২৩৩: তাবুক যুদ্ধ-৬: নবীর অন্তরে আলী ইবনে আবু তালিব!

“যে মুহাম্মদ (সাঃ) কে জানে সে ইসলাম জানে, যে তাঁকে জানে না সে ইসলাম জানে না।”

ইসলামের ইতিহাস পর্যালোচনায় আমরা জানতে পারি ‘তাবুক অভিযানের’ প্রাক্কালে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তাঁর চাচাতো ভাই ও জামাতা আলী ইবনে আবু তালিব-কে সঙ্গে নেন নাই। তিনি তাকে রেখে এসেছিলেন মদিনায়, তাঁর পরিবারের দায়িত্বে। অন্যান্য মুনাফিক-মুসলমানরা যখন এ ব্যাপারে বলাবলি শুরু করে, তখন আলী মনক্ষুন্ন হোন ও তার অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে মদিনা থেকে রওনা হোন। অতঃপর, ‘আল-জুরফ’ নামক স্থানে মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের যাত্রা বিরতির সময়টিতে তিনি তাঁর শিবিরে এসে তাঁকে তার হতাশার কারণ জানান। আদি উৎসের বর্ণনায় ঘটনাটি ছিল নিম্নরূপ।

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের (৭০৪-৭৬৮ সাল) বর্ণনা: [1] [2]
(আল-তাবারীর বর্ণনা, ইবনে ইশাকের বর্ণনারই অনুরূপ।)
পূর্ব প্রকাশিতের (পর্ব: ২৩২) পর:

‘আল্লাহর নবী তাঁর পরিবারের দেখাশোনার জন্য আলী-কে রেখে আসেন (তাবারী: ‘ও তিনি বানু গিফার গোত্রের সিবা বিন উরফুতাহ নামের এক ভাই-কে মদিনার দায়িত্বে রাখেন’) ও তাকে এই আদেশ করেন যে সে যেন তাদের সঙ্গে থাকে। মুনাফিকরা তার সম্পর্কে কুৎসা রটনা করে, এই বলে যে, সে আল্লাহর নবীর কাছে বোঝা হওয়ায় কারণে তিনি তাকে রেখে এসেছেন ও তিনি তার কাছ থেকে মুক্তি চান।

এ কথা শুনে আলী তার অস্ত্রগুলো নিয়ে রওনা হয় ও আল্লাহর নবীর ‘আল-জুরফ’ নামক স্থানে যাত্রা বিরতির সময়টিতে তাঁকে ধরে ফেলে ও মুনাফিকরা যা বলছে তা তাঁকে অবহিত করায়। [3]

তিনি জবাবে বলেন: “তারা মিথ্যা বলে। আমি যা ফেলে রেখে এসেছি তা দেখাশোনার জন্যই আমি তোমাকে রেখে এসেছি, সুতরাং ফিরে যাও এবং আমার ও তোমার পরিবারের প্রতিনিধিত্ব করো।

আলী, তুমি কি সন্তুষ্ট নও এই বিশয়ে যে হারুন যেমন মুসার পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল তেমনই তুমি আমার পাশে দাঁড়িয়েছো, পার্থক্য এই যে আমার পর আর কোন নবী আসবে না?”

তাই, আলী মদিনায় প্রত্যাবর্তন করে ও আল্লাহর নবী তাঁর পথে রওনা হয়। মুহাম্মদ বিন তালহা বিন ইয়াযিদ বিন রুকানা <ইবরাহিম বিন সা’দ বিন আবি ওয়াক্কাস হইতে <তার পিতা হইতে [প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে] আমাকে বলেছে যে, সে শুনেছে যে আল্লাহর নবী আলী-কে এই কথাগুলো বলেছিল। অতঃপর, আলী মদিনায় প্রত্যাবর্তন করে ও আল্লাহর নবী তাঁর পথে যাত্রা করেন।’

আল-ওয়াকিদির বর্ণনা:
‘–আল্লাহর নবী যখন যাত্রার জন্য জড়ো হোন, তখন তিনি সিবা বিন উরফুতা-কে মদিনার দায়িত্বে রাখেন — কেউ কেউ বলে মুহাম্মদ বিন মাসলামা — আর এটিই ছিল একমাত্র অভিযান যেখান সে ছিল অনুপস্থিত।–‘ [4] [5]

সহি বুখারি: ভলুম ৫, বই নম্বর ৫৯ ও হাদিস নম্বর ৭০০: [6]

‘সা’দ হইতে বর্ণিত: আল্লাহর নবী তাবুকের উদ্দেশ্যে যাত্রা কালে আলীকে (মদিনায়) তাঁর প্রতিনিধি হিসাবে নিযুক্ত করেন। আলী বলে, “আপনি কি আমাকে শিশু ও মহিলাদের সাথে রেখে যেতে চান?”

নবী বলেন,

“এতে কি তুমি খুশী হবে না যে আমার কাছে তুমি হবে এমন যেমন মুসার কাছে ছিল হারুন? কিন্তু আমার পরে আর কোন নবী থাকবে না।”‘

সহি মুসলিম: বই নম্বর ৩১ ও হাদিস নম্বর ৫৯১৪: [7]

‘সা’দ বিন আবি ওয়াক্কাস বর্ণনা করেছে যে আল্লাহর নবী (তাঁর উপর শান্তি বর্ষিত হোক) তাবুকের উদ্দেশ্যে যাত্রার প্রাক্কালে (যখন তিনি রওনা হোন) আলী ইবনে আবু তালিব-কে রেখে যান; যে কারণে সে (আলী) বলে, “হে আল্লাহর নবী, আপনি কি আমাকে শিশু ও মহিলাদের মাঝে রেখে যাচ্ছেন?” তাই তিনি (মহানবী) বলেন,

“এতে কি তুমি খুশী হবে না যে আমার কাছে তুমি এমন যেমন মুসার কাছে ছিল হারুন, পার্থক্য এই যে আমার পরে আর কোন নবী থাকবে না?”‘

– অনুবাদ, টাইটেল ও [**] যোগ – লেখক।

আদি উৎসের অধিকাংশ মুসলিম ঐতিহাসিকদের মতে, আলী ইবনে আবু তালিবই (৫৯৯-৬৬১ সাল) ছিলেন ‘পুরুষদের মধ্যে সর্বপ্রথম’ যিনি নবী মুহাম্মদের আদর্শে দীক্ষিত হয়েছিলেন। তিনি ছিলেন ইসলামের ইতিহাসে ‘দ্বিতীয় মুসলমান’; প্রথম জন ছিলেন নবী পত্নী খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদ (৫৫৫-৬২৯ সাল)। কিছু ঐতিহাসিকদের মতে পুরুষদের মধ্যে যিনি সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেছিলে তিনি ছিলেন আবু বকর ইবনে কুহাফা, অথবা মুহাম্মদের পালক পুত্র যায়েদ বিন হারিথা – যার স্ত্রী যয়নাব-কে মুহাম্মদ বিয়ে করেছিলেন। [8]

ইসলাম গ্রহণকালে আলী ছিলেন নবী মুহাম্মদ ও খাদিজা পরিবারে আশ্রিত অপ্রাপ্ত বয়স্ক নয়-দশ বছরের এক শিশু (পর্ব-৩৮)। ইসলাম গ্রহণের পর থেকে শুরু করে নবী মুহাম্মদের মৃত্যুর পর তাঁকে কবরে শোয়ানোর পূর্ব পর্যন্ত আলী তাঁর পাশে থেকেছেন ছায়ার মত। সশরীরে উপস্থিত নবী মুহাম্মদের প্রায় সবগুলো অভিযানেই তিনি উপস্থিত ছিলেন ও যুদ্ধ করেছেন প্রচণ্ড সাহসিকতা ও বীর বিক্রমে (পর্ব: ৬১-৬৩, ৮২; পর্ব: ১২২-১২৩, ১৩৩-১৩৪; পর্ব: ২০৩; ইত্যাদি)। মুহাম্মদের জীবদ্দশায় তিনি তাঁর আদেশে নেতৃত্ব দিয়েছেন বেশ কিছু অভিযানে, যার অন্যতম হলো ফাদাক হামলা (পর্ব: ১০৯), আল-ফুলস হামলা (পর্ব: ২২৫-২২৭) ও হিজরি ১০ সালের রমজান মাসে ইয়ামেনে অভিযান (পরবর্তীতে আলোচনা করা হবে)।

বলা হয়, হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) হলেন মানব ইতিহাসের সবচেয়ে সফলকাম ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম। বাস্তবিকই মক্কার বারো-তেরো বছরের নবী জীবন বিশেষ কোন সুবিধা অর্জন না করতে পারলেও মদিনার মাত্র নয় বছর নয় মাস (সেপ্টেম্বর, ৬২২ – জুন, ৬৩২ সাল) সময়ে তিনি অসংখ্য মানুষ-কে তাঁর মতবাদে দীক্ষিত করে নিজেকে নবী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে সমর্থ হয়েছিলেন।

কী প্রক্রিয়ায় তিনি এই কর্মটি সম্পন্ন করেছিলেন তার ধারাবাহিক ও বিশদ আলোচনা ‘ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ’ অধ্যায়ের গত দুই শত ছয়টি (পর্ব: ২৮-২৩২) পর্বে করা হয়েছে। সেই প্রক্রিয়া-টি হলো, ‘যদি কেউ তাঁকে নবী হিসাবে স্বীকার করে তাঁর মতবাদে দীক্ষিত হয়, “কিংবা” অবনত মস্তকে করজোড়ে তাঁকে জিজিয়া প্রদান করতে রাজী হয়, তবেই তাঁরা নিরাপদ (কুরআন: ৯:২৯)! অন্যথায় যে কোন মূহর্তে তাঁদের উপর চালানো হবে অতর্কিত আগ্রাসী আক্রমণ, তাঁদের সমস্ত সম্পদ জোরপূর্বক করা হবে লুণ্ঠন এবং তাঁকে ও তাঁদের স্ত্রী-সন্তান, পিতা-মাতা, ভাই-ভগ্নী, পরিবার-পরিজনদের জোরপূর্বক ধরে নিয়ে এসে করা হবে দাস ও যৌন-দাসী-তে রূপান্তর ও ভাগাভাগি! এমত পরিস্থিতি-তে মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের সন্ত্রাস ও কঠোরতা থেকে পরিত্রাণ, নিরাপত্তা ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা প্রাপ্তির প্রত্যাশায় জনসাধারণ সবচেয়ে সহজ যে কাজটি করতে পারে, তা হলো, “মুহাম্মদ-কে নবী হিসাবে মেনে নিয়ে তাঁর বশ্যতা স্বীকার কারা!” এ বিশয়ের আলোচনা ‘আমর বিন আল-আ’স ও খালিদ বিন আল-ওয়ালিদের ইসলাম গ্রহণ’ পর্বে (পর্ব: ১৭৭-১৭৮) করা হয়েছে।

এই প্রক্রিয়ার অবশ্যম্ভাবী ফলাফল হলো, মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের ক্ষমতা বৃদ্ধির সাথে পাল্লা দিয়ে নিজ ও পরিবারের নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধা লাভের প্রত্যাশায়, মানুষের দলে দলে “মুখে ইসলাম মনে মুনাফিক, মুখে চাটুকারিতা অন্তরে বিষ” আচরণ! তাঁদের সংখ্যা ছিল অসংখ্য! তাঁদের গতিবিধি ছিল সর্বত্র! এই অতি সহজ সত্যটি যে ব্যক্তি অনুধাবন করতে অক্ষম তাঁর প্রতি অনুরোধ এই যে, তিনি যেন কোন নৃশংস স্বৈরশাসক বা সন্ত্রাসীর এরূপ কর্ম-কাণ্ডের কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার প্রয়োজনে সাধারণ জনগণ ‘তাঁদের নিরাপত্তার প্রয়োজনে’ কীরূপ আচরণ করে, তা যেন চিন্তা ও কল্পনা করেন!

মুহাম্মদের মৃত্যুর পর মানুষের “দলে দলে ইসলাম ত্যাগ” করার ইতিহাস ও ইসলামের ইতিহাসের প্রথম খুলাফায়ে রাশেদিন আবু বকর ইবনে কুহাফার ক্ষমতা দখলের পরেই এই ইসলাম ত্যাগীদের বিরুদ্ধে তার একের পর এক নৃশংস সামরিক অভিযানের ইতিহাস হয়তো শিক্ষিত মুসলমানদের অনেকেই অবগত আছেন; ইসলামের ইতিহাসে যা “রিদ্দার যুদ্ধ” নামে বিখ্যাত, যা সংঘটিত হয়েছিল ৬৩২-৬৩৩ সালে। কিন্তু যে তথ্যটি বোধ করি তাঁদের সিংহভাগেরই অজানা তা হলো,

“মানুষের এই দলে দলে ইসলাম ত্যাগের সূত্রপাত হয়েছিল নবী ‘মুহাম্মদের জীবদ্দশায়’, তাঁর শেষ অসুস্থতার সময়টিতে।”

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের বর্ণনা মতে নবী মুহাম্মদ অসুস্থ হোন তাঁর ‘বিদায় হজ’ থেকে মদিনায় প্রত্যাবর্তনের অল্প কিছু দিন পর, হিজরি দশ সালের মহরম মাসে; আর আল-ওয়াকিদির বর্ণনা মতে তা ছিল হিজরি দশ সালের সফর মাস শেষ হওয়ার দুই দিন আগে। মুহাম্মদের চরম-অসুস্থতা ও মৃত্যু-কালীন সময়ে ‘ক্ষমতার দ্বন্দ্বে’ এই বিশয়-টি উলঙ্গ হয়ে পড়ে। সেই সময়টিতে, শুরু হয় মানুষের দলে দলে ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করার হিড়িক (প্রথম রিদ্দা)। শুধু তাইই নয়, মুহাম্মদের প্রতিপক্ষ হিসাবে তিন ব্যক্তি দাবী করে যে তারা নবী। তারা হলেন: ইয়েমেন অঞ্চল থেকে আল-আসওয়াদ (Al Aswad), যার অন্য নাম হলো ধু আল-খিমার আবহালাহ বিন কাব (Dhu Al-Khimar Abhalah bin Ka’b); আল-ইয়ামামা অঞ্চল থেকে মুসায়লিমা বিন হাবিব (Musaylimah bin Habib); ও বানু আসাদ অঞ্চল থেকে তুলায়েহা (Tulayhah)। মুহাম্মদের মৃত্যুর একদিন, কিংবা এক রাত্রি আগে তাঁর বাহিনী আল-আসওয়াদ-কে হত্যা করে; মুসায়লিমা ও তুলায়েহা যায় পালিয়ে যায় (এ বিষয়গুলোর বিস্তারিত আলোচনা পরবর্তীতে করা হবে)। [9]

অন্যদিকে, মুহাম্মদ পরবর্তী সময়ে “ইসলামে-বহাল” অনুসারীদের ইতিহাস হলো এই:

আদি উৎসে মুহাম্মদ ইবনে ইশাক, আল-তাবারী, ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিমের ওপরে বর্ণিত বর্ণনায় যা সুস্পষ্ট, তা হলো, নবী মুহাম্মদ তাঁর ভাই ও জামাতা আলী ইবনে আবু-তালিবের সাথে সম্পর্কের তুলনা করেছিলেন, এই বলে:

“আমার কাছে তুমি এমন যেমন মুসার কাছে ছিল হারুন, পার্থক্য এই যে আমার পরে আর কোন নবী থাকবে না”‘

ইসলামের শিক্ষা ও আদর্শ অনুযায়ী হযরত হারুন (আঃ) ছিলেন একজন সম্মানিত নবী। অর্থাৎ, মুহাম্মদের অন্তরে, আলী ইবনে আবু তালিবের মর্যাদা ছিল ‘নবী সাদৃশ্য!’ তা সত্বেও নবী মুহাম্মদের মৃত্যুর পর মুহাম্মদের অন্তরের এই ‘নবী সাদৃশ্য’ মানুষ-টি ও তাঁর একান্ত পরিবার সদস্যদের প্রতি ‘আবু বকর ও উমর গং’ ও তার সহযোগীরা কীরূপ আচরণ করেছিলেন, তার বিশদ ও বিস্তারিত আলোচনা ইতিমধ্যেই করা হয়েছে (পর্ব: ১৫৪-১৫৮)।

সত্য হলো, মুহাম্মদ তাঁর সন্ত্রাসী আদর্শ ও কর্ম-কাণ্ডের মাধ্যমে ‘অসংখ্য মুনাফিক (ভণ্ড)’ সৃষ্টি করেছিলেন, যারা তাঁর মৃত্যু পরবর্তী সময়ে ‘তাঁরই ফরমুলা’ অনুসরণ করে তাদের নিজেদের ক্ষমতা কুক্ষিগত করেছিলেন। যাদের কবল থেকে তাঁর একান্ত পরিবার সদস্যরাও রক্ষা পায় নাই (পর্ব-১৫৭)!

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, “মুহাম্মদের মৃত্যুর (জুন, ৬৩২ সাল) ৪৮ বছরের মধ্যে মুহাম্মদ অনুসারীরা তাঁর একান্ত নিকট-পরিবারের সমস্ত সক্ষম ও প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্যদের প্রচণ্ড নিষ্ঠুরতায় একে একে খুন করেছিলেন (পর্ব-৬৪)।” সেটি ছিল সূচনা মাত্র!

(চলবে)

তথ্যসূত্র ও পাদটীকা:

[1] মুহাম্মদ ইবনে ইশাক: পৃষ্ঠা ৬০৪- ৬০৫
http://www.justislam.co.uk/images/Ibn%20Ishaq%20-%20Sirat%20Rasul%20Allah.pdf

[2] অনুরূপ বর্ণনা: আল-তাবারী; ভলুউম ৯, পৃষ্ঠা ৫১
https://onedrive.live.com/?authkey=%21AJVawKo7BvZDSm0&cid=E641880779F3274B&id=E641880779F3274B%21294&parId=E641880779F3274B%21274&o=OneUp

[3] Ibid আল-তাবারী; নোট নম্বর ৩৬৭: ‘আল-জুরফ’ – মদিনা থেকে ছয় কিলোমিটার দূরবর্তী সিরিয়া যাত্রাপথের একটি স্থান, যেখানে মুসলমানরা কোন অভিযানে রওনা হওয়ার আগে শিবির স্থাপন করতো।’

[4] আল-ওয়াকিদি, ভলুম ৩; পৃষ্ঠা ৯৯৫; ইংরেজি অনুবাদ: Rizwi Faizer, Amal Ismail & Abdul Kader Tayob, পৃষ্ঠা ৪৮৮
https://books.google.com/books?id=gZknAAAAQBAJ&printsec=frontcover&dq=kitab+al+Magazi-+Rizwi+Faizer,+Amal+Ismail+and+Abdul+Kader+Tayob&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwjo7JHd7JLeAhUkp1kKHTmLBGcQ6AEIKzAB#v=onepage&q&f=false

[5] অনুরূপ বর্ণনা: Ibid ইবনে ইশাক; ইবনে হিশামের নোট নম্বর ৮৬০, পৃষ্ঠা ৭৮৩:

[6] সহি বুখারি: ভলুম ৫, বই নম্বর ৫৯ ও হাদিস নম্বর ৭০০
https://quranx.com/hadith/Bukhari/USC-MSA/Volume-5/Book-59/Hadith-700/

[7] সহি মুসলিম: বই নম্বর ৩১, হাদিস নম্বর ৫৯১৪
https://quranx.com/hadith/Muslim/USC-MSA/Book-31/Hadith-5914/

[8] আল-তাবারী: ভলুউম ৬, ইংরেজি অনুবাদ: W. Montgomery Watt and M.V McDonald, [State university of New York press, Albany, @1988, New-York 12246, ISBN 0-88706-707-7 (pbk) পৃষ্ঠা ৮০-৮৭
https://onedrive.live.com/?authkey=%21AJVawKo7BvZDSm0&cid=E641880779F3274B&id=E641880779F3274B%21291&parId=E641880779F3274B%21274&o=OneUp

[9] Ibid আল-তাবারী; ভলুউম ৯; পৃষ্ঠা ৯৪-৯৭ ও ১৬৪-১৬৭

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 13 = 20