিয়ে দিল। তারিক সেই রিক্সায় বসে চলে আসলো। দোকানে ফেরত এসে দেখে সিফাত মামার দোকানে কিছু লোক এসেছে। কি যেন বলছিল তারা। সিফাত কে দেখেই চুপ করে গেল তারা। সিফাত একটু অবাক হল। সে সিফাত মামাকে ডেকে ময়দার বস্তা টা নিতে বলল। ঐ লোক গুলো ধরে বস্তা টি ভেতরে নিয়ে গেল। কিন্তু সিফাত অবাক একটি বস্তা নিতে এত মানুষ লাগে নাকি? দুই জন ই যথেষ্ট সেখানে পাঁচ জন তো অবাক করার মতই। তারিক কিছু বললো না। কিছু ক্ষণ পর সিফাত মামা,তারিককে জিজ্ঞাসা করলো পথে মিলিটারিরা কিছু বলেছে কিনা। তারিক শুধু মাথা নাড়ল। কিছু ক্ষণ পর পেছনের ঘরে গেল তারিক। কি ব্যপার মাত্র আনা ময়দার বস্তার অর্ধের খালি।
সিফাত মামা কে জানালো তারিক, সিফাত মামাত এক উত্তর সময় হলে সবই জানবি। সিফাত মামার উত্তরে পরিচিত তাই এখন আর এ নিয়ে এত কৌতূহল হয় না। আগের মত মিলিটারিরা খাবার নিতে আসলো। মিলিটারি দের খাবার দিল, তারা চলে গেল।
এর পর দোকানে আসা অপরিচিত লোক গুলোকে সাথে নিয়ে এক সাথে দুপুরে খেল তারিক ও সিফাত মামা। লোক গুলোর খাবার অবস্থা দেখে মনে হচ্ছিল অনেক দিন ধরে খেতে পায়না মনে হয়। তারিকের কৌতূহলী মন, ভাবতে লাগলো এই গুলো কে এভাবে খাচ্ছে কেন?হঠাৎ একজন বলে ফেলল – আহ! কত দিন পর এমন খাবার খেলাম। তারিক বিস্ময়ের সাথে লোকটির দিকে তাকালো।
সবার খাওয়া শেষ। এবার আলোচনা করছে ওরা।
সিফাত মামার দোকান থেকে একটু দুরেই প্রাইমারি স্কুলের মাঠে মিলিটারিরা ক্যাম্প করেছে। আজ হামলা করবে ঐ লোক গুলো। তারিক বুঝতে পারলো যে লোক গুলো মুক্তিযোদ্ধা। তারিক জানতে চাইলো হামলা করতে তো অস্ত্র প্রয়োজন সেগুলো পাবে কোথায়।তারিক মনে করেছিল আগের মতই বুঝি সিফাত মামা বলবে যে সময় হলে সব বুঝবি। কিন্তু না সিফাত মামা এবার তাকে উত্তর দিল, উত্তর শুনে তারিক তো অবাক। সিফাত মামা জানালো যে যুদ্ধ করারা অস্ত্র তারিক ই নিয়ে এসেছে বাজারের ঐ দোকান থেকে। সবাই তখন হেসে দিয়েছিল। তারিকও তখন হেসে দিল। অনেক দিন পর সে হাসলো আজ।

(৩)
_______আজ রাতে হামলা করবে মিলিটারি ক্যম্পে। তারিক আজ খুশি কারণ তার নিজের অজান্তেই সে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করবে। সে আজ যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করতে চেয়েছে। কিন্তু সে তো কিছুই পারে না। সিফাত মামা তারিক কে এবার নিষেধ করে যুদ্ধে যেতে। তারিক এবার যুদ্ধে যেতে পারবে না বলে ওর মন টা একটু খারাপ হল। কিন্তু ওকে একটি কাজের দায়িত্ব দেয়া হল।সেটা হল………..(চলবে)

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩১ thoughts on “সেই তারিক – ২

  1. দারুণ হচ্ছে। বিশেষ করে লেখার
    দারুণ হচ্ছে। বিশেষ করে লেখার ধরণটা। চলুক। ……… আমরাও পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।

  2. ঐ মিয়া আমি রাজাকার?
    আমার

    ঐ মিয়া আমি রাজাকার? :মানেকি:
    আমার বাবা গোলাম আযমরে পিডাইতে গিয়ে গুলি খাইলো আর আমি কিনা রাজাকার? :মাথানষ্ট:
    কেমতে কী?

          1. নাহ এখন ফ্রি।ঈদের পর ক্লাস
            নাহ এখন ফ্রি।ঈদের পর ক্লাস শুরু।তখন আর টাইম পাবনা।আর আমি কি লিখতে পারি নাকি ?প্রতিটা লেখায় পুরুষে গন্ডগোল লাইগে যায়

  3. এইটা কোন কথা? রাজাকারদের নাম
    এইটা কোন কথা? রাজাকারদের নাম এত আধুনিক হইলে কেমনে হয়? রাজাকারের নাম রাখেন খাম্বা তারেক!
    :মানেকি:
    তবে আপনার পর্ব ধীরে ধীরে জমতেছে :থাম্বসআপ:

    1. হাহাহাহহাহাহাহ
      খাম্বা

      হাহাহাহহাহাহাহ
      খাম্বা তারেক!!! ভাল অপশন ছিল কিন্তু তারিক আর তারেক এ পরে গোলমাল লাগবে, এই গল্পই তো শেষ নয় আরো আছে তখন নয় দেবো
      পরবর্তি পর্ব পড়ার অনুরোধ রইলো

  4. আমার মাস্টার মশাই এর অপেক্ষায়
    আমার মাস্টার মশাই এর অপেক্ষায় এখন ও দেখলো না সে!!!!
    মাস্টার মশাই আপনি কোথায়, আমার ভুল গুলো ধরে দিন নেক্সট পার্ট লিখব,

  5. ১,২ দুইটাই পড়লাম,
    কাল আমাদের

    ১,২ দুইটাই পড়লাম,

    কাল আমাদের বাসায় যে তোর এক আঙ্কেল এসেছিল তার কাছ থেকে আমি আগেই খবর পেয়েছিলাম এমন কিছু একটা হতে পারে ।

    তারিকের বাবা মিঃ লিংকন, এরকম একটা ঘটনা ঘটবে জেনেও কেন নিজের ফ্যামিলি আর নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করলেন না সেটা বুঝলাম না। নিজের ছেলেকে না পাঠিয়ে নিজেই তো যুদ্ধ করতে পারতেন। সেক্ষেত্রে নিজেও বাঁচতেন আর বউকে “একে একে টানা পনের বার ধর্ষণের” হাত থেকে বাঁচাতেও পারতেন।

    দোকানে ফেরত এসে দেখে সিফাত মামার দোকানে কিছু লোক এসেছে।

    কেমন যেন আজব লাগলো। মুক্তিযোদ্ধারা গেরিলা আক্রমণে অভ্যস্ত ছিল। আমার জানা মতে তাদের বেশিরভাগ মুভমেন্টই হতো রাতের বেলায়। সেক্ষেত্রে, মিলিটারি আসে এমন একটা খাবারের দোকানে দিনের বেলায় তাদের যাবার প্রশ্নই আসে না।
    আর পাকিস্তানি মিলিটারি এতো ভদ্র হল কিভাবে? ওরা ব্যারাক ছেড়ে খাবারের দোকানে খেতে এলো?

    সিফাত মামা জানালো যে যুদ্ধ করারা অস্ত্র তারিক ই নিয়ে এসেছে বাজারের ঐ দোকান থেকে।

    সিফাত মামা তো মহা বজ্জাত! বাচ্চা একটা ছেলে,কদিন আগেই যে এতিম হয়েছে, তাকে দিয়ে অস্ত্র স্মাগ্লিং করল?

    1. প্রথমত। আমি জানতাম প্রথম
      প্রথমত। আমি জানতাম প্রথম প্রশ্ন উঠবে। আমি এটা তুলে ধরেছি যে তিনি ভয় পান নি বরং যাতে অন্য কিছু ভাল ভাবে সংঘটিত হয় তাই সে নিজেকে বাচানোর চেষ্টা না করে সেই কাজে ব্যস্ত ছিলেন। যেমন তার অবর্তমানে তারিকের কি করতে হবে তা।
      আর তখন ই চারিদিকে গুপ্ত চর ছিল তিনি পালিয়ে যাবেন কোথায়।

      আর দ্বীতিয় প্রশ্নের উত্তর সেই তারিক দুই এ ই আছে , তারা রাতেই হামলা করারা প্ল্যানিং করছে।
      আর ভাল করে লক্ষ্য করুন সিফাত মামার দোকানে আমি দুইটা জায়গার বর্ননা দিয়েছি সেটা একটা ভেতর আর বাহির।
      ঐ যে তারিক ভিতরে গিয়ে দেখে ময়দার বস্তা অর্ধেক ফাকা।

      আর তৃতীয়টা আসলে আমি চিন্তাও করি নি এমন প্রশ্ন উঠতে পারে।তাহলে সিফাত মামাকে কাজে ফাসিয়ে দিতাম।

      পাকিস্তানি ব্যারাকের পাশেই সিফাত মামার নামকরা খাবারের দোকান, বাঙ্গালিকে শোষন করে সুস্বাদু খাবার পেলে তারা কি তা ছেড়ে দেয়?

      আসলে আমার দুর্বলতা রয়েগেছে,
      শাক দিয়ে মাছ ডাকার ব্যর্থ প্রয়াস করে লাভ নেই।

      ভুল ধরে দেবার জন্য ধন্যবাদ কায়সার ভাই।

      আমার মাস্টার মশাই এর খবর নাই, সে থাকলে আরো কিছু ভুল বের হবে শিওর।

      আতিক ভাই কোথায় আপনি??

        1. আতিক ভাই আতিক ভাই আপনি
          আতিক ভাই আতিক ভাই আপনি কোথায়?
          ব্লগের জমানো লেখা
          প্রতিক্ষার সময় স্রোতে
          হারিয়ে যায় গহিন অরন্যে।

          :ভেংচি: :ভেংচি: :ভেংচি: ও প্রিয়া ও প্রিয়া এর আতিক ভাই ভার্সন!!!

      1. @অস্থির জয়ঃ
        আপনার লেখা কিন্তু

        @অস্থির জয়ঃ
        আপনার লেখা কিন্তু ভালো হচ্ছে। পড়তে ইচ্ছা করে।
        আর কি কি ভাবল না ভাবল সেটা নিয়ে পড়ে থাকলে কিন্তু লেখালেখি করা যাবে না। লিখতে হবে নিজের আনন্দে।
        নানান ব্লগে ঘোরাঘুরি করতে করতে এই উপদেশগুলো কালেক্ট করেছি। লেখার সময় এসব উপদেশ যদিও আমার একদমই মনে থাকে না। তারপরও ভাবলাম জায়গা যখন পাওয়া গেছে তখন আমি ও একটু উপদেশ ঝেড়ে দেইঃ

        প্রতিটা লেখা শেষ করার পর বেশ কয়বার পড়ে নিতে হবে। ব্লগে প্রকাশিত নিজের লেখাগুলো কিছুদিন পর পর পড়ুন। দেখবেন, অনেক কিছুই আপনার বদলাতে ইচ্ছে করছে, অনেক শব্দ বা বাক্য আপনার মন:পুত হচ্ছে না, অনেক শব্দ বা বাক্য বাহুল্য মনে হচ্ছে। এগুলো একটা একটা করে গভীর মনোযোগ সহকারে পড়ুন আর এডিট করুন। একটা শব্দের পরিবর্তন আপনার লেখার মান অনেক উপরে নিয়ে যেতে পারে। প্রথমবার যে-শব্দটার জন্য আপনার অনেক তৃষ্ণা ছিল, কিন্তু কিছুতেই আপনার মনে সেটি উদয় হয় নি, এডিটিঙের সময় হুট করে তা মাথায় ঢুকে যেতে পারে। ওটি জায়গামতো বসিয়ে দিন। যে-কথাগুলো নিস্প্রয়োজন তা কেটে বা ছেঁটে ফেলুন। এটি নিরীক্ষা করার উপায় হলো: ‘এ লাইনটি কেটে ফেললে কি কোনো ক্ষতি হচ্ছে?’ ক্ষতি না হলে তা রেখে দেয়ার দরকার নেই।

        ওহ আর একটা কথা। একই লাইনে বার বার তারিক উমুক করেছিলো, তারিক সেখানে গিয়েছিলো, তারিক হ্যান, তারিক ত্যান — এমন না লিখে সে কিংবা তার অথবা ভাব বাচ্যে লেখা যেতে পারে।

        1. আহ অনেক দিন পড় কেউ এমন সুন্দর
          আহ অনেক দিন পড় কেউ এমন সুন্দর দিক নির্দেশন দিল। হুম গুলোই ভাল লাগলো। কাজে লাগানোর চেষ্টা করবো। আর আপনার শেষের অংশ টা আমি কাজে লাগাবার চেষ্টা করি কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে ভুল হয়ে যায়। এখন থেকে মনযোগ দিয়ে লিখব, ধন্যবাদ

          আর আপনার এই সুন্দর উপদেশ দেখে আপনাকে আমার ওস্তাদ এ নিয়োজিত করলাম। মাস্টার মশাই ভুল ধরিয়ে দিবে আর ওস্তাদ তা ঠিক করার পরামর্শ দিবে।

          ওস্তাদ রায়ান ভাই ধন্যবাদ।

  6. একটা কথা ছিল,লেখায়,প্রথম পর্ব
    একটা কথা ছিল,লেখায়,প্রথম পর্ব শেষে দ্বিতীয় পর্বের একটু দিয়ে চলবে লেখা ছিল।দ্বিতীয় পর্ব দেওয়ার পর কি তার আর দরকার আছে ?আমার মতে দ্বিতীয় পর্ব লেখার পর ,প্রথম পর্বের এই অংশটি এডিট করে মুছে দিলে পোস্টটা আরো শক্তিশালী হবে।আবার তৃতীয় পর্ব হওয়ার পর দ্বিতীয় পর্বের নিচের অংশটি।এটা সম্পূর্ন ই আমার মনে হল তাই বললাম

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

5 + 3 =