সবাইকেই শাস্তি পেতে হয়

-কি খবর দোস্ত কেমন আছিস?
– ভাল., তোর খবর কি?
-আরে ভাল.। ভাল .। গতকাল আট নাম্বার ব্রিজের ঐদিক দিয়ে যাচ্ছিলাম একটা চরম সুন্দর মেয়ে দেখছি দোস্ত.।
-ওরে বলিস কি তুই? কালই যেতে হবে দেখতে হবে তো কেমন.।
-ঐ শালা ঐ টা তোর ভাবি.।
-আরে শালা এর আগেও চার বার এই কথা শুনছি.। আর কইস না
-যা ঐ গুলা তো শুধু এনজয়েং এর জন্য ছিল.।
-ও তাই !
-তুই এত সাধু সাজতেছোস মনে হয় ধুয়া তুলসি পাতা! ঐ যে জমিলা.,খাইরুন আর আমিনার কথা ভুইলা গেছি ভাবছোস?
-ধুর আবার ঐ তিনটার কথা মনে করায় দিলি! কাজ শেষ ওরাও শেষ.। ভাল কথা বন্ধু নতুন একটা পাইছিরে লালমাটিয়া .।
-এত ক্ষনে কইতাছস! কেমন ?
-একদম হেব্বি বন্ধু.।


-কি খবর দোস্ত কেমন আছিস?
– ভাল., তোর খবর কি?
-আরে ভাল.। ভাল .। গতকাল আট নাম্বার ব্রিজের ঐদিক দিয়ে যাচ্ছিলাম একটা চরম সুন্দর মেয়ে দেখছি দোস্ত.।
-ওরে বলিস কি তুই? কালই যেতে হবে দেখতে হবে তো কেমন.।
-ঐ শালা ঐ টা তোর ভাবি.।
-আরে শালা এর আগেও চার বার এই কথা শুনছি.। আর কইস না
-যা ঐ গুলা তো শুধু এনজয়েং এর জন্য ছিল.।
-ও তাই !
-তুই এত সাধু সাজতেছোস মনে হয় ধুয়া তুলসি পাতা! ঐ যে জমিলা.,খাইরুন আর আমিনার কথা ভুইলা গেছি ভাবছোস?
-ধুর আবার ঐ তিনটার কথা মনে করায় দিলি! কাজ শেষ ওরাও শেষ.। ভাল কথা বন্ধু নতুন একটা পাইছিরে লালমাটিয়া .।
-এত ক্ষনে কইতাছস! কেমন ?
-একদম হেব্বি বন্ধু.।

(এখানেই এদের কথোপকথন শেষ হল)

কিছুদিন পর
দ্বিতীয় জন প্রথম জনকে ফোন
-হ্যলো বব্ধু
-হুম হ্যালো কেমন আছিস .। দোস্ত আমি তো একটা কাজ করেছি
-দোস্ত ভাল না রে.। আমার ফুট ফুটে বোনটারে কোন হারামির বাচ্চা যেন এসিড মারছে.।
-কি বলিস কোথায়?
-আট নম্বর ব্রিজের ঐ দিকে .। কয়েক দিন ধরেই ওকে নাকি উত্যাক্ত করতো .। আজ এসে ওর হাত ধরেছিল সাথে সাথে থাপ্পর দেয়.। এর পর ই এই কান্ড.।
– ও.। আচ্ছা বন্ধু রাখি পরে কথা বলব নে.।
-তুই না কি যেন বলতে চেয়েছিলি বল.।
-অন্য সময়.। রাখি আজ

এরও কিছু দিন পর প্রথম বন্ধু দ্বিতীয় জনকে ফোন
– বন্ধু জানিস কোন হারামির বাচ্চা যেন আমার বোনটার মুখে ছুড়ি দিয়ে পোচ মারছে .।
-কি বলস কোথায়
– আরে লালমাটিয়াতে কোচিং করতে গিয়েছিল ঐ খানে.।
-ও তাহলে থাক বন্ধু পরে কথা হবে.।

এভাবেই আমরা যা করি তার ফল আমাদের পেতে হয়.। অন্যের বোনকে উত্যাক্ত করি আমরা তেমনই আমাদের বোনকেও করে অন্যরা.।
ঊপরিউক্ত গল্পের প্রথম বন্ধু কর্তৃক দ্বিতীয় বন্ধুর বোনকে এসিড নিক্ষেপ আর দ্বিতীয় বন্ধু কর্তৃক প্রথম বন্ধুর বোনকে ছুড়িকাঘাত এসবই তাদের পাপ কাজের ফল .।

আমদের বোনদের সাথে কোনছেলে এমন কিছু করলে আমাদের যেমন খারাপ লাগে আমরা যাদের সাথে করি তাদের ও খারাপ লাগে.।
তাই এগুলো থেকে বিরত থাকুন.।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২২ thoughts on “সবাইকেই শাস্তি পেতে হয়

  1. ” তোমারে যে বধিবে গোঁকুলে
    ” তোমারে যে বধিবে গোঁকুলে বাড়িছে সে … ”
    নারীর প্রতি আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গির পরিবর্তন হোক । নারী একতাল মাংশপিণ্ড নয় । মানুষ । এই ভাবতে না পারাটা আমাদের মানসিক দীনতা । নারী – পুরুষের যুগল কাফেলায় যাত্রা হোক তীর্থের দিকে । যেখানে থাকবেনা ভেদাভেদ, গ্লানি, নীচতা, হীনতা, কলুষতা …

    1. হুম ভাই ড্যাম ট্রু
      আর এটা তো

      হুম ভাই ড্যাম ট্রু

      আর এটা তো ছেলেদের টা দিয়েছি মেয়েদের টা দেব না ভুল বুঝবেন

      ওদের একটা মন্তব্য দিলাম

      -দেখ ঐ ছেলেটারে দুই দিনে আই লাভ ইউ বলাবো ওরে দিয়ে
      – তুই ঐ হাবার সাথে প্রেম করবি
      – আরে ধুর কয়েক দিন ঘুরায়ে মজা নিব আর কি

        1. মেয়েরা এত খারাপ !! আসলে
          মেয়েরা এত খারাপ !! আসলে যুগটাই এমন।
          আমরা ছেলেরা কি কম কিছু !
          রাস্তায় মেয়ে দেখলেই দেখতো মালটা কেমন!
          এমন মন্তব্য করতে কি দ্বীধা করি?

          আমি এগুলো সহ্য করতে পারি না। প্রতিবাদ করি তাই আমার বন্ধু মহলে আমাকে আঙ্কেল বলে সম্বোধন করা হয়। আমার টা নাকি অস্বাভাবিক। এখন আমাকে তাদের মত হতে হবে।

  2. এভাবেই হাজার হাজার তামার
    এভাবেই হাজার হাজার তামার পাতের ভিড়ে খাঁটি সোনার পাতটি বিলীন হয়ে যায় আর শত আলোকবর্ষ দূরে পড়ে থাকে একটি প্রত্যাখাত রক্তিম গোলাপ। তবুও গোলাপটি হেসে যায় কারণ তার জীবন স্বার্থক। আমি পৃথিবীর প্রতিটি পথে হেঁটে যাই অনন্তকাল ধরে। আমার মনে হয় এপথ আর কখনো শেষ হবেনা। আমি যখন কাছের ঐ ল্যাম্পপোস্টের দিকে তাকাই মনে হয় সেটা কত দূরে! সোডিয়ামের হলুদ আল গুলো আমায় আর ছুঁয়ে যেতে পারেনা। কারণ নির্বাক ল্যাম্পপোস্টের আলোতে আর সেই প্রাণ নেই। আমি যখন ভোরের পাখির ডাকে কান পাতি তখন মনে হয় ঘুলঘুলির ঐ ফাঁক দিয়ে লক্ষকোটি দূরত্ব অতিক্রম করে হাইগেনের কাল্পনিক ইথারে ভেসে আসছে কোনো ছলনাময়ীর হাসির সুর। আর সেটা আমায় টুকরো করে নিক্ষেপ করছে সূর্যের ফিউশনে। কী এক অজানা আনন্দ যখন আমি ফিউশনে বিস্ফোরিত হই আর নির্গত শক্তি আলো হয়ে তার কৃষ্ণ চুলে লীন হয়ে যায়। মিশে যাওয়ার আনন্দ এখানে থাকে কিছুটা। তাও সূর্যমুখীটা নির্লজ্জ ভাবে সূর্যের রূপ ধারণ করতে চায় আর জোনাকি গুলো ঝোপের ধারে চাঁদের বিকল্প হয়ে স্বর্গীয় আলো দিতে থাকে অথচ আকাশে চাঁদ তখন পাঁচ ফুট তিন ইঞ্চি হয়ে আমার সামনে আবির্ভূত হয় আর চিকন চিরুনী দিয়ে ভেজা চুল আঁচড়ায়;উপর থেকে নীচে, নীচে থেকে উপরে।।।।।

    1. ইলেকট্রন,
      তাও সূর্যমুখীটা

      ইলেকট্রন,

      তাও সূর্যমুখীটা নির্লজ্জ ভাবে সূর্যের রূপ ধারণ করতে চায় আর জোনাকি গুলো ঝোপের ধারে চাঁদের বিকল্প হয়ে স্বর্গীয় আলো দিতে থাকে অথচ আকাশে চাঁদ তখন পাঁচ ফুট তিন ইঞ্চি হয়ে আমার সামনে আবির্ভূত হয় আর চিকন চিরুনী দিয়ে ভেজা চুল আঁচড়ায়;উপর থেকে নীচে, নীচে থেকে উপরে।।।।।

      – অসাধারণ লিখেছেন । আপনি কবিতা লেখেন নাকি ? পড়েছি কি ? মনে করতে পারছিনা ।

  3. কিছুনা রে ভাই। তোমার পোস্ট
    কিছুনা রে ভাই। তোমার পোস্ট পড়ে ইমোশনাল হয়ে গেলাম। মেয়েটা ভাবছিলো আমিও তার সাথে রং ঢং করতেছি। একদম বোকা। কিচ্ছু বুঝে নাই।

    1. হুম
      নারী পুরুষ সবাই সমান
      দেশ

      হুম
      নারী পুরুষ সবাই সমান
      দেশ গড়তে হাতে হাত মিলান .।

      যার হাত ধরে এই ব্লগিং জগতে আশা সে এই প্রথম আমার পোস্টে ধন্যবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 56 = 63