২৪১: তাবুক যুদ্ধ-১৪: মসজিদ ধ্বংসের আদেশ -অগ্নিদগ্ধ মুসল্লি!

“যে মুহাম্মদ (সাঃ) কে জানে সে ইসলাম জানে, যে তাঁকে জানে না সে ইসলাম জানে না।”

‘কুরআন’ ও আদি উৎসের মুসলিম ঐতিহাসিকদেরই বর্ণনায় আমরা জানতে পারি: “অমুসলিমদের” প্রতি সহিংসতা ও তাঁদের উপাসনালয় ও প্রতিমা ধ্বংসই শুধু নয়, প্রতিপক্ষ “মুসলমানদের” মুনাফিক আখ্যা দিয়ে তাঁদের মসজিদে ঢুকে ‘মসজিদে ধ্বংস ও উপাসনা-রত মুসল্লিদের আহত’ করার সর্বপ্রথম দৃষ্টান্তটি ও স্থাপন করেছিলেন নবী মুহাম্মদ (সাঃ) স্বয়ং! তাঁর আদেশে এই ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছিল তাবুক যুদ্ধের প্রাক্কালে, এই অভিযান শেষে মদিনায় প্রত্যাবর্তনের সময়টি-তে। আদি উৎসের বর্ণনায় ঘটনাটি ছিল নিম্নরূপ:

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের (ও আল-তাবারীর) বর্ণনা: [1] [2] [3]
(আল-ওয়াকিদির বর্ণনা, ইবনে ইশাকের বর্ণনারই অনুরূপ।)
পূর্ব প্রকাশিতের (পর্ব: ২৪০) পর:

‘আল্লাহর নবী তাঁর [তাবুক] যাত্রা অব্যাহত রাখেন ও ধু আওয়ান (Dhu Awan) নামক শহরে এসে যাত্রা বিরতি দেন, যা ছিল মদিনা থেকে দিনের আলোয় এক ঘণ্টার যাত্রা। যাত্রা বিরতির পর মুহাম্মদ যখন তাবুকের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, প্রতিপক্ষের মসজিদ (‘মসজিদ আল-দিরার, বা মতবিরোধের মসজিদ’) মালিকরা মুহাম্মদের কাছে এসে বলে, “আমার অসুস্থ ও দরিদ্র মানুষদের জন্য ও খারাপ আবহাওয়ায় রাত্রি যাপনের জন্য এক মসজিদ নির্মাণ করেছি; আমাদের অবশ্য ইচ্ছা এই যে, আপনি আমাদের নিকট আসবেন ও সেখানে আমাদের জন্য দোয়া করবেন।” তিনি বলেন যে তিনি ভ্রমণে আছেন ও তিনি ব্যস্ত, অথবা এই জাতীয় কিছু কথা; যদি আল্লাহ চায়, আসার সময় তিনি সেখানে যাবেন ও তার ভিতরে তিনি তাদের জন্য দোয়া করবেন। [4]

তিনি যখন ধু আওয়ানে এসে থামেন তখন মসজিদের ব্যাপারে তাঁর কাছে (আল-ওয়াকিদি: ‘আসমান থেকে’) খবর আসে;

অতঃপর তিনি বানু সালিম বিন আউফ গোত্রের মালিক বিন আল-দুখশাম ও বানু আল-আজলান গোত্রের মা’ন বিদ আদি (অথবা তার ভাই আসিম) নামের দুই অনুসারী-কে ডেকে আনেন ও তাদের-কে বলেন যে, তারা যেন ঐ অসৎ লোকগুলোর মসজিদে যায় ও তা ধ্বংস করে ও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলে।

তারা দ্রুত বানু সালিম বিন আউফ গোত্রের লোকদের এলাকায় যায়, মলিক ছিল সেই গোত্রেরই একজন; অতঃপর মালিক মা’ন-কে বলে, “আমি আমার লোকজনদের কাছ থেকে আগুন নিয়ে ফিরে আসার পূর্ব পর্যন্ত তুমি আমার জন্য অপেক্ষা করো।”

অতঃপর সে তাদের লোকজনদের কাছে যায় ও পাম গাছের একটি ডাল নিয়ে এসে তাতে আগুন ধরায়। অতঃপর এই দুই জন (আল-ওয়াকিদি: ‘মাগরিব ও ইশার নামাজের মাঝখানে’) মসজিদের ভিতরে লোকজন থাকা অবস্থাতেই দৌড়ে মসজিদটির ভিতর প্রবেশ করে ও তা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলে ও ধ্বংস করে; ভিতরের লোকজন দৌড়ে পালিয়ে যায়।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কুরআনের একটি অংশ নাজিল হয়: [5]

৯:১০৭“আর যারা নির্মাণ করেছে মসজিদ জিদের বশে এবং কুফরীর তাড়নায় মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃস্টির উদ্দেশ্যে এবং ঐ লোকের জন্য ঘাটি স্বরূপ যে পূর্ব থেকে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে যুদ্ধ করে আসছে, আর তারা অবশ্যই শপথ করবে যে, আমরা কেবল কল্যাণই চেয়েছি। পক্ষান্তরে আল্লাহ সাক্ষী যে, তারা সবাই মিথ্যুক।”

৯:১০৮ “তুমি কখনো সেখানে দাড়াবে না, তবে যে মসজিদের ভিত্তি রাখা হয়েছে তাকওয়ার উপর প্রথম দিন থেকে, সেটিই তোমার দাঁড়াবার যোগ্য স্থান। সেখানে রয়েছে এমন লোক, যারা পবিত্রতাকে ভালবাসে। আর আল্লাহ পবিত্র লোকদের ভালবাসেন।”

যে বারো জন (আল-ওয়াকিদি: ‘পনের জন’) লোক এটি নির্মাণ করেছিল, তারা হলো:

[১] বানু উবায়েদ বিন যায়েদ গোত্রের খিদাম বিন খালিদ, বানু আমর বিন আউফ গোত্রের এক লোক, তার বাড়িটি উন্মুক্ত ছিল বিভেদ সৃষ্টির মসজিদের দিকে;

[২] বানু উমাইয়া বিন যায়েদ গোত্রের থালাবা বিন হাতিব;

[৩] [৪] মুয়াততিব বিন কুশায়ের ও আবু হাবিবা বিন আল-আযার, উভয়েই ছিল বানু দুবায়া বিন যায়েদ গোত্রের;
[৫] আববাদ বিন হুনায়েফ, বানু আর বিন আউফ গোত্রের সাল (বিন হুনায়েফ) এর ভাই;

[৬] জারমিয়া বিন আমির ও তার দুই পুত্র,
[৭] [৮] মুজামমি ও যায়েদ;

[৯] নাবতাল বিন আল-হারিথ,
[১০] বাহযাজ ও
[১১] বিজাদ বিন উসমান, সকলেই ছিল বানু দুবায়া গোত্রের; এবং

[১২] বানু উমাইয়া বিন যায়েদ গোত্রের ওয়াদিয়া বিন থাবিত, আবু লুবাবা বিন আবদুল-মুনদির বংশের।

তাবুক ও মদিনার মধ্যবর্তী স্থানে নবীর মসজিদের নামগুলো সুপরিচিত। সেগুলো হলো: তাবুকের মসজিদগুলো; থানিয়াতু মিদরান; ধাতুল যিরাব; আল-আখদার; ধাতুল খিতমি; আলা; কাওয়াকিবের শেষাংশে আল-বাতরার পাশে; শিক (Shiqq); শিক তারা; ধুল জিফা; সদর হাউদা; আল-হিজর; আল-সাইদ; উপত্যকাটি, যা আজ ওয়াদি আল-কুরা নামে পরিচিত; শিক্কার আল-রুকা, বানু উধরা গোত্রের শিক্কা; ধু আল-মারওয়া; ফায়েফা; ও ধু খুশুব।’

আল-ওয়াকিদির অতিরিক্ত ও বিস্তারিত বর্ণনা: [3]

‘সে বলেছে: আবদ আল-হামিদ বিন জাফর আমাকে <ইয়াযিদ বিন রুমান হইতে [প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে] বর্ণনা করেছে, যে বলেছে: আল্লাহর নবী ধু-আওয়ানে এসে তাঁর যাত্রা বিরতি দেন। মতবিরোধের মসজিদটির পাঁচজন সহচর তাঁর কাছে আসে। তারা হলো:

[১] মুয়াততিব বিন কুশায়ের;
[২] থালাবা বিন হাতিব;
[৩] খিদাম বিন খালিদ;
[৪] আবু হাবিবা বিন আল-আযার; ও
[৫] আবদুল্লাহ বিন নাবতাল বিন আল-হারিথ।

তারা বলে: “নিশ্চিতই, আমরা আমাদের পিছনে থাকা সহচরদের বার্তাবাহক। আমরা দরিদ্র, অভাবী ও সেই সাথে বৃষ্টিপাত ও শীতকালীন রাত্রির জন্য এক মসজিদ নির্মাণ করেছি; এবং আমরা চাই যে আপনি এর ভিতরে এসে আমাদের সাথে প্রার্থনা করবেন!”

আল্লাহর নবী তাবুকে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তিনি বলেন, “বস্তুত, আমি ভ্রমণে যাচ্ছি ও খুব ব্যস্ত আছি। যখন আমরা ফিরে আসবো, আমরা এতে তোমাদের সাথে প্রার্থনা করব।”

কিন্তু, তাবুক থেকে ফিরে আসার প্রাক্কালে আল্লাহর নবী যখন ধু আওয়ানে এসে পৌঁছেন, তখন এটির ও এর লোকদের ব্যাপারে তাঁর কাছে আসমান থেকে খবর আসে। নিশ্চিতই তারা এর নির্মাতা ও তারা নিজেদের মধ্যে বলছিল, “আবু আমির; আমাদের কাছে আসবে ও এর ভিতরে আমাদের সাথে কথা বলবে। বস্তুত, সে বলবে: ‘আমি বানু আমর বিন আউফদের মসজিদে আসতে অপারগ। নিশ্চিতই, আল্লাহর নবীর সঙ্গীরা আমাদের-কে তাদের চোখ দিয়ে অনুসরণ করবে।”

আল্লাহ বলেছে: (এটি নির্মিত হয়েছে) একজন লোকের উদ্যোগে, ‘যে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে যুদ্ধ করে আসছে’ [কুরআন: ৯:১০৭] —–যার অর্থ হলো আবু আমির।

আল্লাহর নবী আসিম বিন আদি আল-আজলানি ও মালিক বিন আল-দুখশাম আল সালিমি-কে ডেকে পাঠান ও বলেন, “এই মন্দ লোকদের মসজিদে যাও ও তা ধ্বংস করো ও পুড়িয়ে ফেলো!”

তাই তারা দ্রুত পায়ে হেঁটে অগ্রসর হয় যতক্ষণে না তারা বানু সালিম গোত্রের মসজিদের কাছে আসে। মালিক বিন দুখশাম, আসিম বিন আদি-কে বলে: “তোমার কাছে আমার লোকদের কাছ থেকে আগুন নিয়ে না আসা পর্যন্ত তুমি আমার জন্য অপেক্ষা করো।” সে তার লোকদের সাথে দেখা করে ও খেজুর গাছ থেকে একটি ডাল এনে তাতে আগুন ধরায়। অতঃপর, তারা উভয়ে দ্রুতগতিতে দৌড়ে আসে ও মাগরিব ও ইশার নামাজের মধ্যবর্তী সময়ে মসজিদটি-তে এসে পৌঁছে, যখন তারা এটির ভিতরে অবস্থান করছিল। সেই সময় তাদের ইমাম ছিল মুজামমি বিন জারিয়া।

আসিম বলেছে: আমাদের কাছে তাদের আগমনের ঘটনাটি আমি ভুলবো না, এই কারণে যে তাদের চিৎকার ছিল নেকড়ের চিৎকার। আমরা এটি পুড়িয়ে দিয়েছিলাম যতক্ষণ না এটি পুড়ে ধূলিসাৎ হয়ে যায়।

যারা এটির ভিতরে ছিল তাদের মধ্যে ছিল যায়েদ বিন জারিয়া বিন আমির; এমনকি তার অণ্ডকোষটি (scrotum) পুড়ে গিয়েছিল।

আমরা মসজিদটি ধ্বংস করেছিলাম ও এটিকে মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছিলাম ও লোকজন ছত্রভঙ্গ হয়ে গিয়েছিল।’

– অনুবাদ, টাইটেল ও [**] যোগ – লেখক।

>>> আদি উৎসের মুসলিম ঐতিহাসিকদেরই বর্ণনায় আমরা ইতিমধ্যেই জেনেছি: ইসলামের ইতিহাসে যে ব্যক্তিটি সর্বপ্রথম ‘মক্কা ও কাবা-শরীফের অবমাননা’ করেছিলেন, তিনি ছিলেন নবী মুহাম্মদ স্বয়ং (পর্ব: ১৯২ ও ১৯৭)। আর কুরআন ও আদি উৎসে মুহাম্মদ ইবনে ইশাক, আল-তাবারী ও আল-ওয়াকিদির ওপরে বর্ণিত বর্ণনায় যা অত্যন্ত সুস্পষ্ট, তা হলো: “অমুসলিমদের” দেবদেবীর মূর্তি ও মন্দির ধ্বংসই শুধু নয়, প্রতিপক্ষ “মুসলমানদের” মুনাফিক আখ্যা দিয়ে তাঁদের মসজিদে ঢুকে সেখানে উপাসনা-রত মুসল্লিদের আক্রমণ ও তাঁদের মসজিদ ধ্বংসও স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর শিক্ষা ও আদর্শের অন্তর্ভুক্ত!

ইসলামের ইতিহাস পর্যালোচনায় আমরা ইতিমধ্যেই জেনেছি:

“মুসলমান-মুসলমানদের মধ্যে বিভাজনের সুত্রপাত করেছিলেন নবী মুহাম্মদ; আর সেই বিভাজনের নাম ‘মুমিন ও মুনাফিক’!”

এ বিশয়ের বিস্তারিত আলোচনা “মুমিন বনাম মুনাফিক–বিভাজনের শুরু” পর্বে (পর্ব: ৯৮) করা হয়েছে। আজকের পৃথিবীর যে সমস্ত “সাচ্চা মুমিন” তাঁদের জীবন বাজী রেখে প্রতিপক্ষ মুসলমানদের মসজিদে ঢুকে মানুষ হত্যা ও মসজিদ ধ্বংস করছেন, তাঁদের প্রেরণার আদি উৎস হলো মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহর এই সকল কর্মকাণ্ড।

[ইসলামী ইতিহাসের ঊষালগ্ন থেকে আজ অবধি প্রায় প্রতিটি ইসলাম বিশ্বাসী প্রকৃত ইতিহাস জেনে বা না জেনে ইতিহাসের এই অধ্যায়গুলো যাবতীয় চতুরতার মাধ্যমে বৈধতা দিয়ে এসেছেন। বিষয়গুলো অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিধায় বাংলা অনুবাদের সাথে আল-ওয়াকিদির ওপরে বর্ণিত বর্ণনার মূল ইংরেজি অনুবাদটি সংযুক্ত করছি; অন্যান্য রেফারেন্সের ইন্টারনেট ডাউন-লোড লিংক: তথ্যসূত্র দ্রষ্টব্য।]

The narratives of Al-Waqidi: [3]

‘He said: ‛Abd al-Ḥamῑd b. Ja‛far related to me from Yazῑd b. Rūmān, who said: The Messenger of God approached until he alighted in Dhū Awān. Five of the companions of the Mosque of Dissent came to him. They were: Mu‛attib b. Qushayr, Tha‛laba b. Ḥāṭib, Khidhām b. Khālid, Abū Ḥabība b. al-Az‛ar, and ‛Abdullah b. Nabtal b. al-Ḥārith. [Page 1046] They said, “Indeed, we are messengers of those of our companions who are behind us. We have built a mosque for the poor and needy as well as for rainy nights and wintry nights, and we would like you to come and pray in it with us!” The Messenger of God was preparing to go to Tabūk. He said, “Indeed, I am about to travel and am very busy. When we arrive, we will come and pray in it with you.”

But when the Messenger of God came down to Dhū Awān, returning from Tabūk, news of it and its people came to him from the heavens. They were surely its builders, and they said among themselves, “Abū ‛Āmir; will come to us and talk with us in it. Indeed, he will say: I am not able to come to the mosque of the Banū ‛Amr b. ‛Awf. Indeed, the companions of the Messenger of God will follow us with their eyes.” God says: [It was built] in preparation for one who warred against God and His Apostle … meaning Abū ‛Āmir;. The Messenger of God called ‛Āṣim b. ‛Adῑ al-‛Ajlānῑ and Mālik b. al-Dukhshum al-Sālimῑ and said, “Go to this mosque whose people are evil, and demolish it and burn it!” So they set out swiftly on their feet until they came to Masjid Banῑ Sālim. Mālik b. Dukhsham said to ‛Āṣim b. ‛Adῑ, “Wait for me until I come out to you with fire from my people.” He visited his people, and took a palm from the date palm and set it on fire. Then they both came out swiftly running until they reached the mosque between the prayers of Maghrib and ‛Ishā’ while they were in it. Their imam was at that time Mujammi‛ b. Jāriya. ‛Āṣim said: I shall not forget their coming to us as their call is the call of the wolf. We burned it until it was burned down. He who stayed in it from among them was Zayd b. Jāriya b. ‛Āmir; even his scrotum was burned. We destroyed the mosque until we put it in the ground, and the people dispersed.’ —-

(চলবে)

তথ্যসূত্র ও পাদটীকা:
[1] মুহাম্মদ ইবনে ইশাক: পৃষ্ঠা ৬০৯-৬১০
http://www.justislam.co.uk/images/Ibn%20Ishaq%20-%20Sirat%20Rasul%20Allah.pdf

[2] অনুরূপ বর্ণনা: আল-তাবারী; ভলুউম ৯, পৃষ্ঠা ৬০-৬১
https://onedrive.live.com/?authkey=%21AJVawKo7BvZDSm0&cid=E641880779F3274B&id=E641880779F3274B%21294&parId=E641880779F3274B%21274&o=OneUp

[3] অনুরূপ বর্ণনা: আল-ওয়াকিদি, ভলুম ৩; পৃষ্ঠা ১০৪৫- ১০৪৬, ইংরেজি অনুবাদ: Rizwi Faizer, Amal Ismail & Abdul Kader Tayob, পৃষ্ঠা ৫১২- ৫১৩
https://books.google.com/books?id=gZknAAAAQBAJ&printsec=frontcover&dq=kitab+al+Magazi-+Rizwi+Faizer,+Amal+Ismail+and+Abdul+Kader+Tayob&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwjo7JHd7JLeAhUkp1kKHTmLBGcQ6AEIKzAB#v=onepage&q&f=false
[4] Ibid আল-তাবারী – ভলিউম ৯: নোট নম্বর ৪২০:
ধু আওয়ান – ‘বলা হয়, মদিনা থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ধ্বংসাবশেষ-টি হলো মতবিরোধের মসজিদটির স্থান।’

[5] কুরআনেরই উদ্ধৃতি ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ কর্তৃক বিতরণকৃত তরজমা থেকে নেয়া। অনুবাদে ত্রুটি-বিচ্যুতির দায় অনুবাদকারীর। http://www.quraanshareef.org/
কুরানের ছয়জন বিশিষ্ট ইংরেজি অনুবাদকারীর ও চৌত্রিশ-টি ভাষায় পাশাপাশি অনুবাদ:
https://quran.com/

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

39 − = 29