শাহবাগে প্রতিবাদ [ফটোব্লগ]

রেলমন্ত্রীর পোস্টে শেষ আপডেট পেলাম আমি ফিরে আসার পর। সমাবেশে এখনো অসংখ্য মানুষের ভীঁড়। মানুষ কমেনি। অনেকে চলে যাচ্ছেন, যোগ দিচ্ছেন আরও অনেকে এসে। সমাবেশে যোগ দিয়েছেন মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, বিশিষ্ট সংস্কৃতিকর্মী নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, শিল্পী সব্যসাচী হাজরা প্রমূখ। এই কর্মসূচীর খবর সংগ্রহ করতে ছুটে এসেছেন বিভিন্ন মিডিয়ার সিনিয়র সাংবাদিকেরা। উপস্থিত সবার একটাই বক্তব্য, এই রায় আমাদের মনোভাব প্রকাশ করেনি। আমরা ফাঁসি চাই। এবং সব রাজাকারের ফাঁসি। উপস্থিত আন্দোলনকারীরা গান গেয়ে, গিটার তবলা বাজিয়ে একে অপরকে অনুপ্রাণীত করছেন। সভাস্থলের একপাশে প্রজেক্টর লাগিয়ে দেখানো হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধে খুন হত্যা গুম ধর্ষণের নানা দলিল। উপস্থিত সবার একটাই দাবি রাজাকারের ফাঁসি চাই।

1

2

3

4

5

6

7

আন্দোলনকারীদের মধ্যে হতাশার ছাপও দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় জটলা পাকিয়ে তারা একে অপরের সঙ্গে মত বিনিময় করছেন। অনেকেরই আশঙ্কা, কাদের মোল্লার মতো অপরাধীর যাবজ্জীবন হলে অন্য কারোই আর ফাঁসি হওয়ার সুযোগ নাই। সবাই এই ভেবে মুষড়ে পড়ছেন যে, এবার জামাতিরা কি তাহলে জিতেই গেল?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৮ thoughts on “শাহবাগে প্রতিবাদ [ফটোব্লগ]

  1. হয় এই রায় বদল করতে হবে না হয়
    হয় এই রায় বদল করতে হবে না হয় এই রায়ের বিরুদ্ধে যেন ভবিষ্যতে কোনরুপ আইনি প্রক্রিয়া করা না যায় এবং আসামীর কোনরুপ আইনী আবেদন গ্রহনের মাধ্যমে অথবা মানবিক দৃষ্টিতে তাকে কোন সুযোগ দেয়া না হয় সেটাই পাকাপোক্ত করতে হবে।

    তবে আবারো বলছি সরকার শুধুমাত্র ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দিয়েছে আর এই বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন।

    1. হয় এই রায় বদল করতে হবে না হয়

      হয় এই রায় বদল করতে হবে না হয় এই রায়ের বিরুদ্ধে যেন ভবিষ্যতে কোনরুপ আইনি প্রক্রিয়া করা না যায় এবং আসামীর কোনরুপ আইনী আবেদন গ্রহনের মাধ্যমে অথবা মানবিক দৃষ্টিতে তাকে কোন সুযোগ দেয়া না হয় সেটাই পাকাপোক্ত করতে হবে।

      তোমার এই কথাটি মানি। কিন্তু আজ যারা রাস্তায় নেমেছে, তাদেরকে অনেকেই চীনাবাদাম বলে ট্যাগ দিচ্ছে। এসব ট্যাগ দেওয়া লোকগুলোকে চিনে রাখতে হবে। বিচারের জন্য গলা ফাটানোদের মধ্যে কোন ষড়যন্ত্রকারী লুকিয়ে থাকতে পারে নিজস্ব স্বার্থ হাসিল করার জন্য। এটা অবশ্যই মনে রাখতে হবে।

      তবে রাজপথে যখন মানুষ নেমেছে, একটা সঠিক দিক নির্দেশনা ও বিশ্বাসযোগ্য কোন ধরণের পরিস্থিতি তৈরী না হওয়া পর্যন্ত রাজপথেই থাকা উচিত। আবার ফেসবুক ও ব্লগেও গলা ফাটায়া চিৎকার দিতে হবে। কোনটাই ছাড়া যাবে না।

      1. শাহবাগে রব উঠেছে ‘আওয়ামীলীগ
        শাহবাগে রব উঠেছে ‘আওয়ামীলীগ আর জামাত আতাত হইছে, আওয়ামীলীগ নিপাত যাক।’ যেই ফারুক ওয়াসিফ ক’দিন আগেও মানবতা আর গনতান্ত্রিকতা দেখাইয়া জামাত-শিবিরের পক্ষে সাফাই দিছে সেই এখন শাহবাগে বক্তিমা দিতেছে।
        ক্যামতে কি?
        আলুপোড়ার গন্ধ আইসতেসে। :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই:

        1. শাহবাগে ফারুক ওয়াসিফ ছাড়াও
          শাহবাগে ফারুক ওয়াসিফ ছাড়াও আরো অনেক মানুষ একত্রিত হয়েছে। এত মানুষের মধ্যে ফারুক ওয়াসিফ উদাহরণের পাত্র হয়ে গেল? যদিও ফারুক ওয়াসিফ সম্পর্কে আমার তেমন কোন উচ্চ ধারনা নাই। তার সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নাই। তার কোন কর্মকান্ডের প্রতিও আমার বিন্দুমাত্র আস্থা নাই। আমিও শাহবাগের কর্মসুচীর প্রতি সমর্থন জানিয়েছি। ঢাকায় যদি থাকতাম, অবশ্যই শাহবাগে স্ব-শরীরে উপস্থিত থাকতাম। তাহলে আমিও কি ফারুক ওয়াসিফদের কাতারে পড়ব?

          1. ফারুক ওয়াসিফরে টানলাম ঐকারনেই
            ফারুক ওয়াসিফরে টানলাম ঐকারনেই যেহেতু আপনি উপরে চীনাবাদাম ট্যাগের কথা বলছেন তাই একটা স্যাম্পল উদাহারন দিলাম

  2. কিছু পাবলিকের কথা শুনলে হাসতে
    কিছু পাবলিকের কথা শুনলে হাসতে হাসতে কাতুকুতু পায়। আরে ব্যাটা দেশ কি ওই বেটার, নাকি? দেশ ওর, আমার, আর তোরও। ওই ব্যাটা কি করছে না করছে তাই দেখে প্রতিবাদ জানানো বন্ধ কইরা থাকার মানে কি? মুক্তিযুদ্ধের সময় অনেক চোর-পকেটমারও তো যুদ্ধে গেছিল। তাই বলে কি এখন সব মুক্তিযোদ্ধা চোর?

    আগে দেশ, পরে সব। দেশের কাতারে সবাইই আমরা এক। দেশে নাই দেখে যে কি পরিমান কষ্ট লাগতেসে বলে বুঝানো যাবে না।

    1. কিছু মানুষ থাকেই যাদের আঙ্গুল
      কিছু মানুষ থাকেই যাদের আঙ্গুল সব সময় দাঁড়িয়ে থাকে কারো পাছায় ঢুকানোর জন্য। তারাই খুঁজে দেখে এই আন্দোলনে চিনা বাম আসলে নাকি মস্কো বাম আসলো। কিন্তু দাবীর ব্যপারে থাকবে নিরব।

  3. সবাই রায় হিসেবে ফাঁসি চাইতেসি
    সবাই রায় হিসেবে ফাঁসি চাইতেসি এইটাই বড় কথা।আমরা তো বলতেসি না ট্রাইবুন্যাল অথবা সরকার কাদের রে ইচ্ছা কইরা বাঁচায় দিসে,কিন্তু ট্রাইবুন্যাল যে বিচার করসে সেটা আমাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী হয় নাই।আমরা চাই চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী গুলান যেন বাঁচতে না পারে। এই আন্দোলনে আলু পোড়া গন্ধ পাওয়ার কোন সুযোগ নাই।এই আন্দোলন গণ আন্দলন,এই আন্দোলন আম্লিগ এর না বামা গুলার ও না।আম্লিগের কেউ আলু পোড়া গন্ধ পাইলে যেন নাক বন্ধ রাখে।

    1. তারা কইবে সরকার আঁতাত করতাসে
      তারা কইবে সরকার আঁতাত করতাসে এরপরেও নাক বন্ধ রাইখ্যাম? আর ইউ ম্যাড? তাদের বলু তারা যেন আলু না পোড়ে তাইলে আমরাও গন্ধ পামু না।

  4. সরকার আতাত করতেসে এইটা তাদের
    সরকার আতাত করতেসে এইটা তাদের স্পেশাল্লি বলার দরকার নাই সাধারন পাব্লিক মোটামুটি বেশিরভাগ ই এই ধারনা করতেসে। আম্লিগের এখন এই আন্দোলন টারে স্রেফ জন সাধারনের আন্দোলনে র ট্যাগ লাগানো উচিত। তাইলে মানুষ পুরা বিচার প্রক্রিয়াটার ক্রেডিট আম্লিগ্রেই দিবে ভবিষ্যতে। আম্লিগে এখন সত্য সত্য দুরদর্শিতার অভাব বোধ হয়। এইটা আমাগো লাইগা চরম হতাশার। :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

  5. আরেকটু বিস্তৃত বর্নণা পেলে
    আরেকটু বিস্তৃত বর্নণা পেলে ভাল হত। তবে কথা সত্য আসলেই খানিকটা ভেঙ্গে পড়েছি। এখন শাহাবাগ নিয়ে যা চলছে। আমাদের ডাঁড়ানোর এই প্লাটফর্মটাও না পুরোপুরি ভেঙ্গে যায়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 1 = 1