কিরণের স্বপ্ন অপূরনীয় রয়ে গেল

গোধূলি লগ্ন। রৌদ্র উজ্জ্বল দিনের নীল আকাশ এখন রক্তিম রঙ্গে রঞ্জিত হয়েছে।ছাদে বসে সেই আকাশের দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে কিরণ। গত বছর এসএসসি পরীক্ষা দেবার কথা ছিল কিন্তু দিতে পারে নি। খুব আশা ছিল ওর এবং ওর বাবা মার, যে কিরণ এ-প্লাস পাবে ওকে বিদেশে পাঠানো হবে পড়া লেখার জন্যে। কিন্তু তার আশা আর পূর্ণ হল না।


গোধূলি লগ্ন। রৌদ্র উজ্জ্বল দিনের নীল আকাশ এখন রক্তিম রঙ্গে রঞ্জিত হয়েছে।ছাদে বসে সেই আকাশের দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে কিরণ। গত বছর এসএসসি পরীক্ষা দেবার কথা ছিল কিন্তু দিতে পারে নি। খুব আশা ছিল ওর এবং ওর বাবা মার, যে কিরণ এ-প্লাস পাবে ওকে বিদেশে পাঠানো হবে পড়া লেখার জন্যে। কিন্তু তার আশা আর পূর্ণ হল না।

কিরণ খুবই মেধাবী ছাত্র। কিন্তু খুব বেশি পড়তো না। যেই টুকু পড়তো তাতেই এই রেজাল্ট।যদি আরও ভাল করে পড়তো তাহলে যে কি হত! ফেসবুক জিনিস টা হঠাৎ করেই খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আমাদের দেশে। এখন খুব কম যুবক ই পাওয়া যায় যাদের ফেসবুকে অন্তত একটি একাউন্ট নেই। কিরণের এই ফেসবুকে বসে থাকার খুব বড় রকমের একটা বদ অভ্যাস আছে। হয়তো কিছুদিন পরে এই ফেসবুক’কে একটা নেশা হিসেবে বিশ্ব দরবারে স্বীকৃতি দেয়া হবে। যেমন মাদকের নেশা তেমনই এই ফেসবুকের নেশা। সকালে ঘুম ভাঙ্গে মায়ের চেঁচা মেচি ও বাবার ধমকে। ঘুম থেকে উঠেই হাত মুখ ধুয়ে বই নিয়ে বসতে হয় কিরণের। কিন্তু সেই বইয়ে ফাকে যে মোবাইল নিয়েই ফেসবুকে ঢুকে পরা হয় তা কখনও কেউ খেয়াল করে নি। ফেসবুকে ঢুকেই কোন বন্ধু কি করলো, কি ম্যাসেজ দিল তা চেক না করতে পারলে যেন মন তার টিকে না।

আর পাঁচটা দিনের মতই সেই দিন টা। ঘুম থেকে উঠেই বইয়ের ফাকে মোবাইল নিয়ে ফেসবুকে লগইন করলো কিরণ। হোম পেজ লোড হতেই দেখে ৯৭ টা নোটিফিকেশন, সাথে ৮ টা ম্যাসেজ। এই তো গত কাল রাত ২টার দিকেই তো ঘুমিয়েছে, এখন বাজে ৯ টা। এই কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এত গুলো নোটিফিকেশন ও ম্যাসেজ!! যাই হোক সে আগে ম্যাসেজ অপশনেই ক্লিক করলো। তার কয়েক টা বন্ধুর ম্যাসেজ এবং লাইক ভিখারি কয়েক জনের ম্যাসেজ। কিন্তু একটা অচেনা লোকের ম্যাসেজ ও আছে। সে সবার আগে সেই অচেনা লোকের ম্যাসেজ টি পড়ার জন্য ক্লিক করলো। ম্যাসেজে টা পরে কিরণ তো খুব খুশি আর অবাক। ম্যাসেজটা ছিল অনেকটা এই রকম –“আমি কাকাতুয়া প্রোডাকশনের সাথে যুক্ত আছি। আমরা একটা টেলিফিল্ম বানাচ্ছি, সেই জন্য কিছু নতুন মুখের দরকার। ফেসবুকে আপনার সকল ছবিই দেখলাম, আপনাকে আমাদের পছন্দ হয়েছে। আপনি কি আমাদের সাথে কাজ করতে ইচ্ছুক?’ কিরণ কি আর মানা করে! সাথে সাথেই জানিয়ে দিল যে সে রাজি। কোন কিছু ভাবলো না সে। কিন্তু পরে এই নিয়ে ভাবতে ভাবতে তার বাবার কথা মনে হল সে তো যেতে দেবে না। আর কয়েক মাস বাকি। লোকটিকে কয়েক টা প্রশ্ন করলো সে- কোথায় শুটিং, কত দিন হবে…আরও অনেক কিছু। ঘণ্টা খানেক কেটে গেল লোকটার কোন খবর নেই। কিরণ ভাবলো ওকে কেউ তাকে বোকা বানিয়েছে। এই লোক ভুয়া। পরক্ষনেই তার অভিনয় করার ভুত মাথা থেকে চলে গেল। নতুন এক পেজের এডমিন হয়েছে কিরণ সেই পেজে পোস্ট দিচ্ছে সে। আরও পেজ আছে, এই নিয়েই ব্যস্ত। এর ও ঘণ্টা খানেক পর সেই অজ্ঞাত ব্যক্তির ম্যাসেজ। কিরণের মোবাইল নম্বর চাইলো ব্যক্তিটি। আবার সেই ক্যাটবেরি চকলেটের এর বিজ্ঞাপনের মত অভিনয়ের সখ চেপে বসলো। নাম্বার দিল। কিছুক্ষণ পরেই একটা অচেনা নম্বর থেকে ফোন।
-হ্যালো
-হ্যলো, কে বলছেন?
-আপনি কি কিরণ বলছেন?
-হ্যা, আমি কিরণ, আপনি কে?
-আপনাকে ফেসবুকে ম্যাসেজ দিয়েছিলাম। আমার নাম তারেক।
-ও তারেক ভাইয়া। স্লামুয়ালাকুম।
-আয় হায় এত তারা তারি মেরে ফেলবেন আমাকে? হাহাহা
– হাহা সরি ভাই, আসসালামুয়ালাইকুম।
-হুম এবার ঠিক আছে। ওয়ালাইকুম আসসালাম। কেমন আছো?
-ভাল ভাই। আপনি?
-হুম ভাল আছি আল্লাহ’র রহমতে। তোমাকে যে কাজের জন্য ফোন দেয়া। শুটিং হবে সিলেটে মোট ৩০ দিনের মত লাগবে।
-ভাইয়া এত দিন? আমার তো সামনে এক্সাম।
– তোমার তো আর ৩০ দিন না। মোট ত্রিশ দিন। তোমাকে ১০-১২ দিনের মত শুটিং এ লাগবে।
-ও তাহলে ঠিক আছে। আমি আমার বাবা মাকে জানিয়ে আপনাকে জানাচ্ছি।
– ওকে জানান। আর শুন এই ১০-১২ দিন সব খরচ আমরা দেব। সাথে ১৮,০০০ টাকা দেব।
– ওকে ভাইয়া আমি আপনাকে জানাবো কয়েক দিনের মধ্যে।
– তাড়াতাড়ি জানিয়ো। দুই দিন সময় আমরা তিন দিন পরই রওনা হব।
-ওকে ভাই।রাখি তাহলে।
-ওকে বাই।

কিরণ তো মনের মধ্যে খেয়ালী পোলাও রাঁধছে। তাকে যখন টিভিতে দেখাবে কেমন লাগবে তার! সব বন্ধুরা দেখবে তাকে। ভেবেই নাচতে ইচ্ছা করছে তার।এখন বাবা আসলেই জানাবে সে। মার সাথে কথা বলে শুধু শুধু সময় নষ্ট। সোজা বাবাকে রাজি করালেই কাজ শেষ। বাবা আসলো, বাবার সাথে আহ্লাদ করছে। সুযোগ বুঝে বলেই ফেলল। কিন্তু বাবা রাজী নয়। কিছুতেই যেতে দেবে না তাকে। পর দিন আবার বলল , কিন্তু ফলাফল শূন্য। যেতে দেয়া হবে না তাকে।তার পরের দিন লোকটাকে ফোন করলো সে । আজ ই শেষ সময় জানানোর।
-ভাইয়া, আসসালামুয়ালাইকুম।
– হুম ওয়ালাইকুম আসসালাম।কেমন আছো?
– ভাল না ভাইয়া, বাবা পারমিশন দেয় নি।
– ও তাহলে তো কিছু কররা নাই।
-হুম ভাইয়া, অনেক ইচ্ছা ছিল।ধুর বাবা কিছুই বুঝে না!
– এক কাজ করো আমরা আগামীকাল রওনা হব, তুমি চলে এসো। সিলেট পৌঁছাবার পর তোমার বাবাকে জানিয়ে দিও। তখন আর কিছুই বলবে না।
– না ভাইয়া বাবা রাগ হবে।
– আরে পরে যখন তোমাকে টিভিতে দেখবে তোমার আত্মীয় রা। তোমার বাবা-মা, তোমার বন্ধুরা সব ঠিক হয়ে যাবে।
-ওকে ভাইয়া তাই করবো।ভাল আইডিয়া।
– ওকে তাহলে বাই, ব্যগ গুছিয়ে রেখ সকাল সাতটায় এসে পইরো কলাবাগানে শ্যামলি কাউন্টারে।

সাহস করে যেতে চাচ্ছে সে, কিন্তু আবার পরোক্ষনেই বাবার বকা-বকির কথা মনে করে হতাশ হতে হয়। রাতে আবার শেষ চেষ্টা করলো কিরণ। কিন্তু কোন লাভ হল না। তার বাবা নিজ সিদ্ধান্তে অটল। সে এবার জিদ করলো সে যাবেই।

সকাল সাতটা বাজতে বিশ মিনিট বাকি। ব্যাগ রাতেই গুছিয়ে রেখেছিল সে। বাবা-মাকে সালাম করে বেড়িয়ে পরলো। ধানমন্ডি কলাবাগান থেকে বাসে উঠতে হবে। সেখানে চলে গেল। অজ্ঞাত সেই লোক তারেক দাঁড়িয়ে আছে। শ্যমলি কাউন্টারের সামনে। তার সাথে আরও আট – দশ জন ছেলে। বাসে উঠলো তারা। রাস্তায় যেতে যেতে গল্প হল পরিচয় হল সবার সাথেই। শুধু কিরণ হয়, সেখানে আসা আতিক,কায়সার,রাআদ,সাব্বির,মোশাফেক,পাভেল সবাই ই লুকিয়ে এসেছে। কিরণের অপরাধ বোধটা একটু লাঘব হল।

তারা সবাই সিলেট পৌছালো। একটা বাংলো টাইপের বাসায় নিয়ে যাওয়া হল। কিন্তু সেখানে কেউ নেই। সবার বাবা মাকে ফোন দিতে বলল একে একে। সবাই জানালো। তারেকের কাছে নাম্বার দিল সবার বাবা – মার। সবাইকে রুম দেখিয়ে দেয়া হল। এক রুম তিন জন কে শেয়ার করতে হবে। যদিও সবাই ই বড়লোক পরিবার থেকে আগত। সবাই নিজ নিজ সেপারেট রুমে থাকতে অভ্যস্ত। তাতেও দ্বিমত নেই কারোও।
পর দিন শুটিং এর কোন নাম গন্ধ দেখছে না কেউ। আরও যে লোক আশার কথা কাউকেই দেখছে না। বাড়ি থেকে বেড় হতেও দিচ্ছে না। দুপুরের দিকে তারেক, নিজামী নামের এক দাড়ি ওলা লোক কে নিয়ে তাদের সবাইকে ডেকে একটা বড় ঘরে নিয়ে যায়। সবার কাছ থেকে মোবাইল ফোন নিয়ে নেয় তারা। একে একে সবার বাবা-মার কাছে ফোন করে লোক গুলো। তখন সবাই বুঝতে পারে যে তারা আসলে অপহৃত হয়েছে। নিজের ইচ্ছায় তারা ফাঁদে পা ফেলেছে।

তাদের সকলের বাম হাতের একটি করে আঙ্গুল কেটে নেয়া হয়। ওখানে কিরণ বাদে সবাই ছিল ডান হাতি। কিরণের অনেক কাকুতি মিনতির পর ও ওকে ছেড়ে দেয় না অপহরণ কারীরা। এক পর্যায়ে কিরণ বলে তার ডান হাতের আঙ্গুল কেটে নিতে। সে বাম হাত দিয়ে লিখে কিন্তু মানুষ রূপী দু পেয়ে পশু গুলো কথা শুনলো না। কিরণের স্বপ্ন গুলো ধূলিসাৎ হল।
সেখানে কেটে গেল দশ দিন। এর মধ্যেই অনেকেই মুক্তিপণের বিনিময়ে ছড়া পেল। কিন্তু সে এখনও আছে এই নরকীটদের বন্দী হয়ে। সে ভাল করেই জানে যে তার বাবার পক্ষে এই পরিমাণ মুক্তিপণ দেয়া সম্ভব নয়। কিন্তু একদিন সেই লোক গুলো তাকে ডাকলো। সে এবার আশার আলো দেখতে পেল। তারেক কে নিজামী জানালো যে কিরণের বাবা মুক্তিপণ দিয়েছে, কিন্তু কম। তারেক অগ্নিশর্মা হয়ে কিরণ কে সজোরে একটা থাপ্পড় দিল। নিজামি তারেক কে বলল –“ওর বাপ টাকা কম দিছে ওকেও আমরা পুরা দেব না। ওর হাত কেটে ওর বাপের কাছে পাঠিয়ে দে”। যেই বলা সেই কাজ। নির্দয়ই পশু গুলো কিরণের বাম হাত টা কেটে নিলো। পাঠিয়ে দিল তাকে।

কিরণ এখনও বেচে আছে। কিন্তু তার ও তার বাবার স্বপ্ন গুলো অপূরণীয়ই রয়ে গেল। বাবা-মার কথা না শুনার ফলেই আজ তার এই অবস্থা। সে এখন সকলে বলে কেউ যেন তার বাবা মায়ের অবাধ্য না হয়। বাবা মা সর্বদাই সন্তানের মঙ্গল কামনাই করে। অন্য কিছু না। তারা ব্যক্তি হিসেবে যেমন খুশী হতে পারে কিন্তু একজন বাবা-মা, বাবা-মা হিসেবে কখনই খারাপ না। সর্বদাই তারা নিজ সন্তানের ভাল চায়।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩৬ thoughts on “কিরণের স্বপ্ন অপূরনীয় রয়ে গেল

  1. অসাধারন লিখেছেন ।আপনার গল্পে
    অসাধারন লিখেছেন ।আপনার গল্পে দুটো মেসেজ আছে এবং দুটোই আমাদের জন্য অতি প্রয়োজনীয় ।একঃ মা-বাবার আদেশ নিষেধ মেনে চলা, দুইঃ সাবধানতা অবলম্বন করা ।
    ধন্যবাদ ভাই, অজস্র অগনিত ধন্যবাদ ।

    1. ধন্যবাদ ভাই। এই প্রথম আমার
      ধন্যবাদ ভাই। এই প্রথম আমার কোন পোস্ট আপনার এত ভাল লাগলো…
      আসলে আমার এক বন্ধুকে কিছু দিন আগেই এই রকম অফার দেয়া হয়েছিল। ব্যস টপিক পেয়ে গেলাম। এই নিয়ে গল্পটার পরিণতি কল্পনা করে লিখে দিয়েছি।

      ভাই ভিলেন দুই টার নাম দেখেছেন? তারেক ও নিজামী কেমন হইছে??

  2. ভালো হয়েছে। কিন্তু গল্পের
    ভালো হয়েছে। কিন্তু গল্পের চেয়ে গল্পের ম্যাসেজের দিকে মনোযোগ বেশী ছিল। এই জিনিসটা কাটিয়ে উঠতে হবে। লিখতে লিখতে, আর বিশেষ করে পড়তে পড়তে ঠিক হয়ে যাবে।

    1. আজ আমি ম্যসেজ টাই তুলে ধরার
      আজ আমি ম্যসেজ টাই তুলে ধরার চেষ্টায় ছিইলাম। এত দিন কোন ম্যসেজ দিতে পারি নি তাই আজ ম্যসেজ দেবার এই চেষ্টা।
      মাস্টার মশাই মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ, আর বানানের ক্ষেত্রে শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কি কি সমস্যা তা কিন্তু আজ বলেন নি!! :মনখারাপ: :মনখারাপ:

      1. বানান এখন অনেকটাই ঠিক হয়ে
        বানান এখন অনেকটাই ঠিক হয়ে এসেছে। তবে শব্দ ও বাক্য গঠন তো ধরে ধরে শেখানো সম্ভব নয়। এটা সেন্সের ব্যাপার। প্রচুর পড়তে পড়তে এই সেন্স তৈরি হয়। ধুর আমারে মাস্টার মশাই বানায়ে ফেলছেন, যেইটা আমি হইতে চাই নাই জীবনেও। :কথাইবলমুনা:

        1. না আপনি আমার মাস্টার মশাই আমি
          না আপনি আমার মাস্টার মশাই আমি কিছু জানি না .।

          ভাই এই টার ছোট ছোত উদাহরণ দিয়েন যে কি করে লিখতে হবে তাহলে ভাল হবে

  3. আমাদের কিরণ শেখর ভাই কোথায়?
    আমাদের কিরণ শেখর ভাই কোথায়? আপনার নাম দেলাম আজ আমার গল্পে… ইতি পূর্বে আতিক ভাই রাহাত ভাই তারেক ভাই নাবিদ ভাই এর নাম দেয়া হয়েছে।
    শহিদ ভাই মোশাফেক ভাই পাভেল ভাই রাআদ ভাই বাকি আছেন।

  4. এটা কি গল্প হিসেবে লেখা, নাকি
    এটা কি গল্প হিসেবে লেখা, নাকি রিয়েল কোন ঘটনাকে কেন্দ্র করে লেখা?
    যদি গল্প হিসেবে লেখা হয়ে থাকে তাহলে বলবোঃ পড়তে ভালো লাগে নি। খুব সাদামাটা লেখা। বর্ণনা ফ্লুয়েন্ট কিন্তু লেখার মধ্যে সাহিত্য বলে কিছুই নেই।
    আর লেখাটা যদি উপদেশমূলক হয়ে থাকে তাহলে কোন মন্তব্য নেই। উপদেশ শুনতে আমি পছন্দ করি না।

    1. প্রথম টুকু সত্য ইনভাইট পাওয়া
      প্রথম টুকু সত্য ইনভাইট পাওয়া পর্যন্ত এর পর আমার বানানো .।

      হুম আজকের টা বেশি দুর্বল হয়েছে আমিও বুঝেছি ধন্যবাদ কায়সার ভাই

      আর ভাই আপনাকে একটা রিকয়েস্ট আমার লেখা দুইটি মনের মিলন মেনে নেবে কি এই সমাজ? এই গল্প টা একটু পড়বেন প্লিজ

        1. আমার বন্ধুকে ম্যসেজ দিয়েছে।
          আমার বন্ধুকে ম্যসেজ দিয়েছে। উপরের কনভারসেসন এর মতই কথা হয়েছে।কিন্তু ও মানা করে দিয়েছে… এই

        2. আমার লেখা প্রত্যেক টি গল্পেই
          আমার লেখা প্রত্যেক টি গল্পেই একটু হলেও আমার বাস্তব জীবনের ছোয়া থাকে। যেমন এটায় ফেসবুকেরর অংশটা পুরো আমার… ঘুম থেকে উঠেই ফেসবুক

      1. এতো খুশী হওয়ার কিছু নাই। শর্ত
        এতো খুশী হওয়ার কিছু নাই। শর্ত আছে। ইস্টিশন ব্লগের সেরা লেখাগুলো খুঁজে বের করে আমাকে দিতে হবে। নাহলে কোন মন্তব্য করবো না।

  5. আমার কথা বলা হয়ে গেছে । এই
    আমার কথা বলা হয়ে গেছে । এই ব্লগের পরিচিত জনের নাম ব্যবহার করাটা বেশ চমকপ্রদ !!! :হাসি: :তালিয়া:

  6. গল্পের প্যাটার্ন সম্পর্কে
    গল্পের প্যাটার্ন সম্পর্কে আতিক ভাইয়ের সাথে একমত।
    এটা কি আপনার বাস্তব জীবনের সাথে মিলে ????

  7. কিছুদিন আগে গনজাগরনের শুরুর
    কিছুদিন আগে গনজাগরনের শুরুর আগেও বাংলাব্লগ সম্পর্কে তেমন কোন ধারনাই ছিল না। এখানে যে কিছু মানুষ বছরের পর বছর যুদ্ধাপরাধী-জামাত-শিবির গোষ্টির বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত ধিক্কার জানিয়ে যাচ্ছে তা জানতাম না। তারপরও নিজে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির চেতনা লালন করা কতগুলো মানুষের সান্নিধ্য পেয়ে এবং মুক্তিযোদ্ধা নানার কাছ থেকে রণাঙ্গনের সেই উত্তাল দিনগুলোর কিছু গল্প শুনে ৭১ এর প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম, হ্য সেই সময়েরই প্রেমে পরে গিয়েছিলাম। কারন তখন মুক্তিযোদ্ধারা একজন আরেকজনের সাথে থাকা অবস্থায় খুব বড় গলাতে বলতে পারত “রাজাকারগুলা সব শুয়োরের চেয়েও নিকৃষ্ট।” কিন্তু এখন তা বলা যায়না, স্বাধীন বাংলাদেশে বসে রাজাকারদের গালি দিলে সেটা হয় খ্যত রাজনৈতিক মানসিকতা লালনকারী টিপিক্যল পলিটিক্যল ছেলেপানের বৈশিষ্ট্য। আর নিজের বন্ধু-বান্ধবীকে কথায় কথায় *ক ইউ টাইপ কথা বলতে পারলে হয় স্মার্ট। ভাবছিলাম, কবে রাজাকারই হবে বাংলাদেশের নিকৃষ্টতম গালি! ব্লগে ঢুকে তো মনে হচ্ছে কামারুজ্জামানের ছেলের নাম ওয়ামী থেকে শুরু করে তারেক, কোকো পর্যন্ত সবই গালি বলে বিবেচিত হচ্ছে। নীজামী আর তারেকের নাম ব্যবহারটা অসাধারন ভাল লেগেছে।

    1. আপনার মন্তব্য প্রথমাংশ পড়ে
      আপনার মন্তব্য প্রথমাংশ পড়ে মনে হল এটার সাথে সম্পর্ক কি? কিন্তু সম্পূর্ণ টা পড়ে বুঝতে পারলাম আপনাকে সেলুট সম্পূর্ণ গল্পটি পড়েছেন এবং এই নাম গুলো খেয়াল করেছেন
      আমি এই দিক বিবেচনা করেই এই নাম দিয়েছি

  8. আমি ভেবেছি আপনি বোধহয় রাগ
    আমি ভেবেছি আপনি বোধহয় রাগ করেছেন নিজের নাম ব্যবহারের জন্য তাই মন্তব্য দেন নি। যাই হোক সময় করে পড়বার জন্য ধন্যবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 2 = 4