তুষারের জীবনের উথান-পতন

মেঘলা একটি বিকাল। পশ্চিম আকাশের মেঘ গুলো রক্তিম রঙ-এ রঞ্জিত হয়েছে। স্নিগ্ধ কোমল পরিবেশ বিরাজ করছে। কিন্তু তুষারের মনে বইছে কালবৈশাখীর ঝড়ো হাওয়া। মনির কথা ভাবছে সে। মনি যেন এখন শুধু একটি সহপাঠী নয়, তার চেয়েও বেশি কিছু হয়তো। কিন্তু সে যে পুরো নারী জাতিটিকে ঘৃণা করে। এই নারী জাতি টা একটা স্বার্থপর জাতি। নিজেদের প্রয়োজনের তাগিদেই অন্যের সাথে থাকে কিন্তু প্রয়োজন ফুরলেই তাকে আর পাশে পাওয়া যায় না। নারী জাতিকে এখন তুষার ভয় পায়। তাদের সান্নিধ্যে আবারও কোন কিছু হারাবার ভয় হয় তার।


মেঘলা একটি বিকাল। পশ্চিম আকাশের মেঘ গুলো রক্তিম রঙ-এ রঞ্জিত হয়েছে। স্নিগ্ধ কোমল পরিবেশ বিরাজ করছে। কিন্তু তুষারের মনে বইছে কালবৈশাখীর ঝড়ো হাওয়া। মনির কথা ভাবছে সে। মনি যেন এখন শুধু একটি সহপাঠী নয়, তার চেয়েও বেশি কিছু হয়তো। কিন্তু সে যে পুরো নারী জাতিটিকে ঘৃণা করে। এই নারী জাতি টা একটা স্বার্থপর জাতি। নিজেদের প্রয়োজনের তাগিদেই অন্যের সাথে থাকে কিন্তু প্রয়োজন ফুরলেই তাকে আর পাশে পাওয়া যায় না। নারী জাতিকে এখন তুষার ভয় পায়। তাদের সান্নিধ্যে আবারও কোন কিছু হারাবার ভয় হয় তার।

তুষার ছাদে বসে,আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। আজ থেকে প্রায় তিন বছর আগের দিন গুলোতে ফিরে গেল সে। সেই অপরূপ সুন্দর মেয়েটি, যার খোলা চুলের দোল খাবার খেলা, মায়াবী চোখের চাহনি দেখতে দেখতে সারা দিন কাটিয়ে দেয় সে।সারা দিনের বেশির ভাগ সময় কাটে যার ভাবনায় সেই মেয়ে জয়ন্তী। একই কলেজে পড়ে তারা। দুজনেই একই কলেজের একই ক্লাসে পড়ে। সকাল সাতটা থেকে দুপুর বারটা পর্যন্ত এক সাথেই কলেজে সময় কাটে তাদের।এর পর আবার বিকেল বেলা কোচিং এ। দুজনেই খুবই ভাল শিক্ষার্থী। প্রথম সারির ছাত্র-ছাত্রী। প্রথমে এই দুই জন ছিল একজন আরেক জনের সবচেয়ে বড় শত্রু,সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু একদিন তুষারের দৃষ্টি পড়ল জয়ন্তীর ভেসে বেড়ানো খোলা চুলের উপর। কি যেন এক আনন্দ তার হৃদয় স্পর্শ করে গেল। নিজের অজান্তেই তার মুখের এক কোনে একটু হাসি। পরম কিছু পাবার আনন্দের হাসি। এর পর কিভাবে কিভাবে যেন এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে বন্ধুত্ব স্থাপিত হল। এখন একজন আরেক জনকে ছাড়া কিছুই বুঝে না তারা। গল্পে গল্পে সময় কাটিয়ে দেয় স্কুলে। তাদের মধ্যে শুধু বন্ধুত্ব নয় এর চেয়ে বেশি কোন কিছুর সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে। কিন্তু কেউ ই জানে না সেটা কি? সেটা কি ভালবাসা? একদিন গল্প করতে করতে বলেই ফেলল তুষার।
-এই জয়ন্তী শোন।
-হ্যাঁ, বল কি বলবি।
-আরে এদিকে তাকা না। তোর সাথে কিছু কথা আছে।
-এমন ভঙ্গিমা করছিস কেন, বলে ফেল যা বলবি।
-আচ্ছা আমরা কি শুধু বন্ধু নাকি এর চেয়েও কিছু?
-জানি নারে! আচ্ছা তোকে ছাড়া আমার ভাল লাগে না। তুই ম্যাসেজ না দিলে আমার কেমন যেন অস্থির লাগে। এটা কেন হয়রে।
-জানি নারে। আচ্ছা ভালবাসা কি? এটাই কি ভালবাসা?
-হয়তো বা। আমি তাহলে তোকে ভালবেসে ফেলেছি হয়তো,
-আমিও রে।
কথা গুলোর পরেই আলিঙ্গন করলো উভয়েই। হারিয়ে গেল একে অন্যের বাহুতে।তারা একে যেন অন্যের জন্যই জন্ম নিয়েছে। হঠাৎ করে একদিন কি যেন হল জয়ন্তী কোন প্রকার ম্যাসেজের উত্তর দিল না তাকে। একদিন গেল,দুই দিন গেল। জয়ন্তীর কোন খবর নেই। এভাবে প্রায় দশ দিন কেটে গেল। ওদের কলেজ জীবন শেষ হয়েছে দুই মাস। তাই খুব কম দেখা হত ওদের। তুষার এক বন্ধুর মাধ্যমে জানতে পারলো যে জয়ন্তীর বিয়ে ঠিক হয়েছে। জয়ন্তী মেনে নিয়েছে সবই। ছেলে ইঞ্জিনিয়ার। মোটা অঙ্কের বেতন পায় সে।
খুব কষ্টে জয়ন্তীর সাথে একবার কথা হয় তুষারের।
-কিরে তোর নাকি বিয়ে ঠিক হয়েছে?
-হুম জানিসই তো আবার জিজ্ঞাসা করিস কেন?
-তার মানে তুই বিয়েতে রাজি?
-হুম রাজি। রাজি হব না কেন!
-তুই না আমাকে ভালবাসতই?
-হাহা ওটাকে ভালবাসা না, টাইম পাস বলে। সবাই ঐ সময় ওটাকে ভালবাসাই বলে। আসলে সবই টাইম পাস।আই ওয়াজ ইনজয়িং দ্যাটস ইট।
-কি বলিস তুই এই সব? সেই আদর করে আমার চুলে হাত বুলিয়ে দেয়া। আমার গালে তোর নরম ঠোটের ছোঁয়া এসবই কি টাইম পাস ছিল?
-হ্যাঁ সবই টাইম পাস। এগুলো স্বাভাবিক।
-তাহলে ভাল থাকিস তুই, তোর জন্য শুভকামনা।
-আমি ভালই থাকব, এতে তোকে আর বলতে হবে না।

কেটে দিল ফোন।তুষার এখন ঝড়ের কবলে পড়া মধ্য সাগরে পাল ছেড়া , দাঁড় বিহীন নৌকার মত ভাসছে। যে অধীর আগ্রহে বসে আছে পাড়ে ফেরার। কিন্তু তার সকল চেষ্টা যেন ব্যর্থ হচ্ছে। তুষার আর পাঁচটা ছেলের মত এখন ধাবিত হচ্ছে মাদকের দিকে। প্রথমে সিগারেট, এখন ক্রমে অন্য মাদকেও অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে সে। আগে যেমন জয়ন্তীকে ছাড়া তার এক দিনও কাটতো না এখন এই মাদক গুলো ছাড়া তার সময় কাটে না। জমানো সব টাকা শেষ। এখন নিজের দুইটি মোবাইলের মধ্যে একটি বিক্রি করে দিয়েছে মাদকের জন্য। হঠাৎ করে তুষারের এই সব পরিবর্তন ঠিকই লক্ষ্য করলো তার মা। মা যাকে তুষার ভালবাসে সবচেয়ে বেশি। তাউ অসুস্থ সেই মা। তার মা তাকে কাছে ডাকলো একদিন। ছোট বেলায় যেমন মাথায় হাত বুলিয়ে দিত, তেমনই হাত বুলিয়ে দিল সে। বহুদিন পর মায়ের আদর পাওয়া তুষার যেন মাদকের কথা ভুলেই গেল। তার মা তাকে কিছু কথা বলল-

“তুষার বাবা, তোর কি হয়েছে রে? কিছুদিন আগেও তো তুই এমন ছিলি না। হঠাৎ কেন এমন হয়ে গেলি? আমি জানি না কিছুই। হয়তো এতে আমারও দোষ আছে। আমি তোকে সারা জীবন শাসন করেই গিয়েছি। তোর বন্ধু হতে পারি নি। অথচ প্রত্যেক মা বাবাকে হওয়া উচিত সন্তানের সবচেয়ে কাছের বন্ধু। আমি জানি তুই কিছুদিন যাবত মাদক সেবন করছিস। আমি যে তোর মা। তোর কিছুই আমার চক্ষুর অগোচর নয়রে। যাই হয়েছে ভুলে যা সব। সামনে যে তোর জন্য আরও সুন্দর দিন অপেক্ষা করছে। তোর জীবন তো আরও বাকি আছে। নতুন করে জীবন শুরু কর তুই। সামনে ঢাকা ভার্সিটির ভর্তি পরীক্ষা। তুই এখন চেষ্টা করলেও ওখানে ভর্তি হতে পারবি। তোর উপর আমার অগাধ বিশ্বাস আছে রে। তুই মাদক সেবন ছেড়ে দে বাবা। আমি আর কদিনই বাঁচব বল। আমার একটি ইচ্ছা পূরণ করবি না তুই?”

কথা গুলো বলার সময় তুষার ছিল একদম চুপ। ঘুমন্ত শিশুর মত মায়ের কোলে মাথা দিয়ে শুয়েছিল। মায়ের চোখ বেয়ে পড়া অশ্রুতে তার কপাল ভিজে গেল।সেই অশ্রু জলেই যেন নতুন করে অভিষিক্ত হল তুষার। নতুন উদোমে আবার পড়া লিখা শুরু করলো। মায়ের কথায় মাদক সেবন করা ছেড়ে দিল। ফলস্বরূপ ঢাকা ভার্সিটিতে চান্স পেল সে। এরই মধ্য আবার অসুস্থ হয় পড়লো তার মা। তুষারের আর পড়ায় মন বসে না। সারা দিন মায়ের চিন্তা।তার মাকে সুস্থ করে তোলার জন্য কোন কিছু করা বাদ রাখলেন না তার বাবা। কিন্তু সবই ব্যর্থ। শেষ পর্যন্ত তিনি চলে গেলেন না ফেরার সেই দেশে। মা ছাড়া এক ছেলে মাঝি ছাড়া নৌকার মতই। এদিক ঐ দিক ভেসে বেড়ায়। কিন্তু কোন কুলেই তার ঠাই হয়না। তুষারের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আবার সে বিপথগামী হল। মাদকে আসক্ত হল। আগের জয়ন্তীর মত এখন তার মাও তাকে ধোঁকা দিল। সকল নারী জাতিই এমন স্বার্থপর। কারো কথা চিন্তা করে না তারা। কারো জীবনে আসে থলি ভর্তি সুখ নিয়ে। আর হঠাৎই চলে যায় নিরাশ করে।

ঢাকা ভার্সিটিতে পড়ে তুষার। তার মা বেচে থাকা অবস্থায় নিয়মিত ক্লাস করতো সে। তার কলেজ জীবনের ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুও একই বিভাগে ভর্তি হয়েছে তার সাথে। তুষার সম্বন্ধে সবই জানে সে। তারই সুবাদে সকলেই জানে তুষারের জীবনে ঘটে যাওয়া সকল ঘটনা। এখন তুষার ক্লাস না করলেও নতুন হওয়া বন্ধুদের সাথে আড্ডায় পাওয়া যায় তাকে। সে এখন মেয়েদের কে হেয় করার কোণ সুযোগ পেলে ছেড়ে দেয় না। মেয়েদের প্রতি অনেকটা আক্রমণাত্মক। এই বন্ধুদের মধ্যেই এক জন হল মনি। যে কিনা তুষারের প্রতি অনেক টাই দুর্বল হতে শুরু করেছে। হয়তো করুণা করে এমনই ভাবনা তুষারের। তুষার এখন অন্য কিছু ভাবে না। নারী জাতিকে ঘৃণা করে সে। কিন্তু তবুও সে যেন ঐ মেয়ের প্রতি অনেকটা দুর্বল সেও । যেখানে সকল বন্ধুরা তাকে এড়িয়ে চলতে চেষ্টা করে সেখানে মনি অনেকটা অধিকার নিয়েই যে তার উপর হুকুম করে। মনির কথায় অনেক দিন পর ক্লাস করে তুষার। কি যেন এক মায়া মনির প্রতি। যতই চায় মনির সাথে খারাপ ব্যবহার করতে। তাকে কষ্ট দিতে ততই যেন সে মনির বসে চলে যায়। মনির কথায় সে এখন নেশার আসক্তি মুক্ত হবার পথে।

দেয়ালের মধ্যে দিয়ে বেয়ে চলা পিঁপড়া গুলোর চলার পথে বাধা সৃষ্টি করায় পিঁপড়ার কামড় থেকে রেহাই পায় না তুষার। পিঁপড়ার কামরে ব্যথার যন্ত্রণায় সে আবার বর্তমানে চলে আসে। আবার সেই ভাবনা তার মনি কি শুধু সহপাঠী নাকি এর চেয়েও বেশি কিছু?

মনির জন্য তুষার আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। এভাবেই মাদক আসক্ত ব্যক্তিরা মূলত তাদের একাকীত্বের জন্যই বেছে নেয় মাদককে। আর কিছু মানুষের ভালবাসা। কিছু মানুষের সহানুভূতি পেলে এরা আবার পূর্বের জীবনে ফিরে আসতে সক্ষম হয়।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩০ thoughts on “তুষারের জীবনের উথান-পতন

    1. সবার পছন্দ আলাদা,
      আপনার পছন্দ

      সবার পছন্দ আলাদা,
      আপনার পছন্দ গল্পে একটি ম্যসেজ একটা ফলাফল তাই তো?

      আতিক ভাই, রাহাত ভাই , নাবিদ ভাই এরা আবার লেখার শৈল্পিকতা ও গাম্ভীর্য পছন্দ করে। তাই সবার দিকে লখ্য রেখেই লিখি জানি না কত টুকু সফল হই।

    1. হুম বই তো পরি না যা পরি
      হুম বই তো পরি না যা পরি ফেসবুক আর ব্লগ
      আপনি পোস্ট দেন জলদি আর বাবা বার আমার মাস্টার মশাই কি ভুলে যায় তার দ্বায়িত্ব??

      সমালোচনা চাই আমি সমালোচনা…

  1. একটা মেয়ের ছলনা ভোলার জন্য
    একটা মেয়ের ছলনা ভোলার জন্য কেন মাদক নিতে হবে, এটা বুঝলাম না?
    আর এটা কী কারও বাস্তব জীবনের সত্য ঘটনা নিয়ে লিখা?

    1. হয়তোবা হ্যা কারোও বাস্তব জীবন
      হয়তোবা হ্যা কারোও বাস্তব জীবন হয়তো বা না ।

      আর অনেক ছেলেই এই কাজ করে। প্রতারণার শোক কাটিয়ে উঠতে মাদকের দিকে ধাবিত হয়।

  2. জয়, তোমার এইসব ঘটনার সাথে
    জয়, তোমার এইসব ঘটনার সাথে আমার পুরাপুরি মিল আছে। তোমার সাথে কন্টাক্ট করা অতীব জরুরী। :জলদিকর:

  3. জয়,
    তোমার বয়সে এটুকু লেখার

    জয়,
    তোমার বয়সে এটুকু লেখার ক্ষমতা ছিল কি না সন্দেহ ।
    যেহেতু লিখিনি ওই বয়সে । সে যাহোক তোমাকে আরও
    অনেক অনেক ভালো সাহিত্য পড়তে হবে । কেবল এই
    ব্লগের গল্প, অনু গল্প পড়লেই হবেনা । উৎকৃষ্ট সাহিত্যর
    সাথে অরিয়েন্টেশন না ঘটলে বুঝতেই পারবেনা লিটরেচার
    এখন কোথায় অবস্থান করছে ।

    1. রাহাত ভাই উপদেশ দেয়ার
      রাহাত ভাই উপদেশ দেয়ার ক্ষেত্রে আপনি আসলেই অনবদ্য…
      জয় আসলেই ঐ বয়সে আমরা কিছু লিখতে সাহসও করি নি; এতো এতো পাঠকও পাই নি… তোমার ক্রমবর্ধমান উন্নতি চোখে পড়ার মত!!
      আর যতই পড়িবে ততই শিখিবে মুরব্বীদের এই একটা কথার কোন বিকল্প নেই!!

  4. মনির জন্য তুষার আবার

    মনির জন্য তুষার আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। এভাবেই মাদক আসক্ত ব্যক্তিরা মূলত তাদের একাকীত্বের জন্যই বেছে নেয় মাদককে। আর কিছু মানুষের ভালবাসা। কিছু মানুষের সহানুভূতি পেলে এরা আবার পূর্বের জীবনে ফিরে আসতে সক্ষম হয়।

    আসলেই রে ভাই। বেশি করে পড়। যত পড়বে তত উন্নতি হবে লেখায় … বেস্ট অফ লাক। অনেক সাজিয়ে লিখেছো

  5. সমালোচনার ক্ষেত্রে বয়সের
    সমালোচনার ক্ষেত্রে বয়সের বিচার না করাটাই শ্রেয়।

    হুম ভাই পড়তে হবেই । কিন্তু ধৈর্য যে পাই না ।
    তবুও চেষ্টা করি পড়ার্।
    একটা মজার কথা শুনেন আমি পাঠ্য বই ছাড়া এই পর্যন্ত মাত্র একটি বই পড়েছি সেটা আবার ইস্টিশনের দেয়া । 🙂 🙂

  6. সবই ঠিক আছে, কিন্তু পড়তে কেমন
    সবই ঠিক আছে, কিন্তু পড়তে কেমন যেন বোরিং লাগলো। লেখা ছোট বড় কোন বিষয় না, যা বলতে চাচ্ছি, সেটা ঠিক ভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারলাম কিনা সেটাই আসল।
    লেখায় কিছু বিষয় অ্যাড করা যেতে পারে, যেমন
    চরিত্রগুলোর মধ্যে কথোপোকথন কিংবা তাদের আশেপাশের পরিবেশের বর্ণনা লেখাটাকে কল্পনা থেকে প্রায় বাস্তবের পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারে। আপনার লেখায় এটা কমে যাচ্ছে। কারন কি?
    তাড়াহুড়া?
    লেখা শেষ করেই পোস্ট করতে ইচ্ছা করে তাই না?

    1. ভাল দিক নির্দেশনা পেলাম এর পর
      ভাল দিক নির্দেশনা পেলাম এর পর লিখতে বসলে আশে পাশের অবস্থান এর টুকু ও উল্লেখ করব। আসলে বুঝতেই পারি নি এত দিন।

      আতিক ভাই আদর্শ শিক্ষক কিন্তু বেতন দেই না বলে চাকরি ছেড়ে দিয়েছে।

      যাই হোক আপনাদের ধন্যবাদ ভাই।

  7. ম্যাসেজটা ভালো।আরো ভালো লিখার
    ম্যাসেজটা ভালো।আরো ভালো লিখার আশায় আছি।আর রাহাত ভাইয়ের সাথে একমত।পড়ার কোনো বিকল্প নাই।বিখ্যাত লেখক থেকে কুখ্যাত লেখক সবার লেখাই পড়তে হবে!যাতে করে ভালো একটা আইডিয়া আসে লেখনীতে।বই পড়া ছাড়া কোনো বিকল্প রাস্তা নাই।

  8. ম্যাসেজটা ভালো।আরো ভালো লিখার
    ম্যাসেজটা ভালো।আরো ভালো লিখার আশায় আছি।আর রাহাত ভাইয়ের সাথে একমত।পড়ার কোনো বিকল্প নাই।বিখ্যাত লেখক থেকে কুখ্যাত লেখক সবার লেখাই পড়তে হবে!যাতে করে ভালো একটা আইডিয়া আসে লেখনীতে।বই পড়া ছাড়া কোনো বিকল্প রাস্তা নাই।আর তাছাড়া গল্পটি একপাক্ষিক হয়ে গেছে।

  9. বাংলাদেশে ।একটা
    বাংলাদেশে ।একটা ব্যাপার।তুষারের মা অনেক সাহিত্যিক ।কি সুন্দর করে বলল,মাদক সেবন ছেড়ে দাও বাবা ।আর আমার আম্মু হইলে ঝাটা দিয়ে বাইর কইরা দিত

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 2 = 6