অন্তর্যামী ঈশ্বর

মানব সভ্যতায় সবচেয়ে উদ্ভট ধারনার নাম “ঈশ্বর” বা স্রষ্টা। বিশেষ করে ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে ঈশ্বর ধারনার ব্যাখ্যাগুলো সবচেয়ে আজগুবি ও স্ববিরুধী।

অধিকাংশ ধর্ম মতে ঈশ্বর অন্তর্যামী, অর্থাৎ তিনি মনের খবর জানেন। মানুষ মনে মনে যা চিন্তা করে, কল্পনা করে, আশা করে সবকিছুর খবর ঈশ্বর জানেন। আবার কেউ কেউ বলে থাকেন এইসব চিন্তাভাবনার মালিকও ঈশ্বর। ঈশ্বরের ইসারাতেই মানুষ তাদের চিন্তাগুলোর খোরাক পেয়ে থাকে।

যাই হোক, চিন্তার মালিক ঈশ্বর হোক বা না হোক, ধর্মগুলোর দাবী অনুযায়ী তিনি অবশ্যই অন্তর্যামী। এমন অন্তর্যামী ঈশ্বর মানুষকে মাঝে মাঝে নানান বিপদ-আপদ দিয়ে তাদের “ঈশ্বর বিশ্বাস ও ঈশ্বরের উপরে আস্থা” কতখানি তা যাচাই করেন। কথিত হয় যার বিশ্বাস যত বেশি তার পরীক্ষা তত কঠিন। সন্দেহ নাই এটি একটি ভাল সিস্টেম।

প্রশ্ন হলো, আমরা কখন একজন ছাত্রের পরীক্ষা নিয়ে থাকি। ছাত্রটির মেধা, জ্ঞানের পরিধি নিশ্চিত হলে কি পরীক্ষা নিই? না কি তার জ্ঞানের পরিধি যাচাই করার জন্য নিই? যদি একজন ছাত্রের মেধা ও তার জ্ঞানের পরিধি সম্পর্কে আগেই জেনে নেয়া যায় কিংবা নিশ্চিত হওয়া যায়, তাহলে আর পরীক্ষার প্রয়োজন আছে কি?

আর যদি পরীক্ষাই নেয়া হয় তাহলে, ছাত্রটির জ্ঞান ও মেধা সম্পর্কে আগেই জানতাম বা নিশ্চিত ছিলাম এমন দাবী করা যাবে কি? যদি এমন দাবী করা না যায় কিংবা করলে তা এক ধরণের কূটকার্য ও ভণ্ডামী হয়, তাহলে ঈশ্বর একজন অন্তর্যামী বলা যায় কি? কারণ, তিনি তার সৃষ্ট মানুষদের বিশ্বাসের পরিক্ষা নিয়ে থাকেন। বিশ্বাসীর বিশ্বাস সম্পর্কে সন্দিহান না হলে ঈশ্বরের পরীক্ষা নেবার প্রয়োজন পড়ে কি? আর যদি পরীক্ষা নিয়েই থাকেন তাহলে তাকে অন্তর্যামী বলার যৌক্তিকতা থাকে কি? কারণ অন্তর্যামী মাত্রই তো সবকিছু জানেন।

সত্যিকার অর্থে, ঈশ্বর ধারণা প্রবর্তনকারীরা লোকেদের উত্তর দিতে দিতে যাকে যেভাবে পেরেছে সেভাবেই বুঝিয়েছে, ফলে এই অবস্থার তৈরী হয়েছে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৭ thoughts on “অন্তর্যামী ঈশ্বর

  1. সত্যিকার অর্থে, ঈশ্বর ধারণা
    সত্যিকার অর্থে, ঈশ্বর ধারণা প্রবর্তনকারীরা লোকেদের উত্তর দিতে দিতে যাকে যেভাবে পেরেছে সেভাবেই বুঝিয়েছে, ফলে এই অবস্থার তৈরী হয়েছে। === হুম , ঠিক বলেছেন।

    1. এইসব ক্ষমা এবং সহনশীলতায়ও শেষ
      এইসব ক্ষমা এবং সহনশীলতায়ও শেষ রক্ষা হবে না দোস্ত…
      :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ:

    1. রাম নারায়ণ গৌর হরি
      ঈশ্বর যদি

      রাম নারায়ণ গৌর হরি
      ঈশ্বর যদি গণ্য করি
      তারাও সব গর্ভধারী
      জীবের ভার দিই কারে??

      – লালন
      :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :bow: :bow: :bow: :গোলাপ: :ফুল: :ধইন্যাপাতা:

  2. মজা পেলাম পোস্টটা পড়ে। আরও কত
    মজা পেলাম পোস্টটা পড়ে। আরও কত আজিরা জিনিস যে আছে ঈশ্বরকে নিয়ে!
    ঈশ্বর আমাদের সৃষ্টি করেছেন। খ্রিস্টান ধর্মে ঈশ্বর মানুষের পিতা। আবার সেই পিতাই মানব জাতিকে ধ্বংস করার জন্য বন্যা বইয়ে দেন। সেসময় নূহ নবী না থাকলে তো গেছিলাম! 😛
    ইবাদত, পূজা না করলে নাকি ঈশ্বর অসন্তুষ্ট হন। পুরা মানুষের মতো “তেল মারলে কাজ হবে” টাইপ চরিত্র। তাইলে আর উনার সাথে আমাদের পার্থক্য কী? উনাকে শ্রেষ্ঠ মানার দরকারটাই বা কী?
    আসলেই ঈশ্বর ধারণা প্রবর্তনকারীরা লোকেদের উত্তর দিতে দিতে যাকে যেভাবে পেরেছে সেভাবেই বুঝিয়েছে। :তালিয়া:

    1. নির্ঝর রুথ
      আপু,
      আপনার ধারণা

      নির্ঝর রুথ

      আপু,
      আপনার ধারণা নিয়ে আমার কোন মন্তব্য নেই…
      আপনি আপনার মতো ভাবতেই পারেন।
      তবে,আপনি যেসব বিষয় নিয়ে মন্তব্য করেছেন,
      সেই বিষয়ে আপনার দেওয়া তথ্যে যথেষ্ঠ ভুল রয়েছে।
      আশা করি,আপনার তথ্যগত ভুলের বিষয়ে সচেতন হবেন।

      খ্রিস্টান ধর্মে,ঈশ্বরকে কখনোই মানুষের পিতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি,আপনি মূল ধারণাটির সাথে পরিচিত নন বলে,আপনার এমন ভুল ধারণার সৃষ্টি হয়েছে।এই ধর্মের ধারনায়,উল্লেখ আছে যে~
      ঈশ্বর মানুষের কল্যাণে যীশু খ্রিস্টকে কুমারী মাতা মেরীর গর্ভে ঐশ্বরিক ক্ষমতায় পাঠিয়েছেন।যেহেতু তার কোন পিতা ছিলো না,আর সতী কুমারী মা মেরীর চরিত্রকে সৎ ও নিষ্কলুশ রাখতে,যীশু খ্রিস্টের পরিচয় সহজভাবে দেয়া হয়,ঈশ্বরের ছেলে বলে।আর তার বায়োলজ্যিক্যাল মাতা মেরী,সেই মায়ের সাথে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ঈশ্বরকে পাশাপাশি উপস্থাপন অযৌক্তিক বলে উল্লেখিত।তাই,এটাকে কোনভাবেই এইভাবে দেখার উপায় নেই।

      আপনার কাছে এটা অযৌক্তিক হতেই পারে,হাসি ঠাট্টারও হয়তো।তবে,ভুল ব্যাখ্যায় সেটা~ঠিক মনে করছি না।অবশ্য ঠিক এবং যৌক্তিক ব্যাখ্যায়ও,এমনটা করা বিশ্বাসীদের সামনে হয়তো সঠিক হয় না।
      আর,

      ধর্মে বর্নীত ব্যাখ্যায় কখনোই উল্লেখ নেই, নূহ নবী ঈশ্বরের অভিশাপ থেকে মানব জাতিকে রক্ষা করার ক্ষমতা রাখেন।বলা আছে,ওনাকে ঈশ্বরই পাঠিয়েছে ভালো মানুষদের বাঁচানোর জন্য ~উছিলা হিসেবে।নূহ নবী এখানে উছিলা হিসেবে এসেছেন,ঈশ্বর হিসেবে নয়।

      এটাকেও আপনার অযৌক্তিক মনে হতেই পারে,কিন্তু ব্যাখ্যাত বিষয়ের বর্ণনাটি কিন্তু ভুলভাবে উপস্থাপন সমভাবেই অযৌক্তিক।যৌক্তিক সমালোচনাটাই কেবল সুষ্ঠ হয়,আপনি ভালো বুঝবেন আশা করি।
      ভালো থাকবেন।
      আপনি ভালো লিখেন,তাই আপনার কাছ থেকে সচেতন মন্তব্যই আশা করি…
      কিছু মনে করবেন না… :খুশি:

      1. সোমেশ্বরী আপু, আপনার মতামতের
        সোমেশ্বরী আপু, আপনার মতামতের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

        আমি একজন খ্রিস্টান। আমাদের ধর্মে ঈশ্বরকে পিতা ধরে, যীশুকে পুত্র ধরে এবং পবিত্র আত্মাকে ধরে “হোলি ট্রিনিটি” মানা হয় যেটা কিনা খ্রিস্টান ধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বাস। আপনি বেশ স্টাডি করেছেন দেখা যায়। আরেকটু স্টাডি করলেই এই ব্যাপারটি স্পষ্ট হয়ে যাবে আমার ধারণা।
        আপনি উল্লেখ করেছেন, যেহেতু তার কোন পিতা ছিলো না,আর সতী কুমারী মা মেরীর চরিত্রকে সৎ ও নিষ্কলুশ রাখতে,যীশু খ্রিস্টের পরিচয় সহজভাবে দেয়া হয়,ঈশ্বরের ছেলে বলে।
        কথাটি ঠিক নয়। খ্রিস্টান ধর্মে মানা হয়, যীশু স্বয়ং ঈশ্বরের পুত্র।

        আর নূহের কথা আমি যেভাবে বলতে চেয়েছি, সেভাবে আপনাকে বুঝাতে পারি নি। আমি বলি নি, নূহ ঈশ্বর ছিলেন। নূহ একজন মানুষই ছিলেন। কিন্তু ঈশ্বরের মেজাজ পরিবর্তন করার ক্ষমতা তাঁর ছিলো। খ্রিস্ট ধর্মের ওল্ড টেস্টামেন্টের জেনেসিস ৬ চ্যাপ্টারের ৫-২২ নং ভার্স পড়লেই পরিষ্কার হয়ে যাবে। এখানে লেখা আছে, ঈশ্বর মানুষের উপর অসন্তুষ্ট হয়ে বলছেন, “আমি পৃথিবী থেকে মানবজাতিকে মুছে ফেলবো। আমি দুঃখিত যে, মানুষকে আমি সৃষ্টি করেছিলাম।” তখন নূহ ঈশ্বরের রাগ ভাঙ্গান। এরপর ঈশ্বর আবারো মানুষের উপর অসন্তুষ্ট হন এবং নূহকে বলেন, “আমি মানবজাতিকে নিশ্চিহ্ন করে দেবো। তুমি তোমার জন্য একটা আর্ক বানাও and you shall come into the ark, you, your sons, your wife, and your sons’ wives with you. And of every living thing, of all flesh, you shall bring two of every kind into the ark, to keep them alive with you; they shall be male and female. Of the birds according to their kinds, and of the animals according to their kinds, of every creeping thing of the ground according to its kind, two of every kind shall come in to you, to keep them alive. Also take with you every kind of food that is eaten, and store it up; and it shall serve as food for you and for them.”

        এজন্য আমি উক্ত লাইন লিখেছি। কারণ নূহ যদি ঈশ্বরের প্রিয় পাত্র না হতেন, তবে ঈশ্বরের কোপানলে পড়ে মানবজাতি সেদিনই শেষ হয়ে যেতো। :খুশি:

          1. optimist পোস্টে বললিঃ

            আর
            optimist পোস্টে বললিঃ

            আর এইখানে মানব জাতি শেষ হয় যাওয়ার কথায় উচ্ছ্বসিত… ঘটনা কি? তোর কি হইছে?

          2. আমি তো আর optimist না। তবে
            আমি তো আর optimist না। তবে আরেকজনকে positively চিন্তা করতে দেখলে ভালো লাগে, আরেকজন ভালো আছে দেখলে ভালো লাগে। তোর মতো হিংসুটে না :ভেংচি:

        1. নির্ঝর রুথ
          আপু,
          ধন্যবাদ

          নির্ঝর রুথ

          আপু,
          ধন্যবাদ আপনার সুন্দর উত্তরের জন্য।আবশ্যই আমি আরও স্টাডি করবো।
          আপনি খ্রিস্টান ধর্মের একজন,এই বক্তব্যটি মনে হয় আমাকে আপনার বক্তব্যের যথার্থতা বোঝানোর জন্যই বললেন।৯০% মসলমানের দেশ এই বাংলাদেশে~ধর্ম ব্যাখ্যা বা উপলব্ধির সাথে একজন জামাতী বা একজন একজন উদারপন্থী কিংবা উদাসীন মুসলমানের উপলব্ধির অমিল আছে!
          দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য আছেই…তাই যার যার বক্তব্য ব্যাখ্যায় সেটা স্পষ্ট হয়ে থাকে।
          প্রত্যেকেই নিজ নিজ জায়গায় দাঁড়িয়ে ধর্মকে সবচেয়ে ভালো জানে বলে দাবী করে!!
          সত্যই কি তাই???হয়তো না।
          আমার জানায় ভুল ছিলো দেখছি…
          ঐশ্বরিক বাণীকে আক্ষরিক নয়,ভাবগত অর্থেই বিচার করতে শিখেছি।
          এই কারণে হয়তোবা আপনার বক্তব্যের সাথে আমার মিল হচ্ছে না,
          একজন একান্ত অনুগত,বিশ্বাসী খ্রিস্টানের ব্যাখ্যা খুব সম্ভব আপনার মতো নয়,আপনি অনেক উদারপন্থী এবং অনেক যৌক্তিক।
          এটা ভালো।তবে,আমার কাছে মজার ব্যাপার হলো~যুক্তি আসলে খন্ডন করা সম্ভব,বিশ্বাস নয়।
          বিশ্বাস খন্ডনের বিষয় নয়।একটি পুর্ণ গঠনকে ব্যবচ্ছেদ প্রয়োজন,তার ভেতরের সত্যকে বের করার প্রয়োজনেই,কিন্তু ব্যবচ্ছেদকৃত গঠনটি যদি কেবল সত্যটিকেই নির্দেশ করার ক্ষমতা রাখে,কিন্তু কোন সুষ্ঠ সমাধান বা শান্তি আনতে না পারে তবে যুক্তি নয়,বিশ্বাসই বেশি গুরুত্ববহন করে থাকে।অন্তত আমি তাই মনে করি।
          যাই হোক,এই বিষয়ে পরে হয়তো কথা হবে,আমিও দেখি জেনে নিই আগে…
          ভালো থাকবেন,আবারও ধন্যবাদ… :ধইন্যাপাতা: :খুশি:

          1. সোমেশ্বরী আপু, নির্ঝর রুথ
            সোমেশ্বরী আপু, নির্ঝর রুথ যাহা বলিয়াছে সত্য বলিয়াছে।
            From old testament:
            {6:5} And GOD saw that the wickedness of man [was]
            great in the earth, and [that] every imagination of the
            thoughts of his heart [was] only evil continually. {6:6} And it repented the LORD that he had made man on the earth, and it grieved him at his heart. {6:7} And the LORD said, I will destroy man whom I have created from the face of the earth; both man, and beast, and the creeping thing, and the fowls of the air; for it repenteth me that I have made them.
            {6:8} But Noah found grace in the eyes of the LORD.
            {6:9} These [are] the generations of Noah: Noah was a
            just man [and] perfect in his generations, [and] Noah
            walked with God. {6:10} And Noah begat three sons,
            Shem, Ham, and Japheth. {6:11} The earth also was corrupt before God, and the earth was filled with violence. {6:12} And God looked upon the earth, and, behold, it was corrupt; for all flesh had corrupted his way upon the earth. {6:13} And God said unto Noah, The end of all flesh is come before me; for the earth is filled with violence through them; and, behold, I will destroy them with the earth.

            আর খৃস্টান ধর্ম মতে যীশু খৃস্টকে ঈশ্বরের পুত্র মনে করা হয় যা আবার ইসলামী ধর্ম মতের পরিপন্থী কুফর।

            আল মায়েদাহ
            আয়াত ৭২.) নিঃসন্দেহে তারা কুফরী করেছে যারা বলেছে, মারয়াম পুত্র মসীহ্ই আল্লাহ। অথচ মসীহ্ বলেছেন, “হে বনী ইসরাঈল! আল্লাহর বন্দেগী করো, যিনি আমার রব এবং তোমাদেরও রব! যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করেছে তার ওপর আল্লাহ জান্নাত হারাম করে দিয়েছেন এবং তার আবাস জাহান্নাম। আর এ ধরনের জালেমদের কোন সাহায্যকারী নেই।”

          2. নাভিদ কায়সার রায়ান

            নাভিদ কায়সার রায়ান

            ভাইয়া,
            ধন্যবাদ আপনাকে… :ধইন্যাপাতা:
            আমি সময় পাইনি নিজে থেকেই বিষয়টি জেনে নেয়ার।উনি যথার্থ বলেননি এমনটা বলা আমার উদ্দেশ্য ছিলো না,নেইও।আমি যা জানতাম তা আমার মতই বলার চেষ্টা করেছি কেবলমাত্র,আমার কথায় যেন আপনারা কেউ কষ্ট পাবেন না,পেয়ে থাকলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী জানবেন।
            আর এইধরনের আলোচনার ফলাফল এই সময়ে খুব সুখকর নয়।
            এমনিতেও কারো বিশ্বাস যদি ক্ষতিকারক না হয়,সেটা নিয়ে প্রশ্ন তোলাটা আমার কাছে ঠিক মনে হয় না।
            অন্ধ ধর্মবিশ্বাস,যেটা কিনা সবার জন্যই ক্ষতির কারণ,তা নিয়ে অবশ্যই কথা বলতে হবে।তবে এখানে আমি সেটার কথা বলছি না।
            আমি জানি না বোঝাতে পেরেছিলাম কিনা,আমি আমার আগের বক্তব্যে বিশ্বাসী মানুষের মানসিক অবস্থান আর অবিশ্বাসী মানসিক মানুষের অবস্থান নিয়ে আমার ভাবনার জায়গাটা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।
            দুইপক্ষের কাউকেই আমার কাছে অযৌক্তিক মনে হয় না।তবে,অযৌক্তিক মনে হয় দুইপক্ষেরই উগ্রপন্থী অংশের আচরণ।
            তার মানে কিন্তু,এমন নয় যে আমি

            নির্ঝর রুথ

            আপুকে তেমনটা মনে করছি।কেবলমাত্র আমার ভাবনাটাই তার এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি…:) :ধইন্যাপাতা:

  3. নির্ঝর আপু, পুরাই জোশ বলছেন!
    নির্ঝর আপু, পুরাই জোশ বলছেন! কেউ কেউ সম্মানিত বলেই সম্মানিত। সেখানে কোনো কারণ খুঁজতে নাই। ঈশ্বর ও তেমন। তাঁকে আদিম কাল থেকেই মানুষ সম্মান করে আসছেন, তাই তিনি সম্মানিত।

    1. তিনি কল্পিত, তিনি সর্বজন
      তিনি কল্পিত, তিনি সর্বজন শ্রদ্ধেয়, তিনি মহাসম্মানিত…
      ভাল তো!! ভাল না? চমৎকার অনেক কিছু নতুন করে জানার আছে!!
      আর পোস্টকর্তা পৃথু-দা কই গেলেন?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 8 = 2