সেই তারিক – ৪

এখন ৬টা ১০ বাজে। চারিদিক অন্ধকার হয়ে গেছে। পরিকল্পনা আবার খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কে কোথায় যাবে তাও ঠিক হয়ে গিয়েছে আগে। তারিকের পরিকল্পনা অনুযায়ী যুদ্ধ হবে। তারিক আবার সবাইকে সংক্ষেপে সব বলে দিল। দুটি চেক পয়েন্ট, সেখানে সাত জন করে মোট চৌদ্দ জন। বাকিরা সেই ঘাটিতে একটু আগে দেখে এসেছে সে ।এই সময় শিফট চেঞ্জ হয়ে আগে যারা চেক পোস্টে ছিল তারা এখন ঘুমায়।প্রতিদিনের রুটিন এটাই।তারিক এটাও মাথায় রেখে পরিকল্পনা করেছে।মুক্তিযোদ্ধারা তারিকের পরিকল্পনা অনুযায়ী ভাগ হবে এখন। দুই চেক পোস্টে পাঁচ জন করে মোট দশ জন যাবে। চেক পোস্ট ও ক্যাম্পের মাঝা মাঝি যায়গায় থাকবে দুই জন করে মোট চার জন। এরা সংবাদ আদান প্রদান করবে।বাকিরা থাকবে ক্যাম্প কে ঘিরে।



(৪)
_________ এখন ৬টা ১০ বাজে। চারিদিক অন্ধকার হয়ে গেছে। পরিকল্পনা আবার খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কে কোথায় যাবে তাও ঠিক হয়ে গিয়েছে আগে। তারিকের পরিকল্পনা অনুযায়ী যুদ্ধ হবে। তারিক আবার সবাইকে সংক্ষেপে সব বলে দিল। দুটি চেক পয়েন্ট, সেখানে সাত জন করে মোট চৌদ্দ জন। বাকিরা সেই ঘাটিতে একটু আগে দেখে এসেছে সে ।এই সময় শিফট চেঞ্জ হয়ে আগে যারা চেক পোস্টে ছিল তারা এখন ঘুমায়।প্রতিদিনের রুটিন এটাই।তারিক এটাও মাথায় রেখে পরিকল্পনা করেছে।মুক্তিযোদ্ধারা তারিকের পরিকল্পনা অনুযায়ী ভাগ হবে এখন। দুই চেক পোস্টে পাঁচ জন করে মোট দশ জন যাবে। চেক পোস্ট ও ক্যাম্পের মাঝা মাঝি যায়গায় থাকবে দুই জন করে মোট চার জন। এরা সংবাদ আদান প্রদান করবে।বাকিরা থাকবে ক্যাম্প কে ঘিরে।
তারিকের পরিকল্পনা হল প্রথমে তারা চেক পোস্ট গুলো আক্রমণ করবে এতে গোলা গুলির আওয়াজ শুনে ক্যাম্পের সৈন্যরা যখন চেকপোস্টের দিকে যাবে তখন অন্য রা তাদের উপর হামলা করবে। এতে করে চেক পোস্ট আগে দখল হবে। যার ফলে নতুন সৈন্যরা যখন আসবে তারা গ্রামে প্রবেশ করতে পারবে না।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ভাগ হয়ে গেল যে যার স্থলে। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে আছে কমান্ডার। আর বাকি সবাই তার দিকে। তার মুখে জয় বাংলা উচ্চারিত হবার অপেক্ষায়। ঘড়িতে এখন বাজে ৬টা ২৮ সবার হৃৎস্পন্দন বৃদ্ধি পেতে লাগে। নিজ নিজ অস্ত্র পরীক্ষা করে নেয় তারা। আর কয়েক সেকেন্ড বাকি ৬টা ৩০ বাজতে। কমান্ডার উচ্চস্বরে বলে উঠলো “জয় বাংলা”। আর দেরি করলো না কেউ, তাদের বহু প্রতীক্ষিত সময় এসে গেছে। শুরু হল গোলা গুলি। চেকপোস্টে দেয়ালের বাইরে থাকা সৈন্যদের তো মারা গেল কিন্তু ভেতরে থাকা লোক গুলোকে মারা যাচ্ছে না। এদিকে আবার পেছনে ক্যম্প থেকে আক্রমণ করতে মিলিটারিরা উদ্যত। ক্যাম্প কে ঘিরে যে মুক্তি বাহিনীরা আছে তা নগণ্য। তাদের হাতে দুই জনের কাছে ভারি অস্ত্র আর বাকিদের কাছে থ্রি নট থ্রি। এখন পেছনে মুক্তিবাহিনী না পাঠালে হারতে হবে। কিন্তু ক্যাম্প দখল ও জরুরি। এদিকে গেনেড শুধু ক্যাম্পের ওখানে যে যোদ্ধা আছে তাদের কাছে। এমন সময় তারিকের আগমন। সিফাত মামার নিষেধ শর্তেও সে এখানে এসেছে। গোলাগুলির শব্দ শুনে তারিকের সেই ২৫শে মার্চ কাল রাতের ঘটনা মনে পড়ে গিয়েছিল। তার বাবার আদেশ যুদ্ধ করা। সে এই আদেশ পালন করবে।
তারিক দোকানে রেখে আসা কিছু গ্রেনেড ও একটি মেশিন গান নিয়ে আসলো খুব কষ্টে। তারিকের জন্য সেই গুলো অনেক ভারী। তারিক প্রথমে এক চেকপোস্টে গেল। সেখানে তারিক কে দেখে অন্য মুক্তিযোদ্ধারা তারিকে বকতে লাগলো। কিন্তু তারিক তাদের বলল এটা শাসন করার সময় নয়। তারিক দ্রুত তার ব্যগ থেকে একটা গ্রেনেড বের করে দিল। তারিকের কথা মত গ্রেনেড টা ছুড়ে মারা হল। এর পর কিছুক্ষণ গোলা গুলি বন্ধ রাখলো মুক্তিবাহীনিরা। চেকপোস্টের মিলিটারিদের থেকেও কোন গুলি করা হল না। এবার হয়তো মারা গিয়েছে মিলিটারিরা। এই চেকপোস্টের মুক্তিযোদ্ধারা ও তারিকের মুখে হাসি। কিন্তু পরক্ষনেই অন্যদের কথা মনে পড়ল। তারিক চেকপোস্টের কাছে চার জন যোদ্ধাকে থাকতে বলে বাকিদের নির্দেশ দিল ক্যম্পের যোদ্ধাদের সাহায্য করতে এগিয়ে যেতে।

তারিক গ্রেনেড নিয়ে এখন যাচ্ছে অন্য চেকপোস্টে সেখানে গিয়ে দেখে চেকপোস্ট দখল করা হয়ে গেছে। সেখানকার মিলিটারিরা বাইরে দাঁড়িয়ে কথা বলছিল এমন সময় আক্রমণ করা হয় তাই সহজেই দখল হয়। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী এখানেও চার জন থেকে বাকি তিন জন ক্যম্পের কাছে চলে গিয়েছে। সংবাদ আদান প্রদানের জন্য বরাদ্দ যোদ্ধারাও এখন ক্যম্পের ওখানে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে। চেকপোস্টের মত এখানে সহজেই জিতা যাচ্ছে না।
ক্যাম্পে আছে বিপুল অস্ত্র ও গোলা বারুদ। সেখানে মুক্তিবাহীনির অস্ত্র গুলো খেলনা স্বরূপ। হঠাৎ একটি গুলি এসে এক মুক্তিযোদ্ধার কপালে লাগলো। সাথে সাথে মৃত্যু হল তার। এই প্রথম এক জন মারা গেল এই যুদ্ধে। তারিক তার স্থান দখন করলো। এর আগে তারিক অস্ত্র চালায় নি। কিন্তু পূর্বের জ্ঞান এবং এতক্ষণের পর্যবেক্ষণ থেকে ভালই ধারণ হয়েছে তারিকের। সে অস্ত্র চালাতে লাগলো। প্রথম গুলিটা লক্ষ্য ভ্রষ্ট হয়। কিন্তু এর পর সে অস্ত্রটা আয়ত্তে আনতে পারে। তারিক ও এখন যোদ্ধা সে তার বাবার একটি ইচ্ছা পূর্ণ করেছে। তার লক্ষ্য এখন তার বাবার আরেক ইচ্ছা। সেটা হল বাংলাদেশ স্বাধীন করা।

এত ক্ষণে বিশ্রামরত সৈন্যরাও যুদ্ধে অংশ নীল। কিন্তু মিলিটারিরা যে ঘরে অস্ত্র রাখে সেই দিকে যেতে পারছে না মিলিটারিরা। তাদের কাছে গোলা বারুদ সীমিত। তারিক সিদ্ধান্ত নীল কয়েক জন কে নিয়ে সে ঐ ওস্তাগর দখন করবে। এতে মিলিটারিরা আর গোলা বারুদ পাবে না। বাধ্য হয়ে তাদের আত্মসমর্পণ করতে হবে। যেই ভাবা সেই কাজ। অতি উৎসাহী তারিক এখন অস্ত্রাগার দখলের পথে। তারিকের সাথে আরো তিন জন যোদ্ধা। তারা অস্ত্রাগারের খুব কাছেই পৌঁছে গেল। এর মধ্যেই তাদের এক জনের হাতে মিলিটারিদের গুলি লাগলো। একটুর জন্য মাথায় লাগে নি। তারিক তাকে ফেলে যাবে না। কিন্তু অন্যদের চাপে তাকে ওখানেই শুয়িয়ে রেখে যেতে হল। তারিক এখন অস্ত্রাগারের ঠিক পাশে। একটা গুলি তারিকের পা ছুঁয়ে চলে গেল। রক্ত পরছে সেখান থেকে। অনেক ব্যথাও করছে তারিকের কিন্তু সে তার লক্ষ্যে অটল। তারিক এবং অপর দুই যোদ্ধা অস্ত্রাগার দখল করতে সক্ষম হল।

এখান থেকে এখন মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছে। তারিক শুয়ে শুয়ে নিশানা লাগাতে লাগলো। সে হঠাৎ দেখল সেই দড়ি ওলা পাঞ্জাবি পরা লোকটিকে যে তার মাকে ধর্ষণ করেছিল। তারিক পাগলের মত গুলি করতে লাগল। ঝাঁঝরা হয়ে গেল সেই পিশাচের শরীর। একটু পর একটা গ্রেনেড ছুড়ে মাড়ল এক যোদ্ধা। সেই ক্যাম্প হানাদার মুক্ত হল। জয়ের আনন্দে মেতে উঠলো মুক্তিযোদ্ধারা।
তারিক সেই লোকটির কথা ভুলে নি। তাকে আনতে সেই জায়গায় গেল তারিক। লোকটি অজ্ঞান হয়েছিল। তাকে ধরে নিয়ে আসা হল, একটি ঘরে রাখা হল তাকে। একজন আহত আর এক জন শহীদ ছাড়া অন্য কোন ক্ষতি দেখতে পাচ্ছে না তারিক। জয়ের আনন্দে সে তার নিজের কথাই ভুলে গিয়েছিল। সিফাত মামা লক্ষ্য করলো তারিকের পা রক্তে লাল হয়ে আছে। সে তারিক কে যোর করে নিয়ে গেল এক ঘরের ভেতরে। পায়ে ব্যান্ডেজ করে দিল সে।

তারিকদের জয়ের আনন্দ বেশিক্ষণ টিকলো না। এখন আগত সৈন্যদের সাথে যুদ্ধ করার পালা। তবে একটু ভাল হয়েছে কারণ এখন তাদের কাছেও ভারী অস্ত্র আছে। অস্ত্র ও অগাধ দেশপ্রেমের সমন্বয়ে এর মুক্তিবাহীনি টা যে কোন বড় সৈন্যবাহিনীকে পরাস্ত করতে পারে। তারিকের দেয়া পরিকল্পনা অনুযায়ী যোদ্ধারা আবার চেকপোস্ট ঘিরে অবস্থান নীল। কোন চেকপোস্ট দিয়ে সৈন্য আসবে তা নিশ্চিত নয়। তাই যোদ্ধাদের কয়েক জন দুই চেকপোস্টের মধ্যবর্তী দুরুত্বে অবস্থান করছে। যে দিক দিয়ে সৈন্য আসবে সেই দিকেই যাবে তারা।

কিছুক্ষণ পর মিলিটারি বোঝাই এক ট্রাক আসলো। ট্রাককে লক্ষ্য করে চারদিক থেকেই গুলি করতে লাগলো। এর পর হাত কামান দিয়ে ট্রাক উড়িয়ে দেয়া হল। আবারও জয়ের উৎচ্ছাসে ভাসল পুরো মুক্তিবাহীনিটি। তাদের আনন্দ মলিন করে আরেকটি ট্রাকের আগমন এবার ট্রাকের পেছনে সৈন্যরা লুকিয়ে গুলি করছে মুক্তি বাহিনীর উপর।দুই জন মুক্তিবাহীনি শহীদ হল। কিন্তু অদম্য এই মুক্তিযোদ্ধারা আবার যুদ্ধ করতে লাগলো। দেশকে হানাদার মুক্ত করতেই হবে। এবারের জয়ের জন্য তাদের আরো দুইটি দেশপ্রেমী যোদ্ধার ত্যাগ স্বীকার করতে হল। তবুও ক্যাম্পটি হানাদার মুক্ত করতে পেরে খুশি যোদ্ধারা।
যুদ্ধ শেষ হবার পর, শহীদ যোদ্ধাদের চির নিদ্রায় শায়িত করা হল স্কুলের পাশের একটি জমিতে।
তারিক ও অন্য যোদ্ধাদের আশা এখন এই ক্যম্পের মত সারা দেশ হানাদার মুক্ত করা।
তারিকের সৃতিতে ২৫শে মার্চ কাল রাত ও তার জীবনে অংশ নেয়া প্রথম যুদ্ধের সৃতি সারা জীবন মনে থাকবে।

নাবিদ কে যখন এই যুদ্ধের কথা বলছি তখন তারিক সাহেবের চোখে এক দীপ্তিময় আভা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। আর নবিদ অবাক তার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা কিন্তু আগে কখনও বলে নি তার বাবা।
নাবিদের মাথা থেকে এখন মোবাইল কেনার ভুত চলে গেল। তার মাথায় এখন বাকি কথা শুনবার আশা। রাত এখন বারটা বাজে। তারিক সাহেব ও ভুলে গিয়েছিল কেন সে এই ছাদে এসেছিলো। সে আবার নাবিদ কে তার একাত্তরেই সে সৃতি গুলোর কথা বলতে লাগলো।নাবিদ শুনতে লাগলো।
(৫)
___________ ক্যাম্প দখল করা হয়েছে প্রায় দশ দিন। ক্যাম্পটি এখন ট্রেনিং সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তারিক ও সেখানে ট্রেনিং নেয়। আরো কত জায়গা থেকে দলে দলে লোক এসে যোগ দিচ্ছে মুক্তিবাহিনীতে। তারিকের পরিকল্পনায় এর মধ্যে আরো কয়েক টি যুদ্ধ হয়ে গেল। নিখুঁত পরিকল্পনা ও দেশমাতৃকার প্রতি ভালবাসার বলে প্রতিবার ই জয়ী হয়েছে মুক্তিযোদ্ধারা। মাস খানেক কেটে গেল, তারিক এখন ট্রেনিং প্রাপ্ত একজন সাহসী যোদ্ধা। অনেক যুদ্ধে প্রত্যক্ষ অংশ গ্রহণ করেছে সে। দেখতে দেখতে পুরো বাংলাদেশ যেন মুক্তিবাহিনীদের দখলে চলে আসলো।
১৬ ডিসেম্বর আজ। কোণঠাসা হয়ে যাওয়া পাকিস্তানীরা আত্মসমর্পণ করেছে। পুরো দেশ জয়ের আনন্দে ভাসছে আজ। তারিকের বাবার স্বপ্ন পূর্ণ হয়েছে আজ।

নাবিদ এর মুখে এখন হাসি। তার বাবার এই গৌরব ময় গাথা শুনে সে খুবই খুশি। তারিক সাহেব এখনও থামে নি সে এখনও বলতে লাগলো।

যার ডাকে সবাই যুদ্ধে নেমেছিল ,সেই অবিস্মরণীয় নেতা এখনও দেশের মাটিতে পা রাখেনি। হ্যাঁ বঙ্গবন্ধু সেখ মুজিব দেশে ফিরে নি।
কিছুদিন পর বাংলার সেই নেতা পা রাখলেন দেশের মাটিতে। দেশ গড়ার কাজ হাতে নিয়েছেন তিনি। কিন্তু তার পেছনে আবার সেই শত্রুরা বাংলাদেশর এই নেতাকে হত্যার নীল নকশা তৈরি করছে। ১৫ ই আগস্ট, সেই দিন ……………

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২১ thoughts on “সেই তারিক – ৪

  1. আজ একটু তাড়াহুড়া লক্ষ্য করা
    আজ একটু তাড়াহুড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে কাহিনীতে। গল্প বেশী বড় হয়ে যাচ্ছে এই ভয়ে? নাকি যুদ্ধ পরবর্তি আরও কাহিনীর চমক দেওয়ার ইচ্ছা আছে?
    সামান্য কিছু বানান ভুল আছে। লেখার পর একবার রিভিশন দিয়ে নিলে সেটাও থাকবে না আশা করি। শুভকামনা রইল লেখকের প্রতি। :ফুল:

    1. হুম তাড়াহুড়া করেছি ভাই শরীর
      হুম তাড়াহুড়া করেছি ভাই শরীর টা বেশি ভাল না তাই রিভিশন ও দেই নি!

      আর অপেক্ষা করুন দেখুন কি হয়
      আসলে এক রকম করতে চেয়েছিলাম কিন্তু এই গ্যাপে ভুলে গিয়েছি

      যাই হোক খাপ ছাড়া হয়েছে তাই না!

  2. ভাল লিখেছেন। আমার হয়ত কোনদিন
    ভাল লিখেছেন। আমার হয়ত কোনদিন ক্ষমতাই হবে এভাবে লেখার, তারপরও কিছু সমালোচনা করব। বয়স অল্প এবং কোন ট্রেনিং না থাকা সত্ত্বেও তারিক কে অনেক সময় বেশি লিড দিয়ে ফেলেছেন বলে আমার মনে হয়েছে।
    উপন্যাস হিসাবে যুদ্ধের যে বিশদ বর্ণনা দিয়েছেন সেটা ঠিক আছে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে বাকি চরিত্র গুলোর বর্ণনা সেভাবে আসেনি।
    যুদ্ধের বর্ণনায় যে ভাবে সময় দিয়েছেন সেখান থেকে হঠাৎ করেই বাকি বর্ণনা বেশ দ্রুত গেছে। আপনি হয়ত আপনার টার্গেট বক্তব্যে যেতে চাচ্ছেন।

    1. হ্যা এই ভুলটা বুঝতে পেরেছি।
      হ্যা এই ভুলটা বুঝতে পেরেছি। কিন্তু কি লিখবো বুঝতে পারিনি তাই এমন ভুল। ভুল ধরিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ। :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

55 − = 46