দুঃস্বপ্নের প্রলম্বিত প্রহরে চেয়ে আছি এখনও বাবার প্রতীক্ষায়

দরজায় সজোরে বুটের বাড়ি। অন্যসময় হলে কি হতো জানি না, কিন্তু যুদ্ধের রেণু যখন বাতাসে ওড়ে তখন এতেই অন্তরাত্মা খাচাছাড়া হয়ে যায়। বাড়িতে এখন নিশ্চুপ নিরবতা, কেউ বলে দেয় নি তবুও চার বছরের টুনিও যেন বুজে গেছে বিপদের ঘনঘটা। বাবা চিন্তার রেখা মুখে এঁকে আমাদের শান্ত থাকার ইশারা দিয়ে লুকিয়ে পড়তে বাধ্য করে নিজেদের বিপদ ত্বরান্বিত করে দ্বিধান্বিত পদে দরজা খুলতে এগিয়ে গেলেন। মা কি আর সরতে পারে তাকে ছাড়া, সারাজীবন সাথে থাকার ওয়াদা যে পূরণ হয় না তাতে। আর দরজা খোলার পর পাকি হায়েনার দল বাবাকে তুলে নিয়ে গেল, প্রাপ্ত বাধার প্রতিরুপে মাকে মেরেও গেল। কিন্তু তবুও বুজি ওদের রক্ত পিপাসা মিটল না।সারাবাড়ি আতিপাতি করে খুজেও আমাদের না পেয়ে মনে বোধহয় কিছুটা অতুষ্টি নিয়েই গেল! সেদিনই বুঝে গিয়েছিলাম মায়ের রক্ত দিয়ে কেনা এই জীবন শোধ করতে হবে কষ্ট দিয়ে। তারপরেও সারারাত ছিলাম অপেক্ষায়,এখনও করি প্রতীক্ষা। শুধু বাবা একটিবারের জন্য আসুক,শুধু এটুকুই বলুক,








’বেটি! পরীক্ষা কেমন দিলি? খুবই কঠিন প্রশ্ন? তাতো একটু হবেই মা,এতো স্কুলের পরীক্ষা না,জীবনের পরীক্ষা।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “দুঃস্বপ্নের প্রলম্বিত প্রহরে চেয়ে আছি এখনও বাবার প্রতীক্ষায়

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

39 + = 48