অভিমানী ভালবাসা -২

সূর্য ধীরে ধীরে পশ্চিম কোনে ঢলে পড়ছে। এই গোধূলির ক্ষণে পশ্চিমাকাশ রঞ্জিত। সুন্দর মনোমুগ্ধকর এক দৃশ্য। ইট পাথরের সুউচ্চ অট্টালিকায় ঘেরা শহর, খুব কম জায়গা থেকেই আকাশের এই সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। সুপ্ত ছাদে বসে আছে। চিরন্তন সত্য -সূর্য পূর্বদিকে উদয় হয় এবং পশ্চিমে অস্ত যায়। সেই চিরন্তন সত্যটাই প্রত্যক্ষ করছে। আকাশ টা কত সুন্দর, যেন মনের মাধুর্য দিয়ে অঙ্কিত কোন ছবি। কিন্তু এটা ছবি নয়। এটা বাস্তব। অন্যদিন গুলোর তুলনায় আজকের আকাশ টা খুব বেশিই ভাল লাগছে সুপ্তর কাছে। আকাশ তো সব সময়েই সুন্দর। বহু দিন পর আজ ঠিক মত আকাশ টাকে দেখেছে ও, তাই এত সুন্দর লাগছে।


সূর্য ধীরে ধীরে পশ্চিম কোনে ঢলে পড়ছে। এই গোধূলির ক্ষণে পশ্চিমাকাশ রঞ্জিত। সুন্দর মনোমুগ্ধকর এক দৃশ্য। ইট পাথরের সুউচ্চ অট্টালিকায় ঘেরা শহর, খুব কম জায়গা থেকেই আকাশের এই সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। সুপ্ত ছাদে বসে আছে। চিরন্তন সত্য -সূর্য পূর্বদিকে উদয় হয় এবং পশ্চিমে অস্ত যায়। সেই চিরন্তন সত্যটাই প্রত্যক্ষ করছে। আকাশ টা কত সুন্দর, যেন মনের মাধুর্য দিয়ে অঙ্কিত কোন ছবি। কিন্তু এটা ছবি নয়। এটা বাস্তব। অন্যদিন গুলোর তুলনায় আজকের আকাশ টা খুব বেশিই ভাল লাগছে সুপ্তর কাছে। আকাশ তো সব সময়েই সুন্দর। বহু দিন পর আজ ঠিক মত আকাশ টাকে দেখেছে ও, তাই এত সুন্দর লাগছে।

গুন গুনিয়ে গান গাইছে সুপ্ত। এক লাইন গেয়েই থেমে গেল সে। তন্দ্রার কথা মনে পড়েছে ওর। সুপ্ত’র অনেক ইচ্ছা ছিল তন্দ্রাকে পাশে নিয়ে এমনই সূর্যাস্ত দেখবে সে। একে অন্যের চোখে চোখ রেখে হারিয়ে যাবে কল্পনার জগতে। ঘর ফেরা পাখিরা সাক্ষী হবে দুটি মনের মিলনের। না, তন্দ্রাকে নিয়ে কখনও খারাপ কোন চিন্তা আসে নি সুপ্ত’র মাথায়। তন্দ্রার হাত ধরতে পারাটাই অনেক কিছু সুপ্তর কাছে। তন্দ্রাকে অপলক দেখে, কোন কথা না বলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দিতে রাজী সে। অনেক ভালবাসে তন্দ্রাকে। হয়তো বিধাতাও তাতে ঈর্ষান্বিত হয়েছে। তাইতো আজ তন্দ্রা সুপ্তর পাশে নেই।

উফ! কেন সব জায়গায় তন্দ্রা আর তন্দ্রা। তন্দ্রাকে তো ভুলতে চায় সে। কেন পারে না ভুলতে। তন্দ্রার দেয়া কষ্টগুলোর কথা মনে করতে চায় সুপ্ত। কিন্তু স্মৃতির পাতায় যে শুধু সুখ-স্মৃতিটাই দাখিল করা হয়েছে। কষ্টের স্মৃতিগুলো দাখিলা করা হয়নি। তাইতো যতই চায় তন্দ্রাকে ঘৃণা করার ততোবেশি ভালবাসে। তন্দ্রাও কি এমনই ভাবে মনে করে সুপ্তকে, প্রশ্ন জাগে সুপ্ত’র মনে। ‘হয়তোবা করে না, অনেক কষ্ট দিয়েছে মেয়েটিকে’। নিজের ওপরই অনেক রাগ হল সুপ্ত’র। পরক্ষনেই ভাবে হয়তো ওর মতই তন্দ্রাও সেই স্মৃতি গুলোর দাখিলা রাখেনি মনের জাবেদা-খতিয়ানের হিসেব বইতে। ঠিক কি কারণে সুপ্ত তন্দ্রার মাঝে এই দূরত্ব তার উত্তর খুঁজে পাওয়া খুবই মুশকিল। দোষটা কার তাও বলা যায় না। হয়তো ভাগ্যের পরিহাস, নিয়তির লেখন। তাছাড়া কীইবা বলার আছে।

দুজনে দুজনাকে ভালবাসে তবুও দূরে সরে যেতে চায় একে অপরের কাছ থেকে। তাদের নিজেদের ভালবাসার কাছে পরিবারের প্রতি ভালবাসা হয়তো বেশি। অথবা তাদের নীতিতে সায় দিচ্ছে না এটা। দুজনের মধ্যে সবচেয়ে বড় বাধা হল দুজনের পরিবার। কখনই দুটি মনের এই পবিত্র সম্পর্ককে মেনে নেবে না তারা, তারাও আবার সমাজ ব্যবস্থার কতিপয় নিতির কাছে দায় বদ্ধ, কীইবা করার আছে তাদের। ছোট থেকেই নীতিশিক্ষার বইয়ে পড়ে আসছে – আগে বাবা মা। সমাজ ব্যবস্থাও শিক্ষা দিয়েছে বাবা-মায়ের প্রতিটি কথা শুনতে হবে। তাইতো নিজেদের ইচ্ছের বিরুদ্ধে একে অপরের থেকে দূরে যেতে চাচ্ছে। কিন্তু এই দূরে থেকেও তন্দ্রাকে ভুলতে পারছে না যে সে।

““এই যে তুমি আমার থেকে যোজন যোজন দূরে থাকো
কিন্তু তুমি ঠিকই জানো
দূরত্বটা পথের এবং পায়ের হিসেব
মনকে তুমি কখনও কি গজ-ফিতেতে মাপতে পারো?””

এই লাইন কয়টাকে সার্থক করার দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছে এরা। এই তো সে দিন তন্দ্রা বলেছিল “আমি তোমাকে ঘৃণা করি” কিন্তু এর মধ্যেও যেন কিসের অপূর্ণতা খুঁজে পায় সুপ্ত। কিসের যেন এক না পাওয়ার আক্ষেপ। মাঝে মাঝে দুজনেই ভাবে সকল সামাজিক প্রথা ভেঙ্গে, সকল কিছুর চিন্তা বাদ দিয়ে স্বার্থপরের মত শুধু নিজের নিয়ে ভাবতে। কিন্তু কেউ পরিবার থেকে এ শিক্ষা পায় নি।
তন্দ্রাকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে কখন যে সূর্যটা দিগন্তে বিলীন হয়ে গিয়েছে খেয়াল করে নি সে। তন্দ্রাকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে এমন প্রতিনিয়তই হয়। ঠাণ্ডা বাতাস বইছে। কালো আকাশে আধ খানা চাঁদ। চাঁদের দিকে তাকে আছে। আকাশের আধখানা চাঁদ দেখে সুপ্ত’র সামনে তন্দ্রার হাসি মাখা মুখটি যেন হাজির হল। তন্দ্রার হাসির কথা ভেবে সুপ্তর মুখেও হাসি। কিন্তু তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হল না। তন্দ্রা’র একটা কথা মনে পড়েছে সুপ্ত’র। “তুমি তো ভালই আছো, আমাকে তো ভুলেই গিয়েছ”। তন্দ্রাকে যদি দেখানো যেত, সুপ্ত আজও ভুলে নি ওকে। তন্দ্রার কথা মনে করতে করতে কয়েকটি শব্দ যুগল-বদ্ধ করে দুটি লাইন ভেবেছে সুপ্ত-

“তোমায় আমি ভুলি নি সাক্ষী নিউরন
আজও তোমায় নিয়েই স্বপ্ন বুনি আমি সর্বক্ষণ”

জীবনানন্দ দাশ তার বনলতা সেনকে নিয়ে লিখেছিল। সুপ্তরও খুব ইচ্ছে তন্দ্রাকে নিয়ে সুন্দর সুন্দর কবিতা লেখার। কিন্তু পারে না।

তন্দ্রা যে সুপ্তকে ভালবাসে তাও অজানা নয় সুপ্ত’র। তবুও চায় অভিমান করে থাকতে। অনেক কষ্ট দিয়েছে যে এই মেয়েটিকে, আর দিতে চায় না। রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতার অমিত লাবণ্যের কাছ থেকেই অনুপ্রেরণা নিয়েছে বলা চলে। তথা কথিত বিয়ে নামক সামাজিক প্রথায় নিজেদের বন্ধন না করিয়ে বন্ধন টা মনের হলেই দোষ কি! আর তন্দ্রা, ওর সাথে যদি সুপ্ত’র বিয়ে হবার তাহলে এমনিই হবে। আপাতত এটা ভেবেই নিজের কষ্টটাকে লাঘব করবার চেষ্টা সুপ্ত। হয়তো অন্য কোন দিন সূর্যাস্তের সময় পাশে থাকবে তন্দ্রা, সূর্যাস্ত দেখতে দেখতে সন্ধ্যা নামবে। পরক্ষনেই তারকা ঝলমলে আকাশের চাঁদ। আশায় বুক বাধা ছাড়া এর বেশি কি করতে পারে তারা? সুপ্তর আশা তন্দ্রা হয়তো বুঝবে সুপ্তকে।তন্দ্রার জন্য সুপ্তর একটাই কথা বলার-

“”তুমি আছো অনুচক্ক্রিয়ায়, আছো হৃদপ্রকষ্ঠে
আছো নীল গগণে, আছো ধূসর মেঘের অন্তরালে
তুমি আছো ভাঙ্গা মোবাইলটিতে, আছো টেবিলে রাখা ঘড়িটিতে।
তুমি আছো, তোমার স্মৃতি আছে আজও
বিধ্বস্ত আমার এই জীবনে।“”

বিঃদ্রঃ প্রথম কবিতাটি রাহাত মুস্তাফিজ ভাই এর লিখা “তখন তুমি কি কর?” কবিতার অংশ। বিনানুমতিতে ব্যবহারের জন্য ক্ষমা প্রার্থী।

প্রথম পর্বঃ https://istishon.blog/node/5100

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৪২ thoughts on “অভিমানী ভালবাসা -২

  1. তোমায় আমি ভুলি নি সাক্ষী

    তোমায় আমি ভুলি নি সাক্ষী নিউরন
    আজও তোমায় নিয়েই স্বপ্ন বুনি আমি সর্বক্ষণ”

    কবিতা ও গল্পে হৃদয় ভরে উঠলো।

    1. এত খারাপ হইছে যে হাসি
      এত খারাপ হইছে যে হাসি পাচ্ছে।
      কি বলিলাম ডাক্তার সাহেব একটু সমালোচন করুন। দিক নির্দেশনা দিন…… আর আপনার একটা বিষয় এবার লেখার সময় মাথায় রেখেছি যতিচিহ্নের পর স্পেস হয় 😀

        1. ডাক্তার সাহেবের আরেকটা পরিচয়
          ডাক্তার সাহেবের আরেকটা পরিচয় আছে উনি আমার মাস্টার মশাই……
          আমার আজকের অবস্থানেত পেছনে উনার অনেক ভুমিকা আছে। আগে কি সুন্দর সমালোচনা + দিক নির্দেশনা ছিল ইদানিং ফাকি মারতেছে ……… :'( :'( :'(

  2. জয়,
    তুমি বেশ ভালো

    জয়,
    তুমি বেশ ভালো লিখো…তোমার লেখায় মুগ্ধ হওয়ার মতো যে দিকটি খুঁজে পেলাম,তা হলো~
    ছোট ছোট বাক্যে সুন্দর করে গুছিয়ে অনুভূতিগুলো যথার্থভাবে প্রকাশ করার ক্ষমতা।
    ভালো লেগেছে। :গোলাপ: :মুগ্ধৈছি: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :ফুল:
    আর যেটা মনে হলো একটু বিভ্রান্তিকর, তা হলো~
    সুপ্ত’র মনের জানালা দিয়ে তার অনুভূতি’র একটা দিক আবছাভাবে বোঝা গেলেও~
    কেনো জানি আবার কিছুই বুঝতে পারলাম না…বর্ণনায় আরেকটু অকৃপণ হতেই পারতে… :ভাঙামন: :কনফিউজড: :ভাবতেছি: :ভেংচি:

    1. হুম আসলেই দুর্বলতা তো
      হুম আসলেই দুর্বলতা তো আছেই।
      আর ছোট বাক্য লিখার জন্য ইস্টিশনের কোন যাত্রীই বলেছিল। মনে হয় আতিক ভাই , রাহাত ভাই অথবা কিরণ শেখর ভাই।

      এর পর থেকে সব লেখাই ছোট বাক্য লিখি।

      ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ।
      আরও দুর্বলতা থাকলে ধরিয়ে দিন যাতে এমন অখাদ্য এর বদলে ভাল কিছু উপহার দিতে পারি।

      1. ছোট বাক্যে লিখে সবথেকে সার্থক
        ছোট বাক্যে লিখে সবথেকে সার্থক হয়েছেন জনাব হুমায়ূন আহমেদ । আসলেই তোর ছোট ছোট বাক্যে বেশ ঝরঝরে লেখা লিখেছিস । চালিয়ে যা … ভালো হচ্ছে

  3. প্রেম বিষয়ে খুব সুন্দর বর্ণনা
    প্রেম বিষয়ে খুব সুন্দর বর্ণনা পেলাম আশা করি ভবিষ্যতে নিজের কপালে দুঃখ আসলে তার থেকে পরিত্রাণের জন্য আপনার শরণাপন্ন হব ………… 😀

  4. জয়, প্রথমে দুর্বলতাগুলো
    জয়, প্রথমে দুর্বলতাগুলো বলি-

    *গল্পের শুরুতেই একটা দৃশ্যপট তৈরী করে দিতে হয় পাঠকের মনে আর তার জন্যে চার-পাশের পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে হয় খুব শক্তিশালীভাবে। তুমি শুরুটা ভালভাবেই করেছিলে কিন্তু তোমাকে সমাপিকা ক্রিয়াটা একটু ভালভাবে খেয়াল করতে হবে।
    উদাহরনঃসূর্য ধীরে ধীরে পশ্চিম কোনে ঢলে পড়ছে। এই গোধূলির ক্ষণে পশ্চিমাকাশ রঞ্জিত। সুন্দর মনোমুগ্ধকর এক দৃশ্য। ইট পাথরের সুউচ্চ অট্টালিকায় ঘেরা শহর, খুব কম জায়গা থেকেই আকাশের এই সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। (খেয়াল কর,// খুব কম জায়গা থেকেই এই সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়,// এর আগে কিন্তু তুমি শহরের কোন জায়গায় অবস্থান করছো তা বলিনি, বলেছো পরের লাইনে।

    এর বদলে যদি লেখা যায়-সুপ্ত তার বাসার ছাদে বসে আছে। সূর্য ধীরে ধীরে ঢলে পড়ছে পশ্চিম কোণে। এই গোধূলি বেলায় রঞ্জিত পশ্চিমাকাশ খুব মনোমুগ্ধকর এক দৃশ্য। ইট পাথরের সুউচ্চ অট্টালিকায় ঘেরা শহরের খুব কম জায়গা থেকেই আকাশের এই সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।

    তাহলে কেমন হয়?

    * ছোট ছোট লাইনে লিখতে গেলে নতুন লেখকদের সবচেয়ে যে বড় সমস্যা হয় তা হল প্রকৃত গতিটা থমকে যায়। অর্থাৎ ছন্দটা কেটে যায় হঠাৎ করে।

    উদাহরণঃ গুন গুনিয়ে গান গাইছে সুপ্ত। এক লাইন গেয়েই থেমে গেল সে। তন্দ্রার কথা মনে পড়েছে ওর।
    এইসব জায়গায় আকাঙ্ক্ষাটুকু শেষ করতে হবে। পাঠকের মনে প্রশ্ন জাগবে সে কোন গান গাইছে, আর লাইনগুলো অনেক ছোট ছোট করলে অনেকসময় রস হারিয়ে যায়। এর বদলে যদি লেখা যায়-
    গুনগুনিয়ে গান গাইতে থাকা সুপ্তর তন্দ্রার কথা মনে পড়তেই থেমে গেল সে।

    আমি জাস্ট উদাহরণ দিলাম, প্রত্যেক লেখকের আলাদা স্বকীয়তা থাকে। তবে রসটা ধরে রাখতে হবে।

    * অনেক জায়গায় প্রয়োজনীয় শব্দ মিসিং হয়েছে

    এখন বলি কি ভাল লেগেছে–

    *শব্দের অলংকারে কথাগুলো সাজানোর চেষ্টা ভাল লেগেছে, অনেকাংশে সফল।
    প্রয়োজনীয় মেডিসিনঃ হুমায়ুন আজাদের কিশোর সমগ্র, এবং ফাল্গুনি মুখারজির উপন্যাস

    *ভাবনাটা ভালো লেগেছে।

    *লেখার মাঝে তোমার অনুভবটা ছড়িয়ে দিতে পেরেছো অনেকাংশে সেটা ভাল লেগেছে।

    অনেক অনেক শুভকামনা তোমার জন্য :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:

  5. চমৎকার একটা মন্তব্য
    চমৎকার একটা মন্তব্য করেছেন।
    অনেক জিনিস খেয়াল করলাম……
    ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ। অনেক অনেক ধন্যবাদ।
    // *শব্দের অলংকারে কথাগুলো সাজানোর
    চেষ্টা ভাল লেগেছে, অনেকাংশে সফল। // এবং
    // * অনেক জায়গায় প্রয়োজনীয় শব্দ
    মিসিং হয়েছে // -উদাহরণ দিলে ভাল হত।

  6. জয়, তোমার সমালোচনা করতে ইচ্ছে
    জয়, তোমার সমালোচনা করতে ইচ্ছে করে না। এই বয়সে তুমি যে এমন লেখা লিখতে পারো তা সত্যি অনেক বড় ব্যপার। বিশেষ করে এই যুগে। যেখানে কিশোর কিশোরীরা ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ছাড়া কিছু বুঝে না।
    তবে তুমি যদি লেখাতে সত্যি উন্নতি করতে চাও, মনোযোগী হতে চাও তবে অবশ্যই পড়তে হবে। কোথায় যেন বলেছিলে তুমি তেমন বই পড়ো না। লেখার মান ভাল করতে হলে আগে ভালো পাঠক হতে হবে।
    শুভ কামনা। ভুল ত্রুটি আস্তে আস্তে তুমি নিজেই বুঝে যাবে।
    তবে এটা অবশ্যই বলবো তোমার আগের লেখা গুলোর চেয়ে ইদানীং লেখাগুলো অনেক ভালো হচ্ছে।

    1. ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। আমি
      ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। আমি চাই না সমালোচনার ক্ষেত্রে কেউ আমার বয়স টা বিবেচনায় আনুক।

      আমি আগে পড়তাম না ইদানিং পড়ি একটু ।
      😀

  7. জয় তোমার লেখা ভালো লেগেছে।
    জয় তোমার লেখা ভালো লেগেছে। দ্রুপদ দা’য়ের কমেন্ট আসলেই দারুন ছিল।আমি নিজেও অনেক কিছু জানলাম।

  8. হুম ! ভালো লাগল পড়ে ।
    হুম ! ভালো লাগল পড়ে । মিত্রদার সমালোচনাটা খেয়াল রেখো ভাই । আর সব কথার মূল কথা হলো জানতে হবে !!! আজ তুমি এই শব্দগুলা লিখতে পারছ কারন তুমি এইগুলা জানো !!!
    যত বেশি শব্দের উপর দখল থাকবে তত উন্নত লেখা হবে ।
    একটাই কথা-তুমার মত এই বয়সের ছেলে এত ভালো লিখতে পারে এটা তোমার এই লেখাটা না পড়লেই বুঝা যেত না !

    কিপ ইট আপ জয় ।

    জয় বাংলা বলে আগে বাড়ো

  9. তন্দ্রাকে নিয়ে কখনও খারাপ

    তন্দ্রাকে নিয়ে কখনও খারাপ কোন চিন্তা আসে নি সুপ্ত’র মাথায়। – See more at: https://istishon.blog/node/5924#sthash.sG22iuUo.dpuf

    – এই খানে কি বলতে চেয়েছিস ? তুই কি বিবাহ পূর্ব শারীরিক সম্পর্ক কে খারাপ চিন্তা হিসেবে ইঙ্গিত করেছিস ?

    1. অনেক টা তেমনই। আমি এখানে মুলত
      অনেক টা তেমনই। আমি এখানে মুলত বোঝাতে চেয়েছি যে তন্দ্রাকে সে কামুক দৃষ্টিতে দেখে নি।

      আমাদের জেনারেশনের ম্যক্সিমাম মনে করে সেটাই বুঝি ভালবাসা, আমি সেটাকেই একটা অন্য দৃষ্টি দেয়ার চেষ্টা করেছি যে ওটাই ভালবাসা নয়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

21 − = 15