অতঃপর অপেক্ষার অবসান…ফুটবলও পেল তার সর্বকালের সর্বসেরাকে…………….

বক্সিং তো সর্বকালের সর্বসেরা অনেক আগেই পেয়েছিল, মহাম্মাদ আলিকে। ঠিক তেমনি বিশ্বের অধিকাংশ জনপ্রিয় খেলারই আছে সর্বজনশ্বীকৃত সেরা। যেমন,সাতারের মাইকেল ফেলপস, ক্রিকেটের ডন ব্রাডম্যান,স্প্রিন্টের উসাইন বোল্ট,ফরমুলা ১ এর মাইকেল জর্ডান,গলফের টাইগার উডস ইত্যাদি ইত্যাদি। একমাত্র এ পৃথিবীর সবচেয়ে চর্চিত,আলোচিত খেলা ফুটবলেরই যেন ছিল সর্বকালের সেরার জন্য এক অনিঃশেষ হাহাকার,যার নিয়ন্তক সংস্তা ফিফার সদস্যসংখ্যা যেখানে জাতিসংগের চেয়ে বেশি ।অবশেষে এ ধরাধামে ২৫ বছর আগে পা পড়লো এক দেবশিশুর, যে কিনা এ ছোট্ট সময়েই ‘এলাম,দেখলাম,জয় করলাম’ এর প্রকৃত অর্থ বুজালো পৃথিবী নামক গ্রহের সকল ফুটবলমোদী মানুষকে। অবশেষে যে পানি ঢেলে দিল তিন দশক ধরে চায়ের কাপে ঝড়তোলা ‘ পেলে না ম্যারাডোনা’ বিতর্কতে।বুজেই গেছেন হইত এতক্ষণে সে কে!!?…সে আর কেও না,মেসি,বার্সার মেসি,আর্জেন্টিনার মেসি,সারা বিশ্বের মেসি………………আমাদের মেসি। এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না!!? তবে চলেন না, একবার চোখ বুলিয়েই আসি বাংলাদেশ আর সারা বিশ্বের সেরা সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো,এএফপি, রয়টার্স ইত্যাদি আজ(ব্যালন ডি অরের দিন) কি লিখেছে মেসি কে নিয়ে……

“টানা চার বছরের মতো ফিফা বর্ষসেরা হলেন লিওনেল মেসি। গড়লেন ইতিহাস। টানা চারবার তো দূরের কথা, সব মিলিয়েও চারবার ফিফা বর্ষসেরা হতে পারেননি কেউ।দুই সাবেক মহারথী ব্রাজিলের রোনালদো ও ফরাসি সম্রাট জিনেদিন জিদান সর্বোচ্চ তিনবার করে জিতেছিলেন এই পুরস্কার। শুধু ব্যালন ডি’অরের হিসাব ধরলেও টানা চার বছর কেউ এই পুরস্কার জেতেননি। টানা তিন বছর জিতেছিলেন ফ্রান্সের মিশেল প্লাতিনি।

২০১২ সালে সত্যিই অবিশ্বাস্য ছিলেন মেসি। এ বছর জার্ড মুলারের চার দশক পুরোনো এক বছরে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভেঙে করেছেন ৯১ গোল।শেষ পর্যন্ত ভোটের হিসাবে দেখা যাচ্ছে মেসির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা। যেটিকে বলা যায় ‘ভূমিধস জয়’। রোনালদোর চেয়ে প্রায় ১৮ শতাংশ ভোট বেশি পেয়েছেন।

পৃথিবীর সেরা অ্যাথলেটেরও টানা চার বছর ধরে একই রকম ফর্ম যায় না। উসাইন বোল্টের মতো অতিমানবকেও ফলস স্টার্ট করে বাদ পড়তে হয়। ফর্ম হারিয়ে ফেলেন শচীন টেন্ডুলকার। ক্রিকেটীয় বচনই বলে—ফর্ম ইজ টেম্পোরারি, ক্লাস ইজ পারমানেন্ট। মেসির শ্রেষ্ঠত্ব বোধ হয় এই জায়গাতেও—তাঁর জন্য ফর্ম আর ক্লাস দুটোই মনে হচ্ছে ‘পারমানেন্ট’!

রেকর্ডের পাতায় মেসি যাঁদের ইতিহাস বানিয়ে দিয়েছেন বলে এতক্ষণ জানলেন, সেই নামগুলো—রোনালদো, জিদান, প্লাতিনি, ক্রুইফ… এঁদের ছাপিয়ে যাওয়া; সেটিও মাত্র ২৫ বছর বয়সে। শুধু একটি শব্দই উচ্চারিত হয় এই তথ্য মাথায় রাখলে—অবিশ্বাস্য!”

সত্যিই আমরা সৌভাগ্যবান।একমাত্র আমাদের প্রজন্মই সাক্ষী হতে পারছে এমন অবিশ্বাস্য কীর্তিকাথার।

সুতরাং কতগুলো লাইক আশা করতে পারি মেসি আর মেসির এই অবিশ্বাস্য কীর্তিগুলোর জন্য??

written by: আবীর

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

53 − 48 =