রাজাকারের হাসি শুনতে পাচ্ছেন? সুশীলতার গুষ্টি কিলাই

কসাই কাদেরের রায় দিছেন মাননীয় ট্রাইব্যুনাল-২। হ্যাঁ, রায় দিয়া আমাদের কৃতার্থ করছেন। বাচ্চু রাজাকার কয়টা খুন আর কয়টা ধর্ষন করছে, আর কসাই কাদের কয়টা খুন আর কয়টা ধর্ষন করছে? দেশের জনগনরে আবাল মনে করেন মাননীয় ট্রাইব্যুনাল? ক্যান আপনাদের এই ভীরুতা? বাচ্চু রাজাকার পলাতক, তাই তারে ফাঁসি দিলেই কি আর পুড়ায়া মারার রায় দিলেই কি? এই তো আপনাদের মনের কথা?

যুদ্ধাপরাধের দায়ে যাদের বিচার চলতেছে তাদের মধ্যে কসাই কাদেরের অপরাধ সবচেয়ে বেশী প্রত্যক্ষ। সে নিজে হত্যা-ধর্ষন-লুটপাটে জড়িত ছিল। তার হত্যা-ধর্ষন-লুটপাটের সাথে জড়িতই শুধু না, তার প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষি আছে।

কসাই কাদেরের রায় দিছেন মাননীয় ট্রাইব্যুনাল-২। হ্যাঁ, রায় দিয়া আমাদের কৃতার্থ করছেন। বাচ্চু রাজাকার কয়টা খুন আর কয়টা ধর্ষন করছে, আর কসাই কাদের কয়টা খুন আর কয়টা ধর্ষন করছে? দেশের জনগনরে আবাল মনে করেন মাননীয় ট্রাইব্যুনাল? ক্যান আপনাদের এই ভীরুতা? বাচ্চু রাজাকার পলাতক, তাই তারে ফাঁসি দিলেই কি আর পুড়ায়া মারার রায় দিলেই কি? এই তো আপনাদের মনের কথা?

যুদ্ধাপরাধের দায়ে যাদের বিচার চলতেছে তাদের মধ্যে কসাই কাদেরের অপরাধ সবচেয়ে বেশী প্রত্যক্ষ। সে নিজে হত্যা-ধর্ষন-লুটপাটে জড়িত ছিল। তার হত্যা-ধর্ষন-লুটপাটের সাথে জড়িতই শুধু না, তার প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষি আছে।
আসেন তার বিরুদ্ধে কি কি অভিযোগ আনা হইছে, আর তার মধ্যে কোনটা কোনটা প্রমাণিত হইছে।

১ম অভিযোগ- মিরপুর বাংলা কলেজের ছাত্র ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক পল্লবকে গুলি করে হত্যা- প্রমাণিত।

২য় অভিযোগ- কবি মেহেরুন্নেসাকে সপরিবারে হত্যা। শুধু হত্যাই নয় কবি মেহেরুন্নেসাকে হত্যার পর তার মাথা ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে নারকীয় উল্লাসে মেতেছে এই কসাই- প্রমাণিত।

৩য় অভিযোগ- সাংবাদিক খন্দকার আবু তালেব মিরপুর ১০ নং বাস স্ট্যান্ডে গেলে কাদের মোল্লা ও তার সহযোগীরা উনাকে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে- প্রমাণিত

৪র্থ অভিযোগ- কেরানিগঞ্জের ঘটের চরে ও খানবাড়ি এলাকায় শতাধিক গ্রামবাসি হত্যা- অপ্রমানিত

৫ম অভিযোগ- পাকিস্থানি সেনা এবং প্রায় ৫০ জন বিহারিকে নিয়ে মিরপুরের আলোকদী গ্রামে কমপক্ষে ৩৪৪ জন মানুষ হত্যা- প্রমাণিত

৬ষ্ঠ অভিযোগ- বিহারি ও পাকিস্থানি সেনাদের সঙ্গে নিয়ে মিরপুরে হজরত আলী ও তার পরিবারের পাঁচ সদস্যকে হত্যা এবং ১১ বছরের শিশুকে গনধর্ষণ- প্রমাণিত

একটা অভিযোগ প্রমান করা না গেলেও বাকি অভিযোগে অনুযায়ী সে যে ৩৫০ জনের উপরে মানুষ হত্যা করেছে এবং ১১ বছরের শিশুকে গনধর্ষনে অংশ নিয়েছে তার শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড!!!!!!!!!!!!!!!!!! মানুষরে বোকা পাইছেন আপনারা? আমরা এই রায় মানিনা। এইবার কইবেন তো আদালত অবমাননা করছি। হ করছি। কি করবেন করেন। ৩৫০ জন মানুষ খুন, আর ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষন কইরা যদি কসাই কাদের মাত্র যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের শাস্তি পায়, তাইলে আদালত অবমাননার জন্য আমারে কি শাস্তি দিবেন? ফাঁসি? হ এইটাই পারেন আপনেরা। দেন, এই দেশের কোটি কোটি মানুষ আজকে আদালত অবমাননা কইরা কথা বলবে। দেন সবাইরে ফাঁসি দেন। আপনারা আর রাজাকারের গুষ্টিরা মিইল্যা থাকেন এই পোড়ার দেশে। আর বিচার শুরুর পর থেকে যেসব সুশীল বাইঞ্চদেরা চিল্লায়া গলা ফাটাইত, ট্রাইব্যুনাল নিয়া টু শব্দটাও করা যাবেনা। এতে নাকি ট্রাইব্যুনালের ইজ্জতহানী হয়। আরে শুয়োরের বাচ্চারা দেখ- জামাত-শিবিরের জারজ গুলা দুইদিন রাস্তায় দাপট দেখায়া এখন কেমন বিজয়ীর হাসি দিতেছে। আর তোরা তোদের সুশীলতা হোগায় ভইরা বইসা আছস।

আর যাদের বিচার এখনও চলতেছে কিংবা রায়ের অপেক্ষায় আছে তাঁদের যে বালের শাস্তি হবে সেইটা আমরা আজকে বুইঝা গেছি। সরকারের প্রতি হুংকার দিয়া কই- এই একটা বিষয়ে খানকির পোলা তোমরা রাজনীতি না চুদায়া থাকতে পারলা না? জনগনরে আবাল পাইছ তোমরা? আমরা কিছু বুঝিনা। হেলাল হাফিজের ভাষায় কইতাছি- আমিও গ্রামের পোলা, চুতমারানি গাইল দিতে জানি। আমাদের সাফ কথা, লোক দেখানো এই বিচারের রায় আমরা মানিনা। জনগন তোমাগো ভোট দিয়া ক্ষমতায় বসাইছে এই বিচার দেখার আশায়। বিচারের নামে তামাশা দেখার আশায় না। আমাগো দাবী- সবগুলা রাজাকারের বাচ্চারে ফাঁসির দড়িতে ঝুলতে দেখতে চাই। এই রায় মানিনা। সাফ কথা।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৮ thoughts on “রাজাকারের হাসি শুনতে পাচ্ছেন? সুশীলতার গুষ্টি কিলাই

    1. শুনতেছি এখানে লেন-দেন একটা
      শুনতেছি এখানে লেন-দেন একটা বিশাল ফ্যাক্টর নাকি! রায় শোনার পর থেকে যখন যেটা শুনি সেটাই বিশ্বাযোগ্য মনে হয়। সোজা কথা জনগণের প্রত্যাশিত রায় নয় এটি। এই ব্যর্থতা অবশ্যই সরকারের। অনেকেই বলছেন, সরকার বাদী পক্ষ, সেও বিচারপ্রার্থী। মানি সেটা। কিন্তু সরকারারের প্রসিকিউটেরদের ব্যর্থতা কে নেবে? জনগণ? ক্যানো নেবে? জনগণ থেকে ম্যান্ডেট নিয়েইতো সরকার ক্ষমতায় এসেছে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সংস্থা সরকারকে ট্রাইব্যুনাল ও প্রসিকিউটরদের বিভিন্ন দুর্বলতা ও বিভিন্ন ধরনের লজিস্টিক স্বল্পতার কথা জানিয়ে এসেছেন। এই বিচার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন প্রসাশনিক ও টেকনিক্যাল অবস্থানে সন্দেহজনক লোকজনদের অবস্থান ও আনাগোনার কথা বলে এসেছেন। সেই সব কি সরকারে কানে নিয়েছে? …… আমি বলব, এটা সরকারের এক বিরাট ব্যর্থতা। অপেক্ষায় আছি দেখার জন্য, সরকার এই ব্যর্থতার দ্বায়ভার কার উপরে দেয়। আমি মনে করি সব স্তরে জামায়াতী টাকা লেন-দেন হয়েছে। আজ অনেক পরিচিত অঙ্গন ভিন্ন ধরনের আচরণ করছে। যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার বির্তককে কেন্দ্র করে আজ ইস্টিশনের জন্ম। ক্যানো আমাদের এত ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে? সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাজ কি? এত ধরণের ষড়যন্ত্র চলছে, বিভিন্নমহল থেকে এইসব ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সচেতন করে দেওয়ার পরও সরকার গোয়েন্দা নজরদারী বাড়ালো না কেন? ………. এই রায়ের পর সরকার এক বিরাট প্রশ্নবোধক চিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা অতলে তলিয়ে যাচ্ছি। এই তলানোর শেষ গন্তব্য কোথায়, আমরা কেউ জানিনা। চারদিক শুধু অন্ধকার দেখছি। মুক্তিযুদ্ধের পর জাতি বোধ হয় এতবড় অনিঃশ্চয়তার মধ্যে পড়েনি!

  1. হিসাব বা বিশ্লেষণী মনোভাব
    হিসাব বা বিশ্লেষণী মনোভাব নিয়ে চিন্তা করলে তো অনেক কিছু মাথায় আসে,আজ দুপুর থেকে মনে হচ্ছে আওয়ামি লীগ কি জামাত এর সাথে ইলেকশনের কোন পায়তারা করতেসে কি না?এই কথা বিশ্বাস করতে বা মনে আনতে ইচ্ছা করে না তারপরও সন্দেহ দানা বাধতেসে। :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

2 + 7 =