একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির সাংবাদিক সম্মেলনের বক্তব্য

১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ বিলিয়া মিলনায়তনে আয়োজিত একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য‘৭১-এর গণহত্যার পরিপূর্ণ ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণের প্রয়োজনে সংবিধান এবং ট্রাইবুনালের আইন ও বিধির আরও সংশোধন প্রয়োজন
—————————————————

১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ বিলিয়া মিলনায়তনে আয়োজিত একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য‘৭১-এর গণহত্যার পরিপূর্ণ ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণের প্রয়োজনে সংবিধান এবং ট্রাইবুনালের আইন ও বিধির আরও সংশোধন প্রয়োজন
—————————————————
সাংবাদিক বন্ধুগণ, ২০০৮ সালের ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোটের অবিস্মরণীয় বিজয়ের প্রধান কারণ ছিল নির্বাচনী অঙ্গীকার। বিএনপি জোট বেঁধেছিল ‘৭১-এর গণহত্যাকারী, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধী, যুদ্ধাপরাধী মৌলবাদী-সাম্প্রদায়িক জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে। আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচনী জোট করেছে বাম দলগুলোর সঙ্গে। এই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি মেনে নিয়েই জেনারেল এরশাদের জাতীয় পার্টি মহাজোটের শরিক হয়েছিল। নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোটের ভরাডুবি হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট জাতীয় সংসদে তিন চতুর্থাংশেরও বেশি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করেছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য মহাজোট সরকার বঙ্গবন্ধু সরকার কর্তৃক প্রণীত ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবুনালসমূহ) আইন ১৯৭৩’ অনুযায়ী ২০১০ ও ২০১১ সালে ২টি বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করেছে। ২০১৩-এর ২১ জানুয়ারি এবং ৫ ফেব্রুয়ারি এই ট্রাইবুনাল প্রায় একই অপরাধে দু’জন আসামীকে দু’ধরনের শাস্তি দেয়ায় বিচারের ইতিবাচক দিকের পাশাপাশি ট্রাইবুনাল আইনের কিছু সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা প্রকট হয়ে পড়েছে, যে সমস্যা সম্পর্কে আমরা গত তিন বছর ধরে ক্রমাগত বলছি। ট্রাইবুনালের প্রথম মামলায় আসামী বাচ্চু রাজাকার অনুপস্থিত থাকাতে এবং জামায়াত তার পক্ষে কোন আইনজীবী না দেয়ায় মামলার দ্রুত বিচার ও কাঙ্খিত রায় প্রদান সম্ভব হয়েছে। কিন্তু অপর মামলায় জামায়াতে ইসলামীর একজন শীর্ষ নেতা কাদের মোল্লার বিচারের রায়ে তাকে বাচ্চু রাজাকারের মতো মৃত্যুদণ্ড না দেয়ায় গণহত্যার ভুক্তভোগীদের পাশাপাশি বিচার প্রত্যাশী সমগ্র জাতি হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়েছে, যার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে শাহবাগের অভূতপূর্ব ছাত্র-জনতার চলমান মহাসমাবেশে, যা একটানা ১২ দিন যাবৎ অব্যাহত রয়েছে। বিশ্বের গণতান্ত্রিক ও নাগরিক আন্দোলনের ইতিহাসে যুদ্ধে-স্বজনহারা ও ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণের জন্য এই ধরনের কর্মসূচীর দ্বিতীয় কোনও নজির নেই। এই আন্দোলনের নেতৃত্বে রয়েছেন কিছু তরুণ ব্লগার, যাদের বলা হয় ‘ফেসবুক প্রজন্ম।’ তাদের প্রধান দাবি ১) যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও উপযুক্ত শাস্তি প্রদান এবং ২) যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াত সহ সকল ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ। ২১ বছর আগে শহীদজননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে যে ইতিহাসসৃষ্টিকারী নাগরিক আন্দোলন সূচিত হয়েছে, তারও প্রধান দাবি ছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং জামায়াত-শিবির চক্রের ধর্মের নামে রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ। ২০১৩ সালে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে এবং এর সমর্থনে তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সকল জনপদে জাগরণের মঞ্চের চারপাশে যে লাখো তরুণের সমাবেশ ঘটেছে তারা বেড়ে উঠেছে জাহানারা ইমামের আন্দোলনের ধারাবাহিকতায়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অহঙ্কার ধারণ করে।

সাংবাদিক বন্ধুগণ, ছাত্র-জনতার এই মহাসমাবেশ থেকে ছয় দফা দাবি ঘোষিত হয়েছে যা জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বান্তকরণে সমর্থন করেছেন, যার কারণে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের আইনের কিছু সংশোধনী আগামীকাল ১৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ অনুমোদন করতে যাচ্ছে। এই সংশোধনীকে আমরা স্বাগত জানাবার পাশাপাশি এ কথা বলতে চাই যে, সংবিধান এবং ট্রাইবুনালের আইন ও বিধিতে এমন এমন কিছু বিষয় আছে, যা শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং বিচারপ্রার্থী জাতিকে পরিপূর্ণ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারবে না। ট্রাইবুনাল যদি কোন গণহত্যাকারী, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধী এবং/অথবা যুদ্ধাপরাধীকে দণ্ড প্রদান করে সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সেই দণ্ড ‘মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস’ করবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির রয়েছে। পৃথিবীর যে কোনও দেশের রাষ্ট্রপতি বা রাষ্ট্রপ্রধান এই ক্ষমতার অধিকারী। তবে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ যেহেতু আন্তর্জাতিক আইনে এমন গুরুতর অপরাধ যা ১৯৮৬ সালের ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী কোনও রাষ্ট্র ক্ষমা করতে পারে না। সরকারের নিকট আমাদের দাবি হচ্ছে অবিলম্বে সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে এই মর্মে একটি ধারা সংযোজন করা হোক যাতে করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে দণ্ডিত ব্যক্তিরা রাষ্ট্রপতির ক্ষমালাভের অযোগ্য বলে গণ্য হয়। ট্রাইবুনালের কাদের মোল্লা ও দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মামলায় আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করেছি জামায়াতিরা যেভাবে সরকারপক্ষের সাক্ষীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছে তাতে বহু প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী প্রথম সাক্ষ্যপ্রদানে সম্মত হলেও পরে ট্রাইবুনালে উপস্থিত হননি এবং তাদের কেউ কেউ প্রাণভয়ে দেশত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। এই আশঙ্কা আমরা তিন বছর আগেই করেছিলাম এবং সাক্ষী সুরক্ষা আইন প্রণয়নের জন্য সরকারকে ক্রমাগত বলছি। এর পাশাপাশি ট্রাইবুনালে ব্যক্তির পাশাপাশি ‘৭১-এর গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ব্যক্তির পাশাপাশি দল ও বাহিনী হিসেবে ‘জামায়াতে ইসলামী’, ‘শান্তি কমিটি’, ‘রাজাকার বাহিনী’, ‘আলবদর বাহিনী’ ও ‘আলশামস বাহিনী’র বিচারের জন্য গত তিন বছর ধরে আমরা ক্রমাগত বলছি। দুর্ভাগ্যের বিষয় আমাদের দাবির জবাবে আইনমন্ত্রী শুধু বলছেন সরকার ব্যক্তির বিচার করবে, কোনও সংগঠনের বিচার করবে না। আজ শাহবাগের ছাত্র-জনতার চলমান মহাসমাবেশ এবং দেশের সর্বত্র অনুরূপ গণজাগরণ মঞ্চ থেকে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করবার দাবি আবারও অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে উত্থাপিত হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নুরেমবার্গ ট্রাইবুনালে ২২ জন নাৎসি নেতার বিচারের পাশাপাশি নাৎসিদের ৭টি সংগঠনেরও বিচার করা হয়েছিল। আমরা ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে অবিলম্বে জামায়াত এবং সহযোগী ঘাতক বাহিনীসমূহের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের জন্য সরকারের নিকট দাবি জানাচ্ছি। আমরা মনে করি সাক্ষী সুরক্ষা আইন থাকলে এবং দল হিসেবে আলবদর বাহিনীকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হলে কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ড অবধারিত ছিল। গোলাম আযম সহ জামায়াতের অন্যান্য যুদ্ধাপরাধী নেতাদের বিচার অনেক সহজে ও দ্রুত সম্পন্ন করা যাবে যদি তাদের দল ও অন্যান্য ঘাতক বাহিনীকে ট্রাইবুনালের কাঠগড়ায় অপরাধী সংগঠন হিসেবে দাঁড় করানো হয়। গত ১০ আগস্ট ও ২৪ ডিসেম্বর (২০১২) ট্রাইবুনালের জনবল ও রসদের যে ঘাটতির কথা উল্লেখ করেছিলাম এখনও তা পূরণ করা হয়নি। উপরন্তু তদন্ত সংস্থাকে বর্তমান স্থান থেকে অত্যন্ত অপরিসর এক স্থানে চলে যেতে বলা হয়েছে। আমরা ইতিপূর্বে ট্রাইবুনালের মূলভবনের স্থান সম্প্রসারণের পাশাপাশি তদন্ত সংস্থার জন্য স্বতন্ত্র বাড়ি বরাদ্দের দাবি জানিয়েছিলাম। কে কোন উদ্দেশ্যে তদন্ত সংস্থাকে অপরিসর স্থানে চলে যেতে বলেছেন তা আমরা জানতে চাই। আমরা বহুবার বলেছি প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে জামায়াতের লোকেরা শেকড় গেঁড়ে বসে আছে যাদের একমাত্র কাজ হচ্ছে ট্রাইবুনালের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত ও শ্লথ করা। ট্রাইবুনালের সকল বিভাগের কার্যক্রম দ্রুতগতিপ্রাপ্ত না হলে কোনও অবস্থায় বর্তমান সরকারের মেয়াদকালে শীর্ষস্থানীয় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করা যাবে না। ট্রাইবুনালের রায়ের তারিখ যত ঘনিয়ে আসছে জামায়াত-শিবিরের সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড তত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা অত্যন্ত উদ্বেগ ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করেছি প্রকাশ্য জনসভায় গৃহযুদ্ধের হুমকি দিলেও জামায়াতের বিরুদ্ধে কোনও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। গণহত্যার রাজনীতি এবং গণহত্যাকারীদের রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ না হলে ‘৭১-এর গণহত্যা ও বুদ্ধিজীবী হত্যার পুনরাবৃত্তি কোনওভাবে রদ করা যাবে না। ট্রাইবুনালের আইন সংশোধনের উদ্যোগের বিরুদ্ধে জামায়াতের অপপ্রচারের বিভ্রান্ত অথবা জামায়াতের অর্থপ্রাপ্ত পশ্চিমা গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংগঠনসমূহ তাদের বাংলাদেশবিরোধী প্রতিবেদন ও বিবৃতি অব্যাহত রেখেছে। এসব অপপ্রচার কূটনৈতিকভাবে দৃঢ়তার সঙ্গে মোকাবেলা করা না হলে বহির্বিশ্বে মহাজোট সরকার ও বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্রমশঃ ম্লান হবে। আমরা আবারও দাবি জানাচ্ছি এসব মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক প্রচারণার উপযুক্ত জবাব দেয়ার জন্য ওয়াশিংটন, লণ্ডন ও ব্রাসেলস-এ আমাদের দূতাবাসে ৩ সদস্যের একটি বিশেষ সেল গঠন প্রয়োজন, যেখানে থাকবেন দক্ষ সাংবাদিক, আইনজীবী ও কূটনীতিক। ট্রাইবুন্যালের সকল নিয়োগ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চলছে অস্থায়ী ভিত্তিতে এবং ডেপুটেশনে, যে কারণে বহু ক্ষেত্রে শৈথিল্য ও দায়বদ্ধতার অভাব ক্রমশঃ প্রকট হয়ে উঠছে। আইন করে ট্রাইবুনালকে স্থায়ী এবং প্রশাসনিকভাবে স্বাধীন করার কথা আমরা গত এক বছর ধরে বলছি। ট্রাইবুনালের কোন চাকুরিবিধি না থাকায় অনেক কর্মকর্তা নিজেদের ইচ্ছে অনুযায়ী ট্রাইবুনালে আসেন এবং কারও কাছে জবাবদিহিতার প্রয়োজন বোধ করেন না। ট্রাইবুনালের প্রশাসন ঢেলে সাজাতে হবে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিñিদ্র করতে হবে। ট্রাইবুনালের গোপন তথ্য বাইরে পাচার হওয়া, স্কাইপ দুর্ঘটনা, তুরষ্কের মৌলবাদী দলের প্রতিনিধিদের পেছনের দরজা দিয়ে ট্রাইবুনালে ঢুকে পড়া, অভিযুক্তদের সঙ্গে কথা বলা ইত্যাদি প্রমাণ করে ট্রাইবুনালের নিরাপত্তার অপ্রতুলতা এবং জামায়াতের প্রতি দায়িত্বপ্রাপ্তদের দুর্বলতা কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে। জামায়াত নিষিদ্ধ করলেও কোনও লাভ হবে না যদি না গোটা প্রশাসন এবং বিশেষভাবে ট্রাইবুনালকে জামায়াতের প্রভাবমুক্ত না করা হয়। আমরা জানি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক। কিন্তু প্রশাসন জামায়াতমুক্ত না হলে বিচার বিলম্বিত ও প্রশ্নবিদ্ধ হবে। মন্ত্রীরা এখনও বিরোধী দলের ভাষায় জামায়াত নিষিদ্ধ করা কিংবা তাদের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের দাবি জানাচ্ছেন। তারা শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে সংসদ চত্বরে নিরবতা পালন করছেন, মোমবাতিও জ্বালাচ্ছেন। আওয়ামী লীগ ও মহাজোট এখনও আমাদের আন্দোলনের সহযাত্রী। তবে জাহানারা ইমামের দুই দফা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। তাঁর সন্তানদের ছয় দফা কবে বাস্তবায়িত হবে সরকার কিছু বলছে না। আমরা জানি না আমাদের সন্তানরা আর কতদিন রাস্তায় থাকবে, রোদে পুড়বে, বৃষ্টিতে ভিজবে, অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে যাবে। আমরা জানি না ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধকরণের জন্য আর কত জীবন বলী দিতে হবে। তবে আমরা এটা জানি, এই সরকার না করলে আর কখনও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রত্যাশিত শাস্তি প্রদান সম্ভব হবে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সংবিধানও আর কেউ পুনঃপ্রবর্তন করবে না। শাহবাগ চত্বরের ইতিহাসসৃষ্টিকারী তরুণ প্রজন্মকে আবার অভিবাদন জানাবার পাশাপাশি আমরা গণমাধ্যম কর্মীদেরও অভিনন্দন জানাচ্ছি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি তাদের অসামান্য দায়বদ্ধতা এবং অতুলনীয় দেশপ্রেমের জন্য। আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ।

স্বাঃ-

(শাহরিয়ার কবির)
ভারপ্রাপ্ত সভাপতি

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১ thought on “একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির সাংবাদিক সম্মেলনের বক্তব্য

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 25 = 29