ধর্ম মানুষের বানানো প্রপাগান্ডা।

ইসলাম বাল্য বিবাহ, বহুবিবাহ, নারী খৎনা, দাসী প্রথা কোন কুপ্রথা দূরীকরনে এগিয়ে আসেনি।

কিন্তু পালক পূত্রবধুকে নিজ পূত্রবধু মনে করা এমন কুপ্রথা যার জন্যে ইসলাম এতোটা এগিয়ে এলো। এখানে কয়েকটি প্রশ্ন থেকে যায়?

হাদিস থেকে প্রমানিত হয়ে জায়েদা রাঃ এর অতিরিক্ত রূপ সৌন্দর্য ছিল যা মুহাম্মদ সাঃ এর মন ঘুরিয়ে দেয়।এবং জায়েদাকে দেখার পর মুহাম্মদ এতোটাই মুগ্ধ হন যে তিনি আল্লাহর প্রশংসা করেন।

অতঃপর আর কোন নারী তোমার জন্য বৈধ নয়। আর তাদের পরিবর্তে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করাও হালাল নয় যদিও তাদের সৌন্দর্য তোমাকে চমৎকৃত করে। (আহযাবঃ৫২)

এটা কেমন ধর্ম যেখানে গরিব অসহায় যুবকদের রোজা রাখার পরামর্শ দেওয়া হতো আর তিনি একের পর এক বিয়ে করেই চলছেন।

তিনি যদি ১৪ টি বউ ভরনপোষণ করতে পারেন সেই টাকা কেন তিনি গরিব মুজাহিদ ছেলেদের দিলেন না। যারা আর্থিক সংকটে পড়ে বিবাহই করতে পারছিল না? তার কি সত্যিকার গরিবের প্রতি মায়া ছিল। নাকি এসব ধর্ম মানুষের বানানো সবচেয়ে বড় প্রপাগান্ডা?

ইসলামের নবী মুহাম্মদ যে একাই শুধু নারী ভোগ করেছেন তা কিন্তু নয়,তার অনুসারীদেররো চার বিয়ের পরামর্শ দিয়ে গেছেন,কেননা নবী মুহাম্মদ ১৪ টা বিয়ে করেছেন সাথে দাসী ভোগ করেছেন এখন যদি তার অনুসারীদের চার বিয়ের অনুমতি না দেয় তবে নবী মুহাম্মদ ভন্ড প্রতারক নারী লোভী বলে তার অনুসারীরাই তাকে নিয়ে সন্দেহ করবে,তাই চালাকি করে নিজের অপরাধ ঢাকতেই তার অনুসারীদের চার বিয়ের অনুমতি দিয়ে গেছেন,এখন তার অনুসারীরা যদি চার বিয়ের প্র্যাকটিস শুরু করে তবে সমাজে গরিব ছেলেদের ঠকিয়েই এই প্র্যকটিস করতে হবে।কেননা এই যুগে আর অন্যের সম্পদ দখল করে গনিমতের মাল হিসেবে ভোগ করা সম্ভব না,যার অর্থ আছে সেই চারজন নারী বিয়ে করতে পারবে নতুবা সংখ্যাগত কারনে সম্ভব নয়। কেননা পাত্রী আকাশ থেকে আসে না। আর এ লোক ঠকানো প্র্যাকটিস নিশ্চয় কারো ভালোর জন্যে হতে পারে না। বরং অবশ্যই তা ব্যক্তিগত খায়েশ মেটানোর জন্যে।

সমাজের ভাসমান, অবহেলিত, বিধবা এবং এতীম মেয়েদের কে সুরক্ষা, সম্মানজনক ভাবে পুনর্বাসনের জন্য বহু বিবাহের প্রবর্তন যৌক্তিক নয়।

কেননা এতে অসহায় পুরুষরা পাত্রী সংকটে পড়বে। এবং তারা যাবে কোথায়? তাদেরকে তো কেউ বিয়ে করতে রাজি হবে না। শুধু মেয়েদের কথা ভাবলে তো চলবে না৷ অসহায় ছেলেদের কথাও ভাবতে হবে।

গরিব মেয়েদের বেলায় এতো মধু কেন? এতোই যদি দান/সাহায্য করার ইচ্ছা থাকে তবে গরিব ছেলেকে সাহায্য করতে সমস্যা কোথায়?

বহুবিবাহে উৎসাহের মাধ্যমে ভোগলিপ্সু, বিলাসী, ধনী এবং ক্ষমতাবান পুরুষদেরকে অতি ভোগের যেমন সুযোগ করে দেয়া হয়েছে।তেমনি সমাজের বেকার, অসহায়, দরিদ্র পুরুষকে পাত্রী ক্রাইসিস তৈরি করে গভীর সংকটে ফেলা হয়েছে।

শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published.