সাবধান আওয়ামীলীগ এবং সাবধান রাজাকারের বাচ্চা।

গতকাল হবিগঞ্জে ছিলাম। দুপুরে লাঠির মাথায় সাদা এক টুকরো কাপড় বেঁধে এবং কাপড়টা লাঠিতে পেঁচিয়ে মিছিলে দল বেঁধে লোক জন যাচ্ছে। পৌর সভার মাঠে। দুই ঘন্টা সেখানে যুদ্ধপরাধীদের মুক্তির জন্য সভা করে। পুলিশ সার্কিট হাউসের সামনে দাঁড়িয়েছিল। কোন সংঘর্ষ হবার সম্ভাবনাও দেখি নাই। এবং হয় নাই। জামাতের সভার ব্যানারে লেখা ছিল শান্তিপূর্ণ সমাবেশ। কোন ব্যানারে নিজেরাই লিখেছে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ। তার মানে আগে যে সব সমাবেশ তারা করেছে তা শান্তিপূর্ণ ছিল না? এটা তাদের নতুন ফর্মুলা। কিন্তু পুলিশ হঠাৎ নীরব কেন? সাপে নেউলে সম্পর্ক হঠাৎ গলায় গলায় ভাব কি ভাবে হলো?


গতকাল হবিগঞ্জে ছিলাম। দুপুরে লাঠির মাথায় সাদা এক টুকরো কাপড় বেঁধে এবং কাপড়টা লাঠিতে পেঁচিয়ে মিছিলে দল বেঁধে লোক জন যাচ্ছে। পৌর সভার মাঠে। দুই ঘন্টা সেখানে যুদ্ধপরাধীদের মুক্তির জন্য সভা করে। পুলিশ সার্কিট হাউসের সামনে দাঁড়িয়েছিল। কোন সংঘর্ষ হবার সম্ভাবনাও দেখি নাই। এবং হয় নাই। জামাতের সভার ব্যানারে লেখা ছিল শান্তিপূর্ণ সমাবেশ। কোন ব্যানারে নিজেরাই লিখেছে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ। তার মানে আগে যে সব সমাবেশ তারা করেছে তা শান্তিপূর্ণ ছিল না? এটা তাদের নতুন ফর্মুলা। কিন্তু পুলিশ হঠাৎ নীরব কেন? সাপে নেউলে সম্পর্ক হঠাৎ গলায় গলায় ভাব কি ভাবে হলো?

বিএনপির নেতারা বলা বলি করছে। সরকারের এই পলিটিক্স নিয়ে তারাও উদ্বিগ্ন। কারন লীগ কি করতে চাচ্ছে তারা বুঝতে পারছে না। হঠাৎ পুলিশের এই নমনীয় আচরনের হেতু কি? সরকার কি তবে নতুন কোন পরিকল্পনা করছে? আবার জামাত হঠাৎ নিজেদের স্বরূপ ছেড়ে হঠাৎ কেন এই শান্তিপূর্ণ সমাবেশের আশ্রয় নিয়েছে? তাদের সব কর্মকাণ্ডেই তো বিএনপি সমর্থন দিয়ে আসছিল। তাহলে জামাতের এই পরিবর্তনের আসল উদ্দেশ্য কি?

স্থানীয় এক বিএনপি নেতার সাথে আমার কথা হয়েছে কয়দিন আগে। সে অকপটে স্বীকার করেছে জামাত নিষিদ্ধ হলে বিএনপির কোন ক্ষতি হবে না। তিনি বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন যে জামাতের যে ভোট আছে তা কোথায় যাবে? নিশ্চয় আওয়ামি লীগে না! তবে এই ভোট গুলো তো বিএনপিতে পড়বে। জামাত থাকার চেয়ে নিষিদ্ধ হলে বিএনপির জন্য বেশি লাভের। খালেদার দলের অন্যরাও মনে হয় তাই চাইছে। জয়নাল আবেদীন ফারুককে একবার বলতে শুনেছি আপনারা তো ক্ষমতায় চাইলেই তো জামাতকে নিষিদ্ধ করতে পারেন। কথাটা যে ভাবেই বলুক অন্তত নিষিদ্ধ করা বিষয়টা যে তাদের চিন্তায় আছে তা স্পষ্ট।

বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির রায় হওয়ার পরে আমরা ধরেই নিয়েছিলাম সবার ফাঁসি হবে। যারা এখন বন্দি আছে তারা প্রত্যেকেই বাচ্চু রাজাকারের চেয়ে বেশি অপরাধ করেছে। আমাদের মাথায় এর বাইরে আর কোন চিন্তা কাজ করেনি। সকাল থেকেই আমি বার বার অপেক্ষা করছিলাম কখন রায় ঘোষণা হবে। বাচ্চু রাজাকার দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ায় এবং এখনো পর্যন্ত তার সু স্পষ্ট কোন সন্ধান না থাকায় আমরা কিছুটা আশাহত ছিলাম। মনে মনে পরিকল্পনা ছিল যাক যারা এখন খাঁচার ভেতরে আছে তাদের তো অন্তত বিচার করতে পারব। কিন্তু আজকে সেই রায় আমাদের নিরাশ করেছে।

কিন্তু রায়ের পর কসাই কাদেরের ভি চিহ্নিত হাত দেখেই বুঝতে পারি তারা কতটা খুশি হয়েছে। গতকাল যখন তারা কর্মসূচি ঘোষণা করে তখন আমাদের মতো তারাও কি নিশ্চিত ছিল যে তার ফাঁসি হবে? আমার ধারনা তারা জানতো যে তার ফাঁসি হবে না। না হলে কর্মসূচির আগে “যদি” রায় বিপক্ষে যায়, তবে কঠোর আন্দোলন হবে। এই যদি কথাটাতেই আমার সন্দেহ আছে। রায় ঘোষণার আগে নিশ্চিত কথা বলা যায় না ঠিক আছে। কিন্তু আমরা তো দেখেছি স্লোগান থাকে “…’ এর কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে। কিন্তু তাদের স্লোগান এমন ছিলনা। তারা “যদি” এর উপর ভরসা করেছে। এই যদি বলার সাহস তারা কোথায় পেল। তারা কি তবে আগেই ধারনা করতে পেরেছিল কাদের কসাই এর ফাঁসি রায় হবে না! তারা কি করে এই তথ্য পেয়েছিল?

হাজারটা প্রশ্ন সব সময়ই আমার মাথায় থাকে। এই রায় পাওয়ার পর একটা স্টাটাস দিয়েছিলাম। সেটাও প্রাসঙ্গিক বলে মনে করছি।

রায় ঘোষনার সাথে সাথেই জামাতের নেতাকে ডেকে আনলো আওয়ামীলীগ।

আ.লী: কালকে একটা হরতাল ডাকেন।
জা:আজকে তো আপনাদের কথায়ই হরতাল দিলাম। রায়তো আমরা আগেই জানি।
আ.লী: কালকেও আবার ডাকেন।
জা:রায় তো আমাদের কথা মতোই হয়েছে।তাহলে কেন আবার হরতাল ডাকবো !ইস্যুটা কি?
আ.লী: আপনারা খুশি করার জন্যই তো এমন বিচার করলাম।তবু কাল একটা হরতাল ডাকেন, এই রায়ে আপনারা সন্তুষ্ট না এই ইস্যুতে ঢাকেন। সব রকমের সহায়তা আমরা দেব।
জা: কিন্তু রায়ে তো আমাদের নেতা কর্মীলা সন্তুষ্ট। কালকে আমাদের আনন্দ মিছিল হবে। কিন্তু …..ঠিক আছে আপনারা যেহেতু বলতেছেন ডাকবো। কিন্তু কারনটা কি বলবেন তো!
আ.লী: আপনারা আন্দোলন না করলে,হরতাল না দিলে তো বিচার প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যাবে। মানুষ যদি বিষয়টা বুঝে ফেলে তাহলে আমাদের দুজনের জন্যই ক্ষতি। ফাঁসির জন্য জনগণ চাপ দিবে।
জা:কিন্তু হরতাল করতে যা খরচ…।
আ.লী: কোন চিন্তা নাই, কালকের সব খবর মেনেজ করে দেয়া হবে।

জা……………..এই বিচার মানি না…ব্লা ব্লা ব্লা……

আমার ধারনা এই বিষয়টা সু পরিকল্পিত। আওয়ামীলীগের কিছু নেতারা বলতেছে তারা হতাশ। কেউ বলছে রায় সন্তুষ্টি জনক হয়নি। কেউ বলছে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন হয়নি।

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায়ে ‘চরম’ হতাশা ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম।

কিন্তু আইনজীবীদের মাঝে কেউ বলছে রায় আমাদের নিরাশ করেছে,অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বললেন প্রত্যাশা পূরন হয়নি,

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি গোলাম আরিফ বলেছেন, ‘প্রত্যাশা করেছিলাম, কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ড হবে। তবে ট্রাইব্যুনাল যে রায় দিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে আমার কোনো অভিযোগ নেই।

এই অভিযোগ না থাকার মানে কি আপিল করবে না! আমাদের জনসাধারণের এত অভিযোগ আছে অথচ আপনার নেই কেন? আর আপনার প্রত্যাশা যদি না থাকে তবে কেন অভিযোগ নেই বলছেন।

বিএনপি আছে নীরব জামাত যদিও হরতাল দিয়েছে । কিন্তু আমরা বুঝতে পারি তারাও খুশি।
আওয়ামীলীগের নেতার যদি অসন্তুষ্ট হয়। সাধারণ মানুষ যদি অসন্তুষ্ট হয়,বিএনপি যদি অসন্তুষ্ট হয় ,আমরা সবাই অসন্তুষ্ট হলাম। তাহলে কেন এই বিচার ? সরকার নিজেই অসন্তুষ্ট,বিরোধি দল নিরব,জনসাধারন ক্ষুদ্ধ। তবে কার ইশারায় এমন রায় হলো? আমাদের সরকারের উপর কি আরো কোন অশুভ হাত এই কাজ ঘটিয়েছে?

আমরা এই আওয়ামীলীগ কে চিনি। আপনারা যদি এই বিচার নিয়ে কোন রকম গেম খেলতে চান। তার পরিণতি ভাল হবে না।এই দিন শেষ নয়। আমাদের কাছেই আবার ভোটের জন্য আসতে হবে। তাই সাবধান করে দেই। এই বিচার নিয়ে কোন চুদুর বুদুর করবে না। এই রায়ের বিপক্ষে যদি আপিল না হয় তবে আমরা ধরে নেব আপনারাই জামাতকে মুক্তি দিতে আমাদের সাথে প্রহসন করছেন।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২১ thoughts on “সাবধান আওয়ামীলীগ এবং সাবধান রাজাকারের বাচ্চা।

  1. আপীল নিয়ে আশাবাদী হওয়া ছাড়া
    আপীল নিয়ে আশাবাদী হওয়া ছাড়া কাদের মোল্লার বিচারের রায় নিয়ে আর কিছু ভাবতে পারছি না, সাথে আমাদের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ভালোভাবে সরকারের কানে পৌঁছে দিতে এতটুকু হেলাফেলা থাকলেও চলবে না। এই রায়ে জামাত ছাড়া আর কেউ খুশী নয়। সরকার যেহেতু বাদীপক্ষ, তাই সরকারকেই উদ্যোগী হতে হবে। এর অন্যথা হলে জনগন মেনে নেবে না।

    1. প্রধান এটর্নি জেনারেলের কথা

      প্রধান এটর্নি জেনারেলের কথা শুনে হতাশ হলাম। এই মামলায় আপিল করার মতো সুযোগ নাই বললেই চলে। যদি বেকসুর খালাস দিয়ে দিত তবে আপিল করতে পারতো। কিন্তু যেহেতু শাস্তি দিয়েছে তাই এইটা পারবে না।

      মেজাজটা কেমন লাগে ।

      1. মামলা কিন্তু একটাতে খালাস
        মামলা কিন্তু একটাতে খালাস দিয়েছে। সরকার ইচ্ছে করলে সেটাতে অবশ্যই আপিল করতে পারবেন। যদি জনগণের অর্থ্যাৎ আমাদের চাপ অব্যহত থাকে সরকার শক্ত আইনজীবিদের প্যানেল করে সুপ্রীম কোর্টে আপিল করবে এবং বিচার বিভাগ জনগণের প্রত্যাশার মুল্য দিতে বাধ্য। তাই আমাদের রাজপথ ছাড়া যাবেনা। প্রতিবাদ অব্যহত রাখতে হবে। যে যেভাবে পারেন, প্রতিবাদ জানাতে থাকেন। ফাঁসি কার্যকর করার একটা সুযোগ কিন্তু এখনও আছে।

  2. ফেসবুকে প্রকাশিত আনু
    ফেসবুকে প্রকাশিত আনু মুহাম্মদের স্ট্যাটাসটি প্রাসঙ্গিক হওয়ায় এখানে কোড করলাম।

    ওদের অপরাধের জন্য যথেষ্ট শাস্তি পৃথিবীতে এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। কিন্তু অপরাধীর অপরাধের ভয়াবহতা ও তার প্রতি মানুষের ঘৃণার অভিব্যক্তি ছাড়া ন্যায়বিচার কী করে হয়? শুধু এই রায় দেখে নয়, মানুষ ক্ষুব্ধ কারণ এটি একটি লক্ষণ উপস্থিত করছে। সাথে গত কয়েকদিনের ঘটনাবলী। পর্দার পেছনে নানাধরনের নড়াচাড়া বোঝা যায়। অপোষ, সমঝোতা? ১৯৯৫ এর পুনরাবৃত্তি?

  3. হ সব দোষই অহন আম্লীগের,আর
    হ সব দোষই অহন আম্লীগের,আর কারোই না।

    একটা কথা কই, ছাত্রলীগ যখন দেশে তান্ডব চালায় তখন আপনারা বলেন এইটা একটা সন্ত্রাসী সংগঠন,এদের দায় আওয়ামীলীগের
    আবার যখন শিবিরে এসে পিডায় তখন বলেন আওয়ামীলীগ সরকার আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে ব্যার্থ।

    মোট কথা আম্লীগই খ্রাফ আর সবাই বালু।

    তো ছ্যার বুলেন তো এই বাংলার মাটিতে এই বিচার কে শুরু করেছে? আগামীতে তারা যদি ক্ষমতায় না আসে তাদের কি হবে?

    1. দেখেন এবসার্ট তর্ক করার ইচ্ছা
      দেখেন এবসার্ট তর্ক করার ইচ্ছা নাই। আপনার কাছে প্রশ্ন এই রায়কে আপনি কিভাবে দেখেন?
      এই দুই দিনে পুলিশের আচরনের এই পরিবর্তনের মানে কি? এখন পেপার স্প্রে কোথায়? জলকামানও ব্যবহার করতে দেখি নাই কেন?

      আওয়ামীলীগ শুরু করছে তাই বলে তাদের প্রহসন করার তো কোন অধিকার নাই। এই বিচার শুরু করার পর যদি এমন ভাবে শেষ করে তাহলে আবার কি শুরু করা যাবে? একই অপরাধের বিচার তো দুই বার হতে পারে না। কিন্তু যদি তারা শুরু না করতো সেটা ভিন্ন বিষয়।

      1. এজলাসে আম্লীগ নেতা বা নেত্রী
        এজলাসে আম্লীগ নেতা বা নেত্রী বসে নাই,আম্লীগ শুরু করছে সেইটাই কইছি।
        বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন এতে কোনই সংশয় নাই আর এখানে আমি স্পষ্ট জানাইয়া দিতে চাই সরকার নিজেই বিব্রত এই বিষয়ে।

      2. এজলাসে আম্লীগের কোন নেতা বা
        এজলাসে আম্লীগের কোন নেতা বা নেত্রী বসেন নাই,আমি বলছি যে এই বিচার শুরু করছে আম্লীগ সেটাই কি কম?
        আর এই বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং এর উপর কোনই দলীয় প্রভাব নেই তবে আম্লীগ নিজেই এখন বিব্রত।

        1. আওয়ামীলীগ শুরু করেছে তাতে কি?
          আওয়ামীলীগ শুরু করেছে তাতে কি? এখন যা খুশি তাই করবে? ভারত মুক্তি যুদ্ধে সাহায্য করছে তাই বলে এখন সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদ করবো না? কি হাস্যকর যুক্তি।

          যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার করার জন্য ট্রাইবুনাল করা হলো অথচ বিচার হচ্ছে তাদের বাঁচানোর জন্য। এই ট্রাইবোনালের দায় কি হাসিনা এড়াতে পারবে? আর লীগের চরিত্র তো আমরা জানি। এই দেশে কোন দল বিচার ব্যবস্থা স্বাধীন রেখে কাজ করেছে?
          আপনি কি বলতে চান এই বিচার ব্যপারে হাসিনা আগে থেকে জানতো না? তাহলে আপনি বাস্তব দুনিয়াতে নাই।

          1. সহজে একটা কথা বলি বাংলাদেশ
            সহজে একটা কথা বলি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বিশ্বাস করে না “বন্দুকের নলই সকল ক্ষমতার উৎস”
            আপনার কথাই যদি ধরে নেই

            ভারত মুক্তি যুদ্ধে সাহায্য করছে তাই বলে এখন সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদ করবো না?

            তাইলে সেই মুখে কেমনে আবার এইটা কইতেসেন

            এই দেশে কোন দল বিচার ব্যবস্থা স্বাধীন রেখে কাজ করেছে?

            কি সাংঘর্ষিক কথা বার্তা ভাই!!!!

            হুশে আসেন আগে।আদিম যুগের গ্যান নিয়ে কথা বলে কি হবে?

          2. এই খানে সাংঘর্ষিক কি আছে
            এই খানে সাংঘর্ষিক কি আছে বুঝতে পারছিনা। জ্বী ভাই আদিম যুগের জ্ঞান নিয়ে এখন আপনাদের সাথে পারব না। যদি দয়া করে একটু বুঝিয়ে দিতেন।

  4. আমি ভাই অল্প কথার মানুষ। সোজা
    আমি ভাই অল্প কথার মানুষ। সোজা করে বলি। এই চুদির ভাইদের বিচার করলে অ্যাওয়ামী লীগের সব দিক থেকে লাভ ছিল। জামায়াতরে বিশেষ বাহিনী বানাইয়া ঠেঙাইলে তিনদিন লাগবে শেষ করতে। দেশবাসীরে রায় কার্যকর করতে শেখ হাসিনা হবান জানাইলে সবখানেই মানুষ মাঠে নামতো। ইলেকশনেও তার লাভ হইও ষোলআনা। তাইলে কেন এই রায়?
    একটাই অপশন বাকি। বিশাল অঙ্কের টাকার কাছে বিক্রি হয়ে যাওয়া। শেখা হাসিনা বিক্রি হয়ে গেছেন।

    1. একটু বুঝে শুনে বলুন,ইনি শেখের
      একটু বুঝে শুনে বলুন,ইনি শেখের বেটি,টাকার কাছে ইনারা বিক্রি হইলে ৮৬ থেকে একাই লড়ে আসতো না।
      মুখে বুলি ফোটাইতে অনেকেই আছে কিন্তু মাঠে নামার পব্লিক দেখাই আছে।
      ঠিক এই কাজটাই জিয়াউর করছিলো তার আমলে আর সেইসময়ে ম্যালা জনপ্রিয়তা পাইলেও বর্তমানে সেই সময় অবৈধ হিসেবে গন্য হইছে এই জিনিসটা ভুইলা গেলেন বেমালুম নাকি ভাতের সাথে হজম কইরা হাগার সাথে বাইর করলেন?
      এখন শেখাসিনা এইরামভাবে করব আর আগামীতে তারেইক্যা কিনবা অন্যকুনো দল আইসা পুরো বিষয়টারে অবৈধ ঘুষনা দিয়া খেলে দিলে কেমন লাগবে?
      বাঙ্গালী ক্ষেত্র বিশেষে পরেরটা পরে দেখপার যাইয়া আইজ এই দশা।

      1. এই এক সমস্যা কথা কইলেই।
        এই এক সমস্যা কথা কইলেই। আমাদের ইতিহাস দেখান। বিএনপির এসলাম ইস্যু আছে কিন্তু লীগের তো যুদ্ধপরাধীদের ইস্যু ছাড়া রাজনীতি করার আর কোন ইস্যূ ছিলনা। তাই তারা এটা ব্যবহার করেছে। গতকাল দেখলাম , আওয়ামীলীগের এক সিনিয়র নেতা শিবিরের নেতাকে ছাড়াতে জেলে লবিং করছে। এই হলো আওয়ামীলীগের চরিত্র।

        1. গতকাল দেখলাম , আওয়ামীলীগের এক

          গতকাল দেখলাম , আওয়ামীলীগের এক সিনিয়র নেতা শিবিরের নেতাকে ছাড়াতে জেলে লবিং করছে। এই হলো আওয়ামীলীগের চরিত্র।

          কি বলেন ভাই? এই খবরতো শুনি নাই। খবরটা যদি সত্য হয়, তাহলে বলতে হবে আমরা বড়ই দুর্ভাগা জাতি। কোন সেই কুলাঙ্গার? এদের চিহ্নিত করে রাখা উচিত। এরা জাতির শত্রু। এই কুলাঙ্গার এখনো আওয়ামীলীগের নেতা হিসাবে আছে? বড়ই বিচিত্র আমাদের রাজনীতি!

          1. এই গণজাগরণের আন্দোলনের
            এই গণজাগরণের আন্দোলনের মাঝেও লীগের সোনার ছেলেরা টেন্ডারবাজী অব্যহত রেখেছে। নিজেদের অন্তঃকোন্দল তো আছেই।

        2. আম্লীগের নেতা শিবিরের পোলা
          আম্লীগের নেতা শিবিরের পোলা ছাড়াইতে লবিং করসে সেটারে যেমনে কইতাসেন তাইলে যেসকল নেতারা দলবল বাইন্ধ্যা দল ছাইড়া যায় গা তাদের কি কইবেন? নীতিবান?
          রাজনীতিটা বুঝেন আগে আওয়ামীলীগে অনেক কেউটে ঢুকে বসে আছে অনেক আগে থেকে আর তাদের সুযোগ করে দিয়েছি এই আমরা “আই হেইট পলিটিক্স বলে”

          1. এখন আওয়ামীলীগের ভেতরে যে
            এখন আওয়ামীলীগের ভেতরে যে কেউটে ঢুকে এটার জন্য দায়ী তো লীগ নিজেই। নিজের ছিদ্র তো নিজেরই বন্ধ করতে হয়।এখানে যারা পলিটিক্স ঘৃনা করে তাদের দায়ী করছেন কি করে?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

29 − 22 =