মতিঝিলিয়ানদের হত্যা-আজাইরা ছাগুফাইড কথন-প্রশ্ন

আমি সম্পূর্ণ আবাল একজন মানুষ রাজনৈতিক ব্যাপার সেপারে। আমি এগুলা বুঝি না, বুঝতে চাই নাহ। তাও যতটুকু হালকা বুঝছি টা দিয়াই পোস্টটা দিলাম।

২৫শে মার্চ আমি দেখি নাই। শুধু সুনেছি। মধ্যরাতে অনেক মানুষ মারা হয়েছিল। এর বেপারে আগে কেউ জানত না। হটাত আক্রমন। অগণিত মানুষ মারা।
দেখেছি কয়দিন আগের অবরোধ। গ্রাম থেকে কত মানুষ এনেছিল এই সফি কুত্তার বাচ্চাটা। আরও কয়েকটা জামাতি আচোদা মানুষ পটিয়ে এনেছিল। তারা কিন্তু শুধুমাত্র এসেছিল কিছু টাকার জন্য, ধর্ম রক্ষার জন্য আর সবচেয়ে বেশি অন্যের দেখা দেখি। তারা কিন্তু রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত নয়। তারা কিন্তু জানে না যে ব্লগ কি। তারা এটাও জানে না আসলে ১৩ দফায় কি লেখা আছে। তারা শুধু জানে ঢাকায় গিয়ে সমাবেশে অংশগ্রহণ করলে বুঝি বিরাট কিছু করে ফেলবে।

আচ্ছা তারা ছিল বিভিন্ন মাদ্রাসার ছাত্র। তাদের তখন ঘুমানোর কথা ছিল। তা না করে তারা ঢাকায়, নিজের গ্রাম থেকে দূরে, নিজের বাবা মা থেকে দূরে ছিল। তারা কিন্তু জানতও না তাদের কি কারনে আনা হয়েছিল।
ঐ যে শকুনে কান নিয়ে গেছে দেখে যে কতজন দৌড়িয়েছিল এটাও ঠিক তেমন। কয়েকজন আচোদার পিছে ছুটে এসেছিল সাধারন কিছু মুসলিম, গ্রামের হুযুর-টাইপ মানুষ। এর থেকে বেশি কিছুই না।
আপনার কি মনে হয় তারা সবাই জানত এসবের বেপারে? যে তারা নিজে বুঝে সুনে এসেছে? না।
সফি তো এগুলারে উশকায় দিয়া নিজে চলে গেছিলো। বলা হয়েছিল নিরাপত্তার জন্য। কেন রাতের আগেই চলে আসল সে? কি কারনে?
কিউরিয়াস মাইন্ড ওয়ান্টস টু নো, চোফি কি আগেই জানত সেই রাতে কি হবে?

আচ্ছা যখন এই ব্যাপারটা হয় তখন কিন্তু কোন বড় নেতা ছিল না সেখানে। শুধু ছিল সাধারন কিছু পাঞ্জাবি পরা মানুষ। আপনারা বড় মানুষ আপনারাই ভেবে বুঝে বলবেন যে আসলে ব্যাপারটা কি ছিল।
প্রথমে যাই সেই রাতে, রাতের সিনে। কতো মানুষ বসে ছিল। অন্যের দেখা দেখি। ছোট কিছু ছেলে, মধ্যবয়স্ক কিছু আকাজের-গ্রামের-বেকার মানুষ, এখনো মধ্যযুগে বাস করা কিছু মানুষ, কিছু মুরুব্বি আর নামমাত্র আসলেই ব্যাপারটা সম্পর্কে ধারণা থাকা মানুষ। চোফি বলে গেছিল যে ১৩ দফা নাকি না মানা হলে তারা নরবে না। সেই মানুষগুলোর বাধ্যতা দেখে আমি আশ্চর্য। তারা আসলেই নড়ল না। গেল না কোথাও। ভাল কথা।
যেই দুইটা চ্যানেল এগুলা সব বেশি বেশি দেখাইতেছিল বন্ধ করে দেয়া হল। আমি স্বভাবতই দুই চোখে দেখতে পারি না জামাতি ব্যাপার সেপার। আমি তো খুশি।

১১-১২ টার দিকে তুমুল বৃষ্টি শুরু হল। সাথে আমার লাফানিও শুরু হইল। মতিঝিলের তাগোর উপর আল্লাহর গজব পরছে। তাগোর উপর এখন বৃষ্টি হবে। আমার লাফানি দেইখা তো আমার কাজিনও আবুল। গেছে রে মেয়েটা গেছে।
আর ওইদিকে আমাদের ধর্ম জিহাদিগণ তো বসেই আছে।

রাত ২ থেকে ৪ টার মাঝে আমার জানামতে গণহত্যাটা ঘটে। কারেক্ট টাইম না বলতে পারার জন্য দুঃখিত। এটা নিয়ে অনেক ভিডিও বের হয়ে গেছে। তার সত্যতা আমি জানি না। ওখানে আমি উপস্থিত ছিলাম না। তবে যারা ছিল তাদের কাছ থেকে সুনেছি, ৩ দিক থেকে আক্রমন করা হয়েছিল। প্রথমে পাগলের মত গুলি করে আরও ভারী অস্ত্র ব্যাবহার করে পরিবেশ “ঠাণ্ডা” করা হয়। তারপর কিছু মানুষ যেতে দেয়া হয়। নামমাত্র মানুষ। নৃশংসতা থামে না। পুরো মতিঝিল মানুষ মুক্ত হয়ার আগে পর্যন্ত গুলি করা হয়।

বলবেন না কিছু হয়নি। উপরের বিষয় আমি দেখিনি। তবে দেখেছি যে গাজীপুরের এক পরিবারের কর্তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। সুগন্ধি মেখে এসেছিল যে নিজের ধর্ম নিয়ে কিছু করতে পারবে। সেই গ্রামের কত মানুষ যে নিখোজ আমি তা দেখেছি।
দেখেছি যেই মহিলা হালকা দেখেছে বিষয়টা নিজের চোখে, তারপর সে ৩-৪ দিন কথা বলতে গিয়ে কেপে উঠতেন।

আমি তো আসলেই রাতে আসলে কি হয়েছিল তা দেখিনি। এসবের মধ্যে কোনটা কত সত্য তাও তো আমি জানি না। তাই আমি বলব না কিছু হয়েছে সেদিন। তবে তাও মাইন্ড বড়ই বজ্জাত। জানতে চায়। অনেক কিছু।
সকালে উঠলাম সেদিন। পাশেরজন উঠেনি তখনো। আমি তাহলে কিভাবে উঠি। টেনে ধরলাম পাশের জনের চুল। অনেক আগের অভ্যাস। ভালোবাসার মানুষের কথা মনে পরে গেল। যথাসম্ভব ইগনোর করলাম। এনিওয়ে, সে উঠলো। উঠেই চিল্লা চিল্লি, যা যা টিভি ছাড়। আমিও দৌড়। যা দেখলাম তা দেখে হতভম্ব। স্বীকার করছি যে ভিতরে আসলে কেমন মজা পেয়েছিলাম যে জামাতি মরছে। bangladesh has less junk now. অফিস ডে। বাসায় আম্মু নাই। আর কে থামায়। সোজা গেলাম মতিঝিল।
বাসে গেলাম। টাকা নাই। বাসে উঠেই গান শুরু করলাম। উইয়ারড কাজ করায় একটু বেশীই মজা পাই। এখন আসল কথায় আসি।

সেদিন সকালে রাস্তা দেখে কেউ মানা করবে না যে সদ্য পরিষ্কার করা রাস্তা। কি পরিষ্কার করা হয়েছিল?
১০-১১ দিন পর হটাত সাভারে লাশের সংখ্যা বেড়ে গেল কিভাবে? তাও দেখে মনে হয় সদ্য মৃত মানুশ।
এশ বা ছাই ছিল রাস্তায়। অনেক। কিসের পোড়া ছাই?
অনেক ট্রাক অচেনা গন্তব্যস্থানে গিয়েছিল। ময়লা তোলার ট্রাক। সাধারন ট্রাক। কোথায় গিয়েছিল? কেন বা এসেছিল?

আচ্ছা একটু কল্পনা করি, অনেক অনেক মানুষ হত্যা হয় এই রাতে। ভিডিও গেমের মত। ওটা কম্পিউটারে আর এটা বাস্তবে। কিছু মানুষ বিশেষ রাসায়নিক দ্রব্য দ্বারা ছাই করে ফেলা হয়। আর কিছু মানুষ ট্রাকে করে সাভারে নেয়া হয়, আর কিছু ফেলা হয় বুরিগঙ্গায়। খুব বেশী কল্পনা হয়ে গেল।
গাছ কেটেছিল নাকি শিবির। নিজের চোখে দেখলাম মেশিনে কাটা প্রতিটা গাছ। আজব তো। দেখিনি তো কোন মেশিন সহ হুজুর। না আসলে, তাদের সবার নিচেই তো আছে একটা করে মেশিন যা নিয়ন্ত্রন করতে না পারায় দেশ ও জাতি হার্ডকোর ইয়ে খাচ্ছে। যার কারনে ১৩ দফায় ছেলে মেয়ের একসাথে চলা বন্ধ করার কথা বলা হয়েছে। তবে সেই মেশিন দিয়ে গাছ কাটা সম্ভব নয়।
তাহলে মেশিনে গাছ কাটা কার কাজ?
হেফাজতিরা বসে মুরি ভক্ষণ করছিল মতিঝিলে। তবে আগুন লাগল কিনা বাইতুল মোকারামের ওইদিকের জায়গায়।

এই ঘটনা নিয়েও একটু কল্পনা করব বৈকি? কোন বিশেষ দল বা হেফাযতের বিশেষ কোন গ্রুপ কাজগুলো করেছিল। মতিঝিলে বসে থাকা মানুষগুলো না।
না, আমি আর কিছু বলছি না। বলার আর বোঝার দায়িত্ব আপনাদের।
এই নিয়ে দুইবার মতিঝিলে পাঞ্জাবি দিবশ উতযাপিত হল। যারা অংশগ্রহণ করেছে তাদের সাথে অস্ত্র ছিল না। ইট পাটকেলের বেশী ছিল না। দুইবারি কোন বিশেষ দল তাদের বাঁশ দিল।
সামনে রবিবারে হরতাল। তারাও কিন্তু বেপারগুলো জেনেছে বুঝেছে। এবার যদি তারাও অস্ত্র নিয়ে আসে? কি হবে আসলে? নাকি তারা ভয় পেয়ে গেছে? আর সামনে আসতে সাহস পাচ্ছে না? আমি এই প্রশ্নের উত্তর জানি না।
পরিশেষে, হেফাযতিরাও মানুষ। বাঙালি। আমি কিন্তু কিছুতেই মানি না এই হত্যা। একজন মানুষের হত্যাও আমি মানি না। সবচেয়ে বড় ধর্ম হল মনুষ্যত্ব। এই ধর্ম ত্যাগ করে যারা এই গণহত্যা(বা হত্যা) করল তাদের আগে ফাঁসি হওয়া উচিত। আমার মতে।

কোন তথ্য ভুল হলে বা অন্যের সাথে অমিল/অনিচ্ছাকৃত মিল থাকলে মাফ করবেন। যতটুকু বুঝেছি লিখেছি।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৮ thoughts on “মতিঝিলিয়ানদের হত্যা-আজাইরা ছাগুফাইড কথন-প্রশ্ন

  1. ১০-১১ দিন পর হটাত সাভারে

    ১০-১১ দিন পর হটাত সাভারে লাশের সংখ্যা বেড়ে গেল কিভাবে? তাও দেখে মনে হয় সদ্য মৃত মানুশ

    খুব একটা যৌক্তিক প্রশ্ন নয় এটা ।

    1. কোন প্রশ্নেরই এখানে তেমন
      কোন প্রশ্নেরই এখানে তেমন সত্যতা-যৌক্তিকতা নেই। তবু উত্তর গুলোর উত্তর জানতে পারলে মন্দ হত না।

  2. নাম দিছেন দিশারী ! দিশা জায়গা
    নাম দিছেন দিশারী ! দিশা জায়গা মতই লাগাইছেন মনে হয় ! একবার কইলেন, আপনি আওয়ামী পরিবারের, আবার বলছেন, আপনার বাবা বিএনপি পন্থী ! বিষয়টা কি ?িআপনার কি মনে হয়, আমরা ছাগল ? মন্তব্যের প্রতি মন্তব্য করুন, তাইলেই বুঝবানি আপনি কি কইতে চান আর কোন দিকে যাইবার চান…..

  3. পড়লাম। আপনার মা….। তো কথা
    পড়লাম। আপনার মা….। তো কথা একই হলো….। আপনার লেখায় আমি যতটুকু বুঝলাম, আপনার ধারণা মতিঝিলের রাস্তার গাছগুলো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বা সরকারি লোকই কাটছে ! আর শাপলা চত্তরের মৃত লাশগুলো সাভারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ! তাহলে সেই লাশ গুলোর মা-বাবা আত্মীয় স্বজন নাই? তারা খোঁজ করছে না কেন?

    1. ধারণা. না। এটা ধারণা না। শুধু
      ধারণা. না। এটা ধারণা না। শুধু কল্পনা। আর কল্পনার সাথে কিছু লবন মরিচ দেয়া বাস্তব মিল।
      আপনি যদি একটু খোঁজ নেন, গ্রামের দিকে। তাহলে আমার মনে হয় বলা লাগবে না।

  4. ভাবতে থাকেন, ইচ্ছামত। যা মন
    ভাবতে থাকেন, ইচ্ছামত। যা মন চায়।যে ব্যাখ্যা সরকার দিছে সেটা মাথায় ঢুকেনা, উল্টা কেমনে ঢুকে? সরকার দেশের সব মানুশ, সাংবাদিক সবাইকে বেকুব বানাইছে, আর আপনিই শুধু চালাক?

    1. সরকারের লেজ ধরে থাকলে অবশ্যই
      সরকারের লেজ ধরে থাকলে অবশ্যই পোস্টটা করতাম না। আপনার ধারণা ভুল এটা আমি বলতে পারি। অনেক মানুষই এইসবে কান দেয় নাই।

  5. ভাই কিছু মনে করবেন না । আসলে
    ভাই কিছু মনে করবেন না । আসলে এই ধরনের ব্লগ পোস্ট এ যথাযথ প্রমান এবং যুক্তি , প্রদর্শন করে লিখতে হয় । কল্পনা প্রবণ হলে একটি প্রমান ছাড়া ভুল ধারনা সৃষ্টি হয় । আশা করি মাথায় রাখবেন । শুভেচ্ছা রইল । 🙂

  6. প্রথমে বলে রাখছি, আমি খাটি

    প্রথমে বলে রাখছি, আমি খাটি আওমি পরিবারের সন্তান।

    এই লাইনটা পড়েই বুঝে গেছি, পোস্টের বিষয়বস্তু কী? আর পড়ার আগ্রহ দেখাতে পারলাম না বলে দুঃখিত।

    =======================================================
    অফটপিকঃ এককাল ফেবুতে একটা স্টাটাস দিয়েছিলাম। “আজকাল সব ছাগুই তাদের কথা শুরু করে হয় আমার বাবা/দাদা মুক্তিযুদ্ধ করেন। নইলে আমার পুরো পরিবার আওয়ামী রাজনীতির সাথে যুক্ত।”

  7. অবশ্যই। তার আগে লেখা অর্থাৎ
    অবশ্যই। তার আগে লেখা অর্থাৎ টাইটেল টা দেখলে আরও ভাল বুঝতেন। লেখা আছে “ছাগুফাইড”

  8. এত সবাই মতিঝিলে গণহত্যা হইসে
    এত সবাই মতিঝিলে গণহত্যা হইসে বলতাসে তাইলে ভাই লাশ গুলান কই একবার সুনি চট্টগ্রাম আরেকবার শুনি তুরাগ নদীতে কিন্তু একটা কথা মাথায় আসেনা লাশ থাকলে টা কই?আর তাদের পরিবারি বা কই নাকি তারা সবাই এতিম…

  9. একটা হিসাব ফেবু-তে ষ্ট্যাটাস
    একটা হিসাব ফেবু-তে ষ্ট্যাটাস দিয়েছিলাম । এখানে আরেকবার লিখছি

    সরকার গনহত্যা চালাইছে। প্রফেশনাল শুটাররা উঁচু বিল্ডিংয়ের ছাদ থেকে স্নাইপার রাইফেল দিয়ে মানুষ মারছে। সাউন্ডগ্রেনেডের শব্দের চোটে স্নাইপারের আওয়াজ শোনা যায় নাই।
    : হুম। মতিঝিলে তো বিদ্যুত ছিলো না। স্নাইপাররা ঠিকমত টার্গেটে শুট করলো ক্যাম্ন?
    : আরে ভাই, ২৫০০ লাশ সরানো হইছে ৯ টা ট্রাকে।
    : মানে এক ট্রাকে ২৭৭ জন! একজন মানুষের ওজন নূন্যতম ৫০ কেজি ধরলেও এই মানুশগুলার ওজন ১৩ টনের বেশি। বাংলাদেশের একটা ট্রাক কি এত লোড নিতে পারে?
    : সব লাশ ফেলা হইছে তুরাগ আর মেঘনানদীতে।
    : ও। তুরাগ আর মেঘনাতে তো লাখ লাখ হাঙর থাকে। আড়াই হাজার লাশ দুই মিনিটে পেটে চালান কইরা দিছে।
    : মতিঝিল এলাকায় রক্তের বন্যা চলতেছে।
    : এত রক্ত কোথায় গেল?
    : শেষ রাতের বৃষ্টিতে ধুইয়া গেছে।
    : ২৫০০ লাশের রক্ত সামান্য বৃষ্টিতেই ধুইয়া গেল?
    : সামান্য বৃষ্টি না। রীতিমত তুফান আর সিটি কর্পোরেশনও ময়লা পরিষ্কারের নামে রক্তের দাগ মুইছা ফেলছে।
    : দেড় ঘন্টায় এত কিছু!
    : ভাই, এই জালেম সরকার সব পারে।
    : আচ্ছা, একটা প্রশ্ন করি?
    : করেন।
    : গাঁজার দাম এখন কত?
    : বৃষ্টির দিন। হাফ দামে যাইতেছে সব

    ======================================================================

    1. বেঙ্গাত্তক হয়ে গেলেও প্রশ্নের
      বেঙ্গাত্তক হয়ে গেলেও প্রশ্নের উত্তর আসল না। আর আমার থেকেও ভিত্তিহীন হয়ে গেল কথাগুলো।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

8 + 2 =