পুলিশ,র‍্যাব ভাইদের প্রতি আবেদন , ধর্ষক’দের পরিণতি হোক ক্রস-ফায়ার ।

বাংলাদেশ পুলিশ এবং র‍্যাব বাহিনীর কাছে একটি আবেদন । প্রায়ই পত্রপত্রিকায় ক্রস-ফায়ারের খবর পেতাম । এদের মাঝে খুনি , ডাকাত , সন্ত্রাসী থেকে শুরু করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেও অনেকে ক্রস-ফায়ারের স্বীকার হয়েছে । কিন্তু আজ পর্যন্ত কোন ধর্ষকের ক্রস-ফায়ারের খবর পেলাম না !!!


বাংলাদেশ পুলিশ এবং র‍্যাব বাহিনীর কাছে একটি আবেদন । প্রায়ই পত্রপত্রিকায় ক্রস-ফায়ারের খবর পেতাম । এদের মাঝে খুনি , ডাকাত , সন্ত্রাসী থেকে শুরু করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেও অনেকে ক্রস-ফায়ারের স্বীকার হয়েছে । কিন্তু আজ পর্যন্ত কোন ধর্ষকের ক্রস-ফায়ারের খবর পেলাম না !!!

ধর্ষণ আমাদের সমাজে ব্যধির মত ছড়িয়ে গেছে । কিছুদিন পর-পরিই শোনা যায় প্রত্যন্ত গ্রামের , অষ্টম , নবম , দশম শ্রেণীর কোন মেয়ে , আবার পাহারের কোন তরুণী এবং আধুনিক নগরের ছেলেরা প্রেমিকাকে ডেট করতে নিয়ে যেয়ে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে যায় । এদের মাঝে অনেক মেয়েই , মৃত্যু বরণ করে কিনবা ধর্ষণ করার পর ধর্ষকরা অনেক সময় তাদেরকে হত্যা করে রেখে যায় । আমারা শুধু এই খবর গুলো পাই কিন্তু এরপর ধর্ষকদের কী হয় তা আর খবরে আসে না । এ পর্যন্ত ধর্ষকদের শাস্তি সরূপ ব্রাস্ট-ফায়ার করা নিয়ে এর পুর্বেও বলেছি কিন্তু তেমনটি হয় নি ।

তো সম্মানিত পুলিশ এবং র‍্যাব ভাইয়েরা , আপনাদের ঘরেও , মা-মেয়ে-বোন আছে । এরকমটি যদি আপনাদের ফ্যামিলির ক্ষেত্রে ঘটত তখন আপনারা কি করতেন ?? এই ধর্ষকেরা যুগ যুগ ধরে ধর্ষণ করার পরও , বাংলাদেশের পচে যাওয়া রাজনীতির কারনে বেচে যাচ্ছে । আপনারা একটু ইচ্ছে করলেই এটা বন্ধ করতে পারেন । রাষ্ট্র আপনাদের কাছে লাইসেন্স কৃত অস্ত্র তুলে দিয়েছে আইন , শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কিন্তু বিচার করার অধিকার আপনাদেরকে দেয় নি । বাংলাদেশের দূষিত রাজনীতি সঠিক আইনের শাসন এদেশে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে নাই । আপনারা একটু ভেবে দেখুন আজ-পর্জন্ত কয়টা ধর্ষকের বিচার হয়েছে ?? এবং কেন এখনও ধর্ষণ সঙ্ঘটিত হচ্ছে ??? সমাজে একটি অপরাধ , ক্রাইম সঙ্ঘটিত হবার পর যখন এর বিচার হয় না তখন এর প্রভাবে ছোট-বড় অন্যান্য ক্রাইম সঙ্ঘটিত হতে থাকে । এবং ক্রমেই সমাজে অপরাধ প্রবণতা বাড়তে থাকে । যার কারনে যত ত্বরিত গতিতে সম্ভব এসব ক্রাইমের বিচার করা এবং এটা প্রতিষ্ঠিত করা যে এরকম ক্রাইম করে কেউ রেহাই পাবে না সে যেই হোক না কেন ।

যেহেতু বাংলাদেশে এরকমটি হয়নি মানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়নি যার কারনে আপনাদেরকে এই বিশেষ কারনে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার জন্য আহবান করছি । আমি জানি অনেকে বলবেন এটা ভাল কোন উপায় নয় । ধর্ষণ বন্ধ করতে হলে প্রয়োজন শিক্ষা, মানসিকতার পরিবর্তন ব্লা ব্লা ব্লা !! এসব শোনতে শোনতে কান ঝালা-পালা হয়ে গেছে । গত ২০ বছরে বাংলাদেশে কত হাজার – হাজার নারী , যুবতী , কিশোরী পাঁচ বছর বয়সী বাচ্চা মেয়ে পর্যন্ত ধর্ষিত হয়েছে তার কি কোন হিসাব আছে?? !!! আমি এতোটুকু বিশ্বাস করি কিছু ধর্ষককে যদি ধরে গুলি করে হত্যা করে ক্রস-ফায়ার বলে চালিয়ে দেওয়া হয় তবে এই ধর্ষণ প্রবণতা কমে যাবে । অন্যান্য যাদের মাঝে ধর্ষণ প্রবণতা আছে তারা বুঝতে পারবে এরকম ধর্ষণ করতে গেলে তারাও ক্রস-ফায়ারে পরতে পারে । জীবনের ভয় সবারই থাকে , এবং সমাজে যদি এই ভয়টা প্রতিষ্ঠিত করা যায় ধর্ষণের পরিণতি হচ্ছে ক্রস-ফায়ার তখন এভাবেই ধর্ষণ প্রবণতা কমে যাবে বলে অন্তত আমি মনে করি । ত্বরিত গতিতে সমাজ থেকে ধর্ষণ প্রবণতা কমানোর জন্য অন্য কোন উপায় নাই অন্তত বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নাই । তো আপাততো ধর্ষকদের পরিণতি হোক ক্রস-ফায়ার । এরপর না হয় সমাজ থেকে ধর্ষণ দূর করার জন্য সামাজিক , পারিবারিক, মানসিক সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা নেওয়া যাবে ।

বাংলানিউজের মাধ্যমে জানতে পারলাম বাংলাদেশে আবারো পনেরো বছরের একটি মেয়ে গণ ধর্ষণের স্বীকার হয়েছে । খবরটি ছিলো এরকম:

চলতি মাসের ১০ ডিসেম্বর সোমবার সদর উপজেলার রসুলপুর এলাকায় রেল লাইনের ওপর থেকে ওই স্কুলছাত্রীকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করেছে এলাকাবাসী। পরে তাকে টাঙ্গাইল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

সে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী।

ওই স্কুলছাত্রীর মা বাংলানিউজকে বলেন, “আমার মেয়েকে তার বান্ধবি বিয়ের দাওয়াতে নিয়ে যাবার কথা বলে গত ৭ ডিসেম্বর শুক্রবার মধুপুরের পাহাড়ি এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই মধুপুরের শুপ্তি কম্পিটারের কর্মচারী রুবেল ও তার বন্ধু হারুনসহ ৫/৬ জন যুবক অবস্থান করছিল। তারা আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে।”

তিনি আরও জানান, ৩দিন তাকে ওই বাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষণ করার পর সোমবার সদর উপজেলার রসুলপুর রেল লাইনের ওপর ফেলে রেখে যায়।

“এ সংবাদ পেয়ে আমার বড় ছেলে রেললাইন থেকে তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল হাসপাতালে ভর্তি করে।”

এধরণের খবর আমাদের জন্য নতুন কোন খবর নয় । এসব দেখে শুনে বাঙালি মধ্যবিত্ত সমাজ খুব অভ্যস্ত হয়ে গেছে । ঘটনা হচ্ছে এই ধরনের খবর এবং ধর্ষণের ঘটনা আমাকে পোড়ায় , আমি ভিতরে ভিতরে দগ্ধ হতে থাকি । এর বেশী আমি কিছুই করতে পারি না, শুধু কাপুরুষের মত এসব দেখে যাই । তো র‍্যাব এবং পুলিশ ভাইদের কাছে একটাই আবেদন আপনারা শুরু করে দিন । কিছু ধর্ষক পশুকে ব্রাস্ট-ফায়ার করে ক্রস ফায়ার বলে চালিয়ে দিন । দেখবেন কিছুদিনের মাঝেই এই ধর্ষণ প্রবণতা কমে যাবে । রাষ্ট্র যখন বিচার করতে ব্যর্থ হয় তখন মাঝে মাঝে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে হয় ।আর আপনাদের কাছে আছে রাষ্ট্রর লাইসেন্স কৃত অস্ত্র এবং ক্ষমতা । আপনারা যেহেতু এই ক্ষমতা বলে পূর্বে বহু সন্ত্রাসীকে ক্রস-ফায়ার বলে চালিয়ে দিয়েছেন , তো ধর্ষক নামক কিছু পশুর ক্ষেত্রেও আপনারা এমনটি করতে পারেন ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১১ thoughts on “পুলিশ,র‍্যাব ভাইদের প্রতি আবেদন , ধর্ষক’দের পরিণতি হোক ক্রস-ফায়ার ।

  1. ভালো বলছেন। কিছু কিছু
    ভালো বলছেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আইন বা মানবতা দেখানোর প্রয়োজন দেখিনা। তবে ম্যাল ইউজ হইলেই সমস্যা।
    ইস্টিশনে স্বাগতম। :পার্টি:

  2. কয়েকটাকে ক্রশফায়ারে ফেলতে
    কয়েকটাকে ক্রশফায়ারে ফেলতে পারলে ধর্ষণের প্রকোপ অনেক কমে যেত। ক্রশফায়ার সম্ভব না হলেও এদের ধরে এনে হাসপাতালে সার্জারীরে বিশেষ অঙ্গ কর্তন করা হোক। এই রকম নজির দশটা রাখতে পারলে ধর্ষণের হার শুন্যের কোটায় চলে যাবে বলে মনে করি।

    খোকন ভাই, ইস্টিশনে স্বাগতম। :পার্টি:

  3. ইস্টিশনের চিপায় প্লাটফর্মে
    ইস্টিশনের চিপায় প্লাটফর্মে ফাকায় চায়ের স্টলে ব্লগের সবাই ঝড় তুলুক।। শুধু দেখে যাবনা , প্রয়োজনে ‘আমরা হব অসভ্য বুনো , প্রতরণা,নির্যাতনের সাধ নেব দুনো ‘। সবাইকে স্বাগতম । পাগলার স্যালুট এই প্রচেষ্টায় – ঠাটায়া

  4. যার যার এলাকায় ধর্ষকদের
    যার যার এলাকায় ধর্ষকদের গনধোলাই দিয়া আগে আধমরা কইরা ফালাইতে হবে। ইস্টিশনের সকল যাত্রীর কাছে আবেদন রইলো। এরপর পুলিশ ধইরা নিয়া যা করার করবো

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 3 = 6