আমাদের বাংলায় রাজাকারের ঠাই নাই।

একদল হারামী, বেজন্মা, রাজাকার সমার্থক আর লাভের গুড় খেতে চাওয়া ছুঁচোরা এই আন্দোলন কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মিডিয়াতে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, সবাই জানুক আমরা আওয়ামী লীগ বি এন পি না, আমরা বাংলার মানুষ যাদের শরীরে মুক্তিযোদ্ধার রক্ত, আমাদের তরুণ সমাজ সেই রক্তের সম্মান রক্ষার্থে ছুটে গেছে শাহবাগে…ছুটে গেছে নিজের বিবেকের তাগিদে, একদল হায়েনার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছে, নব মুক্তির গানে গানে জোরো হয়েছে।


একদল হারামী, বেজন্মা, রাজাকার সমার্থক আর লাভের গুড় খেতে চাওয়া ছুঁচোরা এই আন্দোলন কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মিডিয়াতে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, সবাই জানুক আমরা আওয়ামী লীগ বি এন পি না, আমরা বাংলার মানুষ যাদের শরীরে মুক্তিযোদ্ধার রক্ত, আমাদের তরুণ সমাজ সেই রক্তের সম্মান রক্ষার্থে ছুটে গেছে শাহবাগে…ছুটে গেছে নিজের বিবেকের তাগিদে, একদল হায়েনার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছে, নব মুক্তির গানে গানে জোরো হয়েছে।

আর সেই সাথে যাদের বুকে দেশ, মাটি ও মা তারা আর ঘরে বসে থাকবেন না, যুদ্ধাপরাধী পশুগুলো ও ওদের সমর্থকদের শাস্তি দেবার এই মোক্ষম সময়…হাজার হাজার মানুষ, নারী-পুরুষ এম্নকি শিশুরাও মা বাবার সাথে এসে মিশেছে প্রজন্ম চত্বরে, আপনিও আর দেখি কি হয় বা অন্য কোন অজুহাতে নিজেকে বিরত রাখবেন না। আপনি আসুন আপনার সাথে আর ৫জন কে নিয়ে আসুন…আজ আমাদের সবার আসতে হবে, থাকতে হবে, অশুভ শক্তি কে ঝেড়ে ফেলার এই সুযোগ হেলায় হারাবেন না, নিজের বিবেকের ডাকে সারা দিন। নিজের অস্তিত ধরে রাখতে যোগ দিন, নিজ নিজ শহরে আন্দোলনে যোগ দিন। আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটা বাস যোগ্য দেশ করার এইত সময়, আপনার উপস্থিতি বাড়াবে আন্দোলনের শক্তি, নির্মূল করবে অশুভ শক্তির বিস্তার কে। আসুন আসুন যে যে খানে আছেন, আসুন, ঘরের কাজ শেষ করে, অফিস শেষ করে, কলেজ থেকে, মিটিং থেকে, এক রাশ ভালবাসা বুকে ছুটে আসুন।

আজ আপনারা যারা সব সময় পরিবর্তনের কথা বলেন, কথায় কথায় এদেশে কিসসু হবে না বলেন তারাও আসেন, দেখেন আজকের তরুণরা কি করে ফেলেছে, সারা দিন কমপিউটারে বসে আড্ডা মারে বলে অভিযোগ করেন, এরা কোন বিষয়ে সিরিয়াস না বলেন, তাদের কোন কমিটমেন্ট নেই, কোন কিছুতে পাওয়া যায় না বলে থাকেন। বলে থাকেন আজকের তরুণদের দিয়ে কিসসু হবে না, জানুন সেই ছেলেগুলি সবার আগে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলে ছুটে এসেছে…ওদের ডাকে হাজার হাজার মানুষ যোগ দিয়েছে, সাদামাটা শাহবাগ কে অসাধারণ একটা স্থানে পরিনত করেছে কিছু ঘণ্টায়। পৃথিবীর অন্যান্য দেশে বসবাসরত বাঙ্গালীর মন প্রান এখন পরে আছে, প্রজন্ম চত্বর- শাহবাগে। আজ আপনি না আসলে আগামী দিনগুলিতে আয়নায় মুখ দেখাতে গেলে নিজের বদলে একজন অপরাধীর মুখ দেখবেন অথবা নিজের চেহারা কে নিজেই থু থু দেবেন। মনে রাখবেন, মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে আমাদের ঋণ তখনি শোধ হবে, যখন আমরা এই দেশকে রাজাকার মুক্ত করতে পারবো। নারীপুরুষ নির্বিশেষে আসুন, সব পেশার মানুষ আসুন।

একটু কষ্ট করে আপনার ভিতরের তরুণ কে জাগান এসে যোগ দিন…আর বজ্র কণ্ঠে আওয়াজ তুলুন… আমাদের বাংলায় রাজাকারের ঠাই নাই।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৮ thoughts on “আমাদের বাংলায় রাজাকারের ঠাই নাই।

  1. সবাই জানুক আমরা আওয়ামী লীগ

    সবাই জানুক আমরা আওয়ামী লীগ বি এন পি না, আমরা বাংলার মানুষ যাদের শরীরে মুক্তিযোদ্ধার রক্ত, আমাদের তরুণ সমাজ সেই রক্তের সম্মান রক্ষার্থে ছুটে গেছে শাহবাগে…ছুটে গেছে নিজের বিবেকের তাগিদে, একদল হায়েনার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছে, নব মুক্তির গানে গানে জোরো হয়েছে।

    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

      1. আশংকায় আছি। বাতাসে বিভিন্ন
        আশংকায় আছি। বাতাসে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি। আন্দোলনটাকে ধরে রাখা এখন আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 5 = 1