আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় শাহবাগের আন্দোলন; ইতিহাসকে ব্লগের ফ্রেমে বন্দী করার একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস

শাহবাগের আন্দোলন ইতোমধ্যেই দেশের সীমানা ছাড়িয়ে দূর পরবাসে ছড়িয়ে গেছে। শুরু হয়ে গেছে বিভিন্ন বিশ্লেষণ। কেউ এটাকে তুলনা করছে অকুপাই ওয়াল স্ট্রিট আন্দোলন কিংবা তাহরির স্কয়ারের আন্দোলনের সাথে। কারো কারো দৃষ্টিতে এই আন্দোলন মানবতার ঝাণ্ডাকে সমুন্নত রাখার আন্দোলন। আবার কারো কাছে এই আন্দোলন সরকারী দমন-নিপীড়নকে বৈধতা দেওয়ার আন্দোলন। হঠাত করেই মনে হল আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে কিভাবে এই আন্দোলনকে মূল্যায়ন করা হচ্ছে সেটা সবাইকে জানানো দরকার। বলা যায় না, ইতিহাস নিয়ে বারবার কাটাছেড়া করার যে সংস্কৃতি আমাদের রাষ্ট্রীয় জীবনে বিদ্যমান; এই পোস্ট হয়ত কিছুটা হলেও সেই সংস্কৃতির ভিত্তিমূলে আঘাত হানার ক্ষমতা রাখবে। আমার এই পোস্ট তাই ইতিহাসকে একটা ফ্রেমে বন্দী করার অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়।

শাহবাগের গণজাগরণ যে বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছে সেটার সবথেকে বড় প্রমান দিয়েছে উইকিপিডিয়া। উইকিপিডিয়াতে শাহবাগের আন্দোলন নিয়ে 2013 Shahbag Protest নামে আলাদা একটা পৃষ্ঠা খোলা হয়েছে যেখানে বিস্তারিতভাবে শাহবাগের আন্দোলনের ইতিবৃত্ত বর্ণনা করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, আন্দোলনের আপডেটও নিয়মিতভাবে দেওয়া হচ্ছে।

শুরু করছি প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সংবাদ বিশ্লেষণ দিয়ে। চলুন দেখি পাকিস্তানী মিডিয়াগুলো শাহবাগের আন্দোলন নিয়ে কি বলছে? মজার ব্যাপার হচ্ছে শাহবাগের আন্দোলন নিয়ে পাকিস্তানী মিডিয়াগুলো কোন কথাই বলছে না। এই না লেখার ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করে ইসলামাবাদের কায়েদ-ই-আজম বিশ্ববিদ্দালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক Pervez Hoodbhoy International Herald Tribune পত্রিকায় একটি নিবন্ধ লিখেন ১৫ ফেব্রুয়ারি Shahbag Square — why we Pakistanis don’t know and don’t care শিরোনামে।

পরবর্তীতে এই নিবন্ধটিই পাকিস্তানের The Muslims Times পত্রিকায় প্রকাশ করেন Zubair Khan নামক একজন সাংবাদিক। সেই লেখা প্রকাশের পর বেশ কিছু কমেন্ট আসে। কমেন্টগুলো ভালোভাবে দেখলেই বোঝা যায় যে পাকিস্তানী মিডিয়া শাহবাগের আন্দোলন নিয়ে পাকিস্তানীদেরকে আসলেও অন্ধকারে রেখেছে।

অবশেষে পাকিস্তানের বহুল আলোচিত Don পত্রিকার ব্লগে শাহবাগ আন্দোলন নিয়ে একটা লেখা চোখে পড়ল। লেখার শিরোনাম Chalo, chalo Shahbag chalo. লিখেছেন Tahir Mehdi নামক একজন পাকিস্তানী ব্লগার। লেখাটার একটা অংশ খুব ইন্টারেস্টিং। সেটা হচ্ছে তিনি লিখেছেন কিছু কিছু ক্ষেত্রে তিনি ইস্ট পাকিস্তানকে খুব মিস করেন। অবশ্য বাংলাদেশের বাস্তবতা স্বীকার করে নিয়েই তিনি বাংলাদেশী তারুণ্যের প্রশংসা করেছেন। বাংলাদেশ সম্বন্ধে পাকিস্তানীরা যে আসলেও অন্ধকারে সেটাও বোঝা যায়। নিচের কমেন্টটিই খেয়াল করুন না।

The Biased tribunal not punishing the Mukti Bahani war criminals proves its not neutral. It seems the author fails to mention the massacre of Biharis at the hand of the terrorists of Mukti Bahani and presents a one sided view of things. Things are never black & white in the world.

এবার চলুন ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের দিকে একটু নজর দেই। সব থেকে অবাক হয়েছি এটা দেখে যে কলকাতার কোন পত্রিকাতেই শাহবাগের আন্দোলনকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছিল না শুরু থেকেই। অবশেষে শাহবাগের ডাক শিরোনামে একটা লেখা প্রকাশিত হয় এই সময় পত্রিকায় ২৩ শে ফেব্রুয়ারিতে।
?t=20130211023621″ width=”400″ />

পত্রিকাটিতে এদিন শাহরিয়ার কবিরের সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়। কেন কলকাতার রাজনৈতিক এবং বুদ্ধিজীবী মহল শাহবাগ নিয়ে নিশ্চুপ সে ব্যাপারে সব রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদেরকে জিজ্ঞেস করা হয় এবং সবাই প্রসঙ্গটি এড়িয়ে যান। এ ব্যাপারে শাহরিয়ার কবিরকেও জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি চমৎকার জবাব দেন। যেমন-

সাংবাদিকঃ “ভারত ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের রিপোর্ট সম্বন্ধে আপনার কি অভিমত?”

শাহরিয়ার কবির ঃ “ভারতের কাগজে বাংলাদেশের তুলনায় পাকিস্তানের ঘটনা বেশি গুরুত্ব দিয়ে ছাপা হয়। মনমোহন সিং যদি ঢাকায় আসেন আর আপনাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসলামাবাদে যান তাহলে দ্বিতীয়টিই বড় করে বেরোবে। এটাই ভারতীয় সাংবাদিকের মানসিকতা।“

কলকাতায় না হলেও বাংলাদেশের প্রতিবেশী ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে শতাধিক মানুষ একত্রিত হয়ে শাহবাগের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়েছেন। Indian Express পত্রিকায় এই খবরটি প্রকাশিত হয় ২০ ফেব্রুয়ারি Tripura: Hundreds show solidarity with Dhaka protests শিরোনামে।

অবশ্য সময় যতই গড়িয়েছে শাহবাগের আন্দোলন ততই মিডিয়া কাভারেজ পেয়েছে। The Daily Telegraph পত্রিকা ১৭ ফেব্রুয়ারি রিপোর্ট করে Dhaka alters law to reflect public fury at 1971 atrocity শিরোনামে।

একই পত্রিকা OTHER WARS শিরোনামে রিপোর্ট করে ২৬ ফেব্রুয়ারি।

ভারতীয় অনলাইন পোর্টাল News Track India তে Shahbagh Square Protests: The coming of age of Muslim dominant Gen Next Bangladesh শিরোনামে ১৯ ফেব্রুয়ারি একটি আর্টিকেল প্রকাশ করে। এই আর্টিকেলে শাহবাগ আন্দোলন নিয়ে পাকিস্তানী মিডিয়ার নির্লিপ্ততার বিষয়টিও উঠে আসে এইভাবে-

What is Pakistani society’s take on the Shahbagh Square protests? In two words-Blank Ignorance! The Pakistani media, which has grown by leaps and bounds, is not covering the events in Dhaka, despite knowing it is on. It’s a principle of “we still do not care and don’t want to care.

The Hindu পত্রিকার ২৬ ফেব্রুয়ারিতে একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয় Cauterizing the wounds of 1971 শিরোনামে। বাংলাদেশী লেখক, কলামিস্ট এবং উন্নয়ন কর্মকর্তা Farah Ghuznaviর এই সাক্ষাতকারটি নেন Nirupama Subramanian.

শুধু যে ইতোমধ্যে বিভিন্ন নিউজ প্রকাশিত হয়েছে তাই নয়। কিছু সংবাদ সামনে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। যেমন Outlook India তাঁদের ৪ মার্চ প্রকাশিত ম্যাগাজিনের অনলাইন সংস্করণ প্রকাশ করেছে যেখানে শাহবাগের আন্দোলন নিয়ে Calling All Hanging Judges শিরোনামে একটা লেখা প্রকাশিত হতে যাচ্ছে।

এছাড়াও ভারতের আলোচিত মিডিয়া NDTV ৫ মার্চ Shahbag Square, the heart and soul of a students’ movement শিরোনামে চমৎকার একটি রিপোর্ট করে যেখানে এক মাস ধরে চলা শাহবাগের আন্দোলনকে সুনামির সাথে তুলনা করা হয়েছে।

At Shahbag Square in Dhaka, it has been four tumultuous weeks since a trickle of angry students turned into deluge and then a tsunami that swept in a brand new force in Bangladesh, the force of its youth, angry and determined to be heard, angry and determined to alter the course of their country.

এবার পাশ্চাত্যের মিডিয়াগুলোর দিকে নজর দেই।

যে সব মিডিয়া আন্দোলনের শুরুতেই শাহবাগ নিয়ে রিপোর্ট ছাপে তাদের মধ্যে বার্তা সংস্থা Reuters অন্যতম। ৭ ফেব্রুয়ারি তাঁরা Protests rage for third day over Bangladeshi war crimes Islamist শিরোনামে রিপোর্ট প্রকাশ করে যেখানে শাহবাগে ক্রমাগত জনসমাগম বৃদ্ধির ব্যাপারটি উঠে আসে।

বিচার এবং রায় পরবর্তী প্রচারিত বিতর্কিত সংবাদ প্রসঙ্গে বার্তা সংস্থা BBC-র ভূমিকা নিয়ে সরব হয়ে উঠেছিল দেশ বিদেশের বাঙালিরা। শেষ পর্যন্ত বিবিসি তাঁর অবস্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য হয় এবং ৮ ফেব্রুয়ারি Huge Bangladesh rally seeks death penalty for war crimes শিরোনামে নিরপেক্ষ সংবাদ প্রকাশ করতে বাধ্য হয়।

ব্রিটেনের প্রভাবশালী পত্রিকা The Guardian এই আন্দোলন নিয়ে প্রথম রিপোর্ট করে ১৩ ফেব্রুয়ারি Shahbag protesters versus the Butcher of Mirpur শিরোনামে। নিবন্ধের লেখিকা ছিলেন Tahmina Anam.

পরবর্তীতে ২৩ ফেব্রুয়ারি পত্রিকাটি শাহবাগের আন্দোলন নিয়ে আরও একটি রিপোর্ট ছাপে Bangladesh split as violence escalates over war crimes protests শিরোনামে। দুটি রিপোর্টেই নিরপেক্ষতা বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

কাতার ভিত্তিক নিউজ চ্যানেল Al-jazeera লাইমলাইটে এসেছিল আফগানিস্তান যুদ্ধে লাদেনের সাক্ষাৎকার প্রচার করে। ইসলামী বিশ্বে এই চ্যানেলের ভালই প্রভাব রয়েছে। চ্যানেলটি প্রথমদিকে শাহবাগের আন্দোলনকে কিছুটা ঋণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্লেষণ করলেও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ অবলোকন করে তাঁরা শাহবাগের আন্দোলনকে খুব ভাল কাভারেজ দেয়। তাদের অনলাইন ভার্সনে ১৬ ফেব্রুয়ারি Bangladesh’s war wounds শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে। এরপর ১৯ ফেব্রুয়ারি তাঁরা Bangladesh’s rising voices; War crimes protests heat up across the nation শিরোনামে আরেকটি রিপোর্ট ছাপে। লেখাটিতে প্রচুর কমেন্ট পড়ে। বেশিরভাগ কমেন্টই ছিল আন্দোলন এবং আন্দোলনকারীদের বিপক্ষে।

ওই একই দিন শাহবাগের গণজাগরণের অসাধারন ৮ টি ছবি দিয়ে তাঁরা আরেকটি রিপোর্ট প্রকাশ করে Bangladesh war crimes protests continue শিরোনামে। বিদেশী অনলাইন পত্রিকায় দেশের এই ছবিগুলো দেখতে যে কি পরিমান ভাল লেগেছিল সেটা বলে বোঝানো সম্ভব না।

এর বাইরে ২২ ফেব্রুয়ারি পত্রিকাটি আরও একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে Bangladesh divided over war crime convictions শিরোনামে।

আন্দোলনে বিপুল সংখ্যক নারীদের অংশগ্রহণের ব্যাপারটিকে Forbes Magazine খুব গুরুত্ব দিয়ে ছাপে। ১৩ ফেব্রুয়ারি পত্রিকাটির অনলাইন সংস্করণে The Female Factor: Bangladesh Protests Break Boundaries শিরোনামে আর্টিকেলটি প্রকাশিত হয়। শাহবাগ আন্দোলনের স্লোগানকণ্যা হিসাবে পরিচিতি পাওয়া লাকী আক্তারের স্লোগানরত ছবিটি এই আর্টিকেলে স্থান পায়।

আন্দোলনে বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের সংহতি প্রকাশের ঘটনাকে খুব গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করে ক্রীড়াঙ্গনের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট EspnCricinfo. ১০ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত তাঁদের রিপোর্টটির শিরোনাম ছিল Top cricketers visit Dhaka protest rally.

বিখ্যাত Time ম্যাগাজিনও শাহবাগের সংবাদ প্রকাশে পিছিয়ে থাকে নি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে অনুষ্ঠিত র‍্যালির খবর তাঁরা প্রকাশ করে ১৯ ফেব্রুয়ারি Rallying in Shahbagh Square, Young Bangladesh Finds Its Voice শিরোনামে।
?w=360&h=240&crop=1″ width=”400″ />

The Economist পত্রিকা ১৬ ফেব্রুয়ারি A huge protest in the capital against an Islamist party and its leaders শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে।

যুক্তরাষ্ট্রের The Washington Post পত্রিকাতেও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে শাহবাগের গনজমায়েতের বিষয়টি উঠে আসে ৮ ফেব্রুয়ারি। এদিন পত্রিকাটি Hundreds of thousands rally in Bangladesh to demand executions of 1971 war crimes suspects শিরোনামে খবর প্রকাশ করে।

যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবির সাথে সাথে জামায়াতে ইসলামীকে বর্জন এবং আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করার দাবীর দিকে আন্দোলন মোড় নেয়। এই খবরটিকে জার্মান সংবাদ সংস্থা ডাচেস ভেলে খুব গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করে ২৩ ফেব্রুয়ারি Justice; Protesters want more than death sentences শিরোনামে।

বার্তা সংস্থা AFP শাহবাগ আন্দোলন নিয়ে প্রথম সংবাদ প্রকাশ করে ১৩ ফেব্রুয়ারি Bangladesh war-crimes trials reopen old wounds শিরোনামে।

ব্লগার রাজীবের হত্যা এবং সেই হত্যার ফলশ্রুতিতে শিবিরের ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করে বার্তা সংস্থা AFP. রিপোর্টে ছিল –

Officials of the telecoms regulator told AFP that the Sonar Bangla blogsite had been shut down since Saturday for spreading “hate speech and causing communal tension.

রিপোর্টটির শিরোনাম ছিল Bangladesh shuts Islamist website after blogger murder এবং প্রকাশিত হয় ১৭ ফেব্রুয়ারি।

বার্তা সংস্থা CNN বেশ কয়েকটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে শাহবাগের আন্দোলনের উপর। ৭ ফেব্রুয়ারি তাঁরা প্রকাশ করে The Spirit of ’71 Rises at Shahbag Square in Dhaka.

এরপর ১৪ ফেব্রুয়ারি তাঁরা প্রকাশ করে Bloggers of Bangladesh revived revolutionary protest of 1971 # Shahbag. এছাড়া ২১ শে ফেব্রুয়ারি তাঁরা আরও একটি রিপোর্ট করে Dhaka: Protesters demand severe punishment for 1971 war-crime accused শিরোনামে। এই লেখায় শাহবাগ আন্দোলনের উপর চমৎকার একটা ভিডিও পাবলিশ করা হয়েছে। দেখলেই মনটা ভাল হয়ে যায়। এই লিঙ্কে ভিডিওটা দেখতে পাবেন।

শাহবাগের আন্দোলন যে বাংলাদেশের রাজনীতিকে বেশ বড় একটা ধাক্কা দিতে সক্ষম হয়েছে সেটা নিয়ে বিখ্যাত The New York times পত্রিকায় বেশ বড় একটা সংবাদ প্রকাশিত হয় Politics in Bangladesh Jolted by Daily Demonstrations শিরোনামে ১২ ফেব্রুয়ারি। এছাড়া ২৮ ফেব্রুয়ারিতে A 40-Year Quest for Justice শিরোনামে আরও একটি নিবন্ধ প্রকাশ করে পত্রিকাটি।

এছাড়া বিশ্বখ্যাত The Wall Street Journal ৫ মার্চ তারিখে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করে Saving the Bangladesh Spring শিরোনামে যেখানে আমেরিকা সহ পশ্চিমা বিশ্বকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারকে সাহায্য করার আহ্বান জানানো হয়েছে এভাবে-

It’s important for the U.S. and the West to support Bangladesh’s government and the war-crimes tribunal. The West has done little to help beleaguered moderates in the Arab world and Pakistan, but here is a Muslim-majority nation where the mainstream is clamoring for a moderate politics. Groups like Jamaat can’t be allowed to hold a democracy hostage with the threat of violence.

শাহবাগের আন্দোলনকে নস্যাৎ করা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য জামায়াতে ইসলামী যে প্রচুর পরিমান টাকা ঢালছে সেটা কমবেশি আমরা সবাই জানি। “টাকায় কি না হয়” কথাটা যে কিছুটা হলেও সত্যি সেটা নিচের রিপোর্টগুলো দেখলেই বোঝা যায়।

প্রথমে সুদূর আফ্রিকার ঘানায় প্রকাশিত একটি রিপোর্ট দেখুন। রিপোর্টটি লিখেছে William Nicholas Gomes নামক একজন বাংলাদেশী। ৯ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত লেখাটির শিরোনাম Shahbag Square protest: A real travesty of Justice যেখানে লেখক বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে একটি খোলা চিঠি লিখে জানিয়েছেন যে এই বিচার আসলে ন্যায়বিচার করার হাস্যকর অনুকরণ ছাড়া আর কিছুই নয়।

টাকা বিলানোর প্রচেষ্টা সৌদিদের কাছেও কিছুটা সফল হয়েছে। তাঁর প্রমান সৌদি গেজেটে প্রকাশিত Tribunal verdict: A political vendetta রিপোর্টে পাওয়া যায়। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারটিকে তাঁরা দেখছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক গৃহবিবাদ হিসাবে।

টুইটারে যে শাহবাগ আন্দোলন বেশ আলোড়ন তুলেছে সেই বিষয় নিয়ে অনলাইন নিউজ পোর্টাল Tech President এ ২০ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিক Julia Wetherell একটি নিবন্ধ লিখেন যার শিরোনাম ছিল With # Shahbag, Bangladesh Protest Movement Blows Up on Twitter. নিবন্ধটিতে তিনি দেখিয়েছেন কাদের মোল্লার ইস্যুতে কিভাবে টুইটের হার বেড়ে গেছে।

দুই পক্ষেরই আপিল করার বিধান রেখে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের আইন পরিবর্তনের বিষয়টিও খুব গুরুত্বের সাথে উঠে আসে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের জনপ্রিয় The Diplomat পত্রিকায়। ২১ শে ফেব্রুয়ারি পত্রিকাটি Bangladesh Amends War Crimes Law After Mass Protests শিরোনামে খবরটি প্রকাশ করে।

Eurasia Review হচ্ছে একটি সংবাদ ও বিশ্লেষণী জার্নাল। জার্নালটিতে ২১ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ আন্দোলনের উপর Shahbag Square: Bangladesh’s DNA – Analysis শিরোনামে একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয় যেখানে শাহবাগ স্কয়ারকে বাংলাদেশের DNA অর্থাৎ প্রাণশক্তির উৎস হিসাবে অভিহিত করা হয়েছে।

“যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবীতে প্রজন্মের ভেদাভেদ ভুলে একত্রিত হয়েছে বাংলাদেশীরা”। চমৎকার এই সংবাদটি পরিবেশন করেছে Asia Society. লেখাটির শিরোনাম Photos: Across Generations, Bangladeshis Unite to Demand a Death Sentence. ১৪ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত এই সংবাদে রেজওয়ান নামক একজন ব্লগারের সাক্ষাৎকারও প্রকাশ করা হয়েছে।

Global Voices Online একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। তাঁরা তাঁদের Special Coverage section এ শাহবাগ আন্দোলনকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। ১৯ ফেব্রুয়ারি তাঁরা Bangladesh’s # Shahbag Protests শিরোনামে রিপোর্ট প্রকাশ করে। লিঙ্কটিতে গেলে শাহবাগ আন্দোলনের উপর অনেকগুলো নিউজ এবং ভিডিওর লিঙ্কও পাওয়া যাবে।

শেষ কথাঃ
একটা বিষয় কিন্তু পরিষ্কার হয়ে গেলো; এটি আমাদের লড়াই। আমাদেরকেই এককভাবে লড়তে হবে। আমাদের পিছু হটার কোন রাস্তা নেই, পরাজিত হবার কোন অপশন নেই। অপশক্তির বিরুদ্ধে এ লড়াইতে আমাদের জিততে হবেই। জিততে হবে রাজনৈতিকভাবে, অর্থনৈতিকভাবে এবং অবশ্যই প্রযুক্তিগতভাবে। চলুন হাতে হাত রেখে প্রতিজ্ঞা করি, একবারও পিছু ফিরে চাইব না। যতক্ষণ জয় না আসে ততক্ষণ লড়ে যাব। বাংলার আলোকিত ইতিহাসকে যারা কলঙ্কের চাঁদরে ঢেকে দিতে চায় তাঁদেরকে আমরা বিতাড়িত করবই। এ লড়াই আস্তিক-নাস্তিকের লড়াই নয়। এ লড়াই আমাদের অস্তিত্তের লড়াই। আজ যদি আমরা পরাজিত হই তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ ঢেকে যাবে অন্ধকারে। ইতিহাস আমাদের কোনদিনও ক্ষমা করবে না। তাই এগিয়ে চলুন। ইনশাল্লাহ, জয় আমাদের হবেই।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৭৫ thoughts on “আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় শাহবাগের আন্দোলন; ইতিহাসকে ব্লগের ফ্রেমে বন্দী করার একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস

  1. অসাধারণ এই প্ররিশ্রমসাধ্য
    অসাধারণ এই প্ররিশ্রমসাধ্য কাজটি করার জন্য আপনাকে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। শাহবাগের গণজাগরণ নিয়ে আন্তর্জাতিক মিডিয়া কি ভাবছে সেটার একটা গুরুত্বপূর্ণ দলীল ও আর্কাইভ হয়ে থাকবে এই লেখাটা। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    অনলাইন এই বিশ্ব মিডিয়ার পেইজগুলোতে ছাগুরা কিন্তু খুব একটিভ। বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে ভরা মন্তব্যে এরা বিশ্ববাসীকে বিভ্রান্ত করে দেয়। এইদিক দিয়ে আমরা যারা বিচারপ্রার্থী তারা অনেকটাই পিছিয়ে আছি। এদিকেও নজর দেওয়া উচিৎ।

    গুরুত্বপূর্ণ এই পোস্টটি এক্সপ্রেস পোস্ট হিসেবে স্টিকি করার আবেদন রইল ইস্টিশন কর্তৃপক্ষের প্রতি।

    1. উৎসাহ মূলক মন্তব্যের জন্য
      উৎসাহ মূলক মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আতিক ভাই। আপনার কথা সত্য। ছাগুরা আসলেও খুব এক্টিভ এইসব ব্যাপারে। তাই আমাদের উচিৎ আন্তর্জাতিক মিডিয়ার লেখাগুলো পড়া এবং বেশি করে মন্তব্য করা। আমার লেখায় আমি যে লিঙ্কগুলো ব্যবহার করেছি সেগুলোর সূত্র ধরে পাঠকরা ঐ পোস্টে গিয়ে মন্তব্য করতে পারবেন। শুধু আইডি খুলে লগ ইন করতে হবে এই যা। এইতুকু কষ্ট মনে হয় আমাদের করা উচিৎ।

    2. There are as, if you have
      There are as, if you have prior crimes, did you cause injury to house additional factors that may cause you for an increased sentence, such, did you harm anyone,
      jeopardize a son or daughter, etc. You can take the Dui Improvements Questions to determine if there are irritating circumstances in your situation.

      click http://duiattorneysftw.com/los-angeles-dui-attorney/ and maryland dui attorneys

    3. Hi there, I found your web
      Hi there, I found your web site by the use of
      Google while searching for a related matter, your site got here
      up, it seems great. I have bookmarked it in my google bookmarks.

      Hello there, just become alert to your blog thru Google, and found that it is truly informative.
      I’m gonna be careful for brussels. I will be grateful for those who continue this in future. A lot of other people might be benefited out of your writing. Cheers!

    4. This was raised by Pg Hj
      This was raised by Pg Hj Zahari Pg Hj Ahmad, acting assistant director (Administration) of Department
      of Schools during the prize and certificate presentation to
      excellent students at Sultan Sharif Ali Secondary School yesterday.

      If these House Republicans want FAR contracts,
      per NASA’s original plan, then they should have funded the program at the
      level requested by NASA. Wow, what an episode last night.
      Now, when line cooks said “Chef”—which for decades meant
      Georges—they were looking at his tall, dark-eyed, goateed young successor.
      Vaya con dios my friend, vaya con dios.

  2. অসাধারণ একটি কাজ। অন্য কোন
    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
    অসাধারণ একটি কাজ। অন্য কোন ব্লগে প্রকাশ না হয়ে থাকলে গুরুত্বপূর্ণ এই পোস্টটি স্টিকি করার জন্য ইস্টিশন মাস্টারের দৃষ্টি আকর্ষণ করলাম।

    1. এইটা ইষ্টিশন স্পেশাল বস। অন্য
      এইটা ইষ্টিশন স্পেশাল বস। অন্য কোন ব্লগে এই লেখা দেই নি। লেখা স্টিকি হবে এই চিন্তা করে কখনো লিখি না। ইতিহাসকে সংরক্ষণ করার ইচ্ছা থেকেই এই লেখার সৃষ্টি। তবে এটা ঠিক লেখা স্টিকি হয়েছে দেখে ভাল লেগেছে। ইষ্টিশন মাস্টারকে ধন্যবাদ।

  3. চমৎকার পোস্ট।আন্তর্জাতিক
    চমৎকার পোস্ট।আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলোতে কি প্রতিক্রিয়া হয়েছে সেটি জানা হলো,অন্যরাও জানলো।তবে কিছু আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে প্রকাশিত কিছু ছবি যুক্ত করে দিলে ব্লগটি আরো প্রান পেতো।পারলে কিছু ছবি এড করে দাও। স্টেশনমাস্টারকে ধন্যবাদ পোস্টটি স্টিকি করার জন্য। :ধইন্যাপাতা:

    ইস্টিশন মাস্টারের উদ্দেশ্যে একটা কথা। লিংকগুলো বুঝতে একটু সমস্যা হচ্ছে। লিংকের কালার পরিবর্তন করে দিলে ভালো হয়। না হলে কোনটা লিংক আর কোনটা বোল্ড সেটি বুঝতে সমস্যা হয়। আমি ক্রোম ইউজ করি। যদি ব্রাউজারের সমস্যা হয়ে থাকে তবে ভিন্ন কথা।

  4. থিমের সাথে কিছু কারিগরি
    থিমের সাথে কিছু কারিগরি সমস্যা হওয়ায় লিংক রঙীন বা অন্য রঙের দেখা যাচ্ছে না। আমাদের টেকি টিম এই বিষয়ে কাজ করছেন। আশা করা যাচ্ছে দ্রুত সময়ে যাত্রীদের ইচ্ছের প্রতিফলন আমরা ঘটাতে পারব। যে কোন পরিস্থিতিতে সবাইকে ইস্টিশনের পাশে থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে। ইস্টিশন আপনাদেরই প্ল্যাটফরম।

  5. ছবিগুলো সংযোজন করায় পোস্টটি
    ছবিগুলো সংযোজন করায় পোস্টটি আরো চমৎকার হয়েছে। বিশাল এক তথ্য ভান্ডার আপনার এই পোস্টটি। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

  6. হায়রে এত কিছু হইয়া যাইতেছে।
    হায়রে এত কিছু হইয়া যাইতেছে। আমি কই? চরম একখান কাম হইছে ভচ :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  7. বহু সময় ধরে খেটেখুটে খুব
    বহু সময় ধরে খেটেখুটে খুব কষ্টসাধ্য ও চমৎকার এ লেখাটার জন্য আগে শঙ্খচিলের ডানাকে :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: ইতিহাসের প্রায় পুরোটাই তুলে আনার চেষ্টা করেছেন দেখে খুব ভালো লাগলো :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: … শেয়ার দিলাম ভাই…

    পরিশেষে আপনাকে আবারও অসংখ্য ধন্যবাদ… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :বুখেআয়বাবুল:

  8. একটা বিষয় কিন্তু পরিষ্কার হয়ে

    একটা বিষয় কিন্তু পরিষ্কার হয়ে গেলো; এটি আমাদের লড়াই। আমাদেরকেই এককভাবে লড়তে হবে। আমাদের পিছু হটার কোন রাস্তা নেই, পরাজিত হবার কোন অপশন নেই। অপশক্তির বিরুদ্ধে এ লড়াইতে আমাদের জিততে হবেই। জিততে হবে রাজনৈতিকভাবে, অর্থনৈতিকভাবে এবং অবশ্যই প্রযুক্তিগতভাবে। চলুন হাতে হাত রেখে প্রতিজ্ঞা করি, একবারও পিছু ফিরে চাইব না। যতক্ষণ জয় না আসে ততক্ষণ লড়ে যাব। বাংলার আলোকিত ইতিহাসকে যারা কলঙ্কের চাঁদরে ঢেকে দিতে চায় তাঁদেরকে আমরা বিতাড়িত করবই। এ লড়াই আস্তিক-নাস্তিকের লড়াই নয়। এ লড়াই আমাদের অস্তিত্তের লড়াই। আজ যদি আমরা পরাজিত হই তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ ঢেকে যাবে অন্ধকারে। ইতিহাস আমাদের কোনদিনও ক্ষমা করবে না। তাই এগিয়ে চলুন। ইনশাল্লাহ, জয় আমাদের হবেই।

    এইটাই বলার…

    যতবারই দেখি কিসের যেন একটা শক্তি আসে। উচ্চস্বরে বলতে ইচ্ছা করে জয় বাংলা। কিন্তু আমাদের সমাজ ব্যবস্থার ও বর্তমান পরিস্থিতির জন্য বলতে পারি না

    1. কাউকে না কাউকে বলতে তো হবেই।
      কাউকে না কাউকে বলতে তো হবেই। আমরা সবাই চুপ করে থাকি বলেই তো খারাপ শক্তিগুলো তাঁদেরকে প্রকাশ করার সুযোগ পেয়ে যায়।

  9. আচ্ছা এটা কি আরেক বার স্টিক
    আচ্ছা এটা কি আরেক বার স্টিক করা যায় ইস্টিশন মাস্টার সাহেব?

    জাতির এই অবিস্মরনীয় দিন গুলো এখনো বিতর্কিত তাই এটা অনেক গুরুত্ব পূর্ন একটি পোস্ট

  10. দারুণ একটা কাজ করেছেন ভাই। এই
    দারুণ একটা কাজ করেছেন ভাই। এই পোস্টটা যে কোন কারণেই হোক আমি এড়িয়ে গেছি। আজকেই দেখলাম। বেশ পরিশ্রমী লেখা। একটা সময় এই পোস্টটাই একটা দলিল হয়ে থাকবে বলে আমি বিশ্বাস করি। ধন্যবাদ শঙ্খচিলের ডানা।

  11. যুদ্ধ অপরাধীদের বিচারের
    যুদ্ধ অপরাধীদের বিচারের আন্দোলন আসলেই আমাদের অস্তিত্বের আন্দোলন। এটার উপর নির্ভর করছে বাংলাদেশ কোনদিকে যাবে। বাংলাদেশ কি একটা আধুনিক ধর্ম নিরেপেক্ষ দেশ হবে নাকি ধর্মীয় মৌলবাদীদের দেশ হবে। আমাদের আন্দোলনটা শুধু আমদের জন্য ছিলনা এটা ছিল আমার, আপনার সবার ভবিষ্যতের নির্দেশনা। এমন একটি বিষয় নিয়ে আপানার এই কষ্টসাধ্য কাজের জন্য ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না। এই দলিল শুধু ‘ইস্টিশন ব্লগ’ কে না ইতিহাসকেও সমৃদ্ধ করবে।

    :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

    1. যুদ্ধ অপরাধীদের বিচারের

      যুদ্ধ অপরাধীদের বিচারের আন্দোলন আসলেই আমাদের অস্তিত্বের আন্দোলন। এটার উপর নির্ভর করছে বাংলাদেশ কোনদিকে যাবে। বাংলাদেশ কি একটা আধুনিক ধর্ম নিরেপেক্ষ দেশ হবে নাকি ধর্মীয় মৌলবাদীদের দেশ হবে।

      :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  12. চমৎকার, অসাধারণ, অনবদ্য আর
    চমৎকার, অসাধারণ, অনবদ্য আর দারুণ তথ্যবহুল…
    এক কথায় মন্ত্রমুগ্ধকর :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :bow: :bow: :salute: :salute: :salute:

    কিন্তু ডানা ভাই একটা ছোট আপত্তি আছে, আপনি একে অপচেষ্টা বলছেন কেন? অপচেষ্টা ঋণাত্মক অর্থে ব্যবহৃত হয় যদি কিছু না মনে করে তবে হেডিং টা এডিট করে দিন।
    “আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় শাহবাগের আন্দোলন; ইতিহাসকে ব্লগের ফ্রেমে বন্দী করার একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস…”

      1. অফুরন্ত ধইন্যা
        অফুরন্ত ধইন্যা :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি:

    1. আপনার পুরাতন পোস্ট গুলো
      আপনার পুরাতন পোস্ট গুলো দেখলাম ভাই। যাক শেষ পর্যন্ত ভাল হচ্ছেন।

      দেরি হলেও ভুল বুঝতে পারলেন। সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে দেখুন সবাই কি বলে,

      1. বুঝলাম না। আপনি কি এই কথাটা
        বুঝলাম না। আপনি কি এই কথাটা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন জয়? নাকি রাজু রনরাজকে ইয়সসেশ্য করে বলেছেন?

  13. শাহাবাগের গণবিষ্ফোরণ নিয়ে এই
    শাহাবাগের গণবিষ্ফোরণ নিয়ে এই পোস্টটা ইতিহাসের একটা দলিল হয়ে থাকবে। আগামী প্রজন্ম শাহবাগ সম্পর্কে অনেক তথ্য জানতে পারবে এই পোস্ট থেকে।

    আমি পোস্টদাতাকে অনুরোধ জানাব- সম্ভব হলে শাহাবাগ সম্পর্কে নতুন কোন তথ্য পেলে যেন পোস্টটি আপডেট করা হয়।

  14. কলকাতায় আমি অন্তত ১০টি
    কলকাতায় আমি অন্তত ১০টি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছি শাহবাগের সমর্থনে। দৈনিক পত্রিকায় লিখেছি। প্রেসিডেন্সি কলেজে একদিন একটা আলোচনা অনুষ্ঠানে বলার জন্য আমাকে ডাকা হয়েছিল, আমি অংশ নিয়েছিলাম। এ ছাড়া বনগাঁ সীমান্তে পদযাত্রা হয়েছে। একাডেমী অফ ফিনা আর্টস থেকে পার্ক সার্কাস বাংলাদেশ ডেপুটি-হাইকমিশন পর্যন্ত পদযাত্রা হয়েছে।

    1. লেখালেখির লিঙ্কগুলো যদি দিতে
      লেখালেখির লিঙ্কগুলো যদি দিতে পারেন তাহলে খুবই ভাল হত। এই আর্কাইভটাকে আরও সমৃদ্ধ করা যেত। মন্তব্যে লিঙ্কগুলো দিয়ে দিন প্লীজ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

74 − = 64