জাতীয় সঙ্গীতের ডেথ মেটাল-হেভি মেটাল চাই।

শুরুতেই এই লিঙ্ক গুলোতে একটু চোখ বুলাই এক নজরে

ইংল্যান্ডের জাতীয় সঙ্গীত God Save The Queen-এর
রিমিক্স: http://www.youtube.com/watch?v=82E-Xamx7YI
আমেরিকার জাতীয় সঙ্গীত
The Star Spangled Banner-এর
রিমিক্স: http://www.youtube.com/watch?v=aishMXDL1kU

কানাডার জাতীয় সঙ্গীত
Canada-এর রিমিক্স: https://www.youtube.com/watch?v=Uqi0WvqygNg

অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সঙ্গীত
Advance Australia Fair-এর
রিমিক্স: http://www.youtube.com/watch?v=O9bMMaE6E-0

ভারতের জাতীয় সঙ্গীত ‘জন
গন মন’ এর এ আর রেহমান কৃত
রিমিক্স: http://www.youtube.com/watch?v=3az23iLOKwg

কোরিয়ার জাতীয় সঙ্গীতের
রক ভার্সন: https://www.youtube.com/watch?v=Zyg5Ps3yMM8

ব্রাজিলের জাতীয় সঙ্গীতের
রিমিক্স: https://www.youtube.com/watch?v=pYH5ylIyUzo

জার্মান জাতীয় সঙ্গীতের
রিমিক্স: https://www.youtube.com/watch?v=bmWmkfxUouc
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের রিমিক্স, ক্ষ এর করা
http://www.youtube.com/watch?v=lLpUCs4-mv8

“ক্ষ” ব্যান্ড এর কাজ নিয়ে কিছুই বলতে চাই না, রিমেক এর ধারণার সাথে আমার কখনো সংঘাত নেই। একটা সময় আমিও চিন্তা করছিলাম রবীন্দ্র সঙ্গীতকে “ডেথ মেটাল”-“থ্রেশ মেটালের”!!! মত করে করবো!!!! কিন্তু জাতীয় সঙ্গীতের বেলায় এটা আবার মিলানো ঠিক হবে না আপাতত, কারণ আমরা এখনো সেই লেভেলে পৌঁছাইতে পারি নাই উপরের যেই সব দেশ তা করেছে কিন্তু “ক্ষ” যা করেছে সেই লেভেলে অবশ্যই পৌঁছেছি, “ক্ষ” এর এই কাজটি নিয়ে যারা আপত্তি তুলছেন তাদের মধ্যে অনেক বিজ্ঞ পণ্ডিত আছেন তাদের মধ্যে মিতা ম্যাডাম, সাদি সাহেব এবং শাকিল সাহেবরাও আছেন, উনারা হয়ত উপরের তথ্যগুলো জানেন না, উনাদের নিয়ে কিছু বলার আগে একটা ঘটনা বলি; চ্যানেল আইতে একটা অনুষ্ঠান হয় সেরা কণ্ঠ নামে, তো সেইখানে একটা মেয়ে আন্ডারগ্রাউন্ড ব্যান্ড ব্ল্যাকের “মিথ্যা” গানটি করে, গান যখন শেষ, তখন শ্রদ্ধেয় সুবির নন্দী এমন কিছু মন্তব্য করলো, তা আর বলতে চাই না, সেইখানে বিচারক ছিলেন কনক চাঁপাও তিনি তখন সুবির নন্দির কথার প্রতিবাদ করেন এরপরে মেয়েটিকে সিলেক্ট করেন। এরপর যার কথা বলবো তিনি হচ্ছেন ফরিদা পারভিন, উনি রীতিমত পারলে আজকেই ব্যান্ড মিউজিকের সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করেন, উনি এইটাকে সঙ্গীতের জঙ্গি বলে আখ্যায়িত করেন, কিন্তু উনার দেশে যখন জঙ্গিরা বোমা ফাটায় তখন উনি চুপ থাকেন, কি হাস্যকর!!!!
উপরে যাদের কথা বললাম, উনাদের কারো প্রতিভা নিয়ে পাগলেরও সংশয় থাকার কথা না, কিন্তু সত্যিকরে কেউ কি বলতে পারবেন উনারা কখনো আজকে যারা ৭১ এ মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে অথবা আজ রাষ্ট্রদ্রোহী কাজ করে এই দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর উপর হামলা চালায় তাদের বিরুদ্ধে, শক্তিশালী কোন আন্দোলন করতে অথবা নিজেদের গানের মধ্যে “তুই রাজাকার” বা আলবদর এর মত শব্দ গুলো ফুটিয়ে তুলতে????
২০০৬ সালে জাতীয় সঙ্গীতকে রিংটোন, ওয়েলকাম টিউন ব্যবহারের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয় এবং নির্দেশনা দেওয়া হয় মোবাইল ফোনে রিংটোন ও ওয়েলকাম টিউন হিসেবে জাতীয় সঙ্গীতের বাণিজ্যিক ব্যবহার অবৈধ।

কিন্তু যারা বলছেন এইটা করা যাবে না তাদের মনে রাখা উচিত এইটা প্রথমে রবীন্দ্র সঙ্গীত তারপর আমাদের জাতীয় সঙ্গীত কারণ রবীন্দ্রনাথ এইটা কি অবলম্বনে লিখেছেন তা সবারই মনে থাকার কথা, সেইটা বলার আর প্রয়োজন নাই। এইবার আশা যাক বিকৃতির কথায়, একাধিক রবীন্দ্র সঙ্গীতের একটির বেশি স্বরলিপি চালু আছে। ধরুন ‘আমি চিনি গো চিনি তোমারে’ গানটি। এই গানটি একটি জনপ্রিয় গান। কিন্তু এর তিনটি স্বরলিপি বাজারে পাওয়া যায়। একটি জ্যোতিরিন্দ্রনাথের করা, একটি সরলা দেবীর(রবীন্দ্রনাথের ভাগ্নি) করা এবং তৃতীয়টি দিনু ঠাকুরের করা। তিনটি স্বরলিপিতে সামান্য হলেও বিভেদ আছে। অতএব অবিকৃত একক রূপের নির্ধারণ করা এক্ষেত্রে সম্ভব নয়। সেইরকম আবার ‘তবু মনে রেখ’ গানটির ও চারটি স্বরলিপির খোঁজ মেলে। সেগুলি প্রায় এক হলেও হুবহু এক নয়। তাহলে কোথায় অবিকৃত ছিল।
কিন্তু যারা এখন এইটাকে নিয়ে আদালত পর্যন্ত যেতে চান তারা বারবার একটা জিনিস ভুলে যান, এতগুলো মানুষের ভালোলাগার বিরুদ্ধে আরও অনেক বিকল্প উপায়ে যাওয়া যায়, ভুলে গেলে চলবে না রবীন্দ্রনাথ আর সোনার বাংলা এমন কোন ঠুনকো অনুভূতি নয়, যেটা ক্ষ এর মত একটা ব্যান্ড করলেই আঘাতে ভেঙ্গে যাবে।

আজকে বাংলাদেশে ১৬ কোটি মানুষ। কয়টা মানুষ নিয়মিত জাতীয় সঙ্গীত শুনে ??? আজকে অনেক সুশীল অনেক কথাই বলবে। তারা কয়বার নিয়মিত জাতীয় সঙ্গীত শুনে??? আর সেই সুশীল সমাজ সহ দেশের কয়টা মানুষই বা জাতীয় সঙ্গীতের ১০ লাইন বলতে পারবে???

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২৬ thoughts on “জাতীয় সঙ্গীতের ডেথ মেটাল-হেভি মেটাল চাই।

  1. আজকে বাংলাদেশে ১৬ কোটি মানুষ।

    আজকে বাংলাদেশে ১৬ কোটি মানুষ। কয়টা মানুষ নিয়মিত জাতীয় সঙ্গীত শুনে ??? আজকে অনেক সুশীল অনেক কথাই বলবে। তারা কয়বার নিয়মিত জাতীয় সঙ্গীত শুনে??? আর সেই সুশীল সমাজ সহ দেশের কয়টা মানুষই বা জাতীয় সঙ্গীতের ১০ লাইন বলতে পারবে???

    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
    খাসা কথা বলেছেন।

    1. আজাইরা সুশীলতা ভালো লাগে না,
      আজাইরা সুশীলতা ভালো লাগে না, কামের সময় পাওয়া যায় না, হুদা টাইমে কেচাল করবার ভালোই পারে, আরে ভাই যা না পারলে যুদ্ধাপরাধের বিচার চাইয়া গণঅনশন করা শুরু কর, দেশের এই ক্রাইসিসে এই গুলা করে দৃষ্টি অন্য দিকে নেওয়ার মানে কি????

  2. চমৎকার লিখছেন।
    এইসব

    চমৎকার লিখছেন। :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া:
    এইসব সুশীলদের কানের গোঁড়ায় একটা চটকানা দিয়া বলতে চাই- ক্ষ এর পরিবেশনা আমার+আমাদের ভাল্লাগছে। দূরে গিয়া মুড়ি খান। :পার্টি:

    1. এই কারণেই উনাদের গান মানুষ
      এই কারণেই উনাদের গান মানুষ এখন আর আগের মত শুনে না, তার কারণ হচ্ছে উনারা এই সময়ের মানুষের চাহিদার ভাষা বুঝতে পারে না, সময় কিন্তু অনেক দূর হেঁটে চলে গেছে, ভুলে গেলে চলবে না।

      1. কে কার গান শুনবে, এটা
        কে কার গান শুনবে, এটা নির্ধারন করার মালিক নিশ্চয় শিল্পী নয়, এটা নির্ধারন করবে শ্রোতা। যে সব শিল্পী এসব নির্ধারন করার চেষ্টা করে, সেই সব শিল্পীর শিল্পীসত্বা ও আত্মবিশ্বাসের অভাব আছে।

  3. আচ্ছা এখানে অনেক সঙ্গীত
    আচ্ছা এখানে অনেক সঙ্গীত বোদ্ধা আছেন নিশ্চয়,আমাকে কি কেউ একটু বোঝাবেন ‘ক্ষ’ কোন জায়গাটা তে ‘সোনার বাংলা’ কে হত্যা করেছে?? আমার কাছে তো সুর ঠিক ই লাগলো বরং আরও বেশি উজ্জীবিত গান মনে হয়েছে এটা। পারলে করুক না সাদি মহাম্মদ রা এমন উজ্জীবিত জাতি কে।

    1. উনারা কাউকে উজ্জীবিত করতে
      উনারা কাউকে উজ্জীবিত করতে পারেন নাই বলেই এত হিংসা। ‘ক্ষ’র এই গানটি আমি যখন শুনি, তখন আমার পাঁচ বছরের ছেলেও নিঃশব্দ থেকে গানটি শুনে। আমার ১১ বছরের ছেলে গানটি তার মিউজিক ডিভাইসে নাকি সব সময় শুনে। এখানেই ‘ক্ষ’ আর সাদী মুহাম্মদ’দের মধ্যে পার্থক্য।

  4. গায়িকা মিতা হকের একটা নোট
    গায়িকা মিতা হকের একটা নোট ফেসবুকে এসেছে ক্ষ ব্যান্ড এর এই গান নিয়ে। এর আগে উনাকে কোট করে বাংলানিউজ যে নিউজ ছাপে তা ছিল একটা হলুদ সাংবাদিকতা এবং মিতা হকের কিছুটা অসতর্ক মন্তব্যের ফল। উনাকে সাংবাদিক ফোনে জিজ্ঞেস করেছিল- ক্ষ ব্যান্ড এর জাতীয় সংগীত ভয়াবহ রকমের বিকৃতি করা নিয়ে আপনার মতামত কি? উত্তরে উনি বলেন- আমি গানটা শুনিনি। তবে যদি বিকৃতি করে থাকে তাহলে তা অন্যায়। এটাকেই ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে সাংবাদিক ছেপে দিয়েছেন। আর মিতা হকের উচিৎ ছিল দেশের একজন স্বনামধন্য রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী হিসেবে বলা যে না শুনে আমি কোন মন্তব্য করব না। তিবে উনার নোটে উনি কিন্তু ক্ষ এর এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। :ভালুবাশি:

    1. বাংলা নিউজের কথা আর কইয়েন না
      বাংলা নিউজের কথা আর কইয়েন না ভাই। রাজনীতিবিদদের কথার বিশ্বাস আছে তো বাংলানিউজের বিশ্বাস নাই।
      ক্ষ’র গান শুইনা ইমোশনে তবদা খাইয়া গেছি। এর ছেয়ে আর বেশি কি লাগে।

    2. এখনো পাই নি, তবে যদি উনি এটা
      এখনো পাই নি, তবে যদি উনি এটা বলে থাকেন অত্যান্ত বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন। ধন্যবাদ আতিক ভাই এই তথ্য দেওয়ার জন্য।

    3. এখনো পাই নি, তবে যদি উনি এটা
      এখনো পাই নি, তবে যদি উনি এটা বলে থাকেন অত্যান্ত বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন। ধন্যবাদ আতিক ভাই এই তথ্য দেওয়ার জন্য।

  5. আপনাদের কাছে যেহেতু আমার
    আপনাদের কাছে যেহেতু আমার জাতীয় সঙ্গীত আগে রবীন্দ্র সঙ্গীত তাই বলার কিছুই নাই। চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে, চেয়ারে পায়ের উপরে পা তুলে ক্ষ এর ‘আমার সোনার বাংলা’ রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনতে থাকুন।

    আমার কাছে জাতীয় সংগীত, যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আমার সোনার বাংলা গানের প্রথম ১০ লাইন। অন্যান্য সব দেশের মত আমার দেশেও গানটির ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট বিধিবিধান রয়েছে। এবং গানটির সময় উঠে দাঁড়ানো, গানটির অবমাননা না করা আমি আমার নাগরিক দায়িত্ব (আবেগ না, দায়িত্ব) বলে মনে করি। জাতীয় সংগীত আমার বাপের সম্পত্তি না। এটি আবেগের সাথে যতনা জড়িত, তার চেয়ে বেশি আমার নাগরিক দায়িত্ববোধের সাথে জড়িত। আবেগের জন্যে আমার শুনার মত বাংলায় আরও গন্ডাখানেক গান রয়েছে।

    তবে চিন্তা করছি রবীন্দ্রনাথের এই গানটির একটা ডিজে ভার্সন বার করবো। সেক্সী মেয়েরা নাচবে। সেখানে তখন আবার কান্নাকাটি করবেন না যেন। আমার আবেগে আবার মাঝে মধ্যে যৌনাবেগ চলে আসে কিনা!!

    1. আর যারা মুখে দেশ প্রেমের খই
      আর যারা মুখে দেশ প্রেমের খই ফুটিয়ে প্রথম কয়েক লাইনই গাইতে পারে না, তাদের জন্য কি বলবেন।

      শুনেন ভাই আমার নিজের কাজিন ইংলিশ মিডিয়ামে পরে যারা ঠিক মত বাংলা মাসের নাম বলতে পারে না, তারা ঠিকই এখন শুদ্ধ বাংলায় জাতীয় সংগীত গাইতে পারছে, তাহলে আমাদের পণ্ডিতরা থাকতে এতদিন পারে নি কেন????????

  6. আজকে মিতা হকের একটা রিভিউ
    আজকে মিতা হকের একটা রিভিউ এসেছে প্রথম আলো তে।উনার কথা শুনে মনে হল ক্ষ এর গান কে উৎসাহ ই দিয়েছেন। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. মিতা হক প্রথম যখন প্রতিক্রিয়া
      মিতা হক প্রথম যখন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন, তখন ভিন্ন কথা বলেছেন। কিন্তু এই প্রজন্মের হাতে ঠ্যাঙ্গানী খেয়ে এখন ইউটার্ন নিয়েছেন।

      1. আমার কাছেও ব্যাপার টা তাই মনে
        আমার কাছেও ব্যাপার টা তাই মনে হয়েছে। “ওরে নবীন ওরে আমার কাচা,আধমরা দের ঘা মেরে তুই বাঁচা” :খুশি: :খুশি: :খুশি: :খুশি:

  7. সময়ের সাথে সাথে সঙ্গীতের ধরন
    সময়ের সাথে সাথে সঙ্গীতের ধরন পাল্টায় । আমি হলফ করে বলতে পারি যে সঙ্গীত সময়ের সাথে অভিযোজিত না হয় সে সঙ্গীত নির্জীব ,মূমূর্ষ । আজ লালন জনপ্রিয় কারণ লালন সময়ের সাথে সাথে তার রুপ পাল্টিয়েছে , রবিন্দ্র জনপ্রিয় , নজরুল সুকান্ত – এরা প্রত্যেকেই তাদের ভোল বদলিয়েছে । ভবিষ্যতেও বদলাবে তাই টিকে থাকবে আরো হাজার বছর … তবে জাতীয় সঙ্গীতের কথা আলাদা । জাতীয় সঙ্গীত নিজের মৌলিকতা নিয়ে সামনে আগাবে এটা আমিও চাই । কি দরকার বদালানোর …………

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

7 + 3 =