আজকের ভ্রমণ-বন্ধুদের সাথে পূজা উৎযাপনের একটি স্মরণিয় দিন

আজ সপ্তমি, সারা দিন ভালই কাটালাম। আপনাদের না জানিয়ে কি আর থাকতে পারি? আমাদের এই ইস্টিশন ও তো একটা পরিবার। তাই আজকের সারা দিনের ঘটনা গুলো সংক্ষেপে লিখছি।

চরম একটা দিন কাটালাম। বলা চলে আর্ধেক
ঢাকা ঘুরেছি। প্রথমে কলাবাগান মাঠের
পূজা দেখলাম। কিছুক্ষণ আড্ডা দিলাম। এর
পর বিআরটিসি বাসে আজীমপুর্। শুরু হল
আমাদের হাটা।
ওখান
থেকে হেটে ঢাকেশ্বরী মন্দির,সেখানে ছিলাম
কিছুক্ষণ ,আমি শান্ত ও সুমন ভোগ দিলাম।
এর পর লালবাগ এ গেলাম। আশিক , কল্লোল,
ইফতি,মেহেদি,নাইম নামাজ পড়লো। ততক্ষণ
আমি ,সুমন আর শান্ত ঘুরলাম। নামাজ
পড়ে বের হয়ে আমাদের কল্লোল ভাই
মোবাইলে কথা বলায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল।

আজ সপ্তমি, সারা দিন ভালই কাটালাম। আপনাদের না জানিয়ে কি আর থাকতে পারি? আমাদের এই ইস্টিশন ও তো একটা পরিবার। তাই আজকের সারা দিনের ঘটনা গুলো সংক্ষেপে লিখছি।

চরম একটা দিন কাটালাম। বলা চলে আর্ধেক
ঢাকা ঘুরেছি। প্রথমে কলাবাগান মাঠের
পূজা দেখলাম। কিছুক্ষণ আড্ডা দিলাম। এর
পর বিআরটিসি বাসে আজীমপুর্। শুরু হল
আমাদের হাটা।
ওখান
থেকে হেটে ঢাকেশ্বরী মন্দির,সেখানে ছিলাম
কিছুক্ষণ ,আমি শান্ত ও সুমন ভোগ দিলাম।
এর পর লালবাগ এ গেলাম। আশিক , কল্লোল,
ইফতি,মেহেদি,নাইম নামাজ পড়লো। ততক্ষণ
আমি ,সুমন আর শান্ত ঘুরলাম। নামাজ
পড়ে বের হয়ে আমাদের কল্লোল ভাই
মোবাইলে কথা বলায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল।
পরবর্তীতে আমাদের
হস্তক্ষেপে বেচারাকে ফোন রেখে দিতে হল।
এর মধ্যে প্ল্যান হল খাওয়া দাওয়ার কিন্তু
সেটা আর হল না। সুমন সেখান থেকেই বিদায়
নিল।
লালবাগ কেল্লার সামনে দিয়ে হেটে চললাম।
এবারের গন্তব্যস্থল আহসান মঞ্জিল।
নয়া বাজার এলাকার গরুর হাট!! আরে দুই
পাশে গরু আর গাড়ী!!! মানুষে মানুষে জ্যাম!!!
গরু মারা মারি স্টার্ট করছিল একবার্।
ভয়েছিলাম। আশিক বলে ”বন্ধু এডভেঞ্চার!!”
মজাই লাগছিল। আর যে বিশাল বিশাল গরু
রে!!!!
চকবাজার হয়ে মিগফোর্ড হাসপাতাল,বাবু
বাজার, ইসলামপুর দিয়ে পৌছলাম আহসান
মঞ্জিল। প্রবেশ করলাম । লুকিয়ে আশিকের
ক্যমেরা নিলাম । কিন্তু পরবর্তিতে যখন
মঞ্জিল এ ঢুকব দেখে ফেলল লোক গুলো।
আর কি আবার জিনিস পত্র জমা রাখার
রুমে এসে সেটা রাখতে হল। কল্লোল শান্ত
আর ইফতি আগে ঢুকে গিয়েছিল। তখন
ক্যমেরা রেখে আমি ,আশিক আর
মেহেদি ঢুকলাম। আহসান মঞ্জিলের
নানা নিদর্শন দেখলাম, নানা সময়ের
ছবি দেখলাম। ভালই লাগছিল। বের
হয়ে মাঠে বসে একটু মজা করলাম।
এর পর বের হয়েগেলাম। আবার ইসলাম পুরের
রাস্তায়,আবার খাওয়া দাওয়ার প্ল্যান। এবার
আর মিস হল না । শেষ পর্যন্ত
কাচ্চি বিরিয়ানী খাওয়া হল।
খেয়ে দেয়ে নতুন উদ্যমে আবার হাটা শুরু।
উদ্দেশ্য শাখারি বাজার্। শান্ত
হয়তো ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল তাই বাসায়
চলে গেল। রয়ে গেলাম আমি , মেহেদি,
কল্লোল,আশিক,নাইম আর ইফতি।
শাখারি বাজার দিয়ে কয়েকটি মন্ডপ
ঘুরে ভিক্টোরিয়া পার্ক দিয়ে বের হলাম।
বাসে উঠবো। এবার বাসে উঠার জন্য
দেরি না করে হাটা শুরু জর্জ কোর্ট পার
হয়ে প্রায় ইংলিশ রোড এর
কাছা কাছি এসে বাসে ওঠা হল। একদম শেষের
সিট এ বসে পড়লাম। এবার ঢাকার পথের
চিরচেনা সেই সঙ্গী ট্রাফিক জ্যাম!
সাথে রাস্তার পাশে বসা গরুর হাটের দুর্গন্ধ
যুক্ত বায়ু। বাসে বসে আলাপ আলোচনা হল।
আবার কবে ঘুরতে বের হওয়া যায় সেই প্ল্যান।
কিছুক্ষন মজা করা হল।
গল্পে গল্পে কলাবাগান পৌছে গেলাম। বাস
থেকে কলাবাগানে নামলাম। লেকের
ব্রিজে আবার কিছুক্ষণ আড্ডা। মাগরিবের
আযান দিল। কল্লোল,ইফতি আর নাইম
চলে গেল বিদায় নিয়ে। আমার আবার
মাথা ব্যথা করছিল। চলে আসতে চেয়েছিল।
কিন্তু আর কি আশিকের
অনুরোধে থাকতে হল। এর পর আমাদের
আশিক ভাই ক্যমেরা বের
করে কয়কটা ছবি তুলল। দেয়াল টপকিয়ে পেছন
দিয়ে মন্ডপে প্রবেশ করলাম। সেখানে কিছু
ছবি তুলল। ছবি তুলতে গিয়ে হঠাৎ আসিক
হ্যাং !! সে অন্যদের ক্যমেরা দেখছে। বেচারার
আফসোস অন্যদের গুলো কত ভাল। যদিও
ওর টা খারাপ না। কিন্তু মানুষের চরিত্র !!
আরোও চাই আরোও চাই।
আর কি অনেক দিন পর ধ্বনি দিলাম। গলার
অবস্থা খারাপ এখন। আশিক আরও
থাকতে চেয়েছিল। কিন্তু আমার
মাথা ব্যথাটা যে প্রকট ছিল!! আর থাকা হল
না। যে যার মত বাসায় চলে আসলাম।
ওভার অল অনেক মজা হয়েছে। লাইফে প্রথম
এত হাটালাম। আমাদের মেহেদী কিন্তু ক্লান্ত
ছিল বেচারা রাস্তা চিনতো না তাই
চলে যেতে পারে নি। ও নাকি লাইফে প্রথম
পুরান ঢাকা গিয়েছে এবার।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৩ thoughts on “আজকের ভ্রমণ-বন্ধুদের সাথে পূজা উৎযাপনের একটি স্মরণিয় দিন

  1. স্কুল জীবনে বন্ধুদের সাথে
    স্কুল জীবনে বন্ধুদের সাথে কাটানো সময়গুলোর কথা মনে পড়ে গেল। কি যে ভালো সময় কাটিয়েছি! প্রতিটা মুহূর্তে ভালালাগা আর আনন্দ! নিজের সুন্দর সময়টা শেয়ার করে আমাদের খানিকটা নস্টালজিক করে ফেলার জন্য জয়কে ধন্যবাদ। প্রতিটি উৎসব এমনই আনন্দ মুখর হোক।

    1. আপনাদের জন্যও রইলো শুভ কামনা
      আপনাদের জন্যও রইলো শুভ কামনা আমরা তিন জন বন্ধু ছিলাম হিন্দু বাকি পাঁচ জন মুসলিম। এটাই তো বাংলাদেশ একে অপরের পাশে একে অপরের উৎসবে থাকা।

  2. গুড গুড। বন্ধুদের সাথে
    গুড গুড। বন্ধুদের সাথে মণ্ডপের পাশে সন্ধ্যায় কিন্তু ভিন্ন রকম মজা :মুগ্ধৈছি: । সবাই আসে তো। :পার্টি: :পার্টি: :শিস: :শিস: :চোখমারা: :চোখমারা: :ভালাপাইছি: :ভালাপাইছি: :ভালুবাশি: :ভালুবাশি:

  3. মন খারাপ হয়ে গেলো… শেষ কবে
    মন খারাপ হয়ে গেলো… শেষ কবে পূজায় গেছি মনেই নাই, এই চাকরি আমার জীবন তেজপাতা বানাই দিলো। :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি:

      1. হাহ…। এখনো তো ছাত্রজীবনেই
        হাহ…। এখনো তো ছাত্রজীবনেই আছো, তাই বুঝো না। একবার পড়াশুনা শেষ হলে বুঝবা কী চমৎকার জীবন শেষ হয়ে গেলো!

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

69 + = 75