নবী মুহাম্মদ ছিল শিশুকামী।

সহীহ বুখারী শরীফের হাদিস অনুযায়ী নবীর সংগে আয়েশার যখন বিয়ে হয় তখন নবীর বয়স ছিলো ৫৪ বছর আর আয়েশার ৬ বছর। দেখুন ছয় বছর বয়স বিয়ের জন্য যেকোনো মানদণ্ডে বাল্যবিয়ে হয়। আর নয় বছর বয়সী কারো সাথে সহবাস করলেও সেটা বর্তমান পৃথিবীর যেকোনো দেশের আইনে অপরাধ।

অনেকে বলছেন মহাত্মা গান্ধী, শেখ মুজিব, এর বাবা ওর নানা প্রমুখেরাও বাল্যবিয়ে করেছেন, সমালোচকরা তাদের সমালোচনা না করে শুধু নবীর সমালোচনা করছেন কেন?

একটি বিষয় বুঝুন। নবীর জীবনের সব কাজ (নবুয়ত পাওয়ার পর) কিন্তু একজন মুসলমানের জন্য সুন্নত। এবং তাদের ভাষায় সেটা একেবারে কিয়ামত পর্যন্ত। তো নবীর সুন্নত বলে কেউ সমাজে বাল্য বিয়ে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইলে সে সমাজের চোখ কান খোলা শিক্ষিত মানুষেরা তো সেটার প্রতিবাদ করবেনই। শেখ মুজিবের করা সব কাজ কোনো আওয়ামিলীগ সমর্থকের জন্য সুন্নত নয়, তেমনি গান্ধীর করা সব কাজ কোনো কংগ্রেস সমর্থকের জন্যও সুন্নত নয়। কিন্তু নবীর করা প্রত্যেকটা কাজ একজন মুসলমানের জন্য অনুসরণীয়, অনুকরণীয়। মানে মাত্র ৬ বছর বয়সী বাচ্চা শিশু একটা মেয়েকে নবী বিয়ে করেছিলেন যেটা শিশু বিবাহ। কোনো যুগেই এটা সমর্থন যোগ্য না। যদি বলে জাহান্নামের আগুনে পুড়বি, সমর্থন কর,তবুও করবো না, করবো না।

আমার যদি মেয়ে বাচ্চা হয় তাকে কি আমি ৫৪ বছর বয়সী বয়স্ক লোকের সাথে বিয়ে দিবো? আমার হাত কাপবে না? এটা ভাবলেই তো গা শিউরে উঠে। সেক্স ২০ বছরে গিয়ে করুক কিন্তু ৫৪ বছরের লোকের সাথে ৬ বছরের বাচ্চা শিশুর বিয়ে কখনই সমর্থন যোগ্য হতে পারে না।

এজন্য দেখবেন ইউটিউবে ভেসে বেড়ানো হাজার হাজার অশিক্ষিত,মূর্খ,সাম্প্রদায়িক ওয়াজিদের লাখ লাখ ওয়াজে বাল্য বিয়ের মতো একটি ভয়াবহ বিষয়কে ইনিয়ে বিনিয়ে প্রমোট করা হয়। কেন? ঐযে বললাম -‘নবীর সুন্নত’।

শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published.