শাহবাগ চত্বরে আমরা

বাছাধন! ভেবেছিলে পার পেয়ে গেছ!
চল্লিশটা বছর তো অতিক্রান্ত হল ইতিমধ্যেই!
সবাই গেছে ভুলে!
চল্লিশ বছরে গাড়ি-বাড়ি মন্ত্রীত্ব সব-ই পেয়েছো!
তাও এই বাংলাদেশেই, যাকে ধর্ষন করেছো বারবার-
তোমার গাড়ির কোনে ঝুলানো বন্দী জাতীয় পতাকা
গুমড়ে কেঁদেছে প্রতিনিয়ত-
আর তুমিতো ক্ষণে ক্ষণে অট্টহাসিতে বিদ্রুপ করেছো
আমার লাল সবুজের জাতীয় পতাকাকে!

বাছাধণ! ভেবেছিলে পার পেয়ে গেছো!
চল্লিশটা বছর তো অতিক্রান্ত হল ইতিমধ্যেই!
সবাই গেছে ভুলে!
তোমার আস্ফালনে প্রকম্পিত হয়েছে আমার জাতীয় সংসদ
তোমার বীর্য ছড়িয়ে দিয়েছো কত নির্বোধের জঠরে

বাছাধন! ভেবেছিলে পার পেয়ে গেছ!
চল্লিশটা বছর তো অতিক্রান্ত হল ইতিমধ্যেই!
সবাই গেছে ভুলে!
চল্লিশ বছরে গাড়ি-বাড়ি মন্ত্রীত্ব সব-ই পেয়েছো!
তাও এই বাংলাদেশেই, যাকে ধর্ষন করেছো বারবার-
তোমার গাড়ির কোনে ঝুলানো বন্দী জাতীয় পতাকা
গুমড়ে কেঁদেছে প্রতিনিয়ত-
আর তুমিতো ক্ষণে ক্ষণে অট্টহাসিতে বিদ্রুপ করেছো
আমার লাল সবুজের জাতীয় পতাকাকে!

বাছাধণ! ভেবেছিলে পার পেয়ে গেছো!
চল্লিশটা বছর তো অতিক্রান্ত হল ইতিমধ্যেই!
সবাই গেছে ভুলে!
তোমার আস্ফালনে প্রকম্পিত হয়েছে আমার জাতীয় সংসদ
তোমার বীর্য ছড়িয়ে দিয়েছো কত নির্বোধের জঠরে
যারা জন্ম দিয়েছে ছাত্র সঙ্ঘ আর শিবির নামের বিষাক্ত সরীসৃপ আর গিরগিটিদের
আর তোমার অট্টহাস্যে নত হয়েছে
লুই কানের স্তাপত্যে গড়া
আমার গর্বিত জাতীয় সংসদ!

বাছাধন! ভেবেছিলে পার পেয়ে গেছ!
চল্লিশটা বছর তো অতিক্রান্ত হল ইতিমধ্যেই!
সবাই গেছে ভুলে!
তোমার নোংরা হাতের ছোঁয়ায় মুছে গিয়েছিল
আমার মহান সংবিধানের পবিত্র পাতা থেকে
ধর্মনিরপেক্ষতা আর বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ
আর তোমার অট্টহাস্যে নিঃশব্দে কেঁদেছে
আমার পবিত্র সংবিধান

বাছাধন! ভেবেছিলে পার পেয়ে গেছ!
চল্লিশটা বছর তো অতিক্রান্ত হল ইতিমধ্যেই!
সবাই গেছে ভুলে!
আমার মুক্তিযোদ্ধা বাবা আর ভাইকে হত্যা করেছো
আমার মা বোনদের করেছো ধর্ষন পবিত্র ইসলামের নামে
তুমি বেশ ধরেছো সুফী-দরবেশের
তোমার মিথ্যাচারে ব্যবহার করেছো পবিত্র কাবাগৃহের নাম
আর তোমায় যুগপত অভিশাপ দিয়ে গেছে
আমার বাবা-ভাইয়ের পবিত্র আত্মা
ক্বাবা’র চতুরপার্শে তাওয়াফ করে করে।

তুমি পার পাবে না, কারণ-
লক্ষ বাঙ্গালীর ঘরে ঘরে,
জন্ম নিয়েছে লক্ষ-কোটি মুক্তিযোদ্ধা।
প্রজন্মের সন্তান তারা, যারা জন্ম নিয়েছে
শুধু তোমার বিচার করতে।
আমার মা-বাবা হত্যার বিচার আমি করবোই
আমার জাতীয় পতাকা আজ স্বাধীন হবেই
আমার সংবিধানে ফিরে আসবে আবার ধর্মনিরপেক্ষতা
ইতিমধ্যেই ফিরিয়ে এনেছি বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ-
আমার জাতীয় সংসদ থেকে তোমায় ছুঁড়ে ফেলবো হাবিয়া দোজখে
তোমার ফাঁসী না হওয়া পর্যন্ত্য মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা থাকবে শাহবাগ চত্বরে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৪ thoughts on “শাহবাগ চত্বরে আমরা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

17 − 15 =