ব্লগে ভেকধারী রাজাকার

ব্লগে দেখি ভেকধারী জামাতের আনাগোনা। কারন জামাত শিবির যা করতাছে আমাদের কিছু জামাত বিরোধী ব্লগাররা অনেকটা তাই করছে। নিজেদের মহা পণ্ডিত জ্ঞানে আন্দোলন কে ভিন্ন খাতে বয়ে আপ্রান চেষ্টা করছে। এদের মনে রাখা উচিত, জামাত হইতে গেলে মেধা বা জ্ঞানের দরকার নাই। কৃতঘ্ন হইলেই চলে।
জামাত-শিবির ব্লগারদের মধ্যে যে একতা আছে তা জামাত বিরোধী ব্লগারদের মাঝে নেই। জামাতিদের লক্ষ্য এক, ওদের রাজাকার নেতাদের নিষ্পাপ প্রমাণ করার জন্য নেয়া যে কোন পদক্ষেপে এক থাকা। সেখানে কে হাইলাইটেড হইল, কে হইল না, কে প্রচার বেশি পাইলো কে পাইলো না এইগুলা নিয়া ফালতু ক্যাচালে নেই।

ব্লগে দেখি ভেকধারী জামাতের আনাগোনা। কারন জামাত শিবির যা করতাছে আমাদের কিছু জামাত বিরোধী ব্লগাররা অনেকটা তাই করছে। নিজেদের মহা পণ্ডিত জ্ঞানে আন্দোলন কে ভিন্ন খাতে বয়ে আপ্রান চেষ্টা করছে। এদের মনে রাখা উচিত, জামাত হইতে গেলে মেধা বা জ্ঞানের দরকার নাই। কৃতঘ্ন হইলেই চলে।
জামাত-শিবির ব্লগারদের মধ্যে যে একতা আছে তা জামাত বিরোধী ব্লগারদের মাঝে নেই। জামাতিদের লক্ষ্য এক, ওদের রাজাকার নেতাদের নিষ্পাপ প্রমাণ করার জন্য নেয়া যে কোন পদক্ষেপে এক থাকা। সেখানে কে হাইলাইটেড হইল, কে হইল না, কে প্রচার বেশি পাইলো কে পাইলো না এইগুলা নিয়া ফালতু ক্যাচালে নেই।
৪২ বছর পর এই প্রথম ধর্ম, বর্ণ, জাতি ভেদে মানুষ এক কাতারে দাঁড়িয়েছে, কলঙ্কিত একটা অধ্যায় কে শেষ করতে, একাত্তরের ঘাতকদের নির্মূল করতে। যারা ৫ই ফ্রেব্রুয়ারি ডাক দিয়ে ছিলেন কাদের মোল্লার রায়ের প্রতিবাদে জাতি তাদের মাথায় করে রাখবে, সেই সাথে মাথায় করে রাখবে তাদের যারা এই প্রতিবাদ কে আন্দোলনে রুপ দিয়েছেন। লাখো মানুষের বিশ্বাসের স্থান করে তুলতে পেরেছেন এই শাহবাগ কে। ঐদিন প্রতিবাদের ডাকে অনেকেই এক কথাই ছুটে গেছেন অনেকেই এটাকে সঠিক মনে করেননি। ফেসবুকেই আবদ্ধ ছিলেন। কিন্তু কয়েকজনের ডাকা প্রতিবাদ আন্দোলনের রুপ নিতেই নিজেদের ভুল বুঝতে পারেন। একাত্ম হয়ে পরেন এই আন্দোলনের সাথে। কিন্তু সেখানে যেয়ে লাইম লাইটে আসার চেষ্টা করে অনেকেই ব্যর্থ হন। কারন কাজের সততা না থাকায় এটা হতে বাধ্য।
শাহবাগে ব্যর্থ হয়ে ফেসবুকে বা ব্লগে আন্দোলনের ফলাফল বা যৌক্তিকতা নিয়ে কথা তোলা শুরু করেন। যা কি না কি জামাত-শিবির কে সহযোগিতা করার সমতুল্য। দয়া করে আর যায় করেন জামাত কে সহযোগিতা করেন না। এই প্রথম সাধারণ জনতা নেমেছে পথে। লাখো জনতার এই প্রানের আন্দোলন কে উপহাস করা নব্য রাজাকার হয়েন না। চেষ্টা করেন জামাত কে নাকোচ করতে, নাকি নিজের ব্যক্তিগত ব্যর্থতায় নাখুশ হয়ে, জামাত কে খুশ করে ।
নাকি এইটাও জামাতি চাল, জামাত বিরোধী ভেক ধরে পরে জামাতের হয়ে আন্দোলন কে প্রশ্নবিদ্ধ করা? যারা সত্যি দেশপ্রেমী তারা কি হাইলাইটেড হবার জন্য দেশ কে ভালবাসেন? প্রতিদিন শাহবাগসহ সারা দেশে নিঃস্বার্থ লাখো মানুষের জন সমাবেশ দেখে হৃদয় কে জাগ্রত করেন। দেখবেন এই নিঃস্বার্থ ভালবাসার জোয়ার আপনাকে কই নিয়ে যাবে। কি পাইলাম না কি পাইলাম না করে, কি করতে পারেন সেইটাই করেন। কারন এই সেই স্বর্ণ সময়, এই দিন চলে গেলে আর ফিরবে না। তবে হ্যা যদি ভেক ধারী হন তাইলে জানি গাইল খামু……তারপর আমি কমু তুই রাজাকার।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৮ thoughts on “ব্লগে ভেকধারী রাজাকার

  1. হ্যা অনেকেই এই কাজটি
    হ্যা অনেকেই এই কাজটি করছে,বিশেষত ফেইসবুকে।আমার মতে ওদের একটু স্পীচ দিতে দিলেই তো ল্যাঠা চুকে যায়।ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার মত আর লাফালাফি করে না।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 1 = 4