“ফাঁসি নিবেন ? দশ টাকা”

আমরা মানুষকে মৃত্যুর পর সম্মান দিই । একটা মানুষ সারাজীবন হয়তো চাইবে তার আত্মীয় স্বজনকে একত্রিত করতে কিন্তু পারবে না । কিন্তু যেই মাত্র লোকটি মারা গেলো তাত্‍ক্ষনিক তার সব আত্মীয় স্বজন একত্রিত হবে । একটা মানুষকে জিবিত অবস্থায় অনেক অন্যায় অপমান সহ্য করতে হয় অথচ মৃত্যুর পর তাকে সম্মানিত করা হয় । বুঝলাম না দুনিয়ার নিতি এতো অদ্ভুত কেন ?


আমরা মানুষকে মৃত্যুর পর সম্মান দিই । একটা মানুষ সারাজীবন হয়তো চাইবে তার আত্মীয় স্বজনকে একত্রিত করতে কিন্তু পারবে না । কিন্তু যেই মাত্র লোকটি মারা গেলো তাত্‍ক্ষনিক তার সব আত্মীয় স্বজন একত্রিত হবে । একটা মানুষকে জিবিত অবস্থায় অনেক অন্যায় অপমান সহ্য করতে হয় অথচ মৃত্যুর পর তাকে সম্মানিত করা হয় । বুঝলাম না দুনিয়ার নিতি এতো অদ্ভুত কেন ?

কিছু কটু কথা বলবো এখন । ফেসবুকের বিভিন্ন ভালবাসা সংক্রান্ত পেইজে প্রায়ই একটা পোষ্ট দেখা যায় । যেখানে লেখা থাকে একটা মেয়ে একবার একটা ছেলের কাছে এসে বলে তুমি আমার জন্য কি করতে পারবা ? ছেলেটি জবাব দেয় “কিছুই না” । এমনভাবে মেয়েটি অনেক কিছুই জিজ্ঞেস করে আর ছেলেটি নেগেটিভ উত্তর দেয় । মেয়েটা চলে যাওয়ার পর ছেলেটা আপনমনে বলতে থাকে “তোমার জন্য আমি কিছুই করতে পারবো না কারন মৃত্যুর পর আমি থাকবো না । তোমার জন্য মরতে পারি ।” আমার কথা হচ্ছে এইসব ইমোশোনাল কথাবার্তা নাটক সিঃনেমাতেই চলে । বাস্তবে না ।

ভালবাসা জিনিসটা এতো সস্তা হয়ে গেছে আজকাল । মনে হয় দুদিন পর গলির টং দোকানেও কিনতে পাওয়া যাবে ।

শাহবাগ হাটতে গেলে হটাত্‍ই চমকে উঠতে পারেন এমন কথা শুনে “ফাঁসি নিবেন ? দশ টাকা” । চমকে ফিরে তাকালেই দেখতে পাবেন একজন হকার হাতে “রাজাকারের ফাঁসি চাই” লিখা বেন্ডানা হাতে আপনার পিছনে দাড়িয়ে আছে । এমনি হয়তো একদিন এমনও হতে পারে যে রাস্তার হকাররা বলতে পারে “ভালবাসা নিবেন ? দুই টাকা”

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৪ thoughts on ““ফাঁসি নিবেন ? দশ টাকা”

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 1 = 1