আল্লাহর উচিত মহাত্মা গান্ধীর কাছ থেকে মূল্যবোধ শেখা

মুমিন মুসলমান ভাইয়েরা আল্লাহর সব কথা যেভাবে বিনা প্রশ্নে মেনে নেয় ,আলাহ বিধর্মীদের ঘৃণা করতে বললেও ভাল, তাদের গলায় কোপ বসাইতে বললেও ভাল, অবাধ্য স্ত্রী দের পিটাতে বললেও ভাল, নিজার তালাক দেয়া বউরে হিল্লা করার কথা বললেও ভাল, অসতী মেয়েদের পাথর মেরে ফেলার কথা বললেও ভাল। সবই ভাল। যা লেখা আছে ধর্মে রবোটের মত শুধু পালন করে যাবেন যাতে মরার পর সত্তুরটার করে হুরী পাওয়া যায়।যে লোক কম্পিউটারের সম্মুখে বসে বলেন- ‘আমি বিজ্ঞান বিশ্বাস করিনা, ইন্টারনেট ব্যবহার করে বলেন, বিজ্ঞান মানিনা, যুক্তি মানিনা, আমার চোখে যা দেখি, আমার কানে যা শুনি আমি তা বিশ্বাস করিনা, আমি চির বধির, আমি জন্মান্ধ, আল্লাহ বললে বিনা প্রশ্নে আগুনে ঝাপ দেবো, সে একজন বিকার-গ্রস্থ মানসিক রোগী ছাড়া আর কিছু নয়। তার সাথে তর্ক করা আর বৃক্ষের সাথে কথা বলা একই কথা। আসুন আমরা বরং যারা চোখ মেলে ঘুমায়, যারা পৃথিবীর সাথে, বিজ্ঞানের সাথে সুক্ষ-সচেতনভাবে প্রতারণা করে, চাতুরী ও শঠতার আশ্রয় নিয়ে সত্যের সাথে মিথ্যের মিশেল ঘঠায়, তাদের দিকে তাকাই। এই তথাকথিত শিক্ষিত মডারেইট ইস্লামিস্টরা অশিক্ষিত বিকার-গ্রস্থ মানসিক রোগীদের চেয়েও ভয়ংকর।

আমার কাছে আল্লাহকে যেরকম মনে হয়,বর্বরতার দিক দিয়ে বুনো জন্তুরেও হার মানায়। আল্লাহ নিজেকে খুব hi-fi ভাবে, অথচ মানুষের মত নগন্য প্রানীর প্রসংশা পাওয়ার জন্য তিনি এত অস্থির! মানুষ তার আরাধনা না করলে তিনি আবার রেগে গিয়ে মানুষকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করেন! অবিশ্বাস করার জন্য কাউকে অনন্তকাল ধরে জাহান্নামে পোড়ানোর হুমকি দেয়,ধর্ম ত্যাগ করলে হুত্যা করার হুমকি দেয়। এগুলো কি বর্বরতার চরম পর্যায়ে পড়ে না?ইব্রাহীমকে আল্লাহ প্রিয় বস্তু কোরবানী দিতে বললেন, মানে প্রিয় বস্তু হত্যা করলেন। আর সে তার সবচেয়ে প্রিয় বস্তু নিজের পুত্রকে আল্লাহকে খুশি করার জন্য হত্যা করলো, চোখ মেলে দেখল তার পুত্র তার পাশে অক্ষত দাঁড়িয়ে আছে হত্যা হয়েছে একটি পশু। সে নিরীহ প্রাণীটির কেমন লেগেছিল যখন সে খুন হয়! আর তার পুত্রের চেয়ে তার নিজের জীবনটি কি তার কাছে বেশি প্রিয় ছিলনা, সে নিজেও তো নিজের জান দিয়ে দিতে পারত আল্লার জন্য।

আল্লা কাউকে ছেলে খুন করে তার কাছে পরীক্ষা দিতে বলে কেন আল্লাহ কি পাগল? ধাড়ালো দাঁত থাকলেই কি নিরপরাধ প্রাণীদেরকে কামড়ে কামড়ে খেয়ে ফেলতে হবে,বুদ্ধিমান প্রাণী হিসেবে কি মানুষের কোন বিবেক বুদ্ধি নেই, কোন দয়ামায়া, কোন মনুষয়ত্ববোধ নেই? তাহলেতো মানুষও মানুষকে খেয়ে ফেলতে পারে।হ্যাঁ আমি মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেছি এবং কোরানের অনুবাদ পড়ার আগে মনে প্রাণে মুসলিম ছিলাম। কোরান পড়ে বুঝেছি আমি, আমার পড়া বইগুলোর মধ্যে এটি জঘন্যতম। তাই কোরান পড়েই আমি ইসলাম ছেড়েছি।ইসলাম ছাড়ার পরেই আমি মানুষের কষ্টে কষ্ট পাই,ইসলাম ছাড়ার পরেই নিরীহ প্রাণীদের হত্যা হতে দেখলে আমার প্রাণ কাঁদে যা দেখে মুমিন মুসলিমদের আনন্দ হয়।

এর পরও কি আপনাদের মনে হয় না আল্লাহর মধ্যে কোন মানবতা বোধ নেই আল্লাহর উচিত মহাত্মা গান্ধীর কাছ থেকে মূল্যবোধ শেখা।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

4 + 2 =