মানুষকে কি আল্লাহ সৃষ্টি করেছে


আল্লাহ যদি মানুষকে সৃষ্টি করে থাকে তাহলে আল্লাহ কি বলতে পারবে মানব দেহে কতোটা হার আছে? কোরআনে কোথাও কি লেখা আছে?কোরানে যদি বিজ্ঞানের তথ্য দেওয়া থাকে তাহলে মানবদেহের কোথায় কি আছে এই তথ্যগুলো নেই কেনো? যে বইয়ে বিজ্ঞানের ব”লেখা নেই সে বই কিভাবে বিজ্ঞানময় হয়, আর যে বিজ্ঞনের ব” জানেনা সে কি করে নিজেকে মহাবিজ্ঞানী দাবী করে?আল্লাহ বলেছেন কোরন বিজ্ঞান, আল্লাহ বিজ্ঞানী কিন্তু কোরান পড়ে আজ পর্যন্ত কাউকে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার বা বিজ্ঞানী হতে দেখেছেন? কোরানের অর্থ না বুঝে কোরান তেলাওয়াতের মানে কি? দুর্বোদ্ধ কথা কতগুলো তোতাপাখির মত আউড়ে যাওয়ার মানে কি? আর অর্থও তো ধ্বংসাত্বক। মার মার কাট কাট, হিটলারী ভাষা। নামাজ পরা তো আরো হাস্যকর। হুমায়ুন আজাদ কোথায় যেন লিখেছিলেন “বারবার একই কথা বলে বলে উঠ বস করা খুবই হাস্যকর ব্যাপার।” কোটি কোটি মানুষ মিলে একই কথা কত শতাব্দী ধরে কয় বার বলবে? আর কথাগুলো বলে বলে উঠ বস করতে হবে কেন? আল্লাহ থেকে থাকলে ও সুস্থ সবল থাকলে তো অনেক আগেই এজন্য বিরক্তি প্রকাশ করে এসব বন্ধ করতে বলতো! বরং আমি দেখেছি যারা সারাদিন কোরআন হাদিস নিয়ে বয়ান দেয় তারা কেউ ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার তো হয়নি উল্টো তাদের বিরুদ্ধে মাঝে মাঝে বালক-বালিকা ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া যায় আবার অনেকের মোবাইলে দেখি পর্নোগ্রাফিও ভরপুর। অর্থাৎ তারা সাধারন মানুষকে যেগুলো দেখতে নিষেধ করে উল্টো তারা নিজেরাই সেগুলো বেশি করে করে। আবার অনেক মোল্লা পুরোহিত অন্যের স্ত্রীকে নিয়ে হোটেলে আমোদ ফুর্তি করতে যায়।ধরা খাওয়ার পরে মানবিক বিয়ে এটা সেটা বলে চালিয়ে দেয়,একজন স্ত্রী দিয়ে তাদের পোষায় না এই জন্য একের পর এক বিয়ে দাসীর সাথে সহবাস এগুলোই করে ধর্মগ্রন্থ পড়ে।

এই ধর্মগ্রন্থগুলো আমাদের কি শিখিয়েছে বাল্যবিবাহ, সতীদাহ প্রথা, দোররা মারা ইত্যাদি এগুলোই তো ধর্মগ্রন্থ মানব সমাজের জন্য রেখে গেছে, এই আইন গুলো মানব সমাজের জন্য ক্ষতিকারক বলেই ধর্মীয় আইন কে বাতিল করে মানব সভ্যতার জন্য নতুন আইন তৈরি করে সেই বর্বর ধর্মীয় গ্রন্থের আইন বন্ধ করা হয়েছে। কারণ এগুলো এসব বর্বর প্রথা মানব সমাজের জন্য হুমকি স্বরূপ । এসব প্রথা যখন চালু ছিল, যারা এসব মেনে চলত তারা নিজেরাই নিজেদের ক্ষতি করে কখনো নিজের ক্ষতি বুঝতে পারেনি। কারণ ধর্ম মানুষকে অন্ধ করে দেয়, মুক্ত ভাবে চিন্তার স্বাধীনতা দেয়না। এখনো যেসব ধর্ম ও ধর্মীয় প্রথা পৃথিবীতে চালু আছে তা মানুষের জন্য মোটেও কল্যাণকর নয়। ধর্মগ্রন্থ পড়লে যে কারোই বোঝার কথা যে ধর্ম ঈশ্বরের নয় মানুষের সৃষ্টি। নিজের মাঝে ভালমন্দের বিচারবোধ ও নৈতিকতা থাকলে মানুষ অন্যায় করতে পারেনা। যে ধর্মগ্রন্থগুলো বর্বরতায় ভরা সেখানে মানবাধিকার খুঁজতে যাওয়া বৃথা।

যারা অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছে তাদের একটা দায়িত্ব আছে, যারা এখনো অন্ধকারে আছে তাদের প্রতি। তাই অন্য কাউকে অন্ধকারে ঢিল ছুঁড়তে দেখেও কি আমরা স্বার্থপরের মত তাদের তামাশা দেখবো নাকি মানবসভ্যতার মুক্তির জন্য লড়াই করবো?ধর্মের দোহাই মানুষ তখনি দেয় যখন মানুষের করার কিছুই থাকে না,ধর্ম কর্ম,বেহেশত দোযক,স্বর্গ নরক এ সবই মিথ্যে শান্তনা,সবচেয়ে বড় ধর্ম হচ্ছে মানব ধর্ম।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

49 + = 55