ঘাতকের পরিচয় – ২ : মাওলানা হাবিবুর রহমান – চুয়াডাঙ্গার কুখ্যাত রাজাকার।

a

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার সদস্য মাওলানা হাবিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সময় চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের শান্তি কমিটির সভাপতি ছিলেন। হাবিবুরের নেতৃত্বে এখানে ছিল পাকবাহিনীর শক্তিশালী ঘাঁটি।

রাজাকার হাবিবুরের নেতৃত্বেই কয়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাককে হাসাদহ ক্যাম্পে নিয়ে হত্যা ও পরে তার লাশ গুম করে ফেলা হয়। এ ছাড়া এলাকায় পাকবাহিনীর বিভিন্ন দুষ্কর্মের নির্দেশদাতা ছিলেন এই রাজাকার।


a

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার সদস্য মাওলানা হাবিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সময় চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের শান্তি কমিটির সভাপতি ছিলেন। হাবিবুরের নেতৃত্বে এখানে ছিল পাকবাহিনীর শক্তিশালী ঘাঁটি।

রাজাকার হাবিবুরের নেতৃত্বেই কয়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাককে হাসাদহ ক্যাম্পে নিয়ে হত্যা ও পরে তার লাশ গুম করে ফেলা হয়। এ ছাড়া এলাকায় পাকবাহিনীর বিভিন্ন দুষ্কর্মের নির্দেশদাতা ছিলেন এই রাজাকার।

যুদ্ধ পরবর্তীকালে ১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারী রাজাকার হাবিবুরকে দালাল আইনে গ্রেফতার করে। শেখ মুজিব সরকারের আমলে দালাল আইনে সাজাপ্রাপ্ত ৭৫২ যুদ্ধাপরাধীর একজন হলেন এই রাজাকার। ১৯৭৫ এর ক্ষমতার পটপরিবর্তনে রাজাকার হাবিবুরের ভাগ্যও বদলে যায়। জিয়াউর রহমান সরকার দালাল আইন বাতিল করলে অন্য রাজাকারদের সঙ্গে তিনিও ছাড়া পান।

পরবর্তীতে ‘৯১-এর সংসদে চুয়াডাঙ্গা-২ দামুরহুদা, জীবননগর ও সদর থেকে জামায়াতের ব্যানারে সাংসদ হয়ে অবস্থান পাকা করেন।

সুত্র ও সৌজন্যে – সাপ্তাহিক ২০০০, ২৬শে ডিসেম্বর ২০০৮

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “ঘাতকের পরিচয় – ২ : মাওলানা হাবিবুর রহমান – চুয়াডাঙ্গার কুখ্যাত রাজাকার।

  1. চুয়াডাঙ্গার ভায়েরা, এই
    চুয়াডাঙ্গার ভায়েরা, এই রাজাকার সম্পর্কে আপনারা কে কি জানেন? দয়া করে শেয়ার করেন। আমরা বিখ্যাত সব রাজাকারদের এই প্রজন্মের কাছে আবার পরিচয় করিয়ে দিতে চাই।

    আশিস দা’কে ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 36 = 43